Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সুপার ওভারে চিটাগংয়ের জয়

সুপার ওভারে চিটাগংয়ের জয়
রোমাঞ্চকর জয় পেল চিটাগং
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সুপার ওভারে গড়ানো ম্যাচে শেষ হাসি হাসলো চিটাগং ভাইকিংস। টার্গেট ছিলো মাত্র ১২ রানের। ৬ বলে ১২ রান। দুটো ছক্কা হলেই ম্যাচ শেষ! কিন্তু ৬ বলে ১১ রানের বেশি তুলতে পারেনি খুলনা টাইটানস। ১ রানে সুপার ওভার জিতে আনন্দে মেতে উঠলো চিটাগং ভাইকিংস।

সুপার ওভারের শেষ বলে ম্যাচ জিততে খুলনার প্রয়োজন ছিলো ৩ রানের। কিন্তু রোবি ফ্রাইলিঙ্কের করা দুর্দান্ত শেষ বলটা ব্যাটেই লাগাতে পারেননি পল স্টালির্ং। কোন মতে একটা বাই রান নেন। দ্বিতীয় রানটা অসম্ভব ছিলো। সেটা নিতে গিয়ে রান আউট হন তিনি। ১ রানে সুপার ওভারে ম্যাচ জিতে মুশফিক রহিমের দল।

শেষদিকে এসে এই ম্যাচের পরতে পরতে নাটকীয়তার দেখা মিলে। খুলনা টাইটানসের ১৫১ রানের জবাবে চিটাগং ভাইকিংস বেশ ভালভাবেই ম্যাচে ছিলো। মুশফিক রহিম যেভাবে ব্যাটিং করছিলেন তাতে মনে হচ্ছিলো নিশ্চিত জয়ের পথেই আছে চিটাগং। কিন্তু ১৮ নম্বর ওভারে এসে কার্লোস ব্রাথওয়েট দ্বিতীয় বলেই মুশফিক রহিমকে আউট করেন। এই উইকেটই ম্যাচের মোড় ফের ঘুরিয়ে দিলো খুলনার দিকে। ক্রমেই চিটাগংয়ের জন্য শেষের টার্গেট কঠিন হতে লাগলো।

শেষ ১২ বলে চাই ২৩ রান। জুনায়েদ খান ১৯ নম্বর ওভারে মাত্র ৪ রান দিয়ে চিটাগংয়ের কাজটা আরো কঠিন করে দেন। ম্যাচ জিততে শেষ ওভারে চিটাগংয়ের চাই ১৯ রানের বিশাল টার্গেট। তিন ছক্কায় শেষ ওভারে সেই টার্গেটের একেবারে কাছেও পৌছে যায় চিটাগং। কিন্তু শেষ বলে প্রয়োজনীয় ১ রান নিতে পারেনি। আগের দুই বলে দুই ছক্কা হাঁকানো ফ্রাইলিঙ্ক ম্যাচের শেষ বলে রান আউট হয়ে যান। স্কোরবোর্ডে তখন দু’দলের স্কোর সমান। ম্যাচ টাই। নিয়ম অনুযায়ী ফল নির্ধারনের জন্য ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।

সুপার ওভারে আগে ব্যাট করে চিটাগং ভাইকিংস ১ উইকেট হারিয়ে ১১ রান তোলে। খুলনা সেই রানের জবাবে করে মাত্র ১০ রান। একেই বলে পয়সা উসুলের ম্যাচ!

চলতি বিপিএলে যাও একটা ম্যাচ জেতার সুযোগ তৈরি হয়েছিলো খুলনা সামনে। সেই সুযোগ দেখা দিয়েও মিলিয়ে গেল! টানা চার ম্যাচের চারটিতেই হেরে খুলনা বিপিএলে এখনো পয়েন্ট শূণ্য। আর তিন ম্যাচে দুই জয় নিয়ে চিটাগংয়ের এবারের শুরুটা বেশ ভালই হয়েছে।

টসে হেরে ব্যাট করতে নামা খুলনা টাইটানসের ইনিংস শেষে একটু আক্ষেপ রয়েই গেলো, ১৫১ রানের স্কোরটা আরেকটু বড় হতে পারতো! শেষের পাঁচ ওভারে যেভাবে ব্যাট হাতে শাসন করার কথা ছিলো, সেটা করতে পারেনি খুলনা। হাতে উইকেট জমা কিন্তু শেষের পাঁচ ওভারে তাদের যোগাড় হলো মাত্র ৪০ রান। ১৮ নম্বর ওভারে স্পিনার সানজামুল ইসলাম টানা দুই বলে ব্রাথওয়েট ও মাহমুদউল্লাহ’র উইকেট তুলে নিলে স্কোরবোর্ডে খুলনার রানের স্বাস্থ্য খুব বেশি সবল হতে পারেনি। তারপরও ১৫১ রানের স্কোরে খুলনা স্বস্তি খুঁজছে, এই প্রথম শুরুর দিকের পাঁচ ব্যাটসম্যানের সবাই অন্তত ডাবল ফিগারে যেতে পেরেছে।

তবে কে জানতে উভয় দলের ১৫১ রানের এই ম্যাচ শেষ পর্যন্ত এত টানটান উত্তেজনা জিইয়ে রাখবে?

সংক্ষিপ্ত স্কোর: খুলনা টাইটানস: ১৫১/৬ (২০ ওভারে, স্টার্লিং ১৮, জুনায়েদ ২০, মালান ৪৫, মাহমুদউল্লাহ ৩৩, ব্রাথওয়েট ১২, নাজমুল হোসেন শান্ত ৬, আরিফুল ৯*, মাইদুল ৪*, সানজামুল ২/৩৭, নাঈম ১/১৬)। চিটাগং ভাইকিংস: ১৫১/৮ (২০ ওভারে, শাহজাদ ১০, ডেলপোর্ট ১৭, ইয়াসির আলী ৪১, মুশফিক ৩৪, মোসাদ্দেক ১২, ফ্রাইলিঙ্ক ২৩, ব্রাথওয়েট ২/৩০, শরিফুল ২/৩১)। ফল: ম্যাচ টাই, সুপার ওভারে ১ রানে চিটাগং ভাইকিংস জয়ী। ম্যাচসেরা: রোবি ফ্রাইলিঙ্ক।

আপনার মতামত লিখুন :

আবাহনীর জালে মোহামেডানের ৪ গোল

আবাহনীর জালে মোহামেডানের ৪ গোল
চ্যাম্পিয়ন আবাহনীকে চমকে দিয়ে বড় জয় মোহামেডানের

রীতিমতো বিস্ময়কর! রেলিগেশনের লড়াইয়ে থাকা মোহামেডানের কাছেই কীনা হেরে গেল আবাহনী। হারটাও বেশ বড়। চ্যাম্পিয়নদের জালে এক হালি গোল দিয়েছে সাদা-কালো শিবির। মঙ্গলবার ফেভারিটদের রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছে তারা।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে মোহামেডান ৪-০ গোলে হারিয়েছে আবাহনীকে। অথচ লিগের প্রথম পর্বে এই দলটির বিপক্ষেই ৩-০ গোলে জিতেছিল ধানমন্ডির ক্লাবটি। 

এই হারে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে গেল আবাহনী। টানা ছয় ম্যাচ জয়ের পর হোঁচট খেল তারা। চার বছর পর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর বিপক্ষে জয় পেল মোহামেডান!

ম্যাচে মোহামেডানের হয়ে দুটি করেন তকলিস আহমেদ। একটি করে গোল সোলেমান আর জাহিদ হাসান এমিলির। এ জয়ে ২০ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে আটে নম্বরে মোহামেডান। ২১ ম্যাচে আবাহনীর অর্জন ৫১ পয়েন্ট।

খেলার ১৬তম মিনিটে সুলেমানে দিয়াবাতের পাস থেকে বল পেয়ে ব্যবধান গড়ে দেন তকলিস আহমেদ। এরপর তিনিই দ্বিগুণ করেন ব্যবধান। ৫০তম মিনিটে জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় আবাহনীর। তাদের জালে বল পাঠান মালির ফরোয়ার্ড দিয়াবাতে। তারপর ৬৬তম মিনিটে জাহিদ হাসান এমিলি গোল (৪-০) করলে হতাশ হয়েই মাঠ ছাড়ে তারা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563291221174.jpg

এদিকে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের মঙ্গলবারে আরেক ম্যাচে মতিন মিয়ার হ্যাটট্রিকে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে অনায়াসে হারিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। নীলফামারীর শেখ কামাল স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার ৫-০ গোলে জয় তুলে নেয় তারা। দলের জয়ে অপর দুই গোলদাতা মোহাম্মদ ইব্রাহিম ও আলমগীর কবির রানা।

নোয়াখালীতে রাফায়েল ওডোইন করেন হ্যাটট্রিক। তার দাপটে একই দিন নোফেল স্পোর্টিং ক্লাবকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র।

এ অবস্থায় ২০ ম্যাচে ১৯ জয় ও এক ড্রয়ে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগের শীর্ষে রয়েছে বসুন্ধরা। ২০ ম্যাচে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে শেখ রাসেল। ব্রাদার্সের অর্জন ১৬ পয়েন্ট।

মানহানির মামলায় ২ লাখ ডলার পেলেন গেইল

মানহানির মামলায় ২ লাখ ডলার পেলেন গেইল
মাঠের বাইরে সুখবর ক্রিস গেইলের

অস্ট্রেলিয়ার তিন পত্রিকার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করে জিতেছিলেন ক্রিস গেইল। পেয়েছিলেন ক্ষতিপূরণের আদেশ। এবার সেই রায়ের বিরুদ্ধে সিডনি মর্নিং হেরাল্ড, দ্য এজ ও ক্যানবেরা টাইমসের করা আপিলেও জিতলেন ক্যারিবিয়ান এ সুপারস্টার।

২০১৫ সালে সিডনিতে এক নারী ম্যাসেজ থেরাপিস্টের সামনে গেইল নিজেকে বাজে ভাবে উপস্থাপন করে ছিলেন। এমন দাবী করে খবর ছাপে অস্ট্রেলিয়ার ওই তিন পত্রিকা।

গেইল দাবী করেন, খবরটা মোটেই সত্য নয়। মানহানির মামলা করে জিতে যান এ মারকুটে ব্যাটসম্যান। ক্ষতিপূরণ হিসেবে গতবছর গেইলকে ২ লাখ ১০ হাজার ডলার (১ লাখ ৭০ হাজার পাউন্ড বা ৩ লাখ অস্ট্রেলিয়ান ডলার) দেওয়ার আদেশ দেন নিউ সাউথ ওয়েলসের সুপ্রিম কোর্ট।

বিচার চলাকালে ম্যাসেজ থেরাপিস্ট লিয়ান্নে রাসেল অভিযোগ করেন, ড্রেসিং রুমে গেইল খানিকটা বাজে ভাবে নিজেকে জাহির করেছিলেন। এতে তিনি মর্মাহত হয়ে রুম থেকে বেরিয়ে যেতে বাধ্য হন।

২০১৬ সালে টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে এক নারী সাংবাদিককে গেইল বলে ছিলেন, ‘লজ্জা পেয়েও না, সোনা।’ এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওই নারী শুরুতে যোগাযোগ করেন ফেয়ারফ্যাক্স মিডিয়ার সঙ্গে। পরে যোগাযোগ করেন তিন পত্রিকার মালিকের সঙ্গে।

গেইল দাবী করেন, মিসেস রাসেলের অভিযোগ বানোয়াট। পরে ওই তিন পত্রিকা খবরের সত্যতা প্রমাণে ব্যর্থ হলে জুরি বোর্ড গেইলের পক্ষে রায় দেন। গেইলের আইনজীবী মৌখিকভাবে মিসেস রাসেলকে আক্রমণ করে করেছেন দাবী করে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে ছিল ওই তিন পত্রিকা। কিন্তু কোনো লাভ হল না। জয় হল গেইলেরই।

তবে একই সঙ্গে ক্ষতিপূরণের পরিমাণটা যথেষ্ট নয় দাবী করে গেইলের পাল্টা আপিলও বাতিল করে দেন কোর্ট।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র