Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

সূচক বেড়ে উভয় পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন

সূচক বেড়ে উভয় পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন
ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (১৩ জানুয়ারি) সূচক বেড়ে চলছে লেনদেন কার্যক্রম। এদিন বেলা পৌনে ১২টা পর্যন্ত ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ২২ পয়েন্ট এবং সিএসসিএক্স বেড়েছে ৩৩ পয়েন্ট।

ডিএসই ওসিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরুর প্রথম থেকে সূচক বাড়তে থাকে। লেনদেনের শুরুতেই ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স গত কার্যদিবসের চেয়ে ২০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর থেকে সূচক কিছুটা সমান্তারাল গতিতে চলতে থাকে। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সূচক আবারও বাড়তে থাকে। আর বেলা পৌনে ১২টার দিকে ডিএসইএক্স সূচক ২২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৮৮২ পয়েন্টে।

অন্যদিকে ডিএসই-৩০ সূচক ৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২ হাজার ৩৭ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৩৩৫ পয়েন্টে।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৫৮ কোটি ৮৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। বেলা পৌনে ১২টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৯০টির, কমেছে ১১০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৩টি কোম্পানির শেয়ারেরদাম।

এদিন পৌনে ১২টা পর্যন্ত ডিএসইতে দাম বৃদ্ধি পাওয়া শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, কেপিসিএল, জেএমআই সিরিঞ্জ, বিবিএস কেবল, সিঙ্গার বিডি, ন্যাশনাল টিউবস, আলহাজ টেক্সটাইল, শাশা ডেনিমস, উসমানিয়া গ্লাস এবং ঢাকা ব্যাংক।

সিএসই

আপরদিকে একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ৩৩ পয়েন্ট বেড়ে ১০ হাজার ৮৬৩ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ৬৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ৭২৭ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৫৫ পয়েন্ট বেড়ে ১৮ হাজার ১ পয়েন্টে অবস্থান করে।

এদিন বেলা পৌনে ১২টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৩ কোটি ২১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

একই সময়ে দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসইর শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- উসমানিয়া গ্লাস, হাওয়েল টেক্সটাইল, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, সোনার বাংলা ইন্সুরেন্স, কে অ্যান্ড কিউ, ঢাকা ডায়িং, এমারেল্ড অয়েল, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, বঙ্গজ এবং জিকিউ বলপেন।

আপনার মতামত লিখুন :

হঠাৎ চড়া পেঁয়াজ, কমেছে ইলিশের দাম

হঠাৎ চড়া পেঁয়াজ, কমেছে ইলিশের দাম
বাজারে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম

ঈদের পর পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক থাকলেও সপ্তাহের ব্যবধানে আবার বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজের দাম ১০ টাকা বেড়ে কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। আর ভারতীয় পেঁয়াজের দাম ১৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকায়। অন্যদিকে ছোট, বড় ও মাঝারি সব সাইজের ইলিশ মাছের সরবরাহ থাকায় দাম রয়েছে হাতের নাগালে।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায়, সব ধরনের সবজি ও মাছ-মাংসের দাম তেমন বাড়েনি গত সপ্তাহের তুলনায়।

ঈদের দুই সপ্তাহ পরে কারওয়ান বাজারে কেজি প্রতি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, কাঁচা পেঁপে ৪০, বরবটি ৪০, পটল ৫০, ঢেঁড়শ ৫০, চিচিঙ্গা ৬০, গাজর ৮০, মিষ্টি কুমড়া ৪০, লাউ ৫০ টাকা পিস, কাকরোল ৫০, মুলা ৬০, কচু ৫০, টমেটো ১২০, কাঁচা মরিচ ১০০, কচুর লতি ৬০, রসুন ২০ টাকা বেড়ে ১৬০ টাকা, আদা ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566554616127.jpg

কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী মো. মোশারফ হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, পেঁয়াজের মৌসুম শেষ হয়ে যাওয়া এবং ভারতে বন্যা হওয়ার ফলে হিলি বন্দরে পেঁয়াজের আমদানি কিছুটা কমেছে। ফলে বাজারে সরবরাহ কমেছে এবং পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। তবে সবজিসহ অন্যান্য পণ্য গত সপ্তাহের মতো স্বাভাবিক রয়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, ইলিশ মাছের সরবরাহ বেড়েছে দামও স্বাভাবিক রয়েছে। ১ কেজি ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকায়, ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকায়, ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকায়। এছাড়াও সাইজ ভেদে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে ইলিশ মাছ।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566554679687.jpg

কারওয়ান বাজারের এক ক্রেতা জমিরউদ্দিন সরকার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ঈদের পর আজই প্রথম বাজারে আসলাম। ইলিশ মাছ কিনেছি দাম কিছুটা কম মনে হলো। সবজির দাম খুব একটা বাড়েনি। তবে পেঁয়াজ এবং রসুনের দাম যথেষ্ট বাড়তি। ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন অজুহাতে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে—এটা বাজারের নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে বাড়েনি কোন ধরনের মাংসের দাম। বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১২০ টাকা, পাকিস্তানি মুরগি ২৩০, লেয়ার মুরগি ২০০ ও দেশি মুরগি ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৫৫০ টাকা ও খাসির মাংস ৭৫০ টাকা, ছাগলের মাংস ৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566554633597.jpg

মাংস ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, কোরবানির পর এখনও তেমন চাহিদা বাড়েনি মাংসের। দামও আগের মতোই আছে। আশা করছি সামনের সপ্তাহ থেকে মাংসের চাহিদা বাড়তে পারে। তবে মাংসের দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই।

নুরু নবী নামে এক ক্রেতা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, বাজারে দেখলাম হঠাৎ করেই পেঁয়াজের দামটা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দুই দিন পর পর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ানো ব্যবসায়ীদের একটা অভ্যাস হয়ে গেছে। যথাযথ মনিটরিং না হওয়ার ফলে ব্যবসায়ীরা এটা করার সুযোগ পান। কর্তৃপক্ষের এসব ব্যাপারে নজর আরও বাড়ানো উচিত। বাড়তি দামে পণ্য কিনতে হিমশিম খেতে হয় আমাদের।

খায়রুলের দুর্নীতি ও অর্থ পাচার খবরের প্রতিবাদ বিএসইসির

খায়রুলের দুর্নীতি ও অর্থ পাচার খবরের প্রতিবাদ বিএসইসির
বিএসইসি

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেনের বিরুদ্ধে ‘অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারসহ দুর্নীতির তদন্তে নেমেছে দুদক খবরের প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএসইসি।

প্রতিবাদে বলা হয়, খায়রুল হোসেনের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচার নিয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে।

যা গত ২১ ও ২২ আগস্ট বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমসহ জাতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমের সংবাদের শিরোনাম ছিলো-খায়রুলের দুর্নীতি ও অর্থ পাচারে তদন্তে নেমেছে দুদক।

এসব সংবাদের কারণে কমিশনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপতৎপরতার চেষ্টাকে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মূখপাত্র মো. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও:  খায়রুলের দুর্নীতি ও অর্থ পাচারে তদন্তে নেমেছে দুদক

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থাসমূহকে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এতে এক বা একাধিক সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি কোন ভিত্তিহীন অভিযোগ করলেই তা প্রমাণিত বলে ধরে নেওয়া যায় না। এ ধরনের কল্পিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে বহুল প্রচারিত পত্রিকাসমূহ ফলাও করে প্রচার এবং পদত্যাগের দাবি অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক। একইসাথে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চরম ব্যত্যয়। ফলে কমিশন সংশ্লিষ্ট সকল মহল থেকে এ জাতীয় সংবেদনশীল বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করে।

বিএসইসি প্রতিষ্ঠানলগ্ন থেকেই দেশের পুঁজিবাজার এবং অর্থনৈতিক উন্ননয়নের লক্ষ্যে অত্যন্ত সুনামের সাথে কাজ করে আসছে। কমিশনের কোন চেয়ারম্যান, কমিশনার বা কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী অর্থ বা কোন সুবিধার ভিত্তিতে কোন কাজ করেছে এ ধরণের কোন অভিযোগ কখনই উত্থাপিত হয় নাই। কারো এরূপ কোন অভিযোগ কমিশনে দাখিল করলে কমিশন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণে অঙ্গীকারবদ্ধ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, যেকোন দেশের পুঁজিবাজারের প্রধান কাজ হচ্ছে দেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি পুঁজির সরবাহ নিশ্চিত করা। আইপিওসহ বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলো বাজার থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করে থাকে। কমিশন নিজ উদ্যোগে কাউকে পুঁজিবাজার হতে অর্থ উত্তোলনের জন্য বাধ্য করে না। একইভাবে কোন বিনিয়োগকারীকেও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য উদ্ধুদ্ধ করে না। আগ্রহী ইস্যুয়ার প্রতিষ্ঠানসমূহ ইস্যু ম্যানেজারের সহায়তায় পাবলিক ইস্যুর (আইপিও) জন্য আবেদন করলে কমিশন প্রযোজ্য আইন অনুসারে সকল শর্ত পূরণ করেছে কিনা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি দাখিল করেছি কিনা এবং সকল তথ্য সন্নিবেশিত হয়েছে কিনা তা যাচাই বাছাই করে। বিধি মোতাবেক সকল শর্ত পূরণ সাপেক্ষেই শুধুমাত্র পুঁজি উত্তোলনের অনুমোদন প্রদান করা হয়ে থাকে। ইস্যু অনুমোদনের ক্ষেত্রে কমিশন কোন মূল্য নির্ধারণ করে না এবং ইস্যুকৃত সিকিউরিটিজ এর ভবিষ্যত মূল্য কি হবে তার নিশ্চয়তাও প্রদান করে না। সারা বিশ্বের শেয়ারবাজারে বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী কমিশন তথ্য প্রকাশ এবং বিদ্যমান আইনের ভিত্তিতে ইস্যু অনুমোদন করে থাকে। চেয়ারম্যান একাকী কোনো আইপিও অনুমোদন দেন না। সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনারের মাধ্যমে চেয়ারম্যান এর মাসে সুপারিশ প্রেরণের পরে, চেয়ারম্যান কমিশনে উপস্থাপনের নির্দেশনা দেয়। পরে কমিশন সভায় সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন দেয়া হয়।

কোনও কোম্পানিতে বিনিয়োগ করলে ঝুঁকির কি সম্ভাবনা আছে, তা যাছাই বাছাই করে বিনিয়োগকারীগণ যেন জেনে-বুঝে বিনিয়োগ করতে পারেন, সে জন্য প্রসপেক্টাসে কোম্পানি এবং এর ব্যবসা সংক্রান্ত সকল তথ্য সন্নিবেশিত হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এ সকল তথ্য যথাযথ আছে কিনা তা নিশ্চিতকরণের দায়িত্ব ইস্যুয়ার, নিরীক্ষক, ইস্যু ম্যানেজার, ক্রেডিট রেটিং কোম্পানিসহ বিভিন্ন পক্ষের। কোন দেশের কোন নিয়ন্ত্রক সংস্থাই প্রসপেক্টাসে সন্নিবেশিত তথ্যের সঠিকতা নিরুপণ করে না। দাখিলকৃত কাগজপত্রের ভিত্তিতে প্রসপেক্টাসে সকল তথ্য প্রকাশিত হয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব কমিশনের।

কমিশন ও এক্সচেঞ্জে আইপিও আবেদনের সাথে সাথেই কোম্পানির ওয়েব সাইটে খসড়া প্রসপেক্টাস প্রকাশ করা হয়ে থাকে। যা সকলের জন্য উন্মুক্ত। কোন আইপিওতে বিনিয়োগকারীদের আবেদন যদি ৬৫ শতাংশের কম হয়ে থাকে, তবে আইপিওটি বাতিল হয়ে যায়। আর ৬৫ শতাংশের উপরে কিন্তু ১০০ শতাংশের নিচে হলে, অবলেখক প্রতিষ্ঠানসমূহ অবশিষ্ট অংশ ক্রয় করে। তবে বিগত ১০ বছরের আইপিওর আবেদন বিশ্লেষণে ৭৮ গুণ (বা ৭৮০০ শতাংশ) পর্যন্ত অধিক হারে জমা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোন আইপিও লেনদেন শুরুর সময় ইস্যু মূল্যের নিম্নে ছিল না। সেখানে অন্যান্য দেশে অনেক কোম্পানির শেয়ার লেনদেন শুরুর দিনেই ইস্যু মূল্যের নিচে নেমে যায়। বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে ২০১৭ সালে ২৩ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন শুরুর দিনে ইস্যু মূল্যের নিচে ছিল, আর ২০১৮ সালে এর পরিমাণ ছিল ৩৬ শতাংশ। আলিবাবা, ফেসবুক, উবারসহ অন্যান্য অনেক স্বনামধন্য কোম্পানির ক্ষেত্রেই এই ঘটনা ঘটেছে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিগত ১০ বছরে আইপিওর মাধ্যমে তালিকাভুক্ত ৮৮টি কোম্পানির মধ্যে ৯টির শেয়ারের বর্তমান বাজার দর অভিহিত মূল্যের নিম্নে। যা এই সময়ে মোট ইস্যুর মাত্র ১০ শতাংশ। যেখানে আমাদের পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে এর পরিমাণ ৬১ শতাংশ। পরবর্তীতে সেকেন্ডারি মার্কেটে কোন শেয়ারের দর কি হবে তা নির্ধারিত হয় যোগান এবং চাহিদার ভিত্তিতে। কমিশনের এ ক্ষেত্রে কিছুই করণীয় নেই। নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কমিশনের কাজ বাজারে অনিয়ম বা কারসাজি হলে তা শনাক্ত করা এবং প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং নিয়মিতভাবে করা হচ্ছে। কমিশনের চেয়ারম্যান, কমিশনার এবং কর্মচারীদের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বা লেনদেন নিষিদ্ধ থাকায়, চেয়ারম্যান বা তার পরিবারের সদস্যদের নামে কোন বিও হিসাব নেই এবং তালিকাভুক্ত বা অ-তালিকাভুক্ত কোন কোম্পানিতে কোন ধরণের বিনিয়োগ নেই। কোম্পানিসমূহ আইপিওর মাধ্যমে যে অর্থ উত্তোলন করে থাকে, তার প্রতিটি টাকা কোন খাতে ব্যয় হবে তা প্রসপেক্টাসে প্রকাশ করা হয়ে থাকে এবং পরবর্তীতে উক্ত অর্থ ব্যবহারের প্রতিবেদন কমিশনে দাখিল করতে হয়। কাজেই আইপিওর অর্থ আত্মসাৎ বা লুটপাটের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এর আগে গত ৭ আগস্ট অভিযোগের আলোকে দুদকের পক্ষ থেকে বিএসইসির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে, বিভিন্ন গোষ্ঠীর যোগসাজশে দুর্বল কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও অনুমোদনের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে বিক্রির ব্যবস্থা করে দিয়ে ‘অর্থ আত্মসাৎ ও পাচার’। দুদকের পরিচালক (মানিলন্ডারিং) গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরীকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তাঁকে ‘অতিদ্রুত গোপনীয়ভাবে’ অনুসন্ধান শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র