Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

কাঁধে চড়েই শেষবার আবাহনীতে মুন্না!

কাঁধে চড়েই শেষবার আবাহনীতে মুন্না!
এভাবেই কফিনে করে শেষবারের মতো আবাহনী ক্লাবে এসেছিলেন মুন্না -ফাইল ছবি
এম. এম. কায়সার
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

[২০০৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ভোরে বাংলাদেশ ফুটবল কিংবদন্তী মোনেম মুন্না মারা যান। দীর্ঘসময় কিডনি রোগে ভুগে মৃত্যুর কাছে হার মানেন মুন্না। মাত্র ৩৮ বছর বয়সেই সবাইকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন এই ফুটবল গ্রেট। মুন্নার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রিপোর্টারের পুরানো ডায়েরি থেকে খুঁজে বের করে সেদিনের এই লেখা ]

সেই সর্মথক-ভক্তদের কাঁধে চড়েই আরেকবার প্রিয় আবাহনী ক্লাব চত্বরে এলেন মুন্না। আগে আসতেন বিজয়ের আনন্দে, দু’হাত উঁচিয়ে। এবার এলেন বুকে হাত বেঁধে, কফিনে শুয়ে। আগেও ফুলের মালা পরতেন, গলায়। এই যাত্রায়ও ফুল পেলেন। এবার গলায় নয়; কফিনের ডালায়!

ফেব্রুয়ারির এই সময়টায় বাতাসে বসন্তের আগমনী গান। ফাগুনকে স্বাগত জানাতে চারধারের সবকিছুতেই বদলে যাওয়ার আনন্দ ধ্বনির মূহূর্তকাল এটি। কিন্তু কি অদ্ভুত এক নীরবতায় আছন্ন চারধার! এই যে এখানে শত শত মানুষের হাঁটাচলা। একে অন্যের দিকে মুখ তুলে চাওয়া। সেই দৃষ্টিতে অসহায়ত্বের নোনা জলের বিন্দু! মানুষ যার নাম দিয়েছে বেদনা! খুব প্রিয় কিছুকে আকস্মিক হারিয়ে ফেলার কষ্টের মোচড় এখানকার আগন্তকদের চোখে-মুখে অলিন্দের রক্তনালি, স্নায়ুতে!

আগে মুন্নার বিজয়ের সঙ্গী হয়ে ক্লাব প্রাঙ্গনে আবাহনীর গর্বের আকাশি পতাকা পতপত করে উড়ত। এদিন চারধারে এত বাতাস অথচ স্ট্যান্ডের পতাকা লেপ্টে রইলো অর্ধনমিত হয়ে কুর্নিশের ভঙিতে, বিষন্নতায় আছন্ন থেকে; ওরও বুঝি মন খারাপ!

ক্লাবের প্রবেশপথের সামনে বটগাছের পাতা আগেও ঝরতো। ১২ ফেব্রুয়ারি সকালেও ঝরলো, কিন্তুু সেই ঝরে পড়ায় স্পষ্টত শোনা গেল কান্নার সুর! বিদায়ের রাগিনী। এখানে আজ কাঁদছে, সবকিছুই!

প্রিয় কিছু হারানোর বেদনায় সকাল-দুপুরের পুরো সময় জুড়ে রৌদ্রোজ্জ্বল নীল আকাশকে আবাহনী প্রাঙ্গন থেকে আরো নীলাভ দেখাল! ইট-পাথর- এমনকি দেয়ালের সঙ্গে লেপ্টে থাকা উদ্ভিদ মূল; সবকিছু, চারপাশের উপস্থিতির সবকিছুর সবটুকু জুড়েই ব্যথার কষ্ট। কান্নার দমক।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/12/1549939805003.jpg

ক্লাব প্রাঙ্গনের গাঁ ঘেষে থাকা কাঠালি চাঁপার প্রায় পাতা শূন্য গাছের পাশ থেকে আগে হেঁটে গেলে সুতীব্র একটা ঘ্রাণ কাছে টানতো। এদিন সেখানে মিলল লোবানের গন্ধ। শ্বাসনালী ধাক্কা খেলে আগরবাতির ধোঁয়ায়। নিবিষ্ট মনে একজন মাইকে কুরআন তিলাওয়াত করে যাচ্ছেন।

সবকিছুই জানিয়ে দিল আজ এখানে প্রিয় কিছুকে চিরবিদায়ের আয়োজন চলছে। আজ এখানে মৃত্যু এসেছিল!

মৃত্যুর সঙ্গে মুন্নার যন্ত্রনার লড়াই মুখোমুখি কায়দায় শুরু হয়েছিল মুলত পাঁচ বছর আগে থেকেই। শরীরের দুটো কিডনিই তার অকেজো হয়ে যায় ২০০০ সালে। বোনের কাছ থেকে ধার করা কিডনি নিয়ে সেই সময়টায় মৃত্যুকে হারিয়ে দিয়েছিলেন মুন্না সেসময়। ট্রান্সপ্লান্ট করা কিডনি রোগীকে মানতে হয় প্রতি পদক্ষেপে অহরহ নিয়ম-কানুন। নিয়মিত পথ্যের ওপরেই টিকে থাকে সে জীবন। এমনকি একরত্তি ধুলোও দৈত্যকার শত্রু তখন। ভেতরের শরীর বাইরে থেকে পাওয়া কাউকে স্বস্তির জায়গা দিতে নারাজ। আর চিরজীবন আপষহীন মুন্না কেন মানবেন এই সমঝোতার সূত্র?

মানেনও নি!

লড়ে গেছেন পাঁচবছর। সেই সুযোগে ওত পেঁতে থাকা শত্রু ধীর লয়ে চড়ে বসে। ভাইরাস জ্বর নিয়ে গত ২৫ জানুয়ারি হাসপাতালে বিছানা নেন। আর উঠতে পারেননি। এই আঠারদিন কেটেছে তার জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে। ১২ ফেব্রুয়ারির সকালে হাসপাতাল ছাড়লেন কফিনে শুয়ে।

সকালে ঘুম ভাঙ্গলে সবার আগে মুন্না চলে আসতেন আবাহনী ক্লাবে। কি আশ্চর্য, এদিনও তাই এলেন। তবে ঘুম যে আর ভাঙ্গল না! ক্লাবের নিচতলায় পাঁচনম্বর রুমে জীবনে অনেক সময় কেটেছে তার। সেই রুমের পশ্চিম কর্নারের বিছানা পরিপাটি। কিন্তু মুন্নার বিছানা যে এখন অন্য কোথাও!

যে মাঠে ফুটবলার মুন্না নিয়মিত অনুশীলন করতেন, যে মাঠে ম্যানেজার মুন্না কৌশল নিয়ে আলাপ করতেন, আড্ডা দিতেন-সেই মাঠে এদিন সবাই ছিল, ফুটবলার, কর্মকর্তা, কোচ, ভক্ত-সমর্থক সবাই দাঁড়িয়ে-বসে, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আর মুন্না কফিনে শুয়ে! নাকে তুলো।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/13/1550058770912.jpg

মাঠের যে কোনায় মুন্নার অনুশীলনের সময় আশপাশের দেয়ালে ভক্তরা ভিড় করত, ঠিক সেই জায়গায় তার জানাজা হল। মাঠের একদম পূর্বপ্রান্তে ক্রিকেট ম্যাচ থামিয়ে আম্পায়ার ও ক্রিকেটাররা গোল হয়ে মুন্নার জন্য প্রার্থনায় হাত তুললেন। যখন ফুটবল খেলতেন, তখন আনন্দে মন্থিত রাখতেন সবাইকে। যখন ফুটবল কর্তা হলেন, তখন আপোষহীন দৃঢ়তায় বাধঁলেন সবাইকে। আর যেদিন যখন বিদায় নিলেন-কাউকে ডাকলেনও না! ভোরে পাখি ডাকা বেলায় বিদায়। কার ওপর যেন অভিমান ছিল মুন্নার?

ক্লাব ঘরের দোতলার ছাদে খড় ঘেরা চাতাল দেখিয়ে আহমেদ সাজ্জাদুল আলম ববি বললেন-‘ওখানে আড্ডায় আর কখনোই পাবো না মুন্নাকে।’ ববি আবাহনীর ক্রিকেট কর্মকর্তা। মুন্নার লড়াকু প্রভাবী ব্যক্তিত্বের মুগ্ধতা ঝরল তার কণ্ঠেও। ফুটবলে তারকা খ্যাতির স্টিকার মুলত গোলকিপার, মিডফিল্ডার এবং স্ট্রাইকারদের গায়েই বেশি দেখা যায়। কিন্তু ডিফেন্ডার মুন্না অনেক ট্রফি জয়ের সঙ্গে ফুটবলের গ্ল্যামারটাকেও ঠিকই জিতে নেন।

অনেক ম্যাচ জিতেছেন। চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। কিন্তুু মাত্র ৩৮ এ এসে জীবনের ম্যাচে হার! ফাগুন হাওয়ার দিনে মৃত্যু কেন আসবে? বিয়ে বার্ষিকীর দিনেই কেনো সুরভী ভাবীকে কাঁদতে হবে?

ছায়াঘেরা আবাহনী ক্লাবের আমগাছে এবারো অনেক মুকুল ধরেছে। তখনিই আরেকবার জানলাম-মৃত্যু কোনকিছুর শেষ নয়, শুরু মাত্র!

আপনার মতামত লিখুন :

নাটকীয়তা ছড়িয়ে লর্ডস টেস্ট ড্র

নাটকীয়তা ছড়িয়ে লর্ডস টেস্ট ড্র
১১৫ রানের অনবদ্য এক ইংনিস খেলেন বেন স্টোকস/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

শেষ বিকালে লর্ডস টেস্টে নাটকীয়তার আবেশ ছড়ায়। ইংল্যান্ড ম্যাচ জেতার রঙিন স্বপ্নে বিভোর ছিলো। ১৩৮ রানে অস্ট্রেলিয়ার ৫ উইকেট তুলে নিয়ে শেষ সেশনে লর্ডস টেস্ট জেতার খুব কাছে পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড। কিন্তু শেষের কয়েক ওভার ঠুকঠুক ভঙ্গিতে ব্যাট করে ম্যাচ ড্র রাখতে সমর্থ হয় অস্ট্রেলিয়া।

ঠিক যাকে বলে কানের পাশ দিয়ে গুলি চলে যাওয়া- সেভাবেই বাঁচলো অস্ট্রেলিয়া লর্ডস টেস্টে!

শেষদিন ম্যাচ জেতার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে ২৬৭ রানের চ্যালেঞ্জ দেয় ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেটে ২৫৮ রান তুলে ডিক্লেয়ার্ড করে স্বাগতিকরা।

দিনের শেষ দুই সেশনে ৪৮ ওভারে ম্যাচ জিততে অস্ট্রেলিয়া পায় ২৬৭ রানের কঠিন টার্গেট। মাত্র দু’সেশনে এই রান তোলার চ্যালেঞ্জের পথে ছুটেনি অস্ট্রেলিয়া। তবে শুরুটা হয় তাদের ভীষণ বাজে। ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার লর্ডসের উভয় ইনিংসে ফিরলেন সিঙ্গেলস ডিজিটে। ওয়ানডাউনে ওসমান খাজা আর্চারের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফিরলেন মাত্র ২ রান তুলে। দলের আরেক ওপেনার ক্যামেরন ব্যানক্রফটও ব্যর্থ ব্যাটসম্যানদের একজন। ১৬ রান করে ব্যানক্রফট যখন ফিরছেন অস্ট্রেলিয়ার স্কোরবোর্ডে রান তখন মাত্র ৪৭।

চা বিরতির আগে অস্ট্রেলিয়ার ক্ষতি আর বাড়েনি। ম্যাচের শেষ সেশনে অস্ট্রেলিয়ার মিডলঅর্ডারের দুই ব্যাটসম্যান মার্নাস লাবাসুঙ্গে ও ট্রাভিস হিড কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। চতুর্থ উইকেট জুটিতে অস্ট্রেলিয়া যোগ করে ৮৫ রান। এই জুটিই মূলত অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচ বাঁচানোর পুঁজির যোগাড় এনে দেয়।

দিনের খেলা শেষ হতে ১২ ওভার বাকি থাকার সময় ৫৯ রান করা মার্নাস লাবাসুঙ্গে ফিরলেন বিতর্কিত ক্যাচের এক সিদ্ধান্তে। জ্যাক লিচের বলে জোরালো সুইপ শট খেলেন লাবাসুঙ্গে। বল শর্টলেগে থাকা ফিল্ডারের শরীরে লেগে লেগ আম্পায়ারের দিকে যায়। সেখানে ফিল্ডিং করছিলেন অধিনায়ক জো রুট। ইংলিশ অধিনায়ক সামনে ঝাঁপিয়ে সেই ডিফ্লেকটেড ক্যাচটা নিলেন। ক্যাচটা মাটিতে পড়ে হাতে জমা হলো কিনা- সেই সিদ্ধান্ত জানতে টিভি আম্পায়ারের সহায়তা চাইলেন ফিল্ড আম্পায়ার। সফট সিগন্যাল দিলেন আউট। টিভি আম্পায়ার বেশ কয়েকবার রিপ্লে দেখে আউটের সিদ্ধান্ত জানালেন। তবে টিভি রিপ্লে’র এক পাশের ক্যামেরায় বোঝা গেলো বল মাটিতে আগে পড়েছে। তারপর হাতে জমা হয়েছে। কিন্তু আরেক পাশের ক্যামেরায়  বোঝা যাচ্ছিলো বৈধ ক্যাচই ধরেছেন জো রুট। এমন দোটানা পরিস্থিতিতে টিভি আম্পায়ার মার্নাস লাবাসুঙ্গেকে আউট ঘোষণা করলেন। এই আউটে বিস্মিত হয়ে নারাজি প্রকাশের ভঙ্গিতে মাথা নাড়তে নাড়তে ড্রেসিংরুমে ফিরলেন মার্নাস লাবাসুঙ্গে।

পরের দুই ব্যাটসম্যান ম্যাথু ওয়েড এবং অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক টিম পাইন দ্রুত ফিরে এলে অস্ট্রেলিয়া বড় বিপদে পড়ে। সেই সংকট কাটিয়ে দলের হার বাঁচিয়ে দেন ট্রাভিস হেড ও প্যাট কামিন্স।

ম্যাচের শেষ তিন বল বাকি থাকতে উভয় দল ড্র মেনে হ্যান্ডশেক করে। দারুণ কষ্টে লর্ডস টেস্ট ড্র রাখতে সমর্থ হয়ে অস্ট্রেলিয়া যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলো।

অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে ৯২ রান করা স্টিভেন স্মিথ পেসার জোফরা আর্চারের বাউন্সারে আহত হয়ে পরে আর ব্যাট করতে পারেননি।

পাঁচ ম্যাচের সিরিজে অস্ট্রেলিয়া এজবাস্টনে প্রথম টেস্টে জিতে এগিয়ে আছে ১-০ তে। সিরিজের তৃতীয় টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে ২২ আগস্ট, লিডসে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: ইংল্যান্ড ২৫৮ ও ২৫৮/৫ ( স্টোকস ১১৫)। অস্ট্রেলিয়া ২৫০ ও ১৫৮/৬। ফল: ম্যাচ ড্র।

ব্যাটে-বলে বিবর্ণ শান্তর এইচপি দল

ব্যাটে-বলে বিবর্ণ শান্তর এইচপি দল
প্রথম ম্যাচেই ব্যর্থ বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স দল--ফাইল ছবি

সিরিজের প্রথম ম্যাচেই পথ হারাল বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স দল (এইচপি)। ঘরের মাঠে ব্যাট-বল দুটোতেই ব্যর্থ! অবশ্য অন্যভাবে বলা যায়- ভানিদু হাসারাঙ্গার কাছেই হার মানল স্বাগতিকরা। শুরুতে ব্যাটে ঝড় তুললেন এই শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার। এরপর লেগ স্পিনে সর্বনাশ করে দিলেন তিনি!

হাসারাঙ্গার দাপটেই হাসিমুখ শ্রীলঙ্কা ইমার্জিং দলের। তার সাফল্যে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে হার দেখেছে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স দল। ১৮৬ রানের বড় জয়ে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে এগিয়ে গেল সফরকারীরা।

রোববার সাভারের বিকেএসপিতে বড় লক্ষ্যের সামনে ব্যাট করতে নেমে কিছুই করতে পারেনি নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ৩০৪ রানের জবাবে নেমে ভয়াবহ ব্যর্থ দল। ২৮.৩ ওভারে অলআউট ১১৮ রানে!

সকালে টস ভাগ্যটাও সঙ্গে ছিল না বাংলাদেশ দলের। সফরকারী শ্রীলঙ্কান দল ব্যাট করতে নেমে অবশ্য শুরুতেই হারায় দুই ওপেনার পাথুম নিসানকা ও সাদুন বিরাক্কডিকে। বাঁহাতি পেসার শফিকুল ইসলামের শিকার তারা। কিন্তু এরপরই ঘুরে দাঁড়ায় ইমার্জিং দল। ৭৯ বলে ৭১ রান করে ফেরেন অধিনায়ক চারিথ আসালঙ্কা।

শেষদিকে টাইগার বোলারদের হতাশ করেন হাসারাঙ্গা ও আশেন বান্দারা। ৭ ওভারে ঝড় তুলে করেন ৭৮। এরমধ্যে ৪৬ বলে ৭০ রান তুলেন হাসারাঙ্গা। ১৭ বলে অপরাজিত ২৯ বান্দারার ব্যাটে। ২২ রানে ২ উইকেট শিকার করেন শফিকুল। সমান উইকেট নেন শহিদুল ইসলাম।

বড় সংগ্রহের জবাবে ব্যাট করতে নেমে চেনাই যায়নি শান্ত-ইয়াসিরদের।বিস্ময়কর হলেও সত্য দলের আট ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের দেখা পেলেন না। যা একটু লড়াই করেন সাইফ হাসান। করেন ৭০ বলে ৫০ রান। ১২ রানে ৪ উইকেট হাসারাঙ্গার। ম্যাচসেরা তিনি ছাড়া আবার কে?

সিরিজে ফেরার সুযোগটা বুধবারই পাবে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স দল। বিকেএসপিতেই এদিন শ্রীলঙ্কা ইমার্জিং দলের সঙ্গে লড়বেন নাজমুল হোসেন শান্তরা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

শ্রীলঙ্কা ইমার্জিং দল: ৫০ ওভারে ৩০৪/৭ (নিসানকা ১৮, বিরাক্কডি ৩১, আসালঙ্কা ৭১, আশান ৩৩, মেন্ডিস ২৮, হাসারাঙ্গা ৭০, বান্দারা ২৯*, ড্যানিয়েল ৮, ফার্নান্দো ২*; শহিদুল ২/৭১, ইয়াসিন ১/৮৯, শফিকুল ২/২২, আফিফ ১/২৮, আমিনুল ১/৪৩)
বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স দল: ২৮.৩ ওভারে ১১৮/১০ (সাইফ ৫০, নাঈম ৫, শান্ত ৮, ইয়াসির ০, আফিফ ১৯, আমিনুল ০, মাহিদুল ১০, নাঈম ১, শহিদুল ০, ইয়াসিন ১, শফিকুল ০*; ফার্নান্দো ২/২৮, তুষারা ২/২১, আপন্সো ২/২৫, হাসারাঙ্গা ৪/১২)
ফল: শ্রীলঙ্কা ইমার্জিং দল ১৮৬ রানে জয়ী
ম্যাচসেরা: ভানিদু হাসারাঙ্গা

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র