Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

চাকসু নির্বাচনের দাবিতে ছাত্রলীগের আল্টিমেটাম

চাকসু নির্বাচনের দাবিতে ছাত্রলীগের আল্টিমেটাম
চাকসু নির্বাচনের দাবিতে ছাত্রলীগের আল্টিমেটাম, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
চট্টগ্রাম
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকসু নির্বাচনের ডামাডোলের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনের দাবিতে প্রশাসনকে এক মাসের আল্টিমেটাম বেঁধে দিয়েছে ছাত্রলীগ। এই সময়ের মধ্যে তফসিল ঘোষণা এবং নির্বাচনের প্রস্তুতির দাবি জানানো হয়েছে।

সোমবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে এক মানববন্ধন থেকে এমন হুঁশিয়ারি ও আল্টিমেটাম দেয় ছাত্র নেতারা।

মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফজলে রাব্বি সুজন বলেন, ২৮ বছর ধরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের সংসদকে প্রশাসন অনৈতিক সুবিধার জন্য অচল করে রেখেছে। সিনেটে শিক্ষার্থীদের কোনো প্রতিনিধি না থাকায় শিক্ষার্থীরা সকল অধিকার থেকে বঞ্চিত। পর্যাপ্ত আবাসন ও যাতায়াত ব্যবস্থায় ত্রুটির কারণে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে। প্রশাসন একচেটিয়াভাবে তাদের অনৈতিক সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু তাদের এই সুযোগ আর দেওয়া হবে না। আগামী এক মাসের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সকল ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও তফসিল ঘোষণা করতে হবে। অন্যথায় ছাত্রলীগের নেতৃত্বে সকল ছাত্র সংগঠন কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।

সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক অর্থ সম্পাদক জাহেদ আওয়াল মানববন্ধন সঞ্চালনা করেন।

মানববন্ধনে ছাত্রলীগ চবি শাখার সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইলিয়াছ, জাহাঙ্গীর আলম জীবন, সহ-সম্পাদক আজাদুর রহমান, তারেকুল ইসলাম ও মিশু বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ ১৯৯০ সালের ফেব্রুয়ারিতে চাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর ক্ষমতার হাতবদলে উপাচার্যদের আশ্বাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল নেতৃত্ব তৈরির আঁতুরঘর। ঢাকসু নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হওয়ায় নতুন করে আশার সঞ্চার হয় চবির শিক্ষার্থীদের মাঝে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীকে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি। পরে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতারে কাছে জানতে চাইলে তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমি এখনই এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না। ভিসি স্যার যা করবেন, তারপর দেখা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন :

পাখির জন্য ভালোবাসার আবাস

পাখির জন্য ভালোবাসার আবাস
পাখির জন্য নিরাপদ আবাস গড়তে গাছে মাটির পাত্র বেঁধে দিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবীরা

‘পাখি-সব করে রব, রাতি পোহাইল’—মদনমোহন তর্কালঙ্কারের ছড়ার ছড়াটি পড়েনি এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া কঠিন। শুধু গ্রামেই নয়, শহরেও পাখির কিচির-মিচির হরহামেশাই শোনা যেত। কিন্তু এখন আর ছড়ার সঙ্গে মিল রেখে পাখির কলরব শোনা যায় না। গাছে গাছে পাখির কলকাকলি যেন হারিয়ে যাচ্ছে।

তাই ‘ইজি ডোর’ নামে একটি সংগঠনের সদস্যরা খুলনা শহরের সাতরাস্তার মোড়ের একটি বাদাম গাছে ৪০টি মাটির পাত্র বেঁধে দিয়েছেন পাখির জন্য নিরাপদ আবাস গড়ে দিতে। তাদের কার্যক্রমের নাম দেওয়া হয়েছে ‘টু-লেট ফর বার্ডস’।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দিনভর সাতরাস্তার মোড়ের গাছটিতে পাখির বাসা সংযোজন করেছে উদ্যমী ওই তরুণরা। এ সপ্তাহে জিলা স্কুল, টাউন জামে মসজিদ রোড এবং ওজোপাডিকো সদর দফতরের ভেতরের গাছে পাখির নিরাপদ আবাসের ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সদস্যরা।

ইজি ডোরের সহ-প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষার্থী আহসান আহম্মেদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, সাতরাস্তা মোড়ের বাদাম গাছটিতে প্রতিদিন বিকেল থেকে শত শত চড়ুই পাখি আশ্রয় নেয়। পাখিরগুলোর ডাকে বিকেল থেকে পুরো এলাকা মুখরিত থাকে। আমরা কয়েকজন বন্ধু এখানে আড্ডা দিতাম। আড্ডা দিতে দিতেই পাখির নিরাপদ আবাসের কথাটা সবার মাথায় আসে। এরপর শহরের কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করি। এরপর টাকা সংগ্রহ করে প্রথম দিনে ৪০টি মাটির পাত্র কিনে বাদাম গাছে লাগিয়েছি। এ কাজে খুলনা ফায়ার সার্ভিস আমাদের সাহায্য করেছে।

পাখির নিরাপদ আবাসের জন্য কাজ করা এসব স্বপ্নবাজ তরুণরা আরও বলেন, এ কাজের উদ্দেশ্য খুলনা শহরের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা। পাখিদের অভয়ারণ্য তৈরি হলে এ শহরের সৌন্দর্য এবং পরিবেশ অনেক ভালো হবে বলে আমরা মনে করি। পাখিরা নিশ্চিন্তে শহরে যেন থাকতে পারে তার একটা পরিবেশ তৈরি করাও আমাদের কাজের লক্ষ্য। শহরের বাসিন্দাদের বাড়ির ছাদে বা যেকোন স্থানে সবাই যেন পাখির জন্য একটু এগিয়ে আসে সেই চেষ্টাও করছি। আমাদের উদ্যোগ একদিনের নয় বরং সহযোগিতা পেলে আমরা এই কাজ চালিয়ে যাব। প্রয়োজনে আরও আধুনিক উপায় বের করে পাখি ও অন্যান্য প্রজাতির জন্য সুন্দর আবাসস্থল তৈরি করব।

ইজি ডোরের এ উদ্য‌োগের সঙ্গে ছিলেন—মাহমুদুল ইসলাম সনেট, আহসান আহম্মেদ, জুবায়ের হাসান সৈকত, শুভ্র মজুমদার, আলামিন শেখ, সাব্বির আহম্মেদ, আলামিন, তানভীর আহম্মেদ সজল প্রমুখ। এরা প্রত্যেকেই ইজি ডোর ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাসোসিয়েশনের স্বেচ্ছাসেবী।

খুলনা শহরের কিছু কিছু এলাকায় প্রচুর পাখি দেখা যায়। পাখির জন্য নিরাপদ আবাস বানিয়ে প্রাণীটির প্রতি নিজেদের ভালোবাসা প্রকাশ করছেন খুলনার এই তরুণরা। এ কাজের জন্য তরুণেরা মানুষের ভালোবাসাও পাচ্ছেন।

সাংবাদিক প্লাবনকে হুমকি, থানায় জিডি

সাংবাদিক প্লাবনকে হুমকি, থানায় জিডি
রেজাউল করিম প্লাবন

সাংবাদিক রেজাউল করিম প্লাবনকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। চাঁদা না পাওয়ায় মোবাইল ফোনে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় উল্লেখ করে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় জিডি করেছেন তিনি।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) এসব তথ্য জানান দৈনিক যুগান্তরের স্টাফ রিপোর্টার রেজাউল করিম প্লাবন। তার গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রামের চিলমারীতে।

জিডিতে তিনি বলেন, ‘কুড়িগ্রামের চিলমারী থেকে মাসুম বিল্লাহ নামে একজন সন্ত্রাসী দীর্ঘদিন থেকে আমার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। সর্বশেষ গত ১১ আগস্ট চিলমারী আমার নিজ এলাকায় ত্রাণ বিতরণকালে আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সংগঠনের নেতা পরিচয় দিয়ে ১০০টি ত্রাণের স্লিপ দাবি করে। চাঁদার স্লিপ না দেয়ায় সে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে চলে যায়। এরই জের ধরে গত কয়েকদিন ধরে মাসুম বিল্লাহ ও তার সহযোগী মামুন আমার পরিবারের লোকজনদের হয়রানি করছে। বাসায় গিয়ে বিনা কারণে শাসিয়ে আসছে। এ নিয়ে মাসুম বিল্লাহ আমাকে ফোন দিয়ে বৃহস্পতিবার অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও হত্যার হুমকি দেয়। আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

রেজাউল করিম প্লাবন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতেই আমি হাতিরঝিল থানায় সাধারণ ডায়েরি করি। প্রশাসনের কাছে আমার পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করছি।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র