ইসি আইন অনুসরণ করলে খালেদা প্রার্থিতা ফিরে পাবেন:রিজভী

মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, 'নির্বাচন কমিশন (ইসি) সংবিধান ও আইন অনুসরণ করলে খালেদা জিয়া অবশ্যই তার প্রার্থিতা ফিরে পাবেন। তিনি ছাড়া নির্বাচন হবে একটি বিশাল প্রহসন।'

শনিবার রাজধানীর নয়া পল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, খালেদা জিয়াকে ছাড়া দেশে কোন সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে পারেনা। আসন্ন নির্বাচনে বেগম জিয়াকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না দেয়ার জন্যই তাঁকে মিথ্যা ও সাজানো মামলায় কারাগারে আটকিয়ে রাখা হয়েছে। রিটার্নিং অফিসাররা আইন বহির্ভূতভাবে, অন্যায়ভাবে বিএনপি চেয়ারপার্সনের তিনটি মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন। এটা সরকারের ষড়যন্ত্রেরই অংশ। তিনটি আসনে উনার পক্ষে আপিল করা হয়েছে। আইন তার নিজস্ব গতিতে চললে তিনি প্রার্থিতা ফিরে পাবেন। নির্বাচন কমিশনকে বলবো খালেদা জিয়ার প্রতি ন্যায় বিচার করুন। ইসি সংবিধান ও আইন অনুসরণ করলে এবং বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে বিশ্বাসযোগ্য সিদ্ধান্ত নিলে খালেদা জিয়া অবশ্যই প্রার্থিতা ফিরে পাবেন। তিনি ছাড়া নির্বাচন হলে তা হবে একটি বিশাল প্রহসন।

বিএনপির এই মুখ্যপাত্র আরও বলেন, আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম নিয়মিত নির্বাচন কমিশনে যান এবং সেখানে গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের সাথে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। এমনকি তিনি নির্বাচন কমিশনে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদেরকেও দেখে নেয়ার হুমকি দিচ্ছেন।

রিজভী বলেন, ইসিতে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা উপ-কমিটির সদস্যরা নিয়মিত যাতায়াত করেন৷ তারা যতবার নির্বাচন কমিশনে গিয়েছেন ততবার সেখানে কর্তব্যরত সাংবাদিকদের হুমকি-ধামকি দিয়েছেন। সাংবাদিকদের প্রশ্ন পছন্দ না হলে তাদেরকে রাজনৈতিক দলের কর্মী বলে ট্যাগ দিয়েছেন৷ শুধু তাই নয়, সাংবাদিকদের লিস্ট করে তাদের বিষয়ে খোঁজ নেয়া হচ্ছে৷ আগামী রোববার রাতে এইচ টি ইমামের বাসায় ইসি বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের ডাকা হয়েছে। আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালক কমিটির কো চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময় করবেন বলে রোববার রাত ৮ টায়, ১ নম্বর হেয়ার রোডস্থ বাসভবনে, এ জন্যে সবাইকে আমন্ত্রণ জানিয়ে এ বার্তা পাঠিয়েছেন। মতবিনিময়ের নামে গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের কৌশল নিয়েছেন এইচটি ইমাম। এমনিতে ভোট কেন্দ্রে সাংবাদিকদের প্রবেশে নির্বাচন কমিশন কঠোর বিধিমালা জারি করেছে। তাতেও আশ্বস্ত না হতে পেরে এখন গণমাধ্যমকে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করতে তারা মরিয়া হয়ে উঠেছে৷

নির্বাচন এর আরও খবর

//election count down