Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

বসন্তের ভালোবাসায় ফুলের বাজার ভারী

বসন্তের ভালোবাসায় ফুলের বাজার ভারী
পহেলা ফাল্গুন, ভালবাসা দিবস ও ২১ ফেব্রুয়ারিকে কেন্দ্র করে রংপুরে বেড়েছে ফুলের চাষ/ ছবি: বার্তা২৪.কম
ফরহাদুজ্জামান ফারুক
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

রাত পোহালেই পহেলা ফাল্গুন। আগমন ঘটবে ঋতুরাজ বসন্তের। নতুন প্রাণের সঞ্চারে প্রকৃতি সাজবে নতুন রঙে। বাসন্তিক সাজে প্রকৃতির সাথে রঙিন হয়ে উঠবে তারুণ্য। ঋতুরাজের আগমনের সাথে কদর বেড়েছে ভালোবাসার ফুলের। এখন ব্যস্ত সময় কাটছে ফুল চাষী ও ব্যবসায়ীদের।

বসন্ত বরণ আর ভালোবাসা দিবসকে এখন ফুলের বাজার বড়ই ভারী। বিকিকিনিতে নেই দম ফেলানোর ফুসরত। বর্তমানে ফুলের চাহিদা বাড়ায় দাম বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে দর বাড়লেও ফুলের কদর কমেনি ফুলপ্রেমীদের কাছে। রংপুরের ফুলের বাজার ঘুরে এমনটাই দেখা গেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/13/1549996498479.gif

মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে দেখা মেলে নগরীর নিউ ইঞ্জিনিয়ার রোডের ফুল ব্যবসায়ী গোলজার হোসেন লিটনের। সৌখিন ফুল বিতানের মালিক তিনি। তাকে দোকানে অর্ডার নিতে ব্যস্ত দেখা যায়।

এ সময় বার্তা২৪.কমকে তিনি জানান, জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ফুলের চাহিদা বেশি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাহিদা বাড়ে ফেব্রুয়ারির পহেলা ফাল্গুনে, ভালোবাসা দিবস আর শহীদ দিবসে।

দামের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এখন ফুল চাষীরা ফুলের চাহিদা মেটাতে পারছেন না। এই কারণে ফুলের দাম বেশি।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/13/1549996516350.gif

বর্তমানে ফুলের রমরমা ব্যবসা হচ্ছে দাবি মিন্টু ফুল বিতানের মালিক মিন্টু মিয়া বলেন, এখন সর্বনিম্ন একটা ফুলের স্টিক ২০ টাকা। এছাড়াও গত কয়েকদিনের তুলনায় এখন একটু দাম বেশি। জারবারা ফুল ৩০ থেকে ৫০ টাকা, গোলাপ ফুল কালার ও কলি ভেদে প্রতি স্টিক ২৫ থেকে ৫০ টাকা, রজনীগন্ধা প্রতি স্টিক ২০-৩৫ টাকা।

গাঁধা ফুলের খোপার চেইন ৪০ থেকে ৬০ টাকা, কাঠবেলির চেইন ৩০ থেকে ৫০ টাকা এবং অরকিট ৮০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও শাপলা, পদ্ম, গন্ধরাজ, সূর্যমূখী, বকুল, চাপা, হাসনাহেনা, গ্লাডিওলাস সহ বিভিন্ন ফুলের চাহিদা থাকলেও সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে গোলাপ ও রজনীগন্ধা ফুল।

এদিকে পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজ রোডের নয়ন ফুল ঘর ও মাধবী ফুল বিতানের মালিক জানান, বিশেষ দিবসগুলোতে ফুলের বাজার বরারবই বেশি থাকে। এখন চাহিদা বেশি এজন্য ফুলের দামও বেশি। তবে ব্যবসায়ীরা নিজের ইচ্ছায় দাম বাড়ায় দাবি করে তারা বলেন, ফুল চাষীরাই দাম বাড়িয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/13/1549996535120.gif

এব্যাপারে নগরীর উত্তম হাজিরহাট এলাকার ফুল চাষী আবদুস সালাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘সব সময় ফুলের বাজার এক রকম থাকে না। এখন ফুলের সিজন চলছে। একারণে চাহিদাও বেশি, দামও বেশি।’

অন্যদিকে হাজিরহাট মুচির মোড়ের সাঈদ নার্সারির তত্ত্বাবধায়ক রহমত উল্লাহ্ বলেন, ‘বর্তমানে একশ গোলাপ ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া অন্য ফুলগুলোতে প্রতি একশতে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা করে দাম বেড়েছে। তারপরও চাহিদা মেটানো যাচ্ছে না।’

রংপুরের ফুল ব্যবসায়ী সমিতির নেতা ফিরোজ শাহ্ জানান, ‘ফেব্রুয়ারিতে সবচেয়ে বেশি ফুল বিক্রি হয়ে থাকে। এই মাসে রংপুরসহ আশপাশের জেলাতে প্রায় কোটি টাকার ফুল বেচা-কেনা হয়।’

আপনার মতামত লিখুন :

খুলনার সাথে সারা দেশের রেলযোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

খুলনার সাথে সারা দেশের রেলযোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর রেল স্টেশনে কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ায় খুলনার সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর রেল স্টেশনে খুলনাগামী কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ায় খুলনার সঙ্গে ঢাকা, রাজশাহীসহ সকল রুটের ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার কারণে খুলনা থেকে বিভিন্ন রুটের শত শত যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

রোববার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে ট্রেন লাইনচ্যুত হবার ৩ ঘণ্টা পরেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। এদিকে লাইনচ্যুত হওয়া কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের পেছনে আটকা পরেছে উত্তরাঞ্চল থেকে খুলনাগামী রূপসা এক্সপ্রেস ও ঢাকা থেকে খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস। এ দুটি ট্রেনের যাত্রীরা খুলনা রেলওয়ে স্টেশনে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

সরেজমিনে রাত সাড়ে ১০টায় খুলনা রেলওয়ে স্টেশনে দেখা যায়, স্টেশনে ছোট-বড় ব্যাগ-বস্তাভর্তি মালামাল নিয়ে বসে আছেন যাত্রীরা। বাচ্চারা কান্নাকাটি করছে, কেউ কেউ স্টেশনে ব্যাগের উপরে ঘুমিয়ে পড়েছেন। যাত্রীরা ট্রেনে খুলনা থেকে ঢাকা বা সৈয়দপুরে যাবার বিকল্প উপায় খুঁজছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566154647440.jpg

ঢাকাগামী যাত্রী বেসরকারি চাকরিজীবী লোকমান হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, মাওয়া আর আরিচা ঘাটে গাড়িতে অনেক যানজট হয়, তাই ট্রেনে যাবার জন্য টিকিট কেটেছিলাম। সোমবার ঢাকায় আমার কাজে যোগ দেবার দিন। এখন তো মহাবিপদে পড়েছি।

সৈয়দপুরের চিলাহাটি সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী রাসেল ইসলাম বলেন, ট্রেনে যাবো বলে সেই সন্ধ্যা থেকে বসে আছি। বাচ্চারা ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে। ট্রেন ছাড়া সৈয়দপুরে যাওয়া বেশ কষ্টসাধ্য। কখন ট্রেন আসবে স্টেশনের কেউই বলতে পারছেনা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566154680725.jpg

খুলনা রেলওয়ে স্টেশনের টিটি মোহাম্মদ ইলিয়াস বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, সন্ধ্যায় রাজশাহী থেকে কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেন খুলনার দিকে আসছিলো। পথিমধ্যে ট্রেনটি কোটচাঁদপুর স্টেশনের ইউপি গেটে পৌঁছালে দুটি বগি ও আটটি চাকা লাইনচ্যুত হয়। রাত সাড়ে ১০ টা পর্যন্তও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়নি। এছাড়া কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের পেছনে সৈয়দপুরের চিলাহাটি থেকে আসা রূপসা ও ঢাকা থেকে আসা সুন্দরবন এক্সপ্রেস পরবর্তী স্টেশনে অপেক্ষা করছে।  সৈয়দপুর ও ঢাকাগামী দু’টি ট্রেনই খুলনা স্টেশন থেকে ছেড়ে যাবার কথা থাকলেও যেতে পারেনি। খুলনা রেলওয়ে স্টেশন থেকে যাত্রীদের টিকিট ফেরত দেয়া হচ্ছে। যাত্রীরা চাইলেই তাদের টিকিট ফেরত দিয়ে টাকা নিতে পারছেন।

কোটচাঁদপুর রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার কাওসার জানান, ঘটনার পর থেকে খুলনার সঙ্গে রাজশাহী, ঢাকাসহ সকল রুটের ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে এখনও উদ্ধার কাজ শুরু হয়নি। কখন সময় উদ্ধার কাজ শুরু হবে তা তিনি জানাতে পারেননি।

এএসপির বাড়িতে পুলিশের লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলি!

এএসপির বাড়িতে পুলিশের লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলি!
খুলনা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার, ছবি: সংগৃহীত

খুলনায় পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের ফায়ারিংয়ের লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলি পার্শ্ববর্তী এক এএসপির বাসার সিলিং ফ্যানে আঘাত করেছে।

রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরে খুলনার ফুলবাড়িগেট কেডিএ আবাসিকের ৬৫ নম্বর বাড়ির দ্বিতীয় তলায় এএসপি’র বাসাতে এ ঘটনা ঘটে। খুলনার পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি) থেকে গুলিটি আসে। লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলিটি এএসপির বাসার রান্না ঘরের জানালায় ওপর দিয়ে গ্লাস ভেঙে ডাইনিং রুমের সিলিং ফ্যানে লাগে।

খুলনা জেলা পুলিশের এএসপি আনিসুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বার্তাটোয়েন্টিফোর. কম কে বলেন বলেন, 'খুলনা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার থেকে আমার বাসার দূরত্ব এক কিলোমিটার। দুপুরের দিকে বিকট শব্দে একটি গুলি আমার বাসার রান্না ঘরের জানালায় মাথার ঠিক ওপর দিয়ে গ্লাস ভেঙে ডাইনিং রুমের সিলিং ফ্যানে লাগে। তখন ডাইনিংয়ে আমার দুই সন্তান ছিল। গুলির শব্দে বাসার সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে আমি বাসায় ছুটে যাই। এরপর খানজাহান আলী থানা পুলিশ বাসায় এসে গুলিটি জব্দ করে নিয়ে যায়।'

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মহানগরীর খানজাহান আলী থানা সংলগ্ন পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে ফায়ারিং রেঞ্জে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) ফায়ারিং ট্রেনিং ছিল। ওই ট্রেনিং থেকেই রাইফেলের গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে ফুলবাড়িগেট কেডিএ আবাসিকের ৬৫ নম্বর বাড়ির দ্বিতীয় তলায় এএসপি’র বাসাতে আঘাত হানে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র