Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

দ্রুত ওজন কমবে পাঁচটি কার্যকর উপায়ে

দ্রুত ওজন কমবে পাঁচটি কার্যকর উপায়ে
নিয়ম মেনে চললে ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে সহজেই। ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ওজন কমাতে চাইলে অবশ্যই সঠিক খাদ্যাভাস ও শরীরচর্চার অভ্যাস করতে হবে।

কিন্তু অনেকেই ব্যস্ততা ও কাজের ভিড়ে ইচ্ছা থাকা স্বত্তেও স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে পারেন না, সঠিক খাদ্যভাসের অভ্যাস আনতে পারেন না এবং শরীরচর্চার জন্য জিমে জয়েন করার সময় পান না।

সময়ের অভাবে বাড়তি ওজন কমানো থেমে থাকবে না নিশ্চয়। আজকের ফিচারে তুলে ধরা হয়েছে দারুণ পাঁচটি টিপস, যা সাহায্য করবে বাড়তি ক্যালরি ও ওজন কমাতে।

দ্রুত ঘুম থেকে উঠুন ও ঘাম ঝরান

সময় স্বল্পতার জন্য জিমে যাওয়া কষ্টকর হয়ে যায় তবে সেদিকে পা বাড়ানোর প্রয়োজন নেই। বরং চেষ্টা করুন সকালে কিছুটা আগে ঘুম থেকে ওঠার। প্রতিদিন যে সময়ে ঘুম থেকে ওঠেন, তার পনের মিনিট আগে ঘুম থেকে উঠে নানা রকম ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন। পুশ-আপ দিন, লাফান, কিংবা একই স্থানে দৌড়ান। এতে শরীরে ঘাম হবার সঙ্গে মেটাবলিজমের হার বৃদ্ধি পাবে। যা সারাদিনভর কাজ করবে।

হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি হবে এমন কাজ করুন

অন্তত এক মিনিটের জন্য হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি পাবে এমন কাজ করতে হবে। এই পদ্ধতিটি সারাদিনের ভেতর ৮-১০ বার করতে হবে। এর ফলে বাড়তি অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। যা ফুসফুস, হৃদযন্ত্র, মস্তিষ্ক ও পা কে সুস্থ রাখে। পাশাপাশি হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি করার মাধ্যমে ৩০০-৪০০ ক্যালোরি পর্যন্ত বার্ণ করা সম্ভব হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Sep/14/1536915822752.JPG

মেঝেতে বসে কাজ করুন

বই পড়তে, গান শুনতে, সিনেমা দেখতে, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে কিংবা অলস সময়ে ফোনে কথা বলতে বিছানা কিংবা চেয়ারে নয়, মেঝেতে বসুন। শক্ত মেঝেতে বসার ফলে শরীরের পেশীর তুলনামূলক বেশি সাপোর্টের প্রয়োজন হয়। এতে করে খরচ হয় ক্যালোরি।

আলুবোখরা খাওয়ার অভ্যাস করুন

দ্য ইউনিভার্সিটি অফ লিভারপুলের একদল গবেষক, ওভারওয়েট বেশ কয়েকজন অংশগ্রহণকারীর উপর একটি পরীক্ষা চালান। এই অংশগ্রহণকারীদের ১২ সপ্তাহের জন্য প্রতিদিন ৫-৬ আউন্স আলুবোখরা খাওয়ানো হয়। টানা ১২ সপ্তাহ পড়ে ওজন নেওয়া হলে দেখা যায়, গড়ে ৪.৪ পাউন্ড ওজন কমেছে অংশগ্রহণকারীদের। প্রাকৃতিক এই খাদ্য উপাদানে থাকা উচ্চ মাত্রার আঁশ পেট ভরা রাখতে ও ওজন কমাতে কাজ করে।

‘লো-ফ্যাট’ খাবার কম খাওয়া

মনে হতেই পারে, লো-ফ্যাটযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া যেতেই পারে। যে কারণে মানুষ লো-ফ্যাটযুক্ত খাবার প্রায় ৫০ শতাংস পর্যন্ত বেশি খেয়ে ফেলে। খাবার লো-ফ্যাটের হলেও, সেটা খেতে হবে পরিমিত। নইলে আপাতদৃষ্টিতে স্বাস্থ্যকর লো-ফ্যাটযুক্ত খাবার ওজন বৃদ্ধির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

আপনার মতামত লিখুন :

চার উপাদানে খেজুর গুড়ের আইসক্রিম

চার উপাদানে খেজুর গুড়ের আইসক্রিম
খেজুর গুড়ের আইসক্রিম, ছবি: সংগৃহীত

খেজুর গুড়ের পায়েস নিশ্চয় খাওয়া হয়েছে, কিন্তু খেজুর গুড়ে তৈরি আইসক্রিম কি খাওয়া হয়েছে কখনো?

চিনির মিষ্টি নয়, গুড়ের মিষ্টিতে তৈরি এই আইসক্রিমে পাওয়া যাবে একেবারেই ভিন্ন ঘরানার অচেনা স্বাদ।

বাইরের তাপমাত্রা বাড়তে থাকলে আইসক্রিম খাওয়ার ইচ্ছাটাও তাড়া দিতে থাকে। এই সুযোগে ঘরে বসে ফ্রেশ দুধ ও গুড় দিয়ে তৈরি করে নিন অচেনা স্বাদের মিষ্টান্ন খেজুর গুড়ের আইসক্রিম।

খেজুর গুড়ের আইসক্রিম তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563538258867.JPG

১. দুই কাপ ক্রিম।

২. এক কাপ দুধ।

৩. চারটি ডিমের কুসুম।

৪. আধা কাপ খেজুর গুড়।

খেজুর গুড়ের আইসক্রিম যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563538280218.JPG

১. একটি পাত্রে ভালোভাবে ডিমের কুসুমগুলো ফেটিয়ে নিতে হবে।

২. ভিন্ন একটি সসপ্যানে ক্রিম ও দুধ একসাথে মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে বলক আনতে হবে।

৩. গরম দুধ ও ক্রিমের মিশ্রণের এক-চতুর্থাংশ ডিমের কুসুমে দিয়ে পুনরায় ভালোভাবে হুইস্ক করতে হবে তথা ফেটিয়ে নিতে হবে।

৪. এবারে ডিমের মিশ্রণটি সস্প্যানে দিয়ে পুনরায় জ্বাল দিতে হবে এবং গুড় মেশাতে হবে। সকল উপাদান ভালোভাবে মিশে গেলে কাস্টার্ডের মতো ঘন মিশ্রণ তৈরি হবে।

৫. মিশ্রণ ঘন হয়ে আসলে কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে কাঁচের পাত্রে ঢেলে ঠাণ্ডা করতে হবে। ঠাণ্ডা হয়ে এলে পাত্রের মুখ বন্ধ করে ডিপ ফ্রিজে সারারাতের জন্য রেখে দিতে হবে।

পরদিন সকালে নাশতার সাথে উপভোগ করুন খেজুর গুড়ের আইসক্রিম।

আরও পড়ুন: দশ মিনিটে বাদামের স্বাদে কুলফি মালাই

আরও পড়ুন: গরমে স্বস্তি আনবে তিন ভিন্ন স্বাদের কোল্ড কফি

হৃদরোগের ঝুঁকি কমে দারুচিনি গ্রহণে

হৃদরোগের ঝুঁকি কমে দারুচিনি গ্রহণে
দারুচিনিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ঝাল ও মিষ্টি উভয় ধরনের খাবার তৈরিতেই দারুচিনি বাড়তি স্বাদ ও গন্ধ যোগ করে।

আমাদের রান্নায় দারুচিনি ব্যবহারের মূল কারণ হলো ফ্লেভার, তবে আরও একটি বিশেষ কারণে নিত্যদিনের খাদ্যাভ্যাসে দারুচিনি রাখা প্রয়োজন। প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণ দারুচিনি গ্রহণে আপনার হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকবে। সেই সাথে নিয়ন্ত্রণে থাকবে ডায়বেটিসের সমস্যাটিও।

মশলা হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া এই উপাদানটিতে থাকা শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও পলিফেনল শরীরে অক্সিডেটিভ ড্যামেজ থেকেও রক্ষা করতে কার্যকরি। গবেষণা জানাচ্ছে, দারুচিনি গুঁড়া গ্রহণ বেশ কয়েকদিক থেকেই সুস্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ। তেমন কয়েকটি স্বাস্থ্য উপকারিতা জেনে রাখুন।

প্রদাহ কমায় দারুচিনি

বেশ কিছু গবেষণা জানাচ্ছে, দারুচিনিতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রদাহ বিরোধী তথা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান হিসেবে কাজ করে। পেশীর ব্যথাভাব, ফোলাভাব, শরীরের কোন অংশে হুটহাট ব্যথা দেখা দেওয়ার মতো সমস্যাগুলো কমাতে কাজ করে দারুচিনি।

ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে কাজ করে দারুচিনি

রক্তে চিনি ও ইনস্যুলিনের মাত্রার হেরফেরের উপরেই নির্ভর করে মেটাবোলিজমের মাত্রা ও টাইপ-২ ডায়বেটিস দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা। বেশ কিছু পরীক্ষা থেকে দেখা গেছে দারুচিনি গুঁড়া গ্রহণে ডায়বেটিস রোগীদের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। দারুচিনি শুধু রক্তে চিনির মাত্রাই নয়, ইন্স্যুলিন সেনসিটিভিটিকেও নিয়ন্ত্রণে কার্যকরি ভূমিকা পালন করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563531546124.jpg

হৃদরোগ দূরে রাখে দারুচিনি

প্রতিদিন ১২০ মিলিগ্রাম পরিমাণ দারুচিনি গ্রহণে খারাপ কোলেস্টেরল (LDL), ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ভিন্ন একটি গবেষণার ফলাফল বলছে- যারা নিত্যদিনের খাবারে হলুদ ও দারুচিনি গুঁড়া রাখে, তাদের রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা পূর্বের চাইতে কমে যায়। খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকলে হৃদরোগ দেখা দেওয়ার ঝুঁকিও কমে যায় তুলনামূলক অনেক বেশি।

ইনফেকশন কমাতে সাহায্য করে

সিনামন এক্সট্র্যাক্ট তেলে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল উপাদান, যা প্রায় সকল ধরনের ইনফেকশনের বিরুদ্ধে কাজ করে। দারুচিনিতে থাকা সিনাম্যালডিহাইড (Cinnamaldehyde) হলো প্রধান উপাদান, যা ইনফেকশন দ্রুত সারাতে কাজ করে। বিশেষত ইষ্ট ইনফেকশনের বিরুদ্ধে দারুচিনির তেল সবচেয়ে উপকারী।

মুখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী

এক্ষেত্রে ধন্যবাদ দিতে হবে দারুচিনিতে থাকা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রভাবকে, যা মুখের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে কাজ করে। গবেষণা থেকে দেখা গেছে দারুচিনি দাঁতের ক্ষয়রোগ ও মুখে বাজে গন্ধ হওয়া প্রতিরোধে কাজ করে।

আরও পড়ুন: গরম আবহাওয়ায়, সুস্থতায় ডাবের পানি

আরও পড়ুন: ঘুম আনতে সাহায্য করবে এই খাবারগুলো

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র