Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মেকআপ হোক নির্ভুল!

মেকআপ হোক নির্ভুল!
মেকআপ সামগ্রী। ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ভারী কিংবা হালকা মেকআপের ক্ষেত্রে কিছু ভুল কমবেশি সকলেই করে থাকে।

আপাতদৃষ্টিতে এই ভুলগুলো ছোট মনে হলেও, লম্বা সময়ের প্রচেষ্টা ও কারুকাজ এক মুহূর্তেই নষ্ট হয়ে যায় ছোট একটি ভুলে। মেকআপের কয়েকটি বিষয়ে খেয়াল রাখলে সহজেই এড়িয়ে যাওয়া যায় এই ভুলগুলো।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দাওয়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে সবারই। এই সপ্তাহের আউটিংয়ের মেকআপ পারফেক্ট রাখতে জেনে নিন, সাধারণত কোন ভুলগুলো হয়ে থাকে মেকআপে এবং কীভাবে ভুলগুলো এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব।

শুষ্ক ত্বকে মেকআপ ব্যবহার

মেকআপ পণ্য ব্যবহারের সবচেয়ে বড় ও প্রধান ভুল হলো শুষ্ক ত্বকে মেকআপ করা। এতে সুন্দর দেখানোর পরিবর্তে নিস্প্রাণ, নিস্প্রভ, বয়ষ্ক ও ক্লান্ত দেখায়। মেকআপ করার আগে অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করে ত্বক কোমল করে নিতে হবে।

অতিরিক্ত ফাউন্ডেশন ব্যবহার

অনেকের মাঝেই ভ্রান্ত ধারণা থাকে- পরিমাণে বেশি ফাউন্ডেশন ব্যবহারে মেকআপ ভালো হয়। অথচ ঘটনা একেবারেই বিপরীত। ফাউন্ডেশনের পরিমাণ প্রয়োজনের চাইতে বেশি হয়ে গেলে চেহারার উপর পরত পরে যায়। যা চেহারায় কেকি (Cakey) ভাব নিয়ে আসে। যা পুরো মেকআপের সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয়।  

কনসিলার আগে না ফাউন্ডেশন?

কনসিলার ব্যবহারে সবার মাঝেই দ্বিধা থাকে। কোনটি আগে ব্যবহার করবে। সেক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, চেহারার দাগ ঢাকার জন্য প্রথমে ফাউন্ডেশন ও এরপর কনসিলার ব্যবহার করতে হবে। এতে দাগ ভালোমতো কভার করা সম্ভব হয়। কনসিলার ব্যবহারের ক্ষেত্রে দুইটি বিষয় মনে রাখতে হবে। এক- খুব বেশি পরিমাণে কনসিলার ব্যবহার করা যাবে না। এতে চোখের নিচে বয়সের ছাপ পরে যায়। দুই- কনসিলারের সাহায্যে মুখের প্রায় সকল স্থানের দাগ ঢাকা সম্ভব। ব্রণের দাগ, কাটা দাগ, র‍্যাশ সকল কিছুই কনসিলার ঢেকে দিতে পারে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Sep/13/1536839275983.jpeg

ব্লাশ অন ব্যবহারে আধিক্য

পুরো চেহারার পারফেক্ট লুক মুহূর্তেই হাস্যকর করে তুলতে ব্লাশ অনের অতিরিক্ত ব্যবহারই যথেষ্ট। অন্যদিকে পারফেক্ট মেকআপের জন্য সঠিক মাত্রার ব্লাশ অন ব্যবহার অপরিহার্য। তাই ব্লাশ অন ব্যবহারে খেয়াল রাখতে হবে, অতিরিক্ত ব্লাশ অন ব্যবহার করা যেন না হয়।

নিয়ম না মেনে মাশকারার ব্যবহার

মাশকারা কেনার ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, মাশকারার রঙ আইভ্রুর রঙের চাইতে দুইটি শেড গাড় হবে। ব্যবহারের ক্ষেত্রে চোখের পাপড়িতে মাশকারা দুইবার দিতে হবে বা দুইটি কোট দিতে হবে। এছাড়া চোখ দেখতে খালি খালি লাগবে।

লিপ লাইনার ঠিকভাবে ব্লেন্ড না করা

লিপস্টিক ব্যবহারের পর লিপলাইনার ব্যবহার করতে হবে। তবে অনেকেই লিপ্সটিকের চাইতে কয়েক শেড গাড় অথবা একেবারেই ভিন্ন রঙের লিপ লাইনার ব্যবহার করেন। যেটা করা থেকে বিরত থাকতে হবে। লিপস্টিকের চাইতে এক শেড হালকা হতে হবে লিপলাইনার এবং পুরো ঠোঁটে ভালোভাবে লিপ লাইনার ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

ভুল আলোতে মেকআপ করা

চেষ্টা করতে হবে প্রাকৃতিক আলোতে মেকআপ ব্যবহার করার। ঘরের আলো হয় কম থাকে নতুবা বেশি। ফলে ত্বকের সাথে মেকআপের সামঞ্জস্য বোঝা যায় না। এছাড়া ক্ষেত্র বিশেষে অতিরিক্ত আলোতে মেকআপ করার পর প্রাকৃতিক আলোতে গেলে চেহারা ও ত্বকের রঙ একেবারেই ভিন্ন দেখায়। দিনের বেলার অনুষ্ঠানে তাই প্রাকৃতিক আলোতে সাজার চেষ্টা করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

চার উপাদানে খেজুর গুড়ের আইসক্রিম

চার উপাদানে খেজুর গুড়ের আইসক্রিম
খেজুর গুড়ের আইসক্রিম, ছবি: সংগৃহীত

খেজুর গুড়ের পায়েস নিশ্চয় খাওয়া হয়েছে, কিন্তু খেজুর গুড়ে তৈরি আইসক্রিম কি খাওয়া হয়েছে কখনো?

চিনির মিষ্টি নয়, গুড়ের মিষ্টিতে তৈরি এই আইসক্রিমে পাওয়া যাবে একেবারেই ভিন্ন ঘরানার অচেনা স্বাদ।

বাইরের তাপমাত্রা বাড়তে থাকলে আইসক্রিম খাওয়ার ইচ্ছাটাও তাড়া দিতে থাকে। এই সুযোগে ঘরে বসে ফ্রেশ দুধ ও গুড় দিয়ে তৈরি করে নিন অচেনা স্বাদের মিষ্টান্ন খেজুর গুড়ের আইসক্রিম।

খেজুর গুড়ের আইসক্রিম তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563538258867.JPG

১. দুই কাপ ক্রিম।

২. এক কাপ দুধ।

৩. চারটি ডিমের কুসুম।

৪. আধা কাপ খেজুর গুড়।

খেজুর গুড়ের আইসক্রিম যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563538280218.JPG

১. একটি পাত্রে ভালোভাবে ডিমের কুসুমগুলো ফেটিয়ে নিতে হবে।

২. ভিন্ন একটি সসপ্যানে ক্রিম ও দুধ একসাথে মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে বলক আনতে হবে।

৩. গরম দুধ ও ক্রিমের মিশ্রণের এক-চতুর্থাংশ ডিমের কুসুমে দিয়ে পুনরায় ভালোভাবে হুইস্ক করতে হবে তথা ফেটিয়ে নিতে হবে।

৪. এবারে ডিমের মিশ্রণটি সস্প্যানে দিয়ে পুনরায় জ্বাল দিতে হবে এবং গুড় মেশাতে হবে। সকল উপাদান ভালোভাবে মিশে গেলে কাস্টার্ডের মতো ঘন মিশ্রণ তৈরি হবে।

৫. মিশ্রণ ঘন হয়ে আসলে কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে কাঁচের পাত্রে ঢেলে ঠাণ্ডা করতে হবে। ঠাণ্ডা হয়ে এলে পাত্রের মুখ বন্ধ করে ডিপ ফ্রিজে সারারাতের জন্য রেখে দিতে হবে।

পরদিন সকালে নাশতার সাথে উপভোগ করুন খেজুর গুড়ের আইসক্রিম।

আরও পড়ুন: দশ মিনিটে বাদামের স্বাদে কুলফি মালাই

আরও পড়ুন: গরমে স্বস্তি আনবে তিন ভিন্ন স্বাদের কোল্ড কফি

হৃদরোগের ঝুঁকি কমে দারুচিনি গ্রহণে

হৃদরোগের ঝুঁকি কমে দারুচিনি গ্রহণে
দারুচিনিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ঝাল ও মিষ্টি উভয় ধরনের খাবার তৈরিতেই দারুচিনি বাড়তি স্বাদ ও গন্ধ যোগ করে।

আমাদের রান্নায় দারুচিনি ব্যবহারের মূল কারণ হলো ফ্লেভার, তবে আরও একটি বিশেষ কারণে নিত্যদিনের খাদ্যাভ্যাসে দারুচিনি রাখা প্রয়োজন। প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণ দারুচিনি গ্রহণে আপনার হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকবে। সেই সাথে নিয়ন্ত্রণে থাকবে ডায়বেটিসের সমস্যাটিও।

মশলা হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া এই উপাদানটিতে থাকা শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও পলিফেনল শরীরে অক্সিডেটিভ ড্যামেজ থেকেও রক্ষা করতে কার্যকরি। গবেষণা জানাচ্ছে, দারুচিনি গুঁড়া গ্রহণ বেশ কয়েকদিক থেকেই সুস্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ। তেমন কয়েকটি স্বাস্থ্য উপকারিতা জেনে রাখুন।

প্রদাহ কমায় দারুচিনি

বেশ কিছু গবেষণা জানাচ্ছে, দারুচিনিতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রদাহ বিরোধী তথা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান হিসেবে কাজ করে। পেশীর ব্যথাভাব, ফোলাভাব, শরীরের কোন অংশে হুটহাট ব্যথা দেখা দেওয়ার মতো সমস্যাগুলো কমাতে কাজ করে দারুচিনি।

ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে কাজ করে দারুচিনি

রক্তে চিনি ও ইনস্যুলিনের মাত্রার হেরফেরের উপরেই নির্ভর করে মেটাবোলিজমের মাত্রা ও টাইপ-২ ডায়বেটিস দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা। বেশ কিছু পরীক্ষা থেকে দেখা গেছে দারুচিনি গুঁড়া গ্রহণে ডায়বেটিস রোগীদের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। দারুচিনি শুধু রক্তে চিনির মাত্রাই নয়, ইন্স্যুলিন সেনসিটিভিটিকেও নিয়ন্ত্রণে কার্যকরি ভূমিকা পালন করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563531546124.jpg

হৃদরোগ দূরে রাখে দারুচিনি

প্রতিদিন ১২০ মিলিগ্রাম পরিমাণ দারুচিনি গ্রহণে খারাপ কোলেস্টেরল (LDL), ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ভিন্ন একটি গবেষণার ফলাফল বলছে- যারা নিত্যদিনের খাবারে হলুদ ও দারুচিনি গুঁড়া রাখে, তাদের রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা পূর্বের চাইতে কমে যায়। খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকলে হৃদরোগ দেখা দেওয়ার ঝুঁকিও কমে যায় তুলনামূলক অনেক বেশি।

ইনফেকশন কমাতে সাহায্য করে

সিনামন এক্সট্র্যাক্ট তেলে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল উপাদান, যা প্রায় সকল ধরনের ইনফেকশনের বিরুদ্ধে কাজ করে। দারুচিনিতে থাকা সিনাম্যালডিহাইড (Cinnamaldehyde) হলো প্রধান উপাদান, যা ইনফেকশন দ্রুত সারাতে কাজ করে। বিশেষত ইষ্ট ইনফেকশনের বিরুদ্ধে দারুচিনির তেল সবচেয়ে উপকারী।

মুখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী

এক্ষেত্রে ধন্যবাদ দিতে হবে দারুচিনিতে থাকা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রভাবকে, যা মুখের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে কাজ করে। গবেষণা থেকে দেখা গেছে দারুচিনি দাঁতের ক্ষয়রোগ ও মুখে বাজে গন্ধ হওয়া প্রতিরোধে কাজ করে।

আরও পড়ুন: গরম আবহাওয়ায়, সুস্থতায় ডাবের পানি

আরও পড়ুন: ঘুম আনতে সাহায্য করবে এই খাবারগুলো

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র