Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

জিতছে ঢাকা, দেখছে দেশ!

জিতছে ঢাকা, দেখছে দেশ!
জয়ের ছন্দে উড়ছে ঢাকা ডায়নামাইটস- ছবি: বিসিবি
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বলতে গেলে এই ম্যাচের ফল জানা হয়ে গেল, সিলেট ইনিংসের পাওয়ার প্লেতেই! ব্যাটিংয়ের সব পাওয়ার তো তাদের পাওয়ার প্লে’তেই শেষ। ৬.১ ওভারেই ৩৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে সিলেটের ধুঁকে চলা শুরু। বাকি সময় জুড়ে একটাই অপেক্ষায় এই ম্যাচে কত রানে জিতছে ঢাকা ডায়নামাইটস। সেই উত্তর মিললো সিলেটের ইনিংস শেষে। ঢাকা ম্যাচ জিতলো ৩২ রানে।

একা শুধু নিকোলাস পুরান ৯ ছক্কায় ৪৭ বলে ৭২ রানের রানের ইনিংস খেলে ব্যাট হাতে কিছুটা সাহস দেখালেন। আর সিলেটের বাকিরা সবাই মিলে করলেন মাত্র ৬৯ রান!

চার ম্যাচের চারটিতেই জিতে এবারের বিপিএলে সাকিব আল হাসানের ঢাকার শুরুটা হলো স্বপ্নের মতো। হোম ভেন্যুতে টুর্নামেন্টের প্রথম পর্বে ঢাকার সাফল্য শতভাগ। চার ম্যাচেই বড় রান তুলেছে ঢাকা। ব্যাটিং-বোলিং সব বিভাগেই দারুন দক্ষতা দেখিয়ে টুর্নামেন্টের একমাত্র দল হিসেবে অপরাজিত থেকেই দ্বিতীয় পর্ব খেলতে সিলেট যাচ্ছে ঢাকা ডায়নামাইটস।

জিতবে ঢাকা, দেখবে দেশ-ডায়নামাইটসের শ্লোগানের সঙ্গে দারুণ ভাবে মিলে গেলো এবারের বিপিএলের শুরুর অংশ!

ঢাকার ৭ উইকেটে ১৭৩ রানের জবাবে খেলতে নামা সিলেট শুরু থেকেই উইকেট হারায়। দলের প্রথম চার ব্যাটসম্যান ফিরলেন সিঙ্গেল ডিজিটে। সাকিব, নারিন ও শুভগত হোম-ঢাকার তিন স্পিনার প্রত্যেকেই শুরুতেই সাফল্য পেলেন। রুবেল হোসেন ম্যাচে নিজের প্রথম বলেই বিদায় করলেন সাব্বির রহমানকে। সিলেটের ব্যর্থ ব্যাটসম্যানদের মধ্যে নাসির হোসেনের আউটের ধরনটা সবচেয়ে বেশি সমালোচনা কুড়াচ্ছে। বারবার উইকেট ছেড়ে বেরুচ্ছেন কিন্তু শট খেলতেই পারছেন না। যে বলে শটস খেললেন তাতেই ক্যাচ আউট। ৮ বলে ১ রান করে সাকিবের বলে বাউন্ডারি লাইনে আন্দ্রে রাসেলের হাতে ক্যাচ আউট হওয়ার পর নাসির হাতে ধরা ব্যাটের দিকে সন্দেহের নজরে তাকাচ্ছিলেন; যেন সব দোষ তার ঐ ব্যাটের ব্লেডে!

আগের ম্যাচের হ্যাটট্রিকম্যান আলিস আল ইসলাম যখন বল হাতে আক্রমণে এলেন ততক্ষনে সিলেটের ছয় উইকেট নেই! পেছনের ম্যাচ গুলোর মতো এই ম্যাচেও ব্যাটসম্যান হিসেবে সিলেটের একজনকেই দেখা গেল; নিকোলাস পুরান। তার ৭২ বলের ইনিংস সিলেটের হারের সময়কে কেবল একটু দীর্ঘায়িত করলো!

নিজ ভেন্যুতে পরের পর্বে মাঠে নামার আগে সিলেট সিক্সার্সকে যা নিয়ে সবচেয়ে বেশি হোমওয়ার্ক করতে হবে, তার নাম; ব্যাটিং!

টসে জিতে ঢাকা ডায়নামাইটস রাতের ব্যাটিং বেছে নেয়। ঢাকার ব্যাটিংয়ের সেরা ইনিংস খেলেন মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান রনি তালুকদার। ৩৪ বলে ৫ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ৫৮ রানে উজ্জ্বল তার ব্যাট।

তাসকিন আহমেদের পেসে ঢাকার ইনিংস মাঝপথে একটু পথ হারালেও ঠিকানা ঠিক করে দেন নিচের দিকের দুই ব্যাটসম্যান নুরুল হাসান সোহান ও মোহাম্মদ নাঈম। দুজনে অষ্টম উইকেট জুটিতে মাত্র ৩৫ বলে যোগ করেন হার না মানা ৪৮ রান। ঢাকাকে ১৭৩ রানের বড় সঞ্চয় এনে দেয়ার অন্যতম কারিগর এই জুটি।

তাসকিন আহমেদ ৩৮ রানে ৩ উইকেট শিকারের আনন্দও উপভোগ করতে পারলেন না। মাত্র ৫ বলের ব্যবধানে পোলার্ড, রাসেল ও শুভগত হোমের উইকেট তুলে নেন তাসকিন। একতরফা ভঙ্গিতে হারা ম্যাচে বিজিত দলের কারোর ব্যক্তিগত পারফরমেন্স কে মনে রাখে!

ক্রিকেটও যে বিজয়ীর গানই বেশি গায়!

সংক্ষিপ্ত স্কোর: ঢাকা ডায়নামাইটস: ১৭৩/৭ (২০ ওভারে, নারিন ২৫, রনি ৫৮, সাকিব ২৩, সোহান ১৮*, নাঈম ২৫*, তাসকিন ৩/৩৮)। সিলেট সিক্সার্স: ১৪১/৯ (২০ ওভারে, পুরান ৭২, সাব্বির ১২, তাসকিন ১৮*, রুবেল ৩/২২, সাকিব ২/৩৪, শুভগত ২/২৮)। ফল: ঢাকা ৩২ রানে জয়ী।

আপনার মতামত লিখুন :

আবাহনীর জালে মোহামেডানের ৪ গোল

আবাহনীর জালে মোহামেডানের ৪ গোল
চ্যাম্পিয়ন আবাহনীকে চমকে দিয়ে বড় জয় মোহামেডানের

রীতিমতো বিস্ময়কর! রেলিগেশনের লড়াইয়ে থাকা মোহামেডানের কাছেই কীনা হেরে গেল আবাহনী। হারটাও বেশ বড়। চ্যাম্পিয়নদের জালে এক হালি গোল দিয়েছে সাদা-কালো শিবির। মঙ্গলবার ফেভারিটদের রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছে তারা।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে মোহামেডান ৪-০ গোলে হারিয়েছে আবাহনীকে। অথচ লিগের প্রথম পর্বে এই দলটির বিপক্ষেই ৩-০ গোলে জিতেছিল ধানমন্ডির ক্লাবটি। 

এই হারে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে গেল আবাহনী। টানা ছয় ম্যাচ জয়ের পর হোঁচট খেল তারা। চার বছর পর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর বিপক্ষে জয় পেল মোহামেডান!

ম্যাচে মোহামেডানের হয়ে দুটি করেন তকলিস আহমেদ। একটি করে গোল সোলেমান আর জাহিদ হাসান এমিলির। এ জয়ে ২০ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে আটে নম্বরে মোহামেডান। ২১ ম্যাচে আবাহনীর অর্জন ৫১ পয়েন্ট।

খেলার ১৬তম মিনিটে সুলেমানে দিয়াবাতের পাস থেকে বল পেয়ে ব্যবধান গড়ে দেন তকলিস আহমেদ। এরপর তিনিই দ্বিগুণ করেন ব্যবধান। ৫০তম মিনিটে জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় আবাহনীর। তাদের জালে বল পাঠান মালির ফরোয়ার্ড দিয়াবাতে। তারপর ৬৬তম মিনিটে জাহিদ হাসান এমিলি গোল (৪-০) করলে হতাশ হয়েই মাঠ ছাড়ে তারা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563291221174.jpg

এদিকে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের মঙ্গলবারে আরেক ম্যাচে মতিন মিয়ার হ্যাটট্রিকে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে অনায়াসে হারিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। নীলফামারীর শেখ কামাল স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার ৫-০ গোলে জয় তুলে নেয় তারা। দলের জয়ে অপর দুই গোলদাতা মোহাম্মদ ইব্রাহিম ও আলমগীর কবির রানা।

নোয়াখালীতে রাফায়েল ওডোইন করেন হ্যাটট্রিক। তার দাপটে একই দিন নোফেল স্পোর্টিং ক্লাবকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র।

এ অবস্থায় ২০ ম্যাচে ১৯ জয় ও এক ড্রয়ে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগের শীর্ষে রয়েছে বসুন্ধরা। ২০ ম্যাচে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে শেখ রাসেল। ব্রাদার্সের অর্জন ১৬ পয়েন্ট।

মানহানির মামলায় ২ লাখ ডলার পেলেন গেইল

মানহানির মামলায় ২ লাখ ডলার পেলেন গেইল
মাঠের বাইরে সুখবর ক্রিস গেইলের

অস্ট্রেলিয়ার তিন পত্রিকার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করে জিতেছিলেন ক্রিস গেইল। পেয়েছিলেন ক্ষতিপূরণের আদেশ। এবার সেই রায়ের বিরুদ্ধে সিডনি মর্নিং হেরাল্ড, দ্য এজ ও ক্যানবেরা টাইমসের করা আপিলেও জিতলেন ক্যারিবিয়ান এ সুপারস্টার।

২০১৫ সালে সিডনিতে এক নারী ম্যাসেজ থেরাপিস্টের সামনে গেইল নিজেকে বাজে ভাবে উপস্থাপন করে ছিলেন। এমন দাবী করে খবর ছাপে অস্ট্রেলিয়ার ওই তিন পত্রিকা।

গেইল দাবী করেন, খবরটা মোটেই সত্য নয়। মানহানির মামলা করে জিতে যান এ মারকুটে ব্যাটসম্যান। ক্ষতিপূরণ হিসেবে গতবছর গেইলকে ২ লাখ ১০ হাজার ডলার (১ লাখ ৭০ হাজার পাউন্ড বা ৩ লাখ অস্ট্রেলিয়ান ডলার) দেওয়ার আদেশ দেন নিউ সাউথ ওয়েলসের সুপ্রিম কোর্ট।

বিচার চলাকালে ম্যাসেজ থেরাপিস্ট লিয়ান্নে রাসেল অভিযোগ করেন, ড্রেসিং রুমে গেইল খানিকটা বাজে ভাবে নিজেকে জাহির করেছিলেন। এতে তিনি মর্মাহত হয়ে রুম থেকে বেরিয়ে যেতে বাধ্য হন।

২০১৬ সালে টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে এক নারী সাংবাদিককে গেইল বলে ছিলেন, ‘লজ্জা পেয়েও না, সোনা।’ এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওই নারী শুরুতে যোগাযোগ করেন ফেয়ারফ্যাক্স মিডিয়ার সঙ্গে। পরে যোগাযোগ করেন তিন পত্রিকার মালিকের সঙ্গে।

গেইল দাবী করেন, মিসেস রাসেলের অভিযোগ বানোয়াট। পরে ওই তিন পত্রিকা খবরের সত্যতা প্রমাণে ব্যর্থ হলে জুরি বোর্ড গেইলের পক্ষে রায় দেন। গেইলের আইনজীবী মৌখিকভাবে মিসেস রাসেলকে আক্রমণ করে করেছেন দাবী করে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে ছিল ওই তিন পত্রিকা। কিন্তু কোনো লাভ হল না। জয় হল গেইলেরই।

তবে একই সঙ্গে ক্ষতিপূরণের পরিমাণটা যথেষ্ট নয় দাবী করে গেইলের পাল্টা আপিলও বাতিল করে দেন কোর্ট।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র