Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

লায়ন-ফিঞ্চকে টপকে বর্ষসেরা কামিন্স

লায়ন-ফিঞ্চকে টপকে বর্ষসেরা কামিন্স
অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা ক্রিকেটার প্যাট কামিন্স ও অ্যালিসা হিলি
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বেশ জমে উঠেছিল সেরার লড়াই। বছর জুড়ে বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়ই দুর্দান্ত ক্রিকেটের পসরা সাজিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত সেরাদের সেরা প্যাট কামিন্স। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পথ ধরে অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা ক্রিকেটার হলেন এই পেস বোলার। ‘অ্যালান বোর্ডার মেডেল’ পেলেন তিনি। সেই ২০১৪ সালের পর আবারো বর্ষসেরা হলেন কোনো ফাস্ট বোলার। মিচেল জনসনের পর এবার কামিন্স।

মেলবোর্নের ক্রাউন ক্যাসিনোতে সোমবার ‘অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট অ্যাওয়ার্ডস’ অনুষ্ঠানে ভোটযুদ্ধ বাজিমাত কামিন্সের। ক্রিকেটার, আম্পায়ার ও সংবাদকর্মীদের ভোটে তিনিই নাম্বার ওয়ান। তবে লড়াইটা একপেশে ছিল না। ১৫৬ ভোট পেয়েছেন কামিন্স। মাত্র ৬ ভোট কম পেয়ে এরপরই আছেন নাথান লায়ন। ১৪৬ ভোটে তৃতীয় অ্যারন ফিঞ্চ। উসমান খাজা ও মার্কাস স্টয়নিস দুজনই পেয়েছেন ১০২ ভোট। ৮৫ ভোট গেল অ্যান্ড্রু টাইয়ের বাক্সে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/11/1549897750366.jpg

স্পট ফিক্সিংয়ে নিষিদ্ধ স্টিভেন স্মিথের পর সবচেয়ে কম বয়সে অজিদের বর্ষসেরা ক্রিকেটার হয়েছেন কামিন্স। ২০১৫ সালে ২৫ বছর ২৩৯ দিন বয়সে সেরা হয়েছিলেন স্মিথ। ২৫ বছর ২৭৯ দিন বয়সে এই স্বীকৃতি মিলল কামিন্সের।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/11/1549897767769.jpg

বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটার হয়েছেন নায়ান লায়ন (২৫ ভোট)। ৯ জানুয়ারি ২০১৮ থেকে ৭ জানুয়ারি ২০১৯ পর্যন্ত তিনি ১০ টেস্ট খেলে নেন অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ ৪৯ উইকেট। কামিন্স হয়েছেন দ্বিতীয় (২২)। অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা ওয়ানডে ক্রিকেটার হলেন মার্কাস স্টয়নিস (৩০)।

বর্ষসেরা টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটার নির্বাচিত হলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। গত এক বছরে ১৮ ইনিংসে করেন ৫০৬ রান উইকেট নেন ৯টি। ৩০ ভোট পেয়েছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার সেরা উঠতি ক্রিকেটারের পুরস্কার ‘ব্র্যাডম্যান ইয়াং ক্রিকেটার’ পুরস্কার পেলেন ব্যাটসম্যান উইল পুকোভস্কি। ঘরোয়া ক্রিকেটের বর্ষসেরা ম্যাথু ওয়েড।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/11/1549897827186.jpg

অস্ট্রেলিয়া নারী বর্ষসেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার ‘বেলিন্দা ক্লার্ক অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন অ্যালিসা হিলি। এই কিপার-ব্যাটার বর্ষসেরা ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটারও হয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

নাটকীয়তা ছড়িয়ে লর্ডস টেস্ট ড্র

নাটকীয়তা ছড়িয়ে লর্ডস টেস্ট ড্র
১১৫ রানের অনবদ্য এক ইংনিস খেলেন বেন স্টোকস/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

শেষ বিকালে লর্ডস টেস্টে নাটকীয়তার আবেশ ছড়ায়। ইংল্যান্ড ম্যাচ জেতার রঙিন স্বপ্নে বিভোর ছিলো। ১৩৮ রানে অস্ট্রেলিয়ার ৫ উইকেট তুলে নিয়ে শেষ সেশনে লর্ডস টেস্ট জেতার খুব কাছে পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড। কিন্তু শেষের কয়েক ওভার ঠুকঠুক ভঙ্গিতে ব্যাট করে ম্যাচ ড্র রাখতে সমর্থ হয় অস্ট্রেলিয়া।

ঠিক যাকে বলে কানের পাশ দিয়ে গুলি চলে যাওয়া- সেভাবেই বাঁচলো অস্ট্রেলিয়া লর্ডস টেস্টে!

শেষদিন ম্যাচ জেতার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে ২৬৭ রানের চ্যালেঞ্জ দেয় ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেটে ২৫৮ রান তুলে ডিক্লেয়ার্ড করে স্বাগতিকরা।

দিনের শেষ দুই সেশনে ৪৮ ওভারে ম্যাচ জিততে অস্ট্রেলিয়া পায় ২৬৭ রানের কঠিন টার্গেট। মাত্র দু’সেশনে এই রান তোলার চ্যালেঞ্জের পথে ছুটেনি অস্ট্রেলিয়া। তবে শুরুটা হয় তাদের ভীষণ বাজে। ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার লর্ডসের উভয় ইনিংসে ফিরলেন সিঙ্গেলস ডিজিটে। ওয়ানডাউনে ওসমান খাজা আর্চারের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফিরলেন মাত্র ২ রান তুলে। দলের আরেক ওপেনার ক্যামেরন ব্যানক্রফটও ব্যর্থ ব্যাটসম্যানদের একজন। ১৬ রান করে ব্যানক্রফট যখন ফিরছেন অস্ট্রেলিয়ার স্কোরবোর্ডে রান তখন মাত্র ৪৭।

চা বিরতির আগে অস্ট্রেলিয়ার ক্ষতি আর বাড়েনি। ম্যাচের শেষ সেশনে অস্ট্রেলিয়ার মিডলঅর্ডারের দুই ব্যাটসম্যান মার্নাস লাবাসুঙ্গে ও ট্রাভিস হিড কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। চতুর্থ উইকেট জুটিতে অস্ট্রেলিয়া যোগ করে ৮৫ রান। এই জুটিই মূলত অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচ বাঁচানোর পুঁজির যোগাড় এনে দেয়।

দিনের খেলা শেষ হতে ১২ ওভার বাকি থাকার সময় ৫৯ রান করা মার্নাস লাবাসুঙ্গে ফিরলেন বিতর্কিত ক্যাচের এক সিদ্ধান্তে। জ্যাক লিচের বলে জোরালো সুইপ শট খেলেন লাবাসুঙ্গে। বল শর্টলেগে থাকা ফিল্ডারের শরীরে লেগে লেগ আম্পায়ারের দিকে যায়। সেখানে ফিল্ডিং করছিলেন অধিনায়ক জো রুট। ইংলিশ অধিনায়ক সামনে ঝাঁপিয়ে সেই ডিফ্লেকটেড ক্যাচটা নিলেন। ক্যাচটা মাটিতে পড়ে হাতে জমা হলো কিনা- সেই সিদ্ধান্ত জানতে টিভি আম্পায়ারের সহায়তা চাইলেন ফিল্ড আম্পায়ার। সফট সিগন্যাল দিলেন আউট। টিভি আম্পায়ার বেশ কয়েকবার রিপ্লে দেখে আউটের সিদ্ধান্ত জানালেন। তবে টিভি রিপ্লে’র এক পাশের ক্যামেরায় বোঝা গেলো বল মাটিতে আগে পড়েছে। তারপর হাতে জমা হয়েছে। কিন্তু আরেক পাশের ক্যামেরায়  বোঝা যাচ্ছিলো বৈধ ক্যাচই ধরেছেন জো রুট। এমন দোটানা পরিস্থিতিতে টিভি আম্পায়ার মার্নাস লাবাসুঙ্গেকে আউট ঘোষণা করলেন। এই আউটে বিস্মিত হয়ে নারাজি প্রকাশের ভঙ্গিতে মাথা নাড়তে নাড়তে ড্রেসিংরুমে ফিরলেন মার্নাস লাবাসুঙ্গে।

পরের দুই ব্যাটসম্যান ম্যাথু ওয়েড এবং অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক টিম পাইন দ্রুত ফিরে এলে অস্ট্রেলিয়া বড় বিপদে পড়ে। সেই সংকট কাটিয়ে দলের হার বাঁচিয়ে দেন ট্রাভিস হেড ও প্যাট কামিন্স।

ম্যাচের শেষ তিন বল বাকি থাকতে উভয় দল ড্র মেনে হ্যান্ডশেক করে। দারুণ কষ্টে লর্ডস টেস্ট ড্র রাখতে সমর্থ হয়ে অস্ট্রেলিয়া যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলো।

অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে ৯২ রান করা স্টিভেন স্মিথ পেসার জোফরা আর্চারের বাউন্সারে আহত হয়ে পরে আর ব্যাট করতে পারেননি।

পাঁচ ম্যাচের সিরিজে অস্ট্রেলিয়া এজবাস্টনে প্রথম টেস্টে জিতে এগিয়ে আছে ১-০ তে। সিরিজের তৃতীয় টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে ২২ আগস্ট, লিডসে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: ইংল্যান্ড ২৫৮ ও ২৫৮/৫ ( স্টোকস ১১৫)। অস্ট্রেলিয়া ২৫০ ও ১৫৮/৬। ফল: ম্যাচ ড্র।

ব্যাটে-বলে বিবর্ণ শান্তর এইচপি দল

ব্যাটে-বলে বিবর্ণ শান্তর এইচপি দল
প্রথম ম্যাচেই ব্যর্থ বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স দল--ফাইল ছবি

সিরিজের প্রথম ম্যাচেই পথ হারাল বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স দল (এইচপি)। ঘরের মাঠে ব্যাট-বল দুটোতেই ব্যর্থ! অবশ্য অন্যভাবে বলা যায়- ভানিদু হাসারাঙ্গার কাছেই হার মানল স্বাগতিকরা। শুরুতে ব্যাটে ঝড় তুললেন এই শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার। এরপর লেগ স্পিনে সর্বনাশ করে দিলেন তিনি!

হাসারাঙ্গার দাপটেই হাসিমুখ শ্রীলঙ্কা ইমার্জিং দলের। তার সাফল্যে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে হার দেখেছে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স দল। ১৮৬ রানের বড় জয়ে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে এগিয়ে গেল সফরকারীরা।

রোববার সাভারের বিকেএসপিতে বড় লক্ষ্যের সামনে ব্যাট করতে নেমে কিছুই করতে পারেনি নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ৩০৪ রানের জবাবে নেমে ভয়াবহ ব্যর্থ দল। ২৮.৩ ওভারে অলআউট ১১৮ রানে!

সকালে টস ভাগ্যটাও সঙ্গে ছিল না বাংলাদেশ দলের। সফরকারী শ্রীলঙ্কান দল ব্যাট করতে নেমে অবশ্য শুরুতেই হারায় দুই ওপেনার পাথুম নিসানকা ও সাদুন বিরাক্কডিকে। বাঁহাতি পেসার শফিকুল ইসলামের শিকার তারা। কিন্তু এরপরই ঘুরে দাঁড়ায় ইমার্জিং দল। ৭৯ বলে ৭১ রান করে ফেরেন অধিনায়ক চারিথ আসালঙ্কা।

শেষদিকে টাইগার বোলারদের হতাশ করেন হাসারাঙ্গা ও আশেন বান্দারা। ৭ ওভারে ঝড় তুলে করেন ৭৮। এরমধ্যে ৪৬ বলে ৭০ রান তুলেন হাসারাঙ্গা। ১৭ বলে অপরাজিত ২৯ বান্দারার ব্যাটে। ২২ রানে ২ উইকেট শিকার করেন শফিকুল। সমান উইকেট নেন শহিদুল ইসলাম।

বড় সংগ্রহের জবাবে ব্যাট করতে নেমে চেনাই যায়নি শান্ত-ইয়াসিরদের।বিস্ময়কর হলেও সত্য দলের আট ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের দেখা পেলেন না। যা একটু লড়াই করেন সাইফ হাসান। করেন ৭০ বলে ৫০ রান। ১২ রানে ৪ উইকেট হাসারাঙ্গার। ম্যাচসেরা তিনি ছাড়া আবার কে?

সিরিজে ফেরার সুযোগটা বুধবারই পাবে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স দল। বিকেএসপিতেই এদিন শ্রীলঙ্কা ইমার্জিং দলের সঙ্গে লড়বেন নাজমুল হোসেন শান্তরা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

শ্রীলঙ্কা ইমার্জিং দল: ৫০ ওভারে ৩০৪/৭ (নিসানকা ১৮, বিরাক্কডি ৩১, আসালঙ্কা ৭১, আশান ৩৩, মেন্ডিস ২৮, হাসারাঙ্গা ৭০, বান্দারা ২৯*, ড্যানিয়েল ৮, ফার্নান্দো ২*; শহিদুল ২/৭১, ইয়াসিন ১/৮৯, শফিকুল ২/২২, আফিফ ১/২৮, আমিনুল ১/৪৩)
বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স দল: ২৮.৩ ওভারে ১১৮/১০ (সাইফ ৫০, নাঈম ৫, শান্ত ৮, ইয়াসির ০, আফিফ ১৯, আমিনুল ০, মাহিদুল ১০, নাঈম ১, শহিদুল ০, ইয়াসিন ১, শফিকুল ০*; ফার্নান্দো ২/২৮, তুষারা ২/২১, আপন্সো ২/২৫, হাসারাঙ্গা ৪/১২)
ফল: শ্রীলঙ্কা ইমার্জিং দল ১৮৬ রানে জয়ী
ম্যাচসেরা: ভানিদু হাসারাঙ্গা

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র