খালেদার দ্বিধা-বিভক্ত রায়ে যা বললেন পাঁচ নির্বাচন কমিশনার

ছবি: বার্তা২৪.কম

আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১ আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিলের বিষয়ে দ্বিধা-বিভক্ত রায় দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

শনিবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ছয়টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে আপিলের রায় দেয়া হয়।

রায়ে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার খালেদার আপিল মঞ্জুর করলেও প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা, নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদাত হোসেন চৌধুরী নামঞ্জুর করেন।

রায়ে মাহবুব তালুকদার বলেন, ‘আমার রায় ৩৮৫/২০১৮ (ফেনী-১), ৪৪০/২০১৮ (বগুড়া-৬) ও ৪৭৯/২০১৮ (বগুড়া-৭) আপিলকারীর নাম বেগম খালেদা জিয়া। আইনগত বিবেচনায় খালেদা জিয়া উক্ত আপিল আবেদন মঞ্জুর করার পক্ষে আমি রায় প্রদান করলাম।’

নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার রায় হলো এই আপিল মঞ্জুর করা যায় না। তাই নামঞ্জুর করা হলো।’

নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার যে আপিল উত্থাপন করা হয়েছে। সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে অনুযায়ী, এই আপিল নামঞ্জুর করা হলো।’

নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম বলেন, ‘সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, তিনি (খালেদা জিয়া) দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত তার দণ্ড বহাল রয়েছে। রিটার্নিং অফিসারের অর্ডারের (আদেশের) স্পিড আমরা দেখছি। সেখানে সর্ব মামলার বক্তব্য রয়েছে। সে অনুযায়ী, তার (খালেদার) আপিল না মঞ্জুর করা হলো।’

এরপর প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বলেন, ‘খালেদা জিয়ার যে দণ্ড বহাল আছে, সে কারণে তার  আপিল আমি নামঞ্জুর করলাম।’

পরে নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘যেহেতু পাঁচজন কমিশনারের মধ্যে সিইসিসহ চারজন কমিশনার খালেদা জিয়ার আপিল আবেদন নামঞ্জুর করেছেন বিধায় ৪-১ ভোটে তার আপিল আবেদন না মঞ্জুর করা হলো।’

নির্বাচন এর আরও খবর

//election count down