দ্রুত ওজন কমবে পাঁচটি কার্যকর উপায়ে

নিয়ম মেনে চললে ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে সহজেই। ছবি: সংগৃহীত

ওজন কমাতে চাইলে অবশ্যই সঠিক খাদ্যাভাস ও শরীরচর্চার অভ্যাস করতে হবে।

কিন্তু অনেকেই ব্যস্ততা ও কাজের ভিড়ে ইচ্ছা থাকা স্বত্তেও স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে পারেন না, সঠিক খাদ্যভাসের অভ্যাস আনতে পারেন না এবং শরীরচর্চার জন্য জিমে জয়েন করার সময় পান না।

সময়ের অভাবে বাড়তি ওজন কমানো থেমে থাকবে না নিশ্চয়। আজকের ফিচারে তুলে ধরা হয়েছে দারুণ পাঁচটি টিপস, যা সাহায্য করবে বাড়তি ক্যালরি ও ওজন কমাতে।

দ্রুত ঘুম থেকে উঠুন ও ঘাম ঝরান

সময় স্বল্পতার জন্য জিমে যাওয়া কষ্টকর হয়ে যায় তবে সেদিকে পা বাড়ানোর প্রয়োজন নেই। বরং চেষ্টা করুন সকালে কিছুটা আগে ঘুম থেকে ওঠার। প্রতিদিন যে সময়ে ঘুম থেকে ওঠেন, তার পনের মিনিট আগে ঘুম থেকে উঠে নানা রকম ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন। পুশ-আপ দিন, লাফান, কিংবা একই স্থানে দৌড়ান। এতে শরীরে ঘাম হবার সঙ্গে মেটাবলিজমের হার বৃদ্ধি পাবে। যা সারাদিনভর কাজ করবে।

হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি হবে এমন কাজ করুন

অন্তত এক মিনিটের জন্য হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি পাবে এমন কাজ করতে হবে। এই পদ্ধতিটি সারাদিনের ভেতর ৮-১০ বার করতে হবে। এর ফলে বাড়তি অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। যা ফুসফুস, হৃদযন্ত্র, মস্তিষ্ক ও পা কে সুস্থ রাখে। পাশাপাশি হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি করার মাধ্যমে ৩০০-৪০০ ক্যালোরি পর্যন্ত বার্ণ করা সম্ভব হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Sep/14/1536915822752.JPG

মেঝেতে বসে কাজ করুন

বই পড়তে, গান শুনতে, সিনেমা দেখতে, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে কিংবা অলস সময়ে ফোনে কথা বলতে বিছানা কিংবা চেয়ারে নয়, মেঝেতে বসুন। শক্ত মেঝেতে বসার ফলে শরীরের পেশীর তুলনামূলক বেশি সাপোর্টের প্রয়োজন হয়। এতে করে খরচ হয় ক্যালোরি।

আলুবোখরা খাওয়ার অভ্যাস করুন

দ্য ইউনিভার্সিটি অফ লিভারপুলের একদল গবেষক, ওভারওয়েট বেশ কয়েকজন অংশগ্রহণকারীর উপর একটি পরীক্ষা চালান। এই অংশগ্রহণকারীদের ১২ সপ্তাহের জন্য প্রতিদিন ৫-৬ আউন্স আলুবোখরা খাওয়ানো হয়। টানা ১২ সপ্তাহ পড়ে ওজন নেওয়া হলে দেখা যায়, গড়ে ৪.৪ পাউন্ড ওজন কমেছে অংশগ্রহণকারীদের। প্রাকৃতিক এই খাদ্য উপাদানে থাকা উচ্চ মাত্রার আঁশ পেট ভরা রাখতে ও ওজন কমাতে কাজ করে।

‘লো-ফ্যাট’ খাবার কম খাওয়া

মনে হতেই পারে, লো-ফ্যাটযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া যেতেই পারে। যে কারণে মানুষ লো-ফ্যাটযুক্ত খাবার প্রায় ৫০ শতাংস পর্যন্ত বেশি খেয়ে ফেলে। খাবার লো-ফ্যাটের হলেও, সেটা খেতে হবে পরিমিত। নইলে আপাতদৃষ্টিতে স্বাস্থ্যকর লো-ফ্যাটযুক্ত খাবার ওজন বৃদ্ধির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

লাইফস্টাইল এর আরও খবর