Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ঢাবি অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাইয়ের ১১তম পুনর্মিলনী

ঢাবি অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাইয়ের ১১তম পুনর্মিলনী
ঢাবি অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাইয়ের ১১তম পুনর্মিলনী / ছবি: বার্তা২৪
ঢাবি করেসপনডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ব্যাপক জাঁকজমক ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ১১তম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।

শনিবার (১২ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) খেলাধুলা, প্রদর্শনী ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরো দিন পার করেন অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাই সদস্যরা।

সকাল ১০টায় টিএসসি মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বের যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তাদের অ্যালামনাই। এটি যত বেশি শক্তিশালী হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ও ততো বেশি শক্তিশালী হয়। অ্যালামনাই ও অ্যালামনাস এ দুইয়ের মিথস্ক্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। অ্যালামনাইরাই বিশ্ববিদ্যালয়কে সকল প্রকার সমর্থন দিয়ে থাকে।'

উপাচার্য বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল্যবোধ রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনিয়র-জুনিয়র সম্পর্কটা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সুন্দর একটা নিদর্শন। এ নিদর্শন অ্যালামনাইয়ের মধ্যে আরো প্রখর। এই মূল্যবোধের প্রভাব নতুন প্রজন্মের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য এসব অ্যালামনাইয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেন তাদের কথা শোনার জন্য এবং তাদের পরামর্শ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও সুন্দরভাবে চালানোর জন্য।'

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে আজাদ, একাউন্টিং অ্যালামনাইয়ের অনারারি সদস্য সিএজি (কন্ট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল) অধ্যাপক মুসলিম চৌধুরী। এছাড়া অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- অ্যালামনাইয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম হারুনুর রশিদ, একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক রিয়াজুর রহমান প্রমুখ।

মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘আমাদের দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তান আমলে আমাদের দেশ দরিদ্র ছিলো। স্বাধীনতার পর দরিদ্রতা আরও বেড়ে যায়। কিন্তু এখন আমরা দেশের অর্থনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিতে পেরেছি।'

রাজস্বের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘করদাতারা যদি সৎভাবে ব্যবসা করেন ও কর দেন তাহলে আমাদের রাজস্বের অভাব হবে না।’

একাউন্টিং অ্যালামনাই সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা প্রত্যেকে যার যার ক্ষেত্রে দিকপাল। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আপনাদের গুরুত্ব অনেক উপরে। আপনারা অনেকে ব্যাংক, কর্পোরেট ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে শীর্ষ পদে রয়েছেন। সবার উচিত ‘ইন্টিগ্রিটি’ শক্তভাবে ধরে রাখা। তাহলে নিজের মর্যাদা যেমন বৃদ্ধি পাবে সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছেও আমাদের মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। আমাদের সন্তানরাও আমাদের অনুসরণ করবে। আমরা যদি সৎ ও কর্তব্যপরায়ন হই তাহলে পুরো জাতিই আমাদের অনুসরণ করবে।'

এ কে আজাদ বলেন, ‘আমাদের অনেকের আয়ু ৫০-৬০ বছর পেরিয়ে গেছে। আর কয়দিন বা পৃথিবীতে থাকবো। কিন্তু নিজেদের পরিবারের বাইরে আমরা অন্যদের জন্য কী করেছি সেটা ভেবে দেখা দরকার। সমাজে আমরা যে যে অবস্থায়ই থাকি না কেন আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে অনাহারি মানুষ ও অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু করতে হবে। যদি আমাদের সহায়তায় তাদের জীবন ফিরে আসে, আমাদের প্রচেষ্টায় কেউ যদি চাকরি পায় সেটিই আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া। আমরা হয়তো বেঁচে থাকবো না কিন্তু আমাদের সহায়তায় সেই পরিবারটি বেঁচে থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যদি একাউন্টিবিলিটি না থাকে তাহলে একাউন্টিং করে কোনো লাভ হবে না। আমাদের প্রত্যেকের অবস্থান থেকে সমাজকে সেই একাউন্টিবিলিটির জায়গায় নিয়ে যেতে হবে।'

আপনার মতামত লিখুন :

জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি

জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: বার্তা২৪.কম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রলীগের দ্বিতীয় সম্মেলনকে কেন্দ্র করে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। আর একে সফল করতে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটি।

জানা গেছে, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জেরে গত পাঁচ মাস আগে জবি শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করে কেন্দ্রীয় কমিটি। কেন্দ্রীয় কমিটি সৎ, যোগ্য ও দায়িত্বশীল নেতা নির্বাচনে আগামী ২০ জুলাই সম্মেলনের দিন নির্ধারণ করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক সহ-সভাপতি আশরাফুল ইসলাম টিটনকে আহ্বায়ক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটি করে দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

এদিকে, সম্মেলনকে ঘিরে পদপ্রত্যাশীরা লবিং-তদবির, শোডাউন শুরু করে দিয়েছেন। প্রতিদিনই ক্যাম্পাসে নিজের শক্তির জানান দিতে মহড়া দিচ্ছেন অনেকে। অনেকে নিয়মিত ডাকসু ভবন, মধুর ক্যানটিন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অফিসে আড্ডা দিচ্ছেন। কেউ কেউ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা, আওয়ামী লীগ নেতা ও মন্ত্রিপরিষদ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563292497156.jpg

পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচিতরা হলেন- সম্মেলন কমিটির আহ্বায়ক ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আশরাফুল ইসলাম টিটন, সাবেক সহ-সম্পাদক মোল্লা আনোয়ার হোসেন সজিব, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাওসার আহমেদ, তারেক আজিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম ফরায়েজি, আসাদুল্লাহ আসাদ, আসাদুজ্জামান আসাদ, নুরুল আফসার, সাবেক উপ-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক নাহিদ পারভেজ, সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য আদম সাইফুল্লাহ ও আনিসুর রহমান।

সম্মেলন কমিটির আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম টিটন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, সম্মেলন সফল করতে বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় ব্যানার-ফেস্টুন লাগানোর কাজ চলছে। এবার সম্মেলনের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সাবেক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত থাকবেন। ইতোমধ্যে আমন্ত্রিত অতিথিদের কাছে চিঠি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তবে বৃষ্টিতে যেন সম্মেলন পণ্ড না হয় সে ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

‘স্মার্ট ইউনিভার্সিটিতে রূপান্তর হবে খুবি’

‘স্মার্ট ইউনিভার্সিটিতে রূপান্তর হবে খুবি’
খুবির সিএসই বিভাগে স্মার্ট ক্লাসরুম উদ্বোধন করছেন উপাচার্য অধ্যাপক ফায়েক উজ্জামান/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগে মোবাইল অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট ল্যাব, স্মার্ট ক্লাসরুম ও নতুন ওয়েব সাইট উদ্বোধন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান বলেন, বিশ্বের অগ্রগতির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে প্রযুক্তি শিক্ষা ও গবেষণার বিকল্প নেই। প্রযুক্তি এখন দ্রুত পরিবর্তিত ও আধুনিক হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘সর্বশেষ উদ্ভাবনসহ প্রতিনিয়ত যে বিকাশ হচ্ছে সেই জ্ঞান কাজে লাগিয়ে আরও নতুনতর উদ্ভাবনে এগিয়ে আসতে হবে। ডিজিটাল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা, লাইব্রেরি অটোমেশন করা- এসব করা গেলে স্মার্ট ইউনিভার্সিটিতে রূপান্তর হবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়।’

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বেলা ৪টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. সত্যেন্দ্র নাথ বসু একাডেমিক ভবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান এসবের উদ্বোধন করেন। পরে বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মোঃ আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাধন রঞ্জন ঘোষ, ডিন অধ্যাপক ড. উত্তম কুমার মজুমদার, ঐ বিভাগের শিক্ষক আয়েশা আক্তার সহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। উল্লেখ্য, তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি (আইসিটি) মন্ত্রণালয়ের আর্থিক সহায়তায় ল্যাব ও স্মার্ট ক্লাসরুম তৈরি করা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র