Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

যেখানেই বিবদমান জমি, সেখানেই হাজির হন তনু

যেখানেই বিবদমান জমি, সেখানেই হাজির হন তনু
তালতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুজ্জামান তনু। ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বরগুনা থেকে ফিরে: যেখানেই বিবদমান জমি, সেখানেই হাজির হন তিনি। কখনো মৌখিক, কখনো পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নিয়ে নেমে পড়েন দখলের কাজে। এবারও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। তিনি হাতে নিয়েছেন হাইকোর্টের রায়ে খারিজ হয়ে যাওয়াদের জমি।

বলছিলাম বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুজ্জামান তনুর কথা। তিনি এবার মোক্ষম দান কষার জন্য কোপ দাগেন তাতলতীতে নির্মাণাধীন বরিশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সীমানায়। দেড় বছর আগে শুরু হওয়া প্রকল্পের জমির মাটি ভরাট যখন শেষ পর্যায়ে, ঠিক তখন গত নভেম্বর মাসে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নিয়েছেন বিতর্কিতদের কাছ থেকে।

পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নিয়েই শুরু করেছেন সন্ত্রাসী মহড়া। দু’দফায় হামলা চালিয়েছেন প্রকল্পের নিয়োজিত লোকদের ওপর। প্রথমে এক চীনা প্রকৌশলীকে মারপিট করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। সম্প্রতি প্রকল্পের জ্বালানি সরবরাহের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় তার ক্যাডাররা। তার ভয়ে আতঙ্কে দিনাতিপাত করছে প্রকল্পের লোকজন।

অথচ তিনি যে জমিগুলোর মালিকানা দাবি করছেন তার কোনো ভিত্তি খুঁজে পাচ্ছে না সংশ্লিষ্টরা। জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই মৌজার জমিগুলো তিন দফায় বন্দোবস্ত দেওয়া হয়। প্রথম দেওয়া হয় মগদের সাড়ে তিন একর করে, এরপরের ধাপে আড়াই একরের প্লট এবং সর্বশেষ দেড় একরের প্লট বন্দোবস্ত দেওয়া হয়।

কিন্তু দেড় একর যাদের বন্দোবস্ত দেওয়া হয় তার বেশিরভাগই ওই আড়াই একর প্লটের জমিগুলো। এ কারণে সীমানা নির্ধারণ করতে গিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। তখন আড়াই একর প্লটের মালিকরা মামলা ঠুকে দেয়। সেই মামলা গড়ায় হাইকোর্ট পর্যন্ত। প্রত্যেকটি ধাপেই পরাজিত হয় দেড় একরের মালিকরা। সেই দেড় একরের মালিকদের কাছ থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নিয়েছেন চাঁদা না পেয়ে।

প্রকল্পের কাজ শুরু হলে আট কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে বসেন। স্থানীয় সংসদ সদস্যের সমঝোতার ভিত্তিতে ২৫ লাখ টাকা দেওয়া হয় তাকে। যা তিনি নিজের মুখেই স্বীকারোক্তি দেন বিদ্যুৎ বিভাগের এক তদন্ত কমিটির সামনে। তার আপন ভাই তালতলী উপজেলার চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মিন্টুও বিষয়টি স্বীকার করে নেন। তাদের এই চাঁদাবাজির স্বীকারোক্তি হতবাক করে তদন্ত কমিটির সদস্যদের।

এদিকে কাগজে কলমে পিছিয়ে থাকলেও পেশিশক্তির মহড়া অব্যাহত রেখেছেন তনু। ৫ ফেব্রুয়ারি তদন্ত কমিটি আসার পূর্বে ক্যাডারদের নিয়ে মহড়া দেন। পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো জেলা পুলিশের এক গোপনীয় প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ভয়ঙ্কর তথ্য। সরকারি দলের প্রভাব খাটিয়ে উপকূলে মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন তার ছোট ভাই মো. তারেক। আর তারেককে শেল্টার দিয়ে যাচ্ছেন তনু।

এতে করে তাদের পরিবারের প্রতি সাধারণ মানুষের বিরূপ প্রভাব পড়ছে। সরকারি দল তথা আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। যাকে পুঁজি করে বিএনপি রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করছে। ওই রিপোর্টে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে চাঁদাবাজির কথাও উঠে এসেছে।

এ বিষয়ে তৌফিকুজ্জামান তনু বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘হ্যাঁ আমি গত নভেম্বরে জমি কিনেছি এ কথা সত্যি। প্রকল্প এলাকায় জমি কেনায় কোনো নিষেধাজ্ঞা আছে নাকি?’ এ সময় নিজেকে ৩৫ একর জমির মালিক দাবি করেন তিনি। কোর্টের রায়ে পরাজিতদের জমি নেওয়ার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এসব কথা ভিত্তিহীন।’

বরিশাল পাওয়ার কোম্পানির প্রকল্প পরিচালক আব্দুস সবুর বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমরা সকল বৈধ জমির মালিকদের কাছ থেকে জমি নিয়েছি। ওদের দাবি অনুযায়ী একটি দলিল রেজিস্ট্রি অফিসে দাখিল করেছিলাম। কিন্তু সাব রেজিস্ট্রার সেটি ফেরত দিয়েছে। তারা কোনো কথাই মানতে রাজি নয়।’

এর আগে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধে আশ্রিত ৯৭ ভূমিহীন পরিবারদের দিয়ে খেলার চেষ্টা করেন তনু। তাদের দিয়ে মিছিল মিটিং ও মানববন্ধন করে পরিস্থিতি ঘোলা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বাস্তুহারা পরিবারগুলো পুনর্বাসিত হয়ে চলে গেলে নতুন করে ষড়যন্ত্র করেন কয়লা ভিত্তিক এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির বিরুদ্ধে।

তনু ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভূমি দখলসহ অনেক চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অফিস সহকারী মাহমুদুল হাসান পিন্টুর কাছে ১২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। সেই টাকা না দেওয়ায় প্রকাশ্যে মারধর করা হয় তাকে।

অনেকে তার হাতে নির্যাতিত হলেও অভিযোগ করার সাহস পায়নি। তালতলীবাসীর কাছে মূর্তিমান আতঙ্ক হিসেবে পরিণত হয়েছেন এই আওয়ামী লীগ নেতা। সরকারি দলের লেবেল থাকায় প্রশাসনও তার বিরুদ্ধে শক্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার সাহস দেখায় না। এতে দিনে দিনে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন তনু।

জলমহাল ইজারা থেকে উপজেলার টেন্ডার, এমনকি হাট-ঘাটের ইজারাও এখন তার আঙুলের ইশারায় চূড়ান্ত হয়। তার বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলেই করা হয় নির্যাতন।

আপনার মতামত লিখুন :

‘জাসদ-গণবাহিনীর সৃষ্টি বঙ্গবন্ধু হত্যার পরিকল্পনার অংশ’

‘জাসদ-গণবাহিনীর সৃষ্টি বঙ্গবন্ধু হত্যার পরিকল্পনার অংশ’
জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার পেছনে দেশের শত্রুরা দুটি কাজ সুপরিকল্পিতভাবে করেছে। এর একটি হচ্ছে পাকিস্তান থেকে ফিরে আসা সেনা কর্মকর্তাদের কাজে লাগানো আর অন্যটি জাসদ ও গণবাহিনীর সৃষ্টি। এদের সম্পর্কে অনেক ভালো জেনেছি যখন জেলে ছিলাম।’

শনিবার (২৪ আগস্ট) বিকালে রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

এইচ টি ইমাম বলেন, ‘৩ নভেম্বর যে অভ্যুত্থান হল তখন কর্নেল তাহের ও তার সঙ্গে যারা ছিল তাদের সবাইকে অ্যারেস্ট করে তারা আবার জেলখানায় চলে এল। জেলে শাফায়াত জামিল আমার সাথে। জেলখানায় তখন প্রথম জানতে পারলাম ৬৬ সালে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের মধ্যে একটি বিপ্লবী সেল তৈরি করা হয়েছিল এবং সেটি সিরাজুল আলম খানের নেতৃত্বে। তখন শুনেছি বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে কী জঘণ্য উক্তি তারা করত।’

পাকিস্তান ফেরত সেনা অফিসারদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান থেকে প্রত্যাগত সেনা অফিসাররা এসেই এমন একটা বিভেদ সৃষ্টি করে ফেলল। পরবর্তীতে দেখেন, বেছে বেছে মুক্তিবাহিনীর অফিসারদের এরা হত্যা করেছে। মুক্তিবাহিনীর সেনা যারা, তারাই প্রাণ দিয়েছে, এরা কিন্তু কেউ প্রাণ দেয়নি। জেনারেল জিয়াউর রহমান তার কোর্সমেট জেনারেল মোজাম্মেল, জেনারেল আব্দুর রহমান, জেনারেল ওয়াজিমুল্লাহকে ভালো ভালো জায়গায় বসিয়েছে। এমনভাবে পুরো জিনিসটা কুক্ষিগত করে ফেলল আমাদের সেনাবাহিনীকে যে জেনারেল শফিউল্লাহ কিছুই না।’

‘জেনারেল জিয়া তো ওদেরই লোক। এরা সকলে কোর্সমেট। এদেরই পৃষ্ঠপোষকতায় বেড়ে উঠেছে কর্নেল রশিদ, কর্নেল ফারুক। কর্নেল রশিদের তো ঢাকায় পোস্টিং ছিল না, তার তো আর্টিলারি ব্যাটালিয়ন নিয়ে কুমিল্লায় থাকার কথা, ফারুকের ট্যাঙ্ক বাহিনী নিয়ে থাকার কথা বগুড়া অথবা সাভারে। এরা যে ঢাকায় এল তাহলে আমাদের সেনাপতিরা, যারা তখন ছিলেন, তারা জানতেন না, এ সমস্ত মুভমেন্ট কী কখনো আর্মি হেডকোয়ার্টাসের অনুমতি কিংবা অনুমোদন ছাড়া হয়? এগুলো তো হয় না। তাহলে আমাদের মধ্যে কীভাবে ঢুকে পড়েছিল এই ষড়যন্ত্রকারীরা। আর মূল ষড়যন্ত্রটি যারা করেছে তারা হল পাকিস্তানিরা।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566671529801.jpg

দেশের সিভিল সার্ভিসের অবমূল্যায়নের প্রেক্ষাপটের ইতিহাস তুলে ধরে সাবেক এই আমলা বলেন, ‘১৯৬৫ সালের পরে তৎকালীন সিএসপি নিয়ে মানুষের মধ্যে একটা বিরূপ ভাব তৈরি হয়েছিল। তার পেছনে কারণ ছিল আইয়ুব খান। মার্শাল ল চালুর পরে উনি দেখলেন সবকিছু চালায় সিএসপিরা। তিনি তখন ক্ষমতা ভাগাভাগির জন্য কমিটি করলেন। সিভিল সার্ভিসের ক্ষমতা কীভাবে খর্ব করা যায় সে ব্যবস্থা কমিটি পাকাপোক্ত করল। সেই থেকে সিভিল সার্ভিসের অবমূল্যায়ন কিংবা তাদের ক্ষমতা নিয়ে নেওয়া হলো।’

‘আইয়ুব খানের আরেকজন প্রতীকী ইয়াহিয়া খান। আর আমাদের দেশে এসে হলেন জিয়াউর রহমান খান। আমি জিয়াউর রহমান খানই বলব। কারণ তিনি কিন্তু ওই লাইনেরই এবং তারপরে এরশাদ খান।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই খানেরা আমাদের ক্রমান্বয়ে যে কী পরিমাণে ক্ষতি করে গেছেন, অথচ সে জিনিসটি থেকে বঙ্গবন্ধু এসে সেই রাষ্ট্রটিতে তিনি আবার খুঁজে খুঁজে সিভিল সার্ভিসের লোকদের নিয়ে এসেছেন। শুধু সিভিল সার্ভিস নয়, উনি প্রথম সরকারে ল্যাটারাল এন্ট্রি অর্থাৎ সরকারের বাইরে কোথায় কোনো প্রতিভা আছে, যিনি সরকারকে সহযোগিতা করতে পারবেন, সেটা চালু করেন।’

বাকশালের সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহকর্মী এইচ টি ইমাম বলেন, ‘বাকশালের গঠনতন্ত্র কেউ দেখেনি। বাকশালের উদ্দেশ্য কী ছিল এটি সম্পর্কে কেউ জানে না। বঙ্গবন্ধু এভাবে জনগণের কাছে ক্ষমতা নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন ভিত্তিমূলে, তৃণমূলে। যে জন্য ৬৪টি মহকুমাকে তিনি জেলায় পরিণত করলেন। প্রতিটা জেলায় গভর্নর নিয়োগ করলেন এবং তাদেরকে ক্ষমতায়ন করে গেছেন।’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মূখ্য সচিব ড.কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক। স্বাগত সংগঠনের মহাসচিব শেখ ইউসুফ হারুন প্রমুখ।

ব্লেন্ডার মেশিন থেকে সাড়ে তিন হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

ব্লেন্ডার মেশিন থেকে সাড়ে তিন হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার
আটক হওয়া মাদক ব্যবসায়ী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজধানীর কাফরুল এলাকার একটি বাসার ব্লেন্ডার মেশিনে রক্ষিত অবস্থায় ৩ হাজার ৬৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৪। এ ঘটনায় মো. ইউনুস নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব।

রোববার (২৪ আগস্ট) রাতে র‍্যাব-৪ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম সজল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566664805904.jpg

সাজেদুল ইসলাম সজল বলেন, 'আজ বিকেল ৫টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৪ এর একটি দল কাফরুল থানাধীন সেনপাড়া পর্বতা এলাকার একটি আবাসিক ভবনের ৬ তলার ফ্ল্যাটে অভিযান পরিচালনা করে। ফ্ল্যাটটিতে অভিযানের এক পর্যায়ে একটি ব্লেন্ডার মেশিনে রক্ষিত অবস্থায় ৩ হাজার ৬৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এছাড়া এ ঘটনায় মাদক ব্যবসায়ী ইউসুফকে আটক করা হয়।'

তিনি বলেন, 'প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, ইউসুফ কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট সংগ্রহ করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করে থাকে।'

আটকের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও তিনি জানান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র