Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বোতলজাত পানির মান নির্ণয়ের প্রতিবেদন দিতে বিএসটিআইকে নির্দেশ

বোতলজাত পানির মান নির্ণয়ের প্রতিবেদন দিতে বিএসটিআইকে নির্দেশ
ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

 

দেশের বাজারে বোতলজাত খাবার পানির মান নির্ণয় করে আগামী ২১ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশনের (বিএসটিআই) পক্ষ থেকে সময় আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার (১৪ জানুয়ারি) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. জে আর খান রবিন। তার সঙ্গে ছিলেন রিটকারী আইনজীবী শাম্মী আক্তার। অন্যদিকে বিএসটিআই এর পক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেসুর রহমান।

পরে জে আর খান রবিন বলেন, বাজারের বোতলজাত পানির মান পরীক্ষা করে আজ হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন নির্ধারণ করা ছিলো। কিন্তু বিএসটিআই এর পক্ষ থেকে ওই প্রতিবেদন দাখিল করতে সময় চাওয়ায় আদালত আগামী ২১ জানুয়ারির মধ্যে তাদেরকে প্রতিবেদন দাখিলের সময় মঞ্জুর করেছেন।

এর আগে ২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বর বাজারে বেআইনীভাবে বোতলজাত খাবার পানির সরবরাহ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই) ও আইন শৃঙ্খলাবাহিনীকে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছিলো। পাশাপাশি আদালতের আদেশের পর বিএসটিআই কি কি পদক্ষেপ নিয়েছে তা  অ্যাটর্নি জেনারেলের মাধ্যমে প্রতিবেদন আকারে ১৫ দিনের মধ্যে দাখিল করতে বলা হয়েছিলো।

এছাড়াও প্লাস্টিক বোতল ও জারে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে সরকারের ব্যর্থতা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবেনা, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। খাদ্য মন্ত্রণালয় সচিব, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সহ সংশ্লিষ্ঠ সাতজনকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল সহ উক্ত আদেশ দেন।

২০১৮ সালের ২২ মে একটি জাতীয় দৈনিকে ‘প্রতারণার নাম বোতলজাত পানি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে ওই সংবাদ যুক্ত করে হাইকোর্টে একই বছরের ২৭ মে আইনজীবী শাম্মী আক্তার জনস্বার্থে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন।  সে রিটের শুনানি নিয়ে আদালত রুল সহ আদেশ দেন।

আপনার মতামত লিখুন :

তারেকের এপিএস-এর মনোনীত পরিচালকদের ফার্স্ট ফাইন্যান্স থেকে বাদ দিতে রুল

তারেকের এপিএস-এর মনোনীত পরিচালকদের ফার্স্ট ফাইন্যান্স থেকে বাদ দিতে রুল
ফার্স্ট ফাইনান্সে ৫ পরিচালক নিয়োগ দেন এপিএস মিয়া নুর উদ্দিন অপু/ ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) মিয়া নুর উদ্দিন অপুর অর্থায়নে বেনামি চারটি কোম্পানির মনোনীত পাঁচ পরিচালককে তদন্ত করে ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেড থেকে কেন অব্যাহতি দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) মো. মনিরুজ্জামান নামের একজন শেয়ার হোল্ডারের আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শফিক আহমেদ, এম কে রহমান ও এ বি এম সিদ্দিকুর রহমান খান।

পৃথক রুলে মানি লন্ডারিংয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কোম্পানির পরিচালক থেকে অপসারণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে করা আবেদন নিষ্পত্তি করতে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

আইনজীবী সিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, ‘এ আদেশের কারণে সংশ্লিষ্ট পাঁচ পরিচালকের ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেডের বোর্ড মিটিংয়ে অংশ নেওয়া উচিত হবে না।’

চারটি কোম্পানি হলো- আলফাবেট এসোসিয়েট লিমিটেড, অপারচর ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, রাকাস ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ও কাসরাজ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড।

গত ২ জুলাই মানিলন্ডারিংয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কোম্পানির পরিচালক থেকে অপসারণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি আবেদন করেছিলেন ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেডের শেয়ার হোল্ডার মো. মনিরুজ্জামান। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

এপিএস মিয়া নুর উদ্দিন অপুর মনোনীত পরিচালকরা হলেন- রাশেদুজ্জামান মিল্লাত, আমিনুল ইসলাম, জালাল উদ্দিন, মহিন ও মইনুল হাসান।

রমনায় বোমা হামলায় ইটিভি কর্মকর্তার সাক্ষ্য

রমনায় বোমা হামলায় ইটিভি কর্মকর্তার সাক্ষ্য
রমনায় বোমা হামলা, পুরনো ছবি

রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলার মামলায় বেসরকারি টেলিভিশন ইটিভির তৎকালীন প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ দুই জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত।

সাক্ষীরা হলেন- ইটিভির তৎকালীন প্রশাসনিক কর্মকর্তা নির্মল কান্তি বড়ুয়া ও ইটিভির সাংবাদিক রাসেল হাওলাদার।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) তারা ঢাকার প্রথম দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য প্রদান করেন। আগামী ১ আগস্ট পুনরায় সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

এ নিয়ে চার্জশিটভুক্ত ৮৪ সাক্ষীর মধ্যে ৩৮ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হলো।

একই ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলায় ২০১৪ সালের ২৩ জুন মুফতি হান্নানসহ ৮ জনের ফাঁসি ও ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রুহুল আমিন। তবে বোমা হামলাটির বিচার এখনো চলছে।

২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান চলাকালে জঙ্গিদের বোমা হামলায় ১০ জন নিহত হন। তাদের মধ্যে ঘটনাস্থলে ৯ জন এবং পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন মারা যান। আহত হন অনেকে।

ঘটনার প্রায় ৮ বছর পর ২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর হুজি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মামলাটিতে ২০০৯ সালের ১৬ এপ্রিল ১৪ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন আদালত।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র