১৮টি গরু নেওয়ার কেউ নেই!

ছবি: বার্তা২৪

সাতক্ষীরার পদ্মশাখরা সীমান্তে ২৮ দিন ধরে খোলা আকাশের নিচে কঙ্কাল হচ্ছে ১৮টি গরু। আটকের পর গরুগুলো ২৮ দিনেও করিডোর করা হয়নি।

সীমান্ত সূত্র জানায়, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের হাড়দ্দহা গ্রামের মৃত বাদল গাজীর ছেলে শহিদুল ইসলাম ও তার লোকজন ১২ নভেম্বর রাতে অবৈধভাবে পদ্মশাখরা খাটালে ১৮টি গরু তোলেন।

কিন্তু এই ১৮টি গরু করিডোর নিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ২৮ দিন পার হলেও এখনো পর্যন্ত গরুগুলো করিডোর করা হয়নি। ১৮টি গরু কে করবে করিডোর ? এমন প্রশ্ন এখন স্থানীয়দের জনমনে।

১৮টি গরুকে ২৮ দিন ধরে এক প্রকার না খাইয়ে খোলা আকাশে নিচে রাখা হয়েছে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, পদ্মশাখরা বিট/খাটালে অবৈধভাবে গরু তোলার ফলে চলতি বছরে ২১ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের আফিল বিভাগের লিভ টু আফিল ২৯২০/১৮ এর স্মারকে বিট/খাটালটি বন্ধের আদেশ দিয়েছে।

উচ্চ আদালতের আদেশের প্রেক্ষিতে গত ১১ নভেম্বর ১০২৩ নম্বর স্মারকের একপত্রে ম্যাজিস্ট্রেট সজল মোল্লার স্বাক্ষরে ৩৩ বিজিবি অধিনায়ক, পুলিশ সুপার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সদর থানা ওসি, কাস্টম রাজস্ব কর্মকর্তাকে খাটালটি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।

অপরদিকে চলতি মাসে ২৯ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন ৯৮০৮/১৮ নম্বর পদ্মশাখরা খাটালটি মুক্তিযোদ্ধা নুর আলি গাজীর নামে চালু করা জন্য আদালত আদেশ দেন বলে দাবি নুর আলীর।

নুর আলি গাজীর পক্ষে আদেশের প্রেক্ষিতে চলতি বছরের ১১ নভেম্বর ম্যাজিস্ট্রেট সজল মোল্লার স্বাক্ষরে ১০২৪ নম্বর স্মারকের অপর একপত্রে মুক্তিযোদ্ধা নুর আলি গাজীর নামে খাটাল চালু করার জন্য ৩৩ বিজিবি অধিনায়ক, পুলিশ সুপার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সদর থানা ওসি, কাস্টম রাজস্ব কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

কিন্তু শহিদুল ইসলাম ও তার লোকজন উচ্চ আদালতের আদেশ ও প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে চলতি মাসে ১২ নভেম্বর অবৈধভাবে পদ্মশাখরা খাটালে ভারতীয় ১৮টি গরু তোলেন বলে অভিযোগ করেন মুক্তিযোদ্ধা নুর আলি গাজী।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবির দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, গরু করিডোর করতে কাস্টমসে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তারা টাকা জমা নিলেও গরুগুলো এখনো পর্যন্ত করিডোর হয়নি।

গরুগুলো করিডোর না হবার কারণ জানতে চাইলে পদ্মশাখরা বিওপির দায়িত্বরত কর্মকর্তা জানান, এ বিষয়ে আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানেন।

এ বিষয়ে ৩৩ বিজিবির পরিচালক ও অধিনায়ক মোহাম্মদ গোলাম মহিউদ্দিন খন্দকার বলেন, 'বিজিবি সীমান্তের অতন্ত্র প্রহরী হিসেবে চোরাচালান প্রতিরোধ করছে। আদালতের নির্দেশে খাটাল বন্ধ আছে। আটককৃত গরুগুলো কাস্টমস এবং খাটাল মালিকদের মধ্যে আলোচনা করে সমঝোতা হবার কথা। এ বিষয়ে বিজিবির কোন হাত নেই।'

জাতীয় এর আরও খবর

৭ ঘন্টায় ৪০ কিলোমিটার!

ঢাকার টিটি পাড়ায় স্টার লাইনের বাস কাউন্টারে পৌঁছেই বোঝা গেলো মহাসড়কের অবস্থা ভালো খুব একটা নয়। বাসের কাউন্টারগু...

//election count down