Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

চলছে মৌসুমি মৌয়ালদের ব্যস্ততা

চলছে মৌসুমি মৌয়ালদের ব্যস্ততা
ছবি: বার্তা২৪
আরিফ আহমেদ সিদ্দিকী
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
পাবনা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সরিষার হলুদ ক্ষেত, রবি ফসলের মাঠে আসা মুকুলের সমারোহে ব্যস্ত সময় পার করছেন মৌসুমি মৌয়ালরা। যারা বাক্সের সাহায্যে মধু সংগ্রহ করে থাকেন। সরকারি হিসেবে পাবনা জেলায় ৪ হাজার ২০০ মৌ বাক্স বিনামূল্যে মৌয়ালদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য এ বাক্সগুলো থেকে ৫৮ টন মধু সংগ্রহ। আর শতাধিক মৌসুমি মৌয়াল মাঠে নেমেছেন মধু সংগ্রহের জন্য। তাদের লক্ষ্য ২০০ টন মধু সংগ্রহ।

সরকারি ও বেসরকারি হিসাব মতে, কয়েক বছর ধরেই এ জেলায় টার্গেট অতিক্রম করছে মধু উৎপাদনে। গেল বছরেও (২০১৭ সাল) সরকারিভাবে লক্ষ্যমাত্রা ৬৫ টন থাকলেও উৎপাদন হয়েছে ৭২ টন। আর বেসরকারি মৌয়ালদের উৎপাদন ছিল প্রায় ২০০ টন মধু।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, বিগত দিনগুলোর মধু উৎপাদনের ধরণ হিসেবে এবং মধুর উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবারে জেলার চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর উপজেলায় একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে সংশ্লিষ্ট দফতর। ওই প্রকল্পের আওতায় মৌ চাষিদের বিনামূল্যে বাক্স দেয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট দফতরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা খোন্দকার মোতালেব হোসেন জানান, সরিষার ক্ষেতে মৌবাক্স স্থাপন করে দ্বিমুখী উপকার পাওয়া যায়। একদিকে মৌমাছি সরিষার ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করবে, এতে সরিষার পরাগায়ণ বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি ফলন বেশি হবে। আপরদিকে মধু বিক্রি করে লাভবান হবেন চাষি। সেই দিকগুলোকে সামনে রেখে কৃষকদের সরিষা চাষে উদ্বুদ্ধ এবং মধু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

জেলার সাঁথিয়া উপজেলার আত্রাইশুকা গ্রামের ভ্রাম্যমাণ মৌয়াল মাজেদ আলী বলেন, ‘এ জেলায় এবারে শতাধিক ভ্রাম্যমাণ মৌয়াল রয়েছে। প্রতিদিন একজন মৌয়াল ১০ থেকে ২০ কেজি পর্যন্ত মধু আহরণ করতে পারেন। সে হিসেবে চলতি মৌসুমেও ২০০ টন মধু সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/12/1547304518902.jpg

মৌচাষি সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘চলতি মৌসুমে শুধু মৌচাষিদের মধ্যে ৮০ টন মধু সংগ্রহের সম্ভাবনা রয়েছে। তাছাড়া জেলায় ভ্রাম্যমাণ মৌয়ালরা বিভিন্ন বাসাবাড়ি ঝোঁপ-জঙ্গলও গাছের নির্মাণকৃত মৌচাক থেকে প্রচুর পরিমাণ মধু সংগ্রহ করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘উৎপাদিত মধু ভারতের ডাবর, বাংলাদেশের প্রাণ ও স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করা হয়। তবে সরিষা থেকে উৎপাদিত মধুর দাম কম পাওয়া যায়। বাজারে কালোজিরা ফুলের মধুর চাহিদা যেমন বেশি অনুরূপ দামও ভালো পাওয়া যায়।’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ আজাহার আলী বলেন, ‘পাবনায় সরিষার আবাদ বেশি হওয়ার কারণেই দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মৌয়ালরা এসে মধু সংগ্রহ করেন। চলতি মৌসুমে জেলার নয় উপজেলার ৪০ জন খামারির মধু উৎপাদন বাড়াতে একটি প্রকল্পও নেয়া হয়েছে। ওই প্রকল্পের আওতায় মৌচাষিদের বিনামূল্যে মৌবাক্স দেওয়া হয়। চলতি মৌসুমে ৪ হাজার ২০০ টি বাক্স বিতারণ করা হয়েছে। এছাড়া মৌচাষিদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘চলতি মৌসুমে পাবনা জেলার মুধ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৫৮ টন। ইতোমধ্যে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করার পথে।’

আপনার মতামত লিখুন :

কেন এগিয়ে যাচ্ছে বাঁহাতি ব্যাটসম্যানরা

কেন এগিয়ে যাচ্ছে বাঁহাতি ব্যাটসম্যানরা
ক্যারিবিয়ান মাস্টার-ব্লাস্টার ব্রায়ান লারা

নান্দনিকতার বিচারে ক্রিকেট ইতিহাসে বাঁহাতি ব্যাটসম্যানদের কদর সবসময়ই যেন একটু বেশি। তবে পরিসংখ্যান বলে, দৃষ্টিনন্দন এই ব্যাটিং স্টাইল বড় স্কোর গড়তে এবং ম্যাচ জয়ের ক্ষেত্রে কার্যকরীও বটে।

বিগত কয়েক দশকে ব্যাট হাতে পাদপ্রদীপের আলো নিজেদের করে নিয়েছেন অসংখ্য কিংবদন্তি। ব্রায়ান লারা, কুমার সাঙ্গাকারারা দেখিয়েছেন স্টাইলিশ ও মার্জিত ব্যাটিং; পরিস্থিতি অনুযায়ী কার্যকরী স্ট্রোক খেলার পারদর্শিতার প্রমাণ রেখেছেন ম্যাথু হেইডেন, গ্রায়েম স্মিথরা। আগ্রাসী মনোভাবে যে ব্যাটকে তরবারীর মতো ছুটিয়েছেন ক্রিস গেইল, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, সনাথ জয়সুরিয়া—সেই একই ব্যাটকে ধৈর্যের সাথে মহাপ্রাচীর বানিয়ে দারুণ সব ইনিংস উপহার দিয়েছেন শিবনারায়ণ চন্দরপল, অ্যালান বোর্ডাররা। কৌশলের এমন ভিন্নতা তাদেরকে দিয়েছে আলাদা পরিচিতি, তবে বর্তমানে বাঁহাতি ব্যাটসম্যানদের দাপুটে রাজত্বের ভিতটা যে তাঁরাই গড়ে দিয়েছেন, তা বলাই বাহুল্য।

ইতিহাস বলছে, বাঁহাতিদের ব্যাটিং তুলনামূলক কার্যকরী এবং রানস্কোরিং—এই দাবিটা মিথ্যে নয়। ১৯৭০ সাল থেকে পরবর্তী প্রায় প্রতিটি দশকে ধারাবাহিকভাবে সফল বাঁহাতিরা গড় হিসাবে এগিয়ে রয়েছেন প্রায় দুই রানের ব্যবধানে, যা ২০০০ সালের পর হয়েছে দ্বিগুণ। চলতি দশকের শুরুতে অবশ্য সব হিসাব পাল্টে এই গড়ের খেলায় শচীন টেন্ডুলকার, বীরেন্দর শেবাগ, কেভিন পিটারসেন, তিলকরত্নে দিলশানদের সৌজন্যে এগিয়ে যাচ্ছিলেন ডানহাতিরা, যাতে ছেদ টানেন হালের ডেভিড ওয়ার্নার, তামিম ইকবাল, শিখর ধাওয়ানদের মতন পাওয়ার হিটাররা।

এখানে যে মজার ব্যাপারটি লক্ষণীয়, তা হলো বিগত দশকগুলোতে ডানহাতি ও বাঁহাতিদের খেলা মোট ইনিংসের অনুপাত। ৭০-এর দশকে বাঁহাতিদের প্রতি ইনিংসের বিপরীতে ডানহাতিদের ইনিংস ছিল প্রায় চারটি, যেটি গত ত্রিশ বছরে হয়ে গেছে প্রায় সমান-সমান। তবে কি বাঁ-হাতের সাফল্যের ভারী পাল্লাই অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে নতুন দিনের ব্যাটসম্যানদেরকে?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563712391653.jpg
ক্রিস গেইলের ধ্বংসলীলা ◢

 

২০০০ পরবর্তী দলগত পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাঁহাতিদের ভাণ্ডার অন্যান্যদের চেয়ে স্পষ্টতই সমৃদ্ধ করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই সময়ের মধ্যে ক্যারিবিয়ান দলের বাঁহাতিদের গড় প্রায় ৪০, যেখানে ত্রিশেরও নিচের গড় নিয়ে দৈন্যদশা তাদের ডানহাতিদের। প্রায় একই ব্যবধান বিরাজমান বাংলাদেশের বাঁহাতি ও ডানহাতি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে। তামিম, ইমরুল, সৌম্য সরকারদের মতো পরীক্ষিতদের স্কোরগুলোর পাশে যোগ করুন বর্তমান বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের চোখধাঁধানো ইনিংসগুলো—হিসাবটা দিনের আলোর মতোই পরিষ্কার!

স্টিফেন ফ্লেমিং, মার্ক রিচার্ডসন, টম ল্যাথাম, জেসি রাইডারদের সৌজন্যে প্রায় একই চিত্র ব্ল্যাকক্যাপস নিউজিল্যান্ড দলের পরিসংখ্যানেও। ব্যতিক্রম শুধু রস টেলর—চল্লিশোর্ধ্ব গড় নিয়ে পনেরোশোর বেশি রান পাওয়া একমাত্র ডানহাতি কিউই।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563712458522.jpg
বাঁ-হাতের জাদুকর সাকিব আল হাসানের আইডল বাঁ-পায়ে সেরাদের সেরা লিওনেল মেসি ◢

 

ঠিক উল্টো চিত্র এশিয়ার দুই পরাশক্তি ভারত ও পাকিস্তান দলে, যেখানে আধিপত্য রয়েছে ডানহাতিদেরই। পাকিস্তান লাইনআপের ত্রিরত্ন—ইনজামাম-উল-হক, ইউনিস খান এবং মোহাম্মদ ইউসুফ সবসময়ই এগিয়ে ছিলেন বাকিদের থেকে। পরবর্তী সময় শহীদ আফ্রিদি, মোহাম্মাদ হাফিজ, আহমেদ শেহজাদদের মতো অভিজ্ঞরা ডানহাতিদের রানের পাল্লা করেছেন আরো ভারী। সাম্প্রতিক সময়ের তারকা ব্যাটসম্যান ফখর জামান, ইমাম-উল-হকদের বাঁ-হাতের জাদু যেন দিনবদলের বিজ্ঞাপন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563712529262.jpg
পাকিস্তানের একমাত্র ওয়ানডে ডবল সেঞ্চুরিয়ান ফখর জামান ◢

 

আর ভারতের ‘ব্যাটিং ঈশ্বর’ টেন্ডুলকার থেকে শুরু করে রাহুল দ্রাবিড়, বীরেন্দর শেবাগ, ভিভিএস লক্ষ্মণ কিংবা বর্তমানের সেরাদের সেরা বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা—সব ডানহাতি জায়ান্টরা বছরের পর বছর গড়েছেন রানের পাহাড়। ৫০+ গড়ের সামনে বাঁহাতিরা বেশ ব্যাকফুটেই রয়েছেন। তবে সৌরভ গাঙ্গুলি, গৌতম গম্ভীর, যুবরাজ সিংদের মতো দুর্ধর্ষ বাঁহাতিদের গৌরবের ঝাণ্ডা উঁচিয়ে ধরে এগিয়ে চলেছেন হালের শিখর ধাওয়ান।

যুক্তরাজ্য এবং নেদারল্যান্ডভিত্তিক সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব ক্রিকেটার ব্যাটিং করেন ‘ভুল’ পদ্ধতিতে—অর্থাৎ যাদের মূলশক্তির হাতটি থাকে হ্যান্ডেলের উপরিভাগে—তাদের সফলতার হার অন্যদের থেকে বহুগুণে বেশি। এ তালিকায় রয়েছে ব্রায়ান লারা, মাইক হাসি, অ্যালিস্টার কুক, ডেভিড ওয়ার্নার, ক্রিস গেইলের মতো তারকাদের নাম, যাদের ডান বাহুটিই মূল শক্তির উৎস হলেও ব্যাটিং স্টাইলে বাঁহাতি। উল্টোটা ঘটেছে বামের শক্তিতে বলিয়ান মাইকেল ক্লার্ক, অ্যারন ফিঞ্চদের ক্ষেত্রে।

প্রশ্ন হচ্ছে, বাঁহাতিদের এই স্বাচ্ছন্দ্য বিচরণের রহস্য কী? অন্তর্নিহিত কোনো বৈশিষ্ট্যের জন্যই কি সফলতা লুটাচ্ছে তাদের ব্যাটে? ক্রিকেটের বেশিরভাগ নিয়মকানুন কি তাদের অনুকূলেই যাচ্ছে? নাকি ডানহাতিদের বিপক্ষে বোলিংয়ে অভ্যস্ততাই সৃষ্টি করেছে আজকের এই অবস্থা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563712581984.jpg
মারকুটে বাঁহাতি অ্যাডাম গিলক্রিস্ট ◢

 

রহস্যের উত্তর হতে পারে এই তিন কারণের সংমিশ্রণও। ক্রীড়াবিজ্ঞানীদের ভাষায়, ব্যাটিংয়ের সময় বাঁহাতিদের মস্তিষ্কের বামপাশের প্রবাহে ডান অংশের দখল তাদের স্থানিক সচেতনতা এবং প্রতিক্রিয়া ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এছাড়াও বাঁহাতিদের ক্ষেত্রে লেগ স্ট্যাম্পের বাইরে পিচ হওয়া বলগুলো এলবিডব্লু উইকেটের বিপরীতে অসামঞ্জস্যতার বেনিফিট প্রদান করে। পাশাপাশি বাঁহাতিদের ব্যাটিং স্ট্যান্স ব্যাহত করে ফাস্ট বোলারদের স্বাভাবিক স্বাচ্ছন্দ্য।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563712641218.jpg
রিভার্স সুইপ খেলছেন অস্ট্রেলিয়ার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ◢

 

তবে দলীয় সাফল্য অর্জনে ডান-বাম কম্বিনেশনের ব্যাটিং লাইনআপ কিন্তু দারুণ কার্যকরী। এতে বিপক্ষ দলের অধিনায়ক বল বাই বল ফিল্ড সেটিং পরিবর্তনে পড়েন বিপাকে, যার সবটুকু সুবিধা যায় ব্যাটসম্যানদের ঝুলিতে।

পরিশেষে বলা যায় অনুকুল পরিস্থিতির সর্বোচ্চ সুবিধা নিয়ে নান্দনিক ও উদ্ভাবনী শট খেলতে পারার দুর্দান্ত সব সুযোগই বাড়াচ্ছে বাঁহাতি ব্যাটসম্যানদের সংখ্যা এবং সফলতার হার।

৫০ বছর আগের এই দিনে চাঁদে পা রেখেছিল মানুষ

৫০ বছর আগের এই দিনে চাঁদে পা রেখেছিল মানুষ
ছবি: সংগৃহীত

আজ থেকে পঞ্চাশ বছর আগে চাঁদে পা রেখেছিল মানুষ। আমেরিকার মহাকাশচারী নিল আর্মস্ট্রং ও বুজ অ্যালড্রিন প্রথম মানুষ, যারা এই ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন।

চাঁদের পৃষ্ঠে প্রথম অবতরণ করেন নিল আর্মস্ট্রং। এরপর বুজ অ্যালড্রিল। তাদের সঙ্গী ছিলেন মাইকেল কলিন্স। তবে তিনি চাঁদের পৃষ্ঠে না নেমে নভোযানে অবস্থান করেন।

১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই ‘ঈগল’ নামক এক চন্দ্রতরীতে করে তারা প্রথম চাঁদে অবতরণ করেন। নিল আর্মস্ট্রং চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করে বলেছিলেন, "That's one small step for man, one giant leap for mankind." (মানুষের ক্ষুদ্র এই পদক্ষেপটি মানব সভ্যতাকে বহুদূর এগিয়ে নিয়ে গেল।)

Moon

চাঁদে মানুষ পাঠানো নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে ছিল মর্যাদার লড়াই। ১৯৫৭ সালে স্পুটনিক নামক কৃত্রিম উপগ্রহ প্রথম মহাকাশে পাঠায় রাশিয়া। এতে চন্দ্র জয়ের দৌড়ে এগিয়ে যায় দেশটি।

এরপর ১৯৬৬ সালে রাশিয়ার লুনা-৯ নামক উপগ্রহ চাঁদে সফট ল্যান্ডিং করে। এর দুইমাস পর লুনা-১০ নামক আরেকটি উপগ্রহ চাঁদের কক্ষপথে সফলভাবে স্থাপন করে রাশিয়া। তারা চন্দ্রজয়ের কাছাকাছি পৌঁছে গেলেও মানুষ পাঠানোর মতো প্রযুক্তি তখনও তারা অর্জন করতে পারেনি। এছাড়া অর্থনৈতিক দুরাবস্থার কারণে তাদের মহাকাশ অভিযান বাধাপ্রাপ্ত হয়।

Moon

এরমধ্যে ১৯৬৮ সালে মহাকাশ গবেষণায় বড় সাফল্য অর্জন করে যুক্তরাষ্ট্র। তারা মহাকাশে অ্যাপোলো-৮ নামে মানুষ বহানকারী একটি যান মহাকাশে পাঠায়। সেটি চাঁদের কক্ষপথে সফলভাবে প্রদক্ষিণ করে নিরাপদে ফিরে আসে।

তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই মহাকাশযান অ্যাপোলো-১১ তে চড়ে চাঁদে প্রথম অবতরণ করেন নিল আর্মস্ট্রংরা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র