সেন্টমার্টিনে থাকছে না নিষেধাজ্ঞা

ছবি: বার্তা২৪

সেন্টমার্টিন দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ২০১৯ সালের ১ মার্চ থেকে রাতযাপনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল সরকার। এ বিষয়ে দ্বীপটি রক্ষায় গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গত ১৩ সেপ্টেম্বর এ নিষেধাজ্ঞা জারি করে, তবে তিন মাস না পেরোতেই এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে সরকার।

 শনিবার (৮ ডিসেম্বর) এ তথ্যটি নিশ্চিত করেন পরিবেশ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান । 

তবে পর্যটন সূত্র জানায় সেন্ট মার্টিনে পর্যটকদের রাতযাপন নিষিদ্ধ করা না হলেও সেটা সীমিত করা হবে। কারণ পর্যটকদেরকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে  সেখানে অনেকগুলো হোটেল-মোটেলে গড়ে উঠেছে। এছাড়াও পর্যটকরাই এইখানকার বাসিন্দাদের অন্যতম আয়ের উৎস হয়ে উঠেছেন। তাই  পর্যটকদের রাতযাপন হঠাৎ বন্ধ করে দিলে তাদের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। এ কারণে বিকল্প ব্যবস্থা চিন্তা করা হচ্ছে। 

তিনি জানান স্থানীয়দের কর্মসংস্থান এবং হোটেল-মোটেলে বিনিয়োগ করা ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনে বিকল্প ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত সেন্ট মার্টিনে পর্যটকদের রাত্রিযাপনে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হবে না।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সেপ্টেম্বরে আরো দুটি বৈঠক করেছে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ রক্ষায় গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেন্ট মার্টিন যেতে হলে পর্যটকদের আগে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এ রেজিস্ট্রেশন হবে জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে। এজন্য নির্দিষ্ট একটি ফি-ও নির্ধারণ করা হবে। এতে কারা দ্বীপটিতে যাচ্ছেন এবং রাতযাপন করছেন, সে তথ্য যেমন সংরক্ষিত থাকবে, তেমনি একই পর্যটকের বারবার সেন্ট মার্টিন যাওয়াও রোধ করা যাবে।

এর আগে  ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিল সেন্টমার্টিন, কক্সবাজার ও টেকনাফ সৈকত এলাকাসহ দেশের ৬টি এলাকাকে পরিবেশগত  সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়। তবে ইতোমধ্যে সেন্টমার্টিন দ্বীপে আইন লঙ্ঘন করে তৈরি হয়েছে শতাধিক হোটেল-মোটেল।

জাতীয় এর আরও খবর

//election count down //sticky sidebar