Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

হোন্ডার সরকারি শেয়ার রাখতে সাড়ে ৮৯ কোটি টাকা ঋণ ছাড়

হোন্ডার সরকারি শেয়ার রাখতে সাড়ে ৮৯ কোটি টাকা ঋণ ছাড়
ছবি: সংগৃহীত
আসিফ শওকত কল্লোল
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

 

বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিতে সরকারের ৩০ শতাংশ শেয়ারের মালিক বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)। ওই শেয়ার ধরে রাখতে বাজেট থেকে ৮৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা ছাড় করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি বিএসইসি’কে ঋণ হিসেবে এ অর্থ ছাড় করা হয়। অন্যদিকে কোম্পানির বাকি ৭০ শতাংশ শেয়ারের মালিক জাপানি হোন্ডা কোম্পানি।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি ফরজানা রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বলা হয়েছে, বিএসইসি’কে ৫ শতাংশ সুদে ৫ বছরের গ্রেস পিরিয়ডে আগামী ২০ বছরে এ ঋণ শোধ করতে হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত প্রথমে এই অর্থ ছাড় করার প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে কোম্পানির শেয়ার বাড়ায় অতিরিক্ত অর্থ আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করে বিএসইসি কর্তৃপক্ষ। কিন্তু শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বাজেট থেকে ওই অর্থ বরাদ্দ দিতে আবারও অর্থমন্ত্রী বরাবর জোরালো দাবি জানান। পরে গত ১১ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় ঋণ হিসেবে ওই অর্থ ছাড় করে।

শিল্প মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলায় ২৫ একর জমির ওপর গড়ে ওঠা আব্দুল মোনেম ইকোনমিক জোনে বাংলাদেশ হোন্ডা (প্রাইভেট) লিমিটেডের কারখানা স্থাপন করা হয়েছে। যেখানে ইতোমধ্যে মোটরসাইকেল উৎপাদনও শুরু হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশের হোন্ডা কোম্পানি স্পোর্টস বাইক সিবি হরনেট-১৬০আর বিক্রি শুরু করেছে। প্রথম বছর হোন্ডা কোম্পানি এক লাখ ইউনিট মোটরসাইকেল উৎপাদন করবে, চতুর্থ বছরে উৎপাদনের পরিমাণ ২ লাখ ইউনিটে উন্নীত করা হবে। এ পর্যন্ত নতুন কারখানায় প্রায় ৩০০ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। পরে এ সংখ্যা দাঁড়াবে ৫০০ জনে।

আরো জানা গেছে, ২০২৫ সাল নাগাদ দেশে বার্ষিক ১০ লাখ ইউনিট মোটরসাইকেল উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়ে ওই কারখানা স্থাপন করা হয়েছে। যাতে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও মোটরসাইকেল রফতানি করা সম্ভব হয়।

উল্লেখ্য, হোন্ডা মোটর জাপানের পাবলিক লিমিটেড বহুজাতিক করপোরেশন যা ১৯৫৬ সাল থেকে মোটরসাইকেল তৈরি করে আসছে। এ কোম্পানি মূলত অটোমোবাইল, বিমান, মোটরসাইকেল এবং বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী হিসাবে পরিচিত। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে হোন্ডা কোম্পানি শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতায় বিএসইসি’র সঙ্গে নতুন ব্যবসা শুরু করে। কিন্তু ১৯৮৩ সালে ভারতের হিরো মোটরসাইকেল কোম্পানির সাথে হোন্ডার চুক্তি হওয়ার পর বাংলাদেশের ব্যবসার গ্যাপ তৈরি হয়।

পরে ২০১০ সালে হোন্ডা মোটর ভারতের পার্টনারশিপ থেকে বেরিয়ে আসলে বাংলাদেশের সঙ্গে আবারও ব্যবসা শুরু করে। ২০১৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজীপুরে ভাড়া জায়গায় মোটরসাইকেল উৎপাদন শুরু করে হোন্ডা। বাংলাদেশে হোন্ডার বিনিয়োগ আছে ৬১ কোটি টাকা। জাপানি হোন্ডা কোম্পানি তাদের মোট ফ্যাক্টরির ৯৫ শতাংশ ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনামে নিয়ে এসেছে। এতে জাপানি হোন্ডা কোম্পানি প্রতিবছর দেশগুলোতে মোটরসাইকেল বিক্রির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২-১৮ মিলিয়ন ইউনিট।

আপনার মতামত লিখুন :

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি
ছবি: সংগৃহীত

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলো।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তরা বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের বৈঠকে (আইডিআরএ) অঙ্গীকার করেছেন।

আইডিআরএ চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারির সভাপতিত্বে বৈঠকে আইডিআরএ’র সদস্য, পরিচালক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্সে অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেনসহ কোম্পানির চেয়ারম্যান, এমডি এবং মুখ্য নির্বাহীরা ১৫ শতাংশের অধিক কমিশন বন্ধে দৃঢ় প্রত্যয় এবং কর্তপক্ষের সার্কুলারের সাথে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

সভায় শেখ কবির হোসেন আইডিআরএ’র নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিমা কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান ও নির্বাহীদের আন্তরিকতা প্রদর্শনে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে কোনো নন-লাইফ বিমাকারী ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন প্রদান করে ব্যবসা করবে না।’

সভায় আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘সকলের এ কার‌্যকর এবং সম্মিলিত উদ্যোগের ফলে বিমা শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠুবাজার ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।’

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড
জব্দকৃত মশার কয়েল, ছবি: সংগৃহীত

সনদ ছাড়াই অবৈধভাবে নিন্মমানের কয়েল বিক্রি করার অপরাধে দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েলের দুই কর্মকর্তাকে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর মিরপুরে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ মামলা ও কারাদণ্ড দেয়। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসটিআইয়ের আইন, ২০১৮ অমান্য করে ড্রাগন ব্রান্ডের মশার কয়েল বাজারজাত করায় মিরপুরের মেসার্স মীম এন্টারপ্রাইজের মালিক মোশারফ আলীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েল বিক্রি-বিতরণ করায় ম্যানেজার মো. আতিকুর রহমান (২৮) ও মাছুম আলম (৪৯) কে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে উভয় ব্যান্ডের ১৩০ কার্টুন মশার কয়েল জব্দ করা হয়। এ সময় লাইসেন্সবিহীন মশার কয়েল ক্রয় ও ব্যবহার হতে বিরত থাকার জন্য ক্রেতাসাধারণকে পরামর্শ প্রদান করা হয়। বিএসটিআই’র এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বেগম রাশিদা আক্তারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র