Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

সরকারি চাকরিজীবীদের কেউ আবাসহীন থাকবে না

সরকারি চাকরিজীবীদের কেউ আবাসহীন থাকবে না
সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর আলোচনায় অংশ নেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম/ ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কেউ আবাসহীন থাকবে না বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। তিনি বলেছেন, ‘এরই মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১০ শতাংশ আবাসন নিশ্চিত করা হয়েছে। অদূর ভবিষতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কেউ আবাসহীন থাকবে না।’

মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর আলোচনায় অংশ নিয়ে মন্ত্রী একথা বলেন।

শ ম রেজাউল বলেন, ‘বিচারপতিদের জন্য শতভাগ আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শতভাগ আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য মাত্র ৮ শতাংশ আবাসনের ব্যবস্থা ছিল। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছিলেন সকলের জন্য আবাসন নিশ্চিত করতে হবে। সেই প্রক্রিয়ায় কার্যক্রম শুরু করেছি, এ পর্যন্ত ১০ শতাংশে উন্নীত হয়েছি। অদূর ভবিষতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কেউ আবাসহীন থাকবেন না।‘

গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, ‘উন্নয়নের যাত্রায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি ছিল সবচেয়ে জঘণ্যতম অধ্যায়ে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ আইনের শাসন ও গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন।’

এ সময় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম জিয়ার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া তার স্বামী হত্যার বিচার করেননি। চট্টগ্রামে একটি মামলা হয়েছিল, তখন তিনি ক্ষমতায়। ফাইনাল রিপোর্টের বিরুদ্ধে না রাজি দাবি দিয়ে তিনি পুন:তদন্তের কথা বলেন নাই। অপর দিকে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা, জেলহত্যা মামলা, ২১ আগস্টের মামলা, মানবতা বিরোধীদের বিচার করেছেন।’

মন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনা সামাজিক ক্ষেত্রে বিশ্বের অনেক বড় বড় নেতাকে ছাড়িয়ে গেছেন। তারপরেও কিছু ব্যক্তি আছেন, যাদেরকে জ্ঞানপাপী বলতে চাই; কোনো উন্নয়ন তাদের চোখে পড়ে না। তারা ফ্লাইওভারের উন্নয়ন দেখে না, তারা রাস্তার উন্নয়ন দেখে না, তারা অবকাঠামগত উন্নয়ন দেখে না। দেশের কোথাও কেউ না খেয়ে নাই, দরিদ্রতা নেই, সেটাও তারা দেখে না।’

তিনি বলেন, ‘তারা কেউ সেমিনারে, কেউ পত্রিকায়, কেউ টক-শোতে কোনো দৃশ্যমান উন্নয়নের কথা বলেন না। অথচ তারা একবারও বলে না আকণ্ঠক দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হওয়া একজন মানুষ কিভাবে একটা দলের প্রধান থাকে। দুর্নীতির দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত একজন ব্যক্তি কিভাবে একটা দলের দ্বিতীয় প্রধান ব্যক্তি হিসেবে বহাল থাকে।’

আপনার মতামত লিখুন :

সংসদে ঈদ জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়

সংসদে ঈদ জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়
সংসদ ভবন

প্রতি ঈদের মতো এবারও সংসদে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ১২ আগস্ট ঈদুল আজহার দিন সকাল সাড়ে ৭টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ঈদ জামাত অনুষ্টিত হবে।

যদি বৈরী আবহাওয়া থাকে তাহলে সংসদের টানেলের নিচে জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

সংসদ ভবনের ঈদ জামাত পরিচালনা করবেন জাতীয় সংসদ জামে মসজিদের পেশ ইমাম।

ঈদ জামাতে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, অন্যান্য হুইপ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ-সদস্য ও সংসদ সচিবালয়ের কর্মচারীরা অংশ নেবেন। এছাড়াও সংসদের ঈদের নামাজের জামাত সবার জন্য উন্মুক্ত। জামাতে আগ্রহী মুসল্লিদের অংশ নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এমপি হিসেবে শপথ নিলেন সালমা চৌধুরী

এমপি হিসেবে শপথ নিলেন সালমা চৌধুরী
সালমা চৌধুরীকে শপথ বাক্য পাঠ করাচ্ছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চেীধুরী/ ছবি: সংগৃহীত

একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন সালমা চৌধুরী রুমা। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ছিলেন। জাতীয় সংসদের আসন-৩৩৪ এবং সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৪ এর সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন রাজবাড়ী জেলার এই নারী।

বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) বিকাল ৩টায় জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ের তার শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। সালমা চৌধুরী গত ৪ আগস্ট বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

গত ৯ জুলাই রুশেমা বেগম মারা গেলে জাতীয় সংসদের ৩৩৪ নম্বর সংরক্ষিত নারী আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। এর প্রেক্ষিতে ১৮ জুলাই আসনটিতে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় ছিল ২৫ জুলাই পর্যন্ত ও বাছাই ২৮ জুলাই। আর প্রত্যাহারের শেষ সময় ১ আগস্ট এবং ভোট ১৮ আগস্ট।

সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি প্রয়াত ওয়াজেদ চৌধুরীর কন্যা সালমা চৌধুরী রুমা। তিনিও জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী।

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন আইন অনুযায়ী, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রাপ্ত আসন অনুসারে দলগুলোর মধ্যে সংরক্ষিত আসন বণ্টন করে দেয় নির্বাচন কমিশন। সে অনুযায়ী ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৪৩টি, জাতীয় পার্টির চারটি, বিএনপির একটি, ওয়ার্কার্স পার্টির একটি এবং স্বতন্ত্ররা একটি আসন পায়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র