Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

ক্লোজআপ ওয়ান সেরা ১০ এর 'ভালোবাসার এক যুগ'

ক্লোজআপ ওয়ান সেরা ১০ এর 'ভালোবাসার এক যুগ'
ক্লোজআপ ওয়ান-২০০৬ এর সেরা দশ শিল্পী/ ছবি: সুমন শেখ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ক্লোজআপ ওয়ান প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়ে বন্ধুত্বের গল্পটা শুরু। এরপর কেটে যায় ১২টি বছর। বন্ধুত্বের সম্পর্কটা আছে ঠিক আগের মতোই। তাইতো ভালোবাসার এ বন্ধনকে আরও জোরালো করতে উদযাপন করা হলো ক্লোজআপ ওয়ান 'তোমাকেই খুজছে বাংলাদেশ-২০০৬'র একযুগ।

এক যুগ পূর্তি উপলক্ষ্যে তাদের সেরা ১০ জনের অ্যালবাম বের করা হয়, যার নামকরণ করা হয় 'ভালোবাসার এক যুগ '।

মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে লেকশোর হোটেলে এক যুগ পূর্তি  উপলক্ষ্যে এক  উৎসবের আয়োজন করা হয়। সেখানে ক্লোজআপ ওয়ান-১ এর সেরা দশ জনের অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/13/1550003132684.gif

উৎসবমুখর এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনবিআর-এর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। আরও উপস্থিত ছিলেন কণ্ঠশিল্পী সামিনা, ফাহমিদা নবী,  পার্থ বড়ুয়া, কুমার বিশ্বজিৎ, আখি আলমগীর, গীতিকার আসিফ ইকবাল সহ সংগীত জগতের আরও অনেকে। 

'ভালোবাসার এক যুগ' অ্যালবামে ক্লোজআপ ওয়ান-২০০৬ এর সেরা ১০ শিল্পী গেয়েছেন ১০টি গান। এছাড়াও থাকছে সম্মিলিত কণ্ঠে একটি দেশের গান। আর সবগুলো গানের গীতিকার জামাল হোসেন ও সুর করেছেন মুহিন খান।

এক যুগ নিয়ে ২০০৬ এর ক্লোজআপ ওয়ান সেরা সালমা জানান, ক্লোজআপ ওয়ান প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়ে নিজেকে সবার সামনে তুলে ধরার প্রাপ্তিটাই অনেক বড় পাওয়া। এছাড়া ২০০৬ সালে তার মৌলিক গান ছিলো চার থেকে পাঁচটি আর এখন ২০১৯ এ এসে তার মৌলিক গান হয়েছে ১৫০ থেকে ২০০টি। 

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/13/1550003158124.gif

১০টি গানের সুরকার মুহিন খান বলেন, ‘ভালোবাসা আছে বলেই আজকের এই এক যুগ। ভালোবাসার সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতেই এ অ্যালবামটি বের করা।’

গীতিকার আসিফ ইকবাল বলেন, ‘শিল্পীরা বেচে থাকে তাদের নিজেদের গানের মধ্যে দিয়ে। নিজের তৈরি গান একজন শিল্পীকে ৬০ বছর বাঁচিয়ে রাখে। তাই সবার উচিত আগামী ১২ বছরে যেন অন্তত ছয়টি গান নিজেদের করা গান হয়।’

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে অনুষ্ঠিত হয় সংগীত বিষয়ক প্রতিযোগিতা ক্লোজআপ ওয়ানের দ্বিতীয় আসর। আর সেখান থেকেই বেড়িয়ে আসেন সেরা দশজন প্রতিযোগী সালমা, মুহিন, নিশিতা, রন্টি দাস, কিশোর, পলাশ, পুলক, বাঁধন, সাব্বির ও পুতুলের মতো শিল্পীরা।

আপনার মতামত লিখুন :

জন্মদিনেও একাকিত্বে প্রবীর মিত্র

জন্মদিনেও একাকিত্বে প্রবীর মিত্র
অভিনেতা প্রবীর মিত্র, ছবি: সংগৃহীত

ঢাকাই সিনেমার রঙিন নবাব সিরাজউদ্দৌলা বলা হয় প্রবীর মিত্রকে। ১৯৮৯ 'রঙিন নবাব সিরাজউদ্দৌলা' সিনেমায় অভিনয় করে ঝড় তুলে ছিলেন ঢাকাই সিনেমার এই বর্ষীয়ান চলচ্চিত্র অভিনেতা।

আজ এই অভিনেতার ৭৮ তম জন্মদিন। অথচ তাঁকে নিয়ে নিয়ে কোন আয়োজন কিংবা আলোচনা। বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমের পক্ষে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, জন্মদিনেও রাজধানীর সেগুনবাগিচার বাসায় অসুস্থতা আর একাকিত্বে কাটছে প্রবীর মিত্রের। অস্টিওপরোসিসে আক্রান্ত হয়ে ঠিকমত হাঁটতে পারেন না প্রবীর মিত্র। আর ২০০০ সালে স্ত্রী অজন্তা মিত্র মারা যাওয়ার পর থেকে একাকিত্বে ভুগছেন, বাসায় বসে সারা দিন কাটান বই পড়ে কিংবা পত্রিকা আর টেলিভিশন দেখে। তাই জন্মদিনেও নেই বেশি কোন আয়োজন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566128171988.jpg

 

প্রবীর মিত্র 'লালকুটি' থিয়েটার গ্রুপে অভিনয়ের মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন। স্কুলজীবনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'ডাকঘর' নাটকে অভিনয় করেছিলেন প্রবীর মিত্র। পরবর্তীতে পরিচালক এইচ আকবরের হাত ধরে 'জলছবি' নামে একটি চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়েছে বড়পর্দায় তার অভিষেক হয়।

অভিনয়ের বাইরে প্রবীর মিত্র ষাটের দশকে ঢাকা ফার্স্ট ডিভিশন ক্রিকেট খেলেছেন, ছিলেন অধিনায়ক। একই সময় তিনি ফার্স্ট ডিভিশন হকি খেলেছেন ফায়ার সার্ভিসের হয়ে। এছাড়া কামাল স্পোর্টিংয়ের হয়ে সেকেন্ড ডিভিশন ফুটবলও খেলেছেন।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয়ী প্রবীর মিত্র চাঁদপুর শহরে জন্ম গ্রহণ করেন। ব্যক্তিজীবনে তার এক মেয়ে তিন ছেলে। তবে ছোট ছেলে মারা গেছেন ২০১২ সালে।

১৫ বছর পর আবারও স্ত্রীকে গান উৎসর্গ করলেন আসিফ

১৫ বছর পর আবারও স্ত্রীকে গান উৎসর্গ করলেন আসিফ
কণ্ঠশিল্পী আসিফ ও তার স্ত্রী সালমা আসিফ মিতু

 

কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরের প্রেম কাহিনী কম বেশি সবার জানা। বহু কাঠখড় পুড়িয়ে দীর্ঘদিন প্রেম করে বিয়ে করেছেন স্ত্রী মিতুকে। সেই মানুষটাকে ২০০৪ সালে নিজের প্রথম কোন গান উৎসর্গ করেছিলেন আসিফ আকবর।

গানটি ছিল আসিফের ১১তম একক অ্যালবাম ‘তবুও ভালোবাসি’র ৪নম্বর  ট্র্যাক ‘কোন একদিন যদি চলে যাই, তারাদের চেয়েও আরও দূরে’। শফিক তুহিনের কথায় গানটির সুর করেছিলেন রাজেশ। এরপর চলে গেছে ১৫টি বছর। কিন্তু প্রিয় সেই মানুষকে আর কোন গান উৎসর্গ করা হয়নি আসিফের।

তবে এবার আর ভুল করলেন না আসিফ। প্রায় ১৫ বছর পর আবারও স্ত্রী মিতুকে উৎসর্গ করে গান গাইলেন আসিফ আকবর। গানের শিরোনাম ‘ভালো থাকার জন্য’। আহমেদ রিজভী’র কথা ও সুরে গানটির সঙ্গীতায়োজন করেছেন কিশোর দাস। গানটি প্রকাশ করে আর্ব এন্টারটেইনমেন্ট।

গানটি প্রসঙ্গে আসিফ আকবর বলেন, 'মিতু আর আমি এক আত্মা। আমার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে আমাকে গুছিয়ে রেখেছে মিতু।  ওকে শুধু ভালোবাসি বললে কম হয়ে যায়। এর থেকে বড় কোন শব্দ যদি প্রেমে থেকে থাকে তাহলে সেটা মিতুর জন্যই প্রযোজ্য।'

সালমা আসিফ মিতু বলেন, 'আসিফ একটু পাগলাটে। তবে আমি মানিয়ে নিয়েছি। ওর ব্যক্তিত্ব আমাকে বরাবরই মুগ্ধ করে। ওর সব গানই আমার প্রিয়। তবে যে গানটা একান্তই আমাকে নিয়ে করা , সেই গানের প্রতি একটু বেশিই মুগ্ধতা থাকে। আমরা ভালো আছি। এভাবেই ভালো থাকতে চাই। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।' 

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র