Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

রোহিতের অসাধারণ সেঞ্চুরিতেও পারল না ভারত

রোহিতের অসাধারণ সেঞ্চুরিতেও পারল না ভারত
জয়ের নায়ক রিচার্ডসন
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সাফল্যের আকাশে উড়ছিল ভারত। দিন কয়েক আগেই সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ইতিহাস গড়েছে বিরাট কোহলির দল। অস্ট্রেলিয়ার মাঠে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজ জয়ের রেশ থাকতেই শুরু করেছে ওয়ানডে মিশন। কিন্তু একদিনের ক্রিকেটে প্রথম ম্যাচেই হার মানল সফরকারীরা। সিডনিতেই সাফল্যে ফিরল অস্ট্রেলিয়া।

শনিবার সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে অজিরা জিতল ৩৪ রানে। ম্যাচে অসাধারণ এক শতরান করেও দলকে জয় এনে দিতে পারলেন না রোহিত শর্মা। অস্ট্রেলিয়ার ২৮৮ রানের জবাবে নেমে ২৫৪ রানে আটকে যায় ভারত। ৩৪ রানের জয়ে ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ১-০ এগিয়ে গেল স্বাগতিকরা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এক হাজার ম্যাচ জয়ের মাইলফলকে পা রাখল অজিরা।

অবশ্য ম্যাচে যে প্রাণ থাকবে তা আঁচ করা যায়নি। ৪ ওভারে ৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়েছিল ভারত। এরপর রোহিত শর্মার হাত ধরে ঘুরে দাঁড়ায় সফরকারীরা। সহ-অধিনায়ক অসাধারণ খেলে জমিয়ে তুলেছিলেন লড়াই। সঙ্গে মহেন্দ্র সিং ধোনি অবশ্য মাটি কামড়ে খেলে গেছেন। নিজের প্রথম রানটি নিয়ে ভারতের হয়ে ১০ হাজার রানের মাইলফলকে পা রাখেন তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/12/1547294815881.jpg

তবে এই ম্যাচে সেই চেনা ধোনিকে ঠিক খুঁজে পাওয়া গেল না। দ্রুত রান তোলার চেয়ে বরং উইকেট আঁকড়ে থাকতেই দেখা গেছে তাকে। শেষ অব্দি ৯৬ বলে ৫১ রানের ধীরগতির ইনিংস খেললেন সাবেক অধিনায়ক। সন্দেহ নেই ওয়ানডেতে তার এই টেস্ট মেজাজের ব্যাটিং নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। তবে স্বস্তির খবর ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের পর ওয়ানডেতে আবারো ফিফটি পেলেন মাহি।

ধোনির রান পেতে কষ্ঠ হলেও সাবলীল ছিলেন রোহিত শর্মা। তিনি ১২৯ বলে করেন ১৩৩ রান। চতুর্থ উইকেটে ধোনিকে নিয়ে করেন ১৩৭ রান। অজিদের বিপক্ষে রোহিতের এটি সপ্তম সেঞ্চুরি। আর অস্ট্রেলিয়ার মাঠে চার নম্বর শতক। অস্ট্রেলিয়ার মাঠে তাদেরই বিপক্ষে ওয়ানডেতে এতো বেশি সংখ্যক সেঞ্চুরি আর কারোর নেই।

স্যার ভিভ রিচার্ডস, শচীন টেন্ডুলকার, ব্রায়ান লারা কিংবা বিরাট কোহলিও চারটি শতকের দেখা পাননি। অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে অজিদের বিরুদ্ধে ৩৮ ইনিংসে তিন সেঞ্চুরি করেন স্যার ভিভ। এবার এই ক্যারিবীয়কে ছাড়িয়ে গেলেন রোহিত।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/12/1547294836822.jpg

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সব মিলিয়ে ২৯ ইনিংসে ৭টি সেঞ্চুরি। আর শচীন ৭০ ইনিংস খেলে করেছেন ৯ সেঞ্চুরি। ওয়ানডে ক্রিকেটে শনিবার ২২তম সেঞ্চুরি করে ফেললেন রোহিত। স্পর্শ করেন সৌরভ গাঙ্গুলিকে। সৌরভের ২২ সেঞ্চুরি আসে ৩০৮ ম্যাচে। রোহিত পেলেন ১৯৪ ম্যাচে।

রোহিতের এমন শতরানের পথ ধরেও জেতা হয়নি। তিনি যখন বিদায় নেন তখন ভারত ৬৮ রান দূরে। ভুবনেশ্বর কুমার ২৩ বলে ২৯ রান শুধু হারের ব্যবধান কমিয়েছেন। বল হাতে ২৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে জাই রিচার্ডসন ম্যাচসেরা।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে পিটার হ্যান্ডসকম্ব (৭৩), উসমান খাজা (৫৯), শন মার্শ (৫৪) ও মার্ক স্টোয়েনসের (৪৭*) দাপটে অস্ট্রেলিয়া বড় সংগ্রহ করে। এরপর বল হাতে দাপটে হাসিমুখেই মাঠ ছাড়ে অজিরা। ১৫ জানুয়ারি সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মুখোমুখি হবে দুই দল।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

অস্ট্রেলিয়া: ৫০ ওভারে ২৮৮/৫ (কেয়ারি ২৪, ফিঞ্চ ৬, খাওয়াজা ৫৯, মার্শ ৫৪, হ্যান্ডসকম ৭৩, স্টয়নিস ৪৭*, ম্যাক্সওয়েল ১১*; ভুবনেশ্বর ২/৬৬, খলিল ০/৫৫, শামি ০/৪৬, কুলদীপ ২/৫৪, জাদেজা ১/৪৮)

ভারত: ৫০ ওভারে ২৫৪/৯ (রোহিত ১৩৩, ধাওয়ান ০, কোহলি ৩, রায়ডু ০, ধোনি ৫১, কার্তিক ১২, জাদেজা ৮, ভুবনেশ্বর ২৯*, কুলদীপ ৩, শামি ১; বেহরেনডর্ফ ২/৩৯, রিচার্ডসন ৪/২৬, সিডল ১/৪৮, লায়ন ০/৫০, স্টয়নিস ২/৬৬)

ফল: অস্ট্রেলিয়া ৩৪ রানে জয়ী

ম্যাচসেরা: জাই রিচার্ডসন

আপনার মতামত লিখুন :

আবাহনীর জালে মোহামেডানের ৪ গোল

আবাহনীর জালে মোহামেডানের ৪ গোল
চ্যাম্পিয়ন আবাহনীকে চমকে দিয়ে বড় জয় মোহামেডানের

রীতিমতো বিস্ময়কর! রেলিগেশনের লড়াইয়ে থাকা মোহামেডানের কাছেই কীনা হেরে গেল আবাহনী। হারটাও বেশ বড়। চ্যাম্পিয়নদের জালে এক হালি গোল দিয়েছে সাদা-কালো শিবির। মঙ্গলবার ফেভারিটদের রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছে তারা।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে মোহামেডান ৪-০ গোলে হারিয়েছে আবাহনীকে। অথচ লিগের প্রথম পর্বে এই দলটির বিপক্ষেই ৩-০ গোলে জিতেছিল ধানমন্ডির ক্লাবটি। 

এই হারে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে গেল আবাহনী। টানা ছয় ম্যাচ জয়ের পর হোঁচট খেল তারা। চার বছর পর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর বিপক্ষে জয় পেল মোহামেডান!

ম্যাচে মোহামেডানের হয়ে দুটি করেন তকলিস আহমেদ। একটি করে গোল সোলেমান আর জাহিদ হাসান এমিলির। এ জয়ে ২০ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে আটে নম্বরে মোহামেডান। ২১ ম্যাচে আবাহনীর অর্জন ৫১ পয়েন্ট।

খেলার ১৬তম মিনিটে সুলেমানে দিয়াবাতের পাস থেকে বল পেয়ে ব্যবধান গড়ে দেন তকলিস আহমেদ। এরপর তিনিই দ্বিগুণ করেন ব্যবধান। ৫০তম মিনিটে জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় আবাহনীর। তাদের জালে বল পাঠান মালির ফরোয়ার্ড দিয়াবাতে। তারপর ৬৬তম মিনিটে জাহিদ হাসান এমিলি গোল (৪-০) করলে হতাশ হয়েই মাঠ ছাড়ে তারা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563291221174.jpg

এদিকে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের মঙ্গলবারে আরেক ম্যাচে মতিন মিয়ার হ্যাটট্রিকে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে অনায়াসে হারিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। নীলফামারীর শেখ কামাল স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার ৫-০ গোলে জয় তুলে নেয় তারা। দলের জয়ে অপর দুই গোলদাতা মোহাম্মদ ইব্রাহিম ও আলমগীর কবির রানা।

নোয়াখালীতে রাফায়েল ওডোইন করেন হ্যাটট্রিক। তার দাপটে একই দিন নোফেল স্পোর্টিং ক্লাবকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র।

এ অবস্থায় ২০ ম্যাচে ১৯ জয় ও এক ড্রয়ে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগের শীর্ষে রয়েছে বসুন্ধরা। ২০ ম্যাচে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে শেখ রাসেল। ব্রাদার্সের অর্জন ১৬ পয়েন্ট।

মানহানির মামলায় ২ লাখ ডলার পেলেন গেইল

মানহানির মামলায় ২ লাখ ডলার পেলেন গেইল
মাঠের বাইরে সুখবর ক্রিস গেইলের

অস্ট্রেলিয়ার তিন পত্রিকার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করে জিতেছিলেন ক্রিস গেইল। পেয়েছিলেন ক্ষতিপূরণের আদেশ। এবার সেই রায়ের বিরুদ্ধে সিডনি মর্নিং হেরাল্ড, দ্য এজ ও ক্যানবেরা টাইমসের করা আপিলেও জিতলেন ক্যারিবিয়ান এ সুপারস্টার।

২০১৫ সালে সিডনিতে এক নারী ম্যাসেজ থেরাপিস্টের সামনে গেইল নিজেকে বাজে ভাবে উপস্থাপন করে ছিলেন। এমন দাবী করে খবর ছাপে অস্ট্রেলিয়ার ওই তিন পত্রিকা।

গেইল দাবী করেন, খবরটা মোটেই সত্য নয়। মানহানির মামলা করে জিতে যান এ মারকুটে ব্যাটসম্যান। ক্ষতিপূরণ হিসেবে গতবছর গেইলকে ২ লাখ ১০ হাজার ডলার (১ লাখ ৭০ হাজার পাউন্ড বা ৩ লাখ অস্ট্রেলিয়ান ডলার) দেওয়ার আদেশ দেন নিউ সাউথ ওয়েলসের সুপ্রিম কোর্ট।

বিচার চলাকালে ম্যাসেজ থেরাপিস্ট লিয়ান্নে রাসেল অভিযোগ করেন, ড্রেসিং রুমে গেইল খানিকটা বাজে ভাবে নিজেকে জাহির করেছিলেন। এতে তিনি মর্মাহত হয়ে রুম থেকে বেরিয়ে যেতে বাধ্য হন।

২০১৬ সালে টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে এক নারী সাংবাদিককে গেইল বলে ছিলেন, ‘লজ্জা পেয়েও না, সোনা।’ এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওই নারী শুরুতে যোগাযোগ করেন ফেয়ারফ্যাক্স মিডিয়ার সঙ্গে। পরে যোগাযোগ করেন তিন পত্রিকার মালিকের সঙ্গে।

গেইল দাবী করেন, মিসেস রাসেলের অভিযোগ বানোয়াট। পরে ওই তিন পত্রিকা খবরের সত্যতা প্রমাণে ব্যর্থ হলে জুরি বোর্ড গেইলের পক্ষে রায় দেন। গেইলের আইনজীবী মৌখিকভাবে মিসেস রাসেলকে আক্রমণ করে করেছেন দাবী করে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে ছিল ওই তিন পত্রিকা। কিন্তু কোনো লাভ হল না। জয় হল গেইলেরই।

তবে একই সঙ্গে ক্ষতিপূরণের পরিমাণটা যথেষ্ট নয় দাবী করে গেইলের পাল্টা আপিলও বাতিল করে দেন কোর্ট।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র