থাই রাজকুমারীর নির্বাচনে যেতে রাজার নিষেধাজ্ঞা

থাই রাজা ভাজিরালংকর্ন (বাঁয়ে) ও রাজকুমারী উবোলরতনা (ডানে), ছবি: সংগৃহীত

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

শুক্রবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরেই রাজ পরিবারের প্রথা ভেঙে থাই রাজকুমারী উবোলরতনা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচন করছেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। তবে সন্ধ্যায় তার ভাই রাজা ভাজিরালংকর্ন রাজ বিবৃতিতে জানিয়েছেন, থাই রাজ পরিবারের কোনো সদস্য রাজনীতিতে জড়িত হতে পারবে না।

ফলে ৬৮ বছর বয়সী রাজকুমারীর নির্বাচনে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়লো।

দুপুরে রাজকুমারীর এই ঘোষণায় থাইল্যান্ডে আলোচনার ঝড় ওঠে। কারণ এর পূর্বে রাজপরিবারের কোনো সদস্য রাজনীতিতে সরাসরি অংশ নেননি। তবে সাবেক রাজা ভূমিবলের বড় সন্তানের নির্বাচনের স্বিদ্ধান্তকে সাফ 'না' করে দিয়েছেন তাঁর ছেলে বর্তমান রাজা। বলেছেন, 'রাজপরিবারে অর্ন্তভুক্ত থেকে কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।'

তাই রাজপরিবারে আবারো নতুন করে দ্বন্ধ শুরু হতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

শুক্রবার উবোলরতনা তার স্বিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা দিলে স্থাণীয় সময় রাত ১১টায় রাজা বিবৃতিতে জানান, 'চাকরি রাজবংশের জীবিত সদস্য হিসেবে এবং রাজ পরিবারের একজন উচ্চপদস্থ সদস্যের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ, নির্বেশেষে রাজনীতিতে মেশা রাজ ঐতিহ্য প্রথার বিরোধী। এছাড়া এটি জাতীয়তার সংস্কৃতির অবমাননা এবং খুবই অনুপযুক্ত। '

বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমান সংবিধানে বলা রয়েছে, 'রাজা রাজনীতির উর্ধ্বে অবস্থান করবেন।' যার আরো মানে দাঁড়ায়- রাণী এবং পরিবারের অন্য নিকট সদস্যরাও রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থাকবেন এবং রাজনীতিতে কোনো পদ দখলে রাখতে পারবেন না।

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর