Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বিজিএমইএ’র সভাপতি পদে লড়বেন যারা

বিজিএমইএ’র সভাপতি পদে লড়বেন যারা
বিজিএমইএ-এর নির্বাচনে সভাপতি পদে ৩ প্রার্থী: (বাম থেকে) মো: সিদ্দিকুর রহমান, রুবানা হক ও মো: জাহাঙ্গীর আলম/ ছবি: বার্তা২৪.কম
ঊর্মি মাহবুব
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী পোশাক শিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ (বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি)-এর নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে এসেছে।

কে হবেন আগামী দিনে পোশাক শিল্পের মালিকদের প্রতিনিধি তাই নিয়ে চলছে নানা হিসাব নিকাশ। সভাপতি পদে লড়াইয়ের জন্য সংগঠনটির তিনটি অংশ থেকে তিনজনের নাম ইতোমধ্যে নির্ধারিত হয়েছে বলে জানা যায় বিজিএমইএ সূত্রে।

জানা যায়, গত পাঁচ বছর যাবৎ সংগঠনটিতে কোনো নির্বাচন হচ্ছে না। ভোটাররা ভোট দেওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন গত এই পাঁচ বছর ধরে। তাই এবার ভোটাররা চাইছেন গণতান্ত্রিক নির্বাচন। মালিকদের তিনটি অংশ পরিষদ, ফোরাম ও স্বাধীনতা পরিষদের নেতৃবৃন্দ ইতোমধ্যে নির্বাচনেরপ্রস্তুতি নিচ্ছেন।

২২ জানুয়ারির মধ্যে তফসিল ঘোষণা করা হবে। তাই পরিষদ, ফোরাম ও স্বাধীনতা পরিষদও নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী কে হবেন তা ঠিক করে ফেলেছে। পরিষদের প্যানেলে সভাপতি পদে লড়বেন বিজিএমইএ-এর বর্তমান সভাপতি মো: সিদ্দিকুর রহমান, ফোরামের প্যানেল থেকে সভাপতি পদে নির্বাচনে থাকবেন রুবানা হক ও স্বাধীনতা পরিষদ থেকে থাকবেন মো: জাহাঙ্গীর আলম।

সূত্র জানায়, এবারো ২০১৫ সালের মতোই সমঝোতা চেয়েছিলো পরিষদ ও ফোরাম। কিন্তু বিপত্তি ঘটে স্বাধীনতা পরিষদকে নিয়ে। কিছুতেই সমঝোতায় রাজি হয়নি স্বাধীনতা পরিষদ। নির্বাচনে অংশ গ্রহণের ঘোষণা দেয় স্বাধীনতা পরিষদ।

এতেই ভেস্তে যায় সকল হিসাব নিকাশ। কারণএকজন প্রার্থীও যদি নির্বাচন করতে চান তাহলে সমঝোতা করা কিছুতেই সম্ভব নয়। আর তাই অবশেষে নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু করে বিজিএমইএ-এর বর্তমান কমিটি।

সভাপতি পদে লড়াই এর বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন স্বাধীনতা পরিষদের আহ্বায়ক মো: জাহাঙ্গীর আলম।  তিনি বার্তা২৪কে বলেন, অনেকদিন পর বিজিএমইএ-তে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন হচ্ছে এটি অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। স্বাধীনতা পরিষদ নির্বাচনে অবশ্যই অংশ নেবে। আমরা কোনো সমঝোতায় যাবো না।’

তিনি বলেন, ‘ভোটারদের ভোটাধিকার বাস্তবায়িত না হলে পোশাক শিল্পের অনেক সমস্যারই সমাধান করা সম্ভবহবে না। তাই আমরা নির্বাচন চাই। আর স্বাধীনতা পরিষদের সদস্যরা চাইলে অবশ্যই নির্বাচন করবো।’

২০১৩ সালে সর্বশেষ গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচনের মাধ্যমে বিজিএমইএ-এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন মো: আতিকুল ইসলাম। কিন্তু তারপর ২০১৫ সালে নির্বাচন না করে সমঝোতার মাধ্যমে সংগঠনটির দুটি অংশ পরিষদ ও ফোরাম সভাপতি নির্ধারণ করেন মো: সিদ্দিকুর রহমানকে। তারপর থেকে তিন দফায় নির্বাচনের সময় পিছিয়ে বর্তমান কমিটির মেয়াদ বাড়ানো হয়।

গত ৫ জানুয়ারি তিন সদস্যের নির্বাচনী পরিচালনা বোর্ড গঠন করেছে বিজিএমইএ পরিচালনা পর্ষদ। পরিচালনা বোর্ডের প্রধান করা হয়েছে বিটিএমএ-এর সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আল আমীনকে। নির্বাচনী পরিচালনা বোর্ডের পাশাপাশি গঠন করা হয়েছে আপিল বোর্ডও। আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি কামরান টি রহমান।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রস্তাবিত দরেই শেয়ার কিনতে হবে নিলামে অংশগ্রহণকারীদের

প্রস্তাবিত দরেই শেয়ার কিনতে হবে নিলামে অংশগ্রহণকারীদের
ছবি: সংগৃহীত

 

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) বুক বিল্ডিং পদ্ধতির বিডিংয়ে অংশগ্রহণকারীদেরকে প্রস্তাবিত দরেই শেয়ার কিনতে হবে। একই সঙ্গে যে পরিমাণ শেয়ার কেনার জন্য দর প্রস্তাব করবে, সেই পরিমাণ কিনতে হবে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৯৩তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের দুই পুঁজিবাজার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই ও সিএসই) এবং ডিএসই ব্রোকাস অ্যাসোসিয়েশনের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন এই সিদ্ধান্ত নেয়।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে নিলামে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দকৃত শেয়ার সম্পূর্ণ বিক্রি না হলে, সেই ইস্যু বাতিল করা হবে। এই পদ্ধতিতে বিডারদের নাম ও তাদের প্রস্তাবিত দর প্রদর্শন করানো যাবে না। আর বিডিংয়ের জন্য নিলামকারীদেরকে শতভাগ অর্থ সংশ্লিষ্ট স্টক এক্সচেঞ্জে জমা দিতে হবে।

এক্ষেত্রে শেয়ার সর্বোচ্চ দর প্রস্তাবকারী থেকে বিতরণ শুরু হবে, যা ক্রমান্বয়ে নিচের দিকে নামবে। যে মূল্যে বিতরণ শেষ হবে, সেটাই কাট-অব প্রাইস হবে। সাধারণ বিনিয়োগকারীরা সেই মূল্য থেকে ১০ শতাংশ কমে শেয়ার ক্রয় করবেন। আর কাট-অব প্রাইসে যদি একাধিক বিডার থাকেন, তাহলে যে বিডার আগে বিড করবেন তাকে আগে শেয়ার দেওয়া হবে।

বিডিংয়ের চূড়ান্ত ফল, মূল্য ও বরাদ্দকৃত শেয়ারের সংখ্যাসহ যারা শেয়ার পেয়েছেন, তাদের ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠানো হবে। একইসঙ্গে ইস্যুয়ার, ইস্যু ম্যানেজার এবং এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। অকৃতকার্য বিডারের টাকা পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে ফেরত দেবে স্টক এক্সচেঞ্জ। আর কৃতকার্য বিডারের টাকা পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে ইস্যুয়ারের ব্যাংক হিসাবে জমা দেবে।

কমিশন বুক বিল্ডিংয়ে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কোটা ৬০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫০ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কোটা ৩০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪০ শতাংশ করা হবে।

অন্যদিকে, ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কোটা ৪০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কোটা ৪০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা হয়েছে।

আইপিওতে যোগ্য বিনিয়োগকারী হিসেবে কোটা সুবিধা পেতে সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ থাকতে হবে। এই বিনিয়োগের পরিমাণ কি হবে, কমিশন তা প্রত্যেক পাবলিক ইস্যুর সম্মতিপত্রে উল্লেখ করবে। অন্যথায় সংরক্ষিত শেয়ারের কোটা সুবিধা পাবেন না। পূর্বের ইস্যুকৃত মূলধনের ৮০ শতাংশ ব্যবহার না করে পাবলিক ইস্যুর প্রস্তাব করা যাবে না। আইপিওতের ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে কমপক্ষে ৩০ কোটি টাকা বা পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশ উত্তোলন করতে হবে।
যেটির পরিমাণ বেশি, সেই পরিমাণ তুলতে হবে। আর বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৭৫ কোটি টাকা বা পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশ উত্তোলন করতে হবে। এক্ষেত্রেও যেটির পরিমাণ বেশি, সেই পরিমাণ উত্তোলন করতে হবে।

ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে সম্মিলিতভাবে আবেদন ৬৫ শতাংশের কম হলে ইস্যু বাতিল করা হবে। আর ৬৫ শতাংশের বেশি এবং ১০০ শতাংশের কম হলে, বাকি শেয়ার অবলেখক (আন্ডাররাইটার) গ্রহণ করবে।

এদিকে আইপিও’র আবেদনের সময় ইস্যুয়ারকে পূর্বে নগদে উত্তোলিত মূলধনের ক্ষেত্রে ব্যাংকের অথবা অডিটরের সার্টিফিকেট এবং ব্যাংক স্টেটমেন্ট দাখিল করতে হবে। আর নগদ ব্যতিত উত্তোলিত মূলধনের ক্ষেত্রে যৌথ মূলধনী কোম্পানির রেজিস্টারের সার্টিফাইড ভেন্ডর এগ্রিমেন্ট এবং সম্পদের মালিকানা সংক্রান্ত টাইটেল ডকুমেন্ট কমিশনে জমা দিতে হবে।

ব্যাংক এশিয়ার ৫০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন

ব্যাংক এশিয়ার ৫০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন
ছবি: সংগৃহীত

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত ব্যাংক এশিয়ার ৫০০ কোটি টাকার নন-কনভার্টেবল সাবঅর্ডিনেটেড বন্ডের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) কমিশনের ৬৯৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, সাত বছর মেয়াদী এই বন্ডের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে নন-কনভার্টেবল, আনলিস্টেড, ফুল্লি রিডেম্বল, ফ্লাটিং রেটেড এবং সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড। সাত বছরে বন্ডটি পূর্ণ অবসায়ন হবে। যা শুধুমাত্র স্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানি, করপোরেট বডি এবং যোগ্য বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে।

উল্লেখ্য, এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ উত্তোলন করে ব্যাংক এশিয়ার টায়ার-টু মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী করবে। এই বন্ডের প্রতিটি ইউনিটির অভিহিত মূল্য এক কোটি টাকা। এই বন্ডের ম্যানডেটেড লিড অ্যারেঞ্জার এবং ট্রাস্টি হিসাবে যথাক্রমে স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক এবং গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কাজ করছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র