Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

‘আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের নিচে দোকান নয়’

‘আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের নিচে দোকান নয়’
চট্টগ্রামের আখতারজ্জামান ফ্লাইওভার/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের নিচে সড়ক বিভাজকের ওপর চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) দোকান নির্মাণে ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয় গঠিত বেঞ্চ মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এ আদেশ দেন।

আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের মুরাদপুর, ষোলশহর ও লালখানবাজার র‌্যাম্পের নিচে একাধিক দোকান ও তিনটি সুপারশপ নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সিডিএ।

জাস্টিস ওয়াচ ফাউন্ডেশনের পক্ষে সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক ব্যারিস্টার মো. মাহফুজুর রহমান মিলন জনস্বার্থে রিটটি করেন। তিনি নিজে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিও করেন।

ব্যারিস্টার মো. মাহফুজুর রহমান মিলন সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন।’

রুলে ফ্লাইওভারের নিচে দোকান নির্মাণ কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারসহ ১১ জনকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

সিডিএ সূত্রে জানা গেছে, ফ্লাইওভারটি রক্ষণাবেক্ষণে প্রতি মাসে ১২ লাখ টাকা খরচ হয়। এ খরচ মেটাতে আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের নিচে সড়ক বিভাজকের ওপর দোকান ও সুপারশপ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য ফ্লাইওভারটির মুরাদপুর, ষোলশহর ও লালখানবাজার র‌্যাম্পের নিচে একাধিক দোকান ও তিনটি সুপারশপ নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সিডিএ।

তবে শুরু থেকে এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে সিটি করপোরেশনসহ একাধিক সেবাদানকারী সংস্থা।

এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘ফ্লাইওভারে নিচে দোকান দেওয়া হলে যানজটের সৃষ্টি হবে। এখানে দোকান করতে হলে সিটি করপোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স প্রয়োজন হবে। কিন্তু জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে চসিক কোনো ব্যবসায়ীকে ট্রেড লাইসেন্স দেবে না।’

আপনার মতামত লিখুন :

খুলনার সাথে সারা দেশের রেলযোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

খুলনার সাথে সারা দেশের রেলযোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর রেল স্টেশনে কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ায় খুলনার সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর রেল স্টেশনে খুলনাগামী কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ায় খুলনার সঙ্গে ঢাকা, রাজশাহীসহ সকল রুটের ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার কারণে খুলনা থেকে বিভিন্ন রুটের শত শত যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

রোববার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে ট্রেন লাইনচ্যুত হবার ৩ ঘণ্টা পরেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। এদিকে লাইনচ্যুত হওয়া কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের পেছনে আটকা পরেছে উত্তরাঞ্চল থেকে খুলনাগামী রূপসা এক্সপ্রেস ও ঢাকা থেকে খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস। এ দুটি ট্রেনের যাত্রীরা খুলনা রেলওয়ে স্টেশনে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

সরেজমিনে রাত সাড়ে ১০টায় খুলনা রেলওয়ে স্টেশনে দেখা যায়, স্টেশনে ছোট-বড় ব্যাগ-বস্তাভর্তি মালামাল নিয়ে বসে আছেন যাত্রীরা। বাচ্চারা কান্নাকাটি করছে, কেউ কেউ স্টেশনে ব্যাগের উপরে ঘুমিয়ে পড়েছেন। যাত্রীরা ট্রেনে খুলনা থেকে ঢাকা বা সৈয়দপুরে যাবার বিকল্প উপায় খুঁজছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566154647440.jpg

ঢাকাগামী যাত্রী বেসরকারি চাকরিজীবী লোকমান হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, মাওয়া আর আরিচা ঘাটে গাড়িতে অনেক যানজট হয়, তাই ট্রেনে যাবার জন্য টিকিট কেটেছিলাম। সোমবার ঢাকায় আমার কাজে যোগ দেবার দিন। এখন তো মহাবিপদে পড়েছি।

সৈয়দপুরের চিলাহাটি সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী রাসেল ইসলাম বলেন, ট্রেনে যাবো বলে সেই সন্ধ্যা থেকে বসে আছি। বাচ্চারা ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে। ট্রেন ছাড়া সৈয়দপুরে যাওয়া বেশ কষ্টসাধ্য। কখন ট্রেন আসবে স্টেশনের কেউই বলতে পারছেনা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566154680725.jpg

খুলনা রেলওয়ে স্টেশনের টিটি মোহাম্মদ ইলিয়াস বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, সন্ধ্যায় রাজশাহী থেকে কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেন খুলনার দিকে আসছিলো। পথিমধ্যে ট্রেনটি কোটচাঁদপুর স্টেশনের ইউপি গেটে পৌঁছালে দুটি বগি ও আটটি চাকা লাইনচ্যুত হয়। রাত সাড়ে ১০ টা পর্যন্তও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়নি। এছাড়া কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের পেছনে সৈয়দপুরের চিলাহাটি থেকে আসা রূপসা ও ঢাকা থেকে আসা সুন্দরবন এক্সপ্রেস পরবর্তী স্টেশনে অপেক্ষা করছে।  সৈয়দপুর ও ঢাকাগামী দু’টি ট্রেনই খুলনা স্টেশন থেকে ছেড়ে যাবার কথা থাকলেও যেতে পারেনি। খুলনা রেলওয়ে স্টেশন থেকে যাত্রীদের টিকিট ফেরত দেয়া হচ্ছে। যাত্রীরা চাইলেই তাদের টিকিট ফেরত দিয়ে টাকা নিতে পারছেন।

কোটচাঁদপুর রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার কাওসার জানান, ঘটনার পর থেকে খুলনার সঙ্গে রাজশাহী, ঢাকাসহ সকল রুটের ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে এখনও উদ্ধার কাজ শুরু হয়নি। কখন সময় উদ্ধার কাজ শুরু হবে তা তিনি জানাতে পারেননি।

এএসপির বাড়িতে পুলিশের লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলি!

এএসপির বাড়িতে পুলিশের লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলি!
খুলনা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার, ছবি: সংগৃহীত

খুলনায় পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের ফায়ারিংয়ের লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলি পার্শ্ববর্তী এক এএসপির বাসার সিলিং ফ্যানে আঘাত করেছে।

রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরে খুলনার ফুলবাড়িগেট কেডিএ আবাসিকের ৬৫ নম্বর বাড়ির দ্বিতীয় তলায় এএসপি’র বাসাতে এ ঘটনা ঘটে। খুলনার পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি) থেকে গুলিটি আসে। লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলিটি এএসপির বাসার রান্না ঘরের জানালায় ওপর দিয়ে গ্লাস ভেঙে ডাইনিং রুমের সিলিং ফ্যানে লাগে।

খুলনা জেলা পুলিশের এএসপি আনিসুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বার্তাটোয়েন্টিফোর. কম কে বলেন বলেন, 'খুলনা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার থেকে আমার বাসার দূরত্ব এক কিলোমিটার। দুপুরের দিকে বিকট শব্দে একটি গুলি আমার বাসার রান্না ঘরের জানালায় মাথার ঠিক ওপর দিয়ে গ্লাস ভেঙে ডাইনিং রুমের সিলিং ফ্যানে লাগে। তখন ডাইনিংয়ে আমার দুই সন্তান ছিল। গুলির শব্দে বাসার সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে আমি বাসায় ছুটে যাই। এরপর খানজাহান আলী থানা পুলিশ বাসায় এসে গুলিটি জব্দ করে নিয়ে যায়।'

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মহানগরীর খানজাহান আলী থানা সংলগ্ন পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে ফায়ারিং রেঞ্জে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) ফায়ারিং ট্রেনিং ছিল। ওই ট্রেনিং থেকেই রাইফেলের গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে ফুলবাড়িগেট কেডিএ আবাসিকের ৬৫ নম্বর বাড়ির দ্বিতীয় তলায় এএসপি’র বাসাতে আঘাত হানে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র