Alexa
independent day 2019

শিক্ষকদের সঙ্গে অশোভন আচরণ, ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন

শিক্ষকদের সঙ্গে অশোভন আচরণ, ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন

শিক্ষকদের সঙ্গে অশোভন আচরণ, ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন। ছবি: বার্তা২৪.কম

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, পটুয়াখালী, বার্তা২৪.কম

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) শিক্ষকদের লাঞ্ছিতকারী ছাত্রকে স্থায়ী বহিষ্কার ও নবীন শিক্ষার্থীদেরকে র‌্যাগিংয়ের নামে নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সোমবার (১৪ জানুয়ারি) থেকে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করেছে শিক্ষকরা।

এর আগে রোববার বিকেলে অভিযুক্তদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন শিক্ষক সমিতির নেতারা।

কয়েকজন শিক্ষক অভিযোগ করেন, গত শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই বাংলা-১ আবাসিক হলের গণরুমে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের র‌্যাগিং করা হচ্ছিল। র‌্যাগিংয়ের নামে নির্যাতনের ঘটনা দেখে প্রতিবাদ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক। এ সময় কতিপয় উশৃঙ্খল শিক্ষার্থী ওই শিক্ষকদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের পক্ষ নিয়ে পবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোশায়েদুল ইসলাম সাদী ওই হলের সহকারী প্রভোস্ট আব্দুর রহিম ও সুজন কান্তি মালীসহ কয়েকজন শিক্ষককে অকথ্য ভাষায় গালাগালা করেন।

এ ঘটনায় রোববার বিকেলে শিক্ষক সমিতির এক জরুরি বৈঠকে অভিযুক্তদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের সিদ্ধান্ত হয়।

বিষয়টি স্মারকলিপির মাধ্যমে রেজিস্ট্রারকে অবহিত করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। এরপর সোমবার সকাল থেকে শিক্ষকরা ক্লাস ও বিভিন্ন অনুষদের পূর্বনির্ধারিত সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা বর্জন করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীন হোসেন জানান, ঘটনার দিন উশৃঙ্খল শিক্ষার্থীদের পক্ষ নিয়ে ছাত্রলীগের ওই নেতা ৭-৮ জন শিক্ষকের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেছেন। একপর্যায়ে তিনি ওই শিক্ষকদের গালাগাল করেন। এ ঘটনার দ্রুত সুষ্ঠু বিচার দাবি করছেন তিনি। তা না হলে শিক্ষকরা ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন অব্যাহত রাখবে।

এ বিষয়ে কথা বলতে পবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোশায়েদুল ইসলাম সাদীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

পবিপ্রবির রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত জানান, এ ঘটনায় কৃষি অনুষদের উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর শহিদুল ইসলামকে প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৩ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলা হয়েছে।

ক্যাম্পাস এর আরও খবর