Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন পুনঃবিবেচনার অনুরোধ

পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন পুনঃবিবেচনার অনুরোধ
পোশাক শ্রমিক
ঊর্মি মাহবুব
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সরকার পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২ হাজার ৭০০ টাকা বাড়িয়ে ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে। কিন্তু এই মজুরি বর্তমান বাজার মূল্যে সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না বলে মনে করেন শ্রমিক নেতারা। এজন্য মজুরি পুনঃবিবেচনা করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি অনুরোধও জানিয়েছেন তারা।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৮ হাজার টাকা করার ঘোষণা করেন শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু। যা বাস্তবায়ন হবে ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাস থেকে। বর্তমানে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি দেওয়া হয় ৫ হাজার ৩০০ টাকা। নতুন নির্ধারণ করা ন্যূনতম মজুরিতে মূল বেতন ধরা হয়েছে ৪ হাজার একশ টাকা। এর সাথে বাড়ি ভাড়া ২ হাজার ৫০ টাকা, চিকিৎসা ভাতা ৬শ’ টাকা, পরিবহন ভাতা ৬৫০ টাকা এবং অন্যান্য খরচ যোগ করে মোট মজুরি ধরা হয়েছে ৮ হাজার টাকা।

শ্রমিকদের জন্য নির্ধারিত ন্যূনতম বেতনের বিষয়ে আওয়াজ ফাউন্ডেশনের পরিচালক ও শ্রমিক নেত্রী নাজমা আক্তার বার্তা২৪.কম’কে বলেন, ‘পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরির বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুবই গুরুত্ব সহকারে দেখেছেন। তার নির্দেশনায় নতুন এই মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। তবে বাড়িভাড়ার বিবেচনায় এই মজুরি দিয়ে সংসার চালানো কষ্টকর। তাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরির বিষয়টি পুনঃবিবেচনার অুনরোধ জানাচ্ছি।’

টেক্সটাইল গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তপন সাহা বার্তা২৪.কম’কে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাকে আমরা সম্মান জানাই। তবে অন্যান্যবারের মতো এবারও আমাদের মতামত নেওয়া উচিত ছিল। কারণ মজুরি বাড়ানোর ঘোষণার সাথে সাথে বাড়িভাড়াও বাড়িয়ে দেন বাড়ির মালিকরা। এ দিকটা বারবার মনিটরিংয়ের কথা বলা হলেও আজও কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমাদের অনুরোধ, পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরির বিষয়টি আরো একটু বিবেচনা করা হোক।’

তবে এই সময় পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরির নির্ধারণের সিদ্ধান্ত পোশাক শিল্পের জন্য মঙ্গলকর হয়েছে বলে মনে করেন গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম রনি। তিনি বার্তা২৪.কম’কে বলেন, ‘এখন যদি এ ধরনের নির্দেশনা না দেওয়া হতো তাহলে শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠতেন। আন্দোলন শুরুর সম্ভাবনা ছিল। ফলে শ্রম পরিবেশ অশান্ত হওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছে আমাদের পোশাক শিল্প।’

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের জন্য নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়। বোর্ডের চেয়ারম্যান সৈয়দ আমিনুল ইসলাম বার্তা২৪.কম’কে বলেন, ‘বোর্ডের চারটি সভায়ও নিম্নতম মজুরির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়নি। ফলে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন মালিক ও শ্রমিক উভয়পক্ষ। পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়।’

জানা গেছে, বোর্ডের তৃতীয় বৈঠকে মালিকপক্ষ শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৬ হাজার ৩৬০ টাকা করার প্রস্তাব করে। কিন্তু শ্রমিকরা শুরু থেকেই ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ২০ টাকা করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।’

 

আপনার মতামত লিখুন :

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি
ছবি: সংগৃহীত

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলো।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তরা বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের বৈঠকে (আইডিআরএ) অঙ্গীকার করেছেন।

আইডিআরএ চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারির সভাপতিত্বে বৈঠকে আইডিআরএ’র সদস্য, পরিচালক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্সে অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেনসহ কোম্পানির চেয়ারম্যান, এমডি এবং মুখ্য নির্বাহীরা ১৫ শতাংশের অধিক কমিশন বন্ধে দৃঢ় প্রত্যয় এবং কর্তপক্ষের সার্কুলারের সাথে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

সভায় শেখ কবির হোসেন আইডিআরএ’র নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিমা কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান ও নির্বাহীদের আন্তরিকতা প্রদর্শনে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে কোনো নন-লাইফ বিমাকারী ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন প্রদান করে ব্যবসা করবে না।’

সভায় আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘সকলের এ কার‌্যকর এবং সম্মিলিত উদ্যোগের ফলে বিমা শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠুবাজার ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।’

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড
জব্দকৃত মশার কয়েল, ছবি: সংগৃহীত

সনদ ছাড়াই অবৈধভাবে নিন্মমানের কয়েল বিক্রি করার অপরাধে দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েলের দুই কর্মকর্তাকে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর মিরপুরে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ মামলা ও কারাদণ্ড দেয়। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসটিআইয়ের আইন, ২০১৮ অমান্য করে ড্রাগন ব্রান্ডের মশার কয়েল বাজারজাত করায় মিরপুরের মেসার্স মীম এন্টারপ্রাইজের মালিক মোশারফ আলীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েল বিক্রি-বিতরণ করায় ম্যানেজার মো. আতিকুর রহমান (২৮) ও মাছুম আলম (৪৯) কে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে উভয় ব্যান্ডের ১৩০ কার্টুন মশার কয়েল জব্দ করা হয়। এ সময় লাইসেন্সবিহীন মশার কয়েল ক্রয় ও ব্যবহার হতে বিরত থাকার জন্য ক্রেতাসাধারণকে পরামর্শ প্রদান করা হয়। বিএসটিআই’র এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বেগম রাশিদা আক্তারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র