Alexa

সরকারি চাকরিজীবীদের কেউ আবাসহীন থাকবে না

সরকারি চাকরিজীবীদের কেউ আবাসহীন থাকবে না

সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর আলোচনায় অংশ নেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম/ ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কেউ আবাসহীন থাকবে না বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। তিনি বলেছেন, ‘এরই মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১০ শতাংশ আবাসন নিশ্চিত করা হয়েছে। অদূর ভবিষতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কেউ আবাসহীন থাকবে না।’

মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর আলোচনায় অংশ নিয়ে মন্ত্রী একথা বলেন।

শ ম রেজাউল বলেন, ‘বিচারপতিদের জন্য শতভাগ আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শতভাগ আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য মাত্র ৮ শতাংশ আবাসনের ব্যবস্থা ছিল। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছিলেন সকলের জন্য আবাসন নিশ্চিত করতে হবে। সেই প্রক্রিয়ায় কার্যক্রম শুরু করেছি, এ পর্যন্ত ১০ শতাংশে উন্নীত হয়েছি। অদূর ভবিষতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কেউ আবাসহীন থাকবেন না।‘

গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, ‘উন্নয়নের যাত্রায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি ছিল সবচেয়ে জঘণ্যতম অধ্যায়ে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ আইনের শাসন ও গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন।’

এ সময় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম জিয়ার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া তার স্বামী হত্যার বিচার করেননি। চট্টগ্রামে একটি মামলা হয়েছিল, তখন তিনি ক্ষমতায়। ফাইনাল রিপোর্টের বিরুদ্ধে না রাজি দাবি দিয়ে তিনি পুন:তদন্তের কথা বলেন নাই। অপর দিকে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা, জেলহত্যা মামলা, ২১ আগস্টের মামলা, মানবতা বিরোধীদের বিচার করেছেন।’

মন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনা সামাজিক ক্ষেত্রে বিশ্বের অনেক বড় বড় নেতাকে ছাড়িয়ে গেছেন। তারপরেও কিছু ব্যক্তি আছেন, যাদেরকে জ্ঞানপাপী বলতে চাই; কোনো উন্নয়ন তাদের চোখে পড়ে না। তারা ফ্লাইওভারের উন্নয়ন দেখে না, তারা রাস্তার উন্নয়ন দেখে না, তারা অবকাঠামগত উন্নয়ন দেখে না। দেশের কোথাও কেউ না খেয়ে নাই, দরিদ্রতা নেই, সেটাও তারা দেখে না।’

তিনি বলেন, ‘তারা কেউ সেমিনারে, কেউ পত্রিকায়, কেউ টক-শোতে কোনো দৃশ্যমান উন্নয়নের কথা বলেন না। অথচ তারা একবারও বলে না আকণ্ঠক দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হওয়া একজন মানুষ কিভাবে একটা দলের প্রধান থাকে। দুর্নীতির দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত একজন ব্যক্তি কিভাবে একটা দলের দ্বিতীয় প্রধান ব্যক্তি হিসেবে বহাল থাকে।’

সংসদ এর আরও খবর