Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বিমানের লন্ডন ফ্লাইটে মদ্যপ যাত্রীর বেপরোয়া আচরণ!

বিমানের লন্ডন ফ্লাইটে মদ্যপ যাত্রীর বেপরোয়া আচরণ!
ছবি: বার্তা২৪
ইশতিয়াক হুসাইন
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্সের একটি ফ্লাইটে এক মদ্যপ যাত্রীর উন্মত্ততা প্রকাশের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ওই যাত্রীর আচরণ এতটাই উন্মত্ত ছিল যে, এক পর্যায়ে বিমানের কেবিন ক্রু ও অন্য যাত্রীর সহায়তায়ও তাকে নিবৃত্ত করা যায়নি। পরবর্তীতে ওই যাত্রীকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।

বিমান সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ছিল গত ৪ জানুয়ারির। লন্ডন-সিলেট ফ্লাইটে ঘটনাটি ঘটে। বোয়িং ৭৭৭, ৩০০ ইআর মডেলের উড়োজাহাজটি যখন মাঝ আকাশে তখনই ওই যাত্রী বেসামাল আচরণ শুরু করেন। অশ্রাব্য ভাষার ভাষার প্রয়োগে আশপাশের যাত্রীরা বিরক্ত হতে থাকেন। এ সময় অন্য যাত্রীরা তাদের শান্ত করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।

পরে বিষয়টি বিমানের কেবিন ক্রুদের নজরে আনা হয়। এরপর কেবিন ক্রু ও কয়েকজন যাত্রী মিলে ওই যাত্রীকে আবারও শান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু কিছুতেই তাকে নিবৃত্ত করা যায়নি। এক পর্যায়ে ক্রু ও যাত্রীরা মিলে তাকে বেঁধে রাখার চেষ্টা করে। তখন ওই যাত্রী ক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠে। কোনো এক পর্যায়ে সবাই ওই যাত্রীকে কিছুটা শান্ত করতে শারীরিক শক্তিও প্রয়োগ করেন।

বিমান সূত্রে আরও জানা যায়, লন্ডন-সিলেট রুটে মাঝে মাঝেই এধরনের ঘটনা ঘটে থাকে। কেউ কেউ লাউঞ্জে বসে মদ পান করে উড়োজাহাজে উঠে অপ্রকৃতিস্থ ব্যবহার করে। আবার কেউবা ফ্লাইটে বসে মদ খাওয়ার আবদার করে। যেহেতু রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে মদ সরবরাহ করা হয় না, তাই অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব যাত্রী বেপরোয়া আচরণ শুরু করে। যাত্রীর আচরণ বুঝে বিমানের ক্যাপ্টেন আইনগত ব্যবস্থা নিতে থাকেন।

সূত্র জানায়, ওই যাত্রী এধরনের উন্মত্ত আচরণ করার পর বিমানের ফ্লাইটটি লন্ডন থেকে সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

এ বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্সের জেনারেল ম্যানেজার শাকিল মেরাজ বার্তা২৪কে বলেন, ‘ফ্লাইটের নিরাপত্তার জন্য যা যা করণীয় ক্যাপ্টেন তাই করে থাকেন। ফ্লাইট যদি গ্রাউন্ডে থাকে তাহলে ক্যাপ্টেনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ ধরনের মদ্যপ যাত্রীকে সুনির্দিষ্ট ফ্লাইট থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘মাঝ আকাশেও যদি এ ধরনের ঘটনা ঘটে বিমানের নিয়মানুযায়ী ক্যাপ্টেন সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। কাউকে কাউকে পুলিশেও হস্তান্তর করা হয়।’

আপনার মতামত লিখুন :

ঈদে ১০ দিন ফেরিতে ট্রাক-লরি পারাপার বন্ধের প্রস্তাব

ঈদে ১০ দিন ফেরিতে ট্রাক-লরি পারাপার বন্ধের প্রস্তাব
ফেরির অপেক্ষায় ট্রাকের দীর্ঘ সারি, পুরনো ছবি

পবিত্র ঈদুল আজহার আগের পাঁচ দিন ও পরের পাঁচ দিন মোট ১০ দিন ফেরিতে ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান ও লরি পারাপার বন্ধ রাখার প্রস্তাব করবে বিআইডব্লিউটিসি। তবে পণ্য ও কোরবানির পশুবাহী ট্রাক এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত রাখার সুপারিশ করা হবে।

জানা গেছে, রোববার নৌপ্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে লঞ্চ, ফেরি, স্টিমার চলাচল ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত সংক্রান্ত ঈদ ব্যবস্থাপনা সভা হবে। সভায় ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান ও লরি চলাচল ১০ দিন বন্ধ রাখার প্রস্তাব করবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। বন্যার কারণে বিভিন্ন স্থানে পানি বেড়ে যাওয়ায় ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এর ওপর ঈদে বাড়তি গাড়ির চাপ পড়লে দীর্ঘ যানজট হতে পারে। তাই ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি কমাতে এ প্রস্তাব দেবে সংস্থাটি। তবে প্রতিবারের মতো কোরবানির পশুবাহী ট্রাক ও নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য পণ্য, পচনশীল পণ্য, গার্মেন্টস সামগ্রী, ওষুধ, কাঁচা চামড়া এবং জ্বালানিবাহী যানবাহন এর আওতামুক্ত থাকবে।

এছাড়াও বন্যার কারণে নদীতে পানি বৃদ্ধি ও স্রোতে ফেরি চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় যাত্রীদের যানজটের দুর্ভোগ কমাতে উদ্যোগ নিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি। ঘাটে দীর্ঘ যানজট এড়াতে যাত্রীবাহী বাস ছেড়ে যাওয়ার আগে ঘাটের সার্বিক অবস্থা জানার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যানবাহনগুলো ছেড়ে যাওয়ার স্থানে ঘাট ব্যবস্থাপকদের ফোন নম্বর দেওয়া থাকবে, ফলে গাড়িগুলো ছেড়ে যাওয়ার আগে জেনে নেওয়া যাবে ঘাটে যানজটের সর্বশেষ অবস্থা। সে অনুযায়ী যাত্রীবাহী পরিবহন যাত্রা করবে। এ বিষয়টিও বৈঠকে আলোচনা হবে।

বিআইডব্লিউটিসি সূত্র জানিয়েছে, নদীতে পানি বৃদ্ধি ও প্রবল স্রোতের কারণে নৌ-রুটে ফেরি চলাচল বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বহরে থাকা বেশির ভাগ ফেরি তীব্র স্রোতের বিপরীতে চলতে গিয়ে দফায় দফায় বিকল হয়ে পড়ছে। এ অবস্থা থাকলে ঈদের সময়ে স্বাভাবিক অবস্থা ব্যাহত হতে পারে। আর এ সমস্যা স্থায়ী হলে ফেরিগুলোর যানবাহন পারাপার করতেও বাড়তি সময় লাগবে, সেক্ষেত্রে ঘাটে দীর্ঘ জট হবে। ফলে সেই সময়ে ট্রাক-লরি পারাপার বন্ধ করলে সমস্যা কিছুটা কমবে। তাতে ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের ভোগন্তিও কম হবে।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসি’র চেয়ারম্যান প্রণয় কান্তি বিশ্বাস বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘নদীতে পানি বৃদ্ধি ও প্রবল স্রোতের কারণে বর্তমানে নৌ-রুটে ফেরি চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। স্রোতের কারণে পারাপারে দ্বিগুণ সময় লাগায় ফেরিগুলোর ট্রিপ সংখ্যাও কমে গেছে। এ অবস্থা থাকলে ঈদে কিছুটা সমস্যা হবে। তাই আমরা ঈদের আগে ও পরে মিলিয়ে মোট ১০ দিন ফেরিতে পশুবাহী ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ছাড়া অন্য সব ট্রাক-লরি পারাপার বন্ধ রাখার প্রস্তাব করব। এতে ফেরিগুলো যাত্রীদের জন্য প্রস্তুত রাখা যাবে। আর ঘাটের সর্বশেষ অবস্থা জানাতে বাস টার্মিনালগুলোতে থাকবে ঘাট ব্যবস্থাপকদের ফোন নম্বর।

এদিকে ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বেশ কিছু প্রস্তাবনা দেবে। বন্যায় জাহাজ ও লঞ্চ চলচলে বাড়তি সতর্কতাসহ ঘাট ব্যবস্থাপনায় পুলিশের কঠোর অবস্থান চাইবে সংস্থাটি।

বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা গেছে, বন্যার কারণে পানি বেড়ে যাওয়ায় কিছু ফেরিঘাটের পন্টুন ডুবে গেছে। সেগুলো সংস্কার করে উঁচু করা হয়েছে। তবে এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলেও নতুন করে ব্যবস্থা নেবে সংস্থাটি। পাশাপাশি বিকল ফেরিগুলো মেরামতেরও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে ঘাটে যানজটের বিষয়টি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ। ফলে রোববারের বৈঠকে তাদের বিশেষ সহযোগিতা চাইবে বিআইডব্লিউটিএ।

এছাড়াও ৯ জুলাই থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত রাতে সব পণ্যবাহী জাহাজ ও বালুবাহী বাল্কহেড বন্ধ রাখা, নৌপথে চাঁদাবাজি ও ডাকাতি প্রতিরোধে পুলিশের টহল জোরদার, ঘাট ইজারাদার দ্বারা যাত্রী হয়রানি বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ বেশ কিছু বিষয়েও আলোচনা হবে।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কমোরেড এম মাহবুব-উল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘ফেরি চলাচলের ক্ষেত্রে আমরা শুধুমাত্র ঘাটের বিষয়টি দেখি। বন্যার কারণে পানি বেড়ে যাওয়ায় পন্টুন ডুবে গিয়েছিল, সেগুলো ঠিক করা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিসিকে তাদের ফেরিগুলোতে কোনো সমস্যা থাকলে তা মেরামত করার অনুরোধ জানাই। তবে ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি অনুকূলে রয়েছে, আর যানজটের বিষয়ে পুলিশের তদারকি বেশি থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঈদ ব্যবস্থাপনা সভায় লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী না ওঠানো, বাড়তি ভাড়া না নেওয়া, যাত্রীদের জানমালের নিরাপত্তায় পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের ভিজিলেন্স টিম গঠনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে।’

৭ নারী ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাকে পুরস্কৃত করল কালারস

৭ নারী ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাকে পুরস্কৃত করল কালারস
পুরস্কৃত ৭ নারী ব্যবসায়ী উদ্যোক্তার সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী পলক, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সাত নারী ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাকে পুরস্কৃত করেছে ঢাকা ও নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত লাইফস্টাইল ম্যাগাজিন কালারস। সাতটি ক্যাটাগরিতে নারী উদ্যোক্তাদের স্বীকৃতি দিতে দেশে প্রথমবারের মতো এমন উদ্যোগ নেয় কালারস।

শনিবার (২০ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এক জাকজমজ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। ‘সিটি ব্যাংক কালারস প্ল্যাটিনাম বিজনেস ওমেন আওয়ার্ড-২০১৯’ শিরোনামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও শারীরিক অসুস্থতার জন্য উপস্থিত থাকতে পারেননি তিনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

সাতটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পাওয়া নারীরা হলেন-প্ল্যাটিনাম বিজনেস ওমেন অফ দ্যা ইয়ার ক্যাটাগরিতে রুমানা চৌধুরী, বিজনেস এন্টারপ্রাইজ ক্যাটাগরিতে সুজান খান মঈন, এসএমই এন্টারপ্রাইজ ক্যাটাগরিতে তানিয়া ওয়াহাব, ইনোভেটিভ প্রজেক্ট অব দ্যা ইয়ার ক্যাটাগরিতে আমিনা খাতুন, স্টার্টআপ অফ দ্যা ইয়ার ক্যাটাগরিতে তৃণা ফাল্গুনী, ইনোভেটিভ সল্যুশন অফ দ্যা ইয়ার ক্যাটাগরিতে ফাহমিদা ইসলাম এবং রাইজিং স্টার ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে নাবিলা নওরীন ও নাহিদ শারমিন।

1
এক নারী উদ্যোক্তার হাতে পুরস্কার তুলে দিচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী পলক, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

এর আগে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রিভা গাঙ্গুলী বিজয়ী নারী উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের শুভ কামনা জানান। একই সঙ্গে দেশে আরও নেতৃত্ব উঠে আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘পৃথিবীর ৫০০ ফরচুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাত্র ২৪টিতে নারী নেতৃত্ব আছে। আমাদের দেশেও এমন দারুণ নারী নেতৃবৃন্দ আছেন। তবে আমাদের আরও এমন নেতৃত্ব দরকার, বিশেষ করে আইসিটি খাতে।’

নারী নেতৃত্বের প্রশংসা করে প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, ‘নারীরা এখন সব ক্ষেত্রে সফলভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আমি যখন ছোট ছিলাম, তখন আমার মাকে দেখেছি বাড়ির সব সিদ্ধান্ত নিতে। এখন আমার পরিবারের সব সিদ্ধান্ত আমার সহধর্মিণী নেন। তেমনিভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও একজন নারী। তিনি শুধু আমাদের দেশের না বরং বিশ্বের সেরা একজন নেতা। রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক সব ক্ষেত্রে নারীরা ভালো করছেন। এ ধরনের পুরস্কারের আয়োজন ভবিষ্যৎ নারী উদ্যোক্তাদের অনুপ্রাণিত করবে।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কালারস ম্যাগাজিনের প্রকাশক ও সম্পাদক জাকারিয়া মাসুদ ও সিটি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মোহাম্মদ মারুফ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র