Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

নালিশ নয়, দেশের বর্তমান অবস্থা জানাতে গেছেন: মওদুদ

নালিশ নয়, দেশের বর্তমান অবস্থা জানাতে গেছেন: মওদুদ
ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

 

নালিশ করতে নয়, দেশের বাস্তবিক বর্তমান অবস্থা তুলে ধরতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জাতিসংঘে গেছেন বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।

তিনি বলেন, 'দেশের মানুষ কি অবস্থায় আছে। বিএনপি, বিরোধী দল ও সাধারণ মানুষদের উপর যে অত‍্যাচার, নিপীড়ন হচ্ছে, মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে সেই বাস্তবিক অবস্থা তুলে ধরতে গেছেন।'

সম্প্রতি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের জাতিসংঘ সফর নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের মন্তব্যের জবাবে মওদুদ আহমদ এসব কথা বলেন।

শুক্রবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরাম আয়োজিত  'গণগ্রেফতার ও বিচার বিভাগের উপর সরকারের হস্তক্ষেপ বন্ধ এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার গঠনের দাবি শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় সড়ক ভবন নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি যে একটি নালিশ পার্টি তারা তা বারবার প্রমাণ করেছে। জাতিসংঘে গিয়েও তারা তারই পুনরাবৃত্তি করবে। তারা (বিএনপি) এমনভাবে নালিশ শুরু করেছে। বাধ্য হয়ে হয়তো জাতিসংঘ তাদের কমপ্লেইন শোনার জন্য তাদের আমন্ত্রণ করেছে।'

ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের ৯০ দিন বাকি আছে। এই কথাটা বলতে যাওয়া নালিশ নয়। এতে তারা (আওয়ামী লীগ) শঙ্কিত হয়েছেন। তারা বিব্রতবোধ করছেন যে, কি করে জাতিসংঘের মহাসচিব বিএনপিকে নিমন্ত্রণ করে আলোচনার দাওয়াত দিয়েছেন। এতে তারা ঈর্ষান্বিত হয়ে এসব কথা বলছেন।

মওদুদ আহমদ বলেন, তাদের (আওয়ামী লীগের) উদ্দেশ্য হচ্ছে এই জাতীয় ঐক্যটা যেন না হয়। ঐক‍্য হবেই। এই ঐক‍্য হয়ে গেছে। ড. কামাল, আসম আব্দুর রব, বি. চৌধুরী, মান্না এমনকি বাম জোটগুলো আজকে একটি জায়গায় একমত। সুতরাং, জাতীয় ঐক্যমত সৃষ্টি হয়ে গেছে। এখন এটাকে আরও সংঘবদ্ধ হতে হবে। সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।

তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো ইচ্ছে এই সরকারের নেই। তাদের আচরণে মনে হয়, তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে, একটি একতরফাভাবে নির্বাচন করে আবার ক্ষমতায় আসা। কিন্তু বাংলাদেশের মাটিতে সেই নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি আর হবে না। এমন একটা পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে সরকার বাধ্য হবে। যদি তা না করেন, তাহলে জনগণ রাজপথে নেমে জবাব দেবে।

যদি সরকার সমঝোতায় না আসে এমন কর্মসূচি দেয়া হবে, সেই কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটানো হবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি। 

বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরামের উপদেষ্টা সাইদ আহমেদ আসলামের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এজেডএম জাহিদ হোসেন, বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি মুহাম্মদ সাইদুর রহমান প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

রাজশাহী বিএনপির সমাবেশ ২৯ জুলাই, জোট-ফ্রন্ট ছাড়ার দাবি

রাজশাহী বিএনপির সমাবেশ ২৯ জুলাই, জোট-ফ্রন্ট ছাড়ার দাবি
২৯ জুলাই রাজশাহী বিএনপির সমাবেশ উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে বাদ দিয়ে এককভাবে আন্দোলনে নামার জন্য কেন্দ্রীয় বিএনপির কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন দলটির রাজশাহীর শীর্ষ নেতারা।

রোববার (২১ জুলাই) রাজশাহী নগরীর একটি রেস্তোরাঁয় আগামী ২৯ জুলাইয়ের সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভায় এ কথা বলেন নেতারা।

সভায় বক্তারা বলেন, 'বিএনপি কমিউনিস্ট পার্টির মতো কোনো রাজনৈতিক দল নয়। যে দলের লাখ লাখ কর্মী-সমর্থক রয়েছে, সেই দলকে আন্দোলন করতে জোট-ফ্রন্ট গঠন করতে হবে কেন? খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনে এখন আর কারো সঙ্গে জোট নয়। বিএনপি একাই রাজপথে নামবে এবং কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলে বেগম জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্তি করে আনবে।'

এদিকে, প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু জানান, ২৯ জুলাই দুপুর ২টার দিকে সমাবেশ করা হবে। নগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট, গণকপাড়া মোড় অথবা মনি চত্বরের যেকোনো এক স্থানে সমাবেশের জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছে। যদি পুলিশ অনুমতি নাও দেয়, তবুও যেকোনো মূল্যে সমাবেশ করা হবে।

মিজানুর রহমান মিনু বলেন, 'রাজশাহী থেকে অতীতে সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সূচনা হয়েছে। বেগম জিয়ার মুক্তির আন্দোলনও রাজশাহীর বিভাগীয় মহাসমাবেশ থেকে শুরু করা হবে। রাজশাহীর মানুষ মাথা পেছনে করে রাখে না। তারা সব সময় সামনের দিকে এগিয়ে যায়। সরকারের যে কোনো বাধা ও ষড়যন্ত্র উপক্ষো করে রাজশাহীর মহাসমাবেশকে জনসমুদ্রে পরিণত করা হবে।'

এদিকে, প্রস্তুতি সভায় মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিলন নেতাকর্মীদের সমাবেশে হেলমেট পরে আসার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, 'বিভিন্ন সময়ে বিএনপির সমাবেশে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী ও পুলিশ বাহিনী আক্রমণ করে। তাদের উদ্দেশ্য থাকে সমাবেশ পণ্ড করা। তাই এবার যেকোনো মূল্যে সমাবেশ করতে হবে। প্রয়োজনে নেতাকর্মীরা হেলমেট পরে আসবে।'

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, হাবিবুর রহমান হাবিব, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নাদিম মোস্তফা, জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সাইদ চাঁদ, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম মার্শাল প্রমুখ।

জাতীয় ছাত্র সমাজের ১৫৩ সদস্য বিশিষ্ট সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি

জাতীয় ছাত্র সমাজের ১৫৩ সদস্য বিশিষ্ট সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি
জাতীয় ছাত্র সমাজ

 

জামাল উদ্দিন আহবায়ক ও ফয়সাল দিদার দিপুকে সদস্য সচিব করে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় পাটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের কাদের।

রোববার (২১ জুলাই) জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গার সুপারিশে ১৫৩ সদস্য বিশিষ্ট সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির অনুমোদন করা হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি আগামী ৩ মাসের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ ইউনিট কমিটি গঠন করে কেন্দ্রীয় সম্মেলন আয়োজন করবে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান নব গঠিত ছাত্র সমাজ নেতৃবৃন্দ।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য রেজাউল ইসলাম ভূইয়া, আলমগীর সিকদার লোটন, যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ্-ই-আজম, নির্মল চন্দ্র দাশ, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ ইফতেখার আহসান হাসান, যুগ্ম ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিরু প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র