Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রীর ৮ সপ্তাহের আগাম জামিন

মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রীর ৮ সপ্তাহের আগাম জামিন
মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দুদকের দায়ের করা দুর্নীতির মামলায় হাইকোর্ট থেকে ৮ সপ্তাহের আগাম অন্তবর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস।

সোমবার (১৪ জানুয়ারি) দুজন আদালতে হাজির হয়ে আগাম জামিনের  আবেদন করেন। শুনানি নিয়ে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিনের এ আদেশ দেন। আদালতে মির্জা আব্বাস দম্পতির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

গত ৭ জানুয়ারি রাজধানীর শাহজাহানপুর থানায় দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন বাদী হয়ে প্রায় ২১ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন।

দুদকের অনুসন্ধানে মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের নামে ২০ কোটি ৭৬ লাখ ৯২ হাজার ৩৬৩ টাকার অবৈধ সম্পদ পাওয়া গেছে। আফরোজা আব্বাসের নামে যে সম্পদের বর্ণনা রয়েছে, তা প্রকৃতপক্ষে মির্জা আব্বাসের সহায়তায় অবৈধ উৎস থেকে অর্জিত বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে মামলায় অভিযোগ করেছে সংস্থাটি।

দুদকের অনুসন্ধানে জানা গেছে, মির্জা আব্বাস ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং পরে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ছিলেন। তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস আয়কর নথিতে নিজেকে হস্তশিল্প ব্যবসায়ী উল্লেখ করলেও তার পাসপোর্ট অনুসারে তিনি গৃহিণী ও আয়ের কোনো বৈধ উৎস নেই।

দুদকে দাখিলকৃত আফরোজা আব্বাসের সম্পদ বিবরণী যাচাইকালে তার অস্থাবর সম্পদের মধ্যে ঢাকা ব্যাংক লিমিটেডের শেয়ার ৮ লাখ ৭০ হাজার ৭০৬টি, যার মূল্য ৮ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার ৬০০ টাকা, ঢাকা  টেলিফোন কোম্পানি লিমিটেডের ১ লাখ শেয়ারের মূল্য ১০ কোটি টাকা, এফডিআর ও ডিপিএসে বিনিয়োগ ১৪ লাখ ৯ হাজার ৯৫৮ টাকা, ঢাকা টেলিফোন কোম্পানিকে ঋণ প্রদান এক  কোটি টাকা, আত্মীয়-স্বজনদের ঋণ প্রদান ৪৫ লাখ টাকা, হাতে নগদ ও ব্যাংক ব্যালেন্স ৫ লাখ টাকা এবং স্বর্ণালংকার ক্রয় ৪২ লাখ ১১ হাজার ৮০৫ টাকাসহ মোট ২০ কোটি ৭৬ লাখ ৯২ হাজার ৩৬৩ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।

আপনার মতামত লিখুন :

পাখির জন্য ভালোবাসার আবাস

পাখির জন্য ভালোবাসার আবাস
পাখির জন্য নিরাপদ আবাস গড়তে গাছে মাটির পাত্র বেঁধে দিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবীরা

‘পাখি-সব করে রব, রাতি পোহাইল’—মদনমোহন তর্কালঙ্কারের ছড়ার ছড়াটি পড়েনি এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া কঠিন। শুধু গ্রামেই নয়, শহরেও পাখির কিচির-মিচির হরহামেশাই শোনা যেত। কিন্তু এখন আর ছড়ার সঙ্গে মিল রেখে পাখির কলরব শোনা যায় না। গাছে গাছে পাখির কলকাকলি যেন হারিয়ে যাচ্ছে।

তাই ‘ইজি ডোর’ নামে একটি সংগঠনের সদস্যরা খুলনা শহরের সাতরাস্তার মোড়ের একটি বাদাম গাছে ৪০টি মাটির পাত্র বেঁধে দিয়েছেন পাখির জন্য নিরাপদ আবাস গড়ে দিতে। তাদের কার্যক্রমের নাম দেওয়া হয়েছে ‘টু-লেট ফর বার্ডস’।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দিনভর সাতরাস্তার মোড়ের গাছটিতে পাখির বাসা সংযোজন করেছে উদ্যমী ওই তরুণরা। এ সপ্তাহে জিলা স্কুল, টাউন জামে মসজিদ রোড এবং ওজোপাডিকো সদর দফতরের ভেতরের গাছে পাখির নিরাপদ আবাসের ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সদস্যরা।

ইজি ডোরের সহ-প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষার্থী আহসান আহম্মেদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, সাতরাস্তা মোড়ের বাদাম গাছটিতে প্রতিদিন বিকেল থেকে শত শত চড়ুই পাখি আশ্রয় নেয়। পাখিরগুলোর ডাকে বিকেল থেকে পুরো এলাকা মুখরিত থাকে। আমরা কয়েকজন বন্ধু এখানে আড্ডা দিতাম। আড্ডা দিতে দিতেই পাখির নিরাপদ আবাসের কথাটা সবার মাথায় আসে। এরপর শহরের কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করি। এরপর টাকা সংগ্রহ করে প্রথম দিনে ৪০টি মাটির পাত্র কিনে বাদাম গাছে লাগিয়েছি। এ কাজে খুলনা ফায়ার সার্ভিস আমাদের সাহায্য করেছে।

পাখির নিরাপদ আবাসের জন্য কাজ করা এসব স্বপ্নবাজ তরুণরা আরও বলেন, এ কাজের উদ্দেশ্য খুলনা শহরের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা। পাখিদের অভয়ারণ্য তৈরি হলে এ শহরের সৌন্দর্য এবং পরিবেশ অনেক ভালো হবে বলে আমরা মনে করি। পাখিরা নিশ্চিন্তে শহরে যেন থাকতে পারে তার একটা পরিবেশ তৈরি করাও আমাদের কাজের লক্ষ্য। শহরের বাসিন্দাদের বাড়ির ছাদে বা যেকোন স্থানে সবাই যেন পাখির জন্য একটু এগিয়ে আসে সেই চেষ্টাও করছি। আমাদের উদ্যোগ একদিনের নয় বরং সহযোগিতা পেলে আমরা এই কাজ চালিয়ে যাব। প্রয়োজনে আরও আধুনিক উপায় বের করে পাখি ও অন্যান্য প্রজাতির জন্য সুন্দর আবাসস্থল তৈরি করব।

ইজি ডোরের এ উদ্য‌োগের সঙ্গে ছিলেন—মাহমুদুল ইসলাম সনেট, আহসান আহম্মেদ, জুবায়ের হাসান সৈকত, শুভ্র মজুমদার, আলামিন শেখ, সাব্বির আহম্মেদ, আলামিন, তানভীর আহম্মেদ সজল প্রমুখ। এরা প্রত্যেকেই ইজি ডোর ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাসোসিয়েশনের স্বেচ্ছাসেবী।

খুলনা শহরের কিছু কিছু এলাকায় প্রচুর পাখি দেখা যায়। পাখির জন্য নিরাপদ আবাস বানিয়ে প্রাণীটির প্রতি নিজেদের ভালোবাসা প্রকাশ করছেন খুলনার এই তরুণরা। এ কাজের জন্য তরুণেরা মানুষের ভালোবাসাও পাচ্ছেন।

সাংবাদিক প্লাবনকে হুমকি, থানায় জিডি

সাংবাদিক প্লাবনকে হুমকি, থানায় জিডি
রেজাউল করিম প্লাবন

সাংবাদিক রেজাউল করিম প্লাবনকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। চাঁদা না পাওয়ায় মোবাইল ফোনে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় উল্লেখ করে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় জিডি করেছেন তিনি।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) এসব তথ্য জানান দৈনিক যুগান্তরের স্টাফ রিপোর্টার রেজাউল করিম প্লাবন। তার গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রামের চিলমারীতে।

জিডিতে তিনি বলেন, ‘কুড়িগ্রামের চিলমারী থেকে মাসুম বিল্লাহ নামে একজন সন্ত্রাসী দীর্ঘদিন থেকে আমার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। সর্বশেষ গত ১১ আগস্ট চিলমারী আমার নিজ এলাকায় ত্রাণ বিতরণকালে আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সংগঠনের নেতা পরিচয় দিয়ে ১০০টি ত্রাণের স্লিপ দাবি করে। চাঁদার স্লিপ না দেয়ায় সে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে চলে যায়। এরই জের ধরে গত কয়েকদিন ধরে মাসুম বিল্লাহ ও তার সহযোগী মামুন আমার পরিবারের লোকজনদের হয়রানি করছে। বাসায় গিয়ে বিনা কারণে শাসিয়ে আসছে। এ নিয়ে মাসুম বিল্লাহ আমাকে ফোন দিয়ে বৃহস্পতিবার অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও হত্যার হুমকি দেয়। আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

রেজাউল করিম প্লাবন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতেই আমি হাতিরঝিল থানায় সাধারণ ডায়েরি করি। প্রশাসনের কাছে আমার পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করছি।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র