Barta24

রোববার, ১৬ জুন ২০১৯, ২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

নাব্যতা সংকটে মংলায় ভিড়তে পারছে না বিদেশি বড় জাহাজ

নাব্যতা সংকটে মংলায় ভিড়তে পারছে না বিদেশি বড় জাহাজ
ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বাগেরহাট
বার্তা২৪


  • Font increase
  • Font Decrease

মংলা বন্দরের আউটারবার এলাকায় নাব্যতা সংকটের কারণে সোমবার (১৪ জানুয়ারি) বন্দরে প্রবেশ করতে পারেনি তেলবাহী একটি বিদেশি জাহাজ। ফলে ওই জাহাজটি ফেয়ারওয়েতে রেখে পণ্য খালাস করায় স্বাভাবিকের তুলনায় তিনগুণ বেশি খরচ গুনতে হচ্ছে বন্দর ব্যবহারকারীদের।

বন্দর ব্যবহারকারীদের দাবী, বন্দর চ্যানেলের প্রবেশ মুখ ও আউটারবার এলাকায় ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নাব্যতা বৃদ্ধি করার। তাহলেই অধিক ড্রাফটের বড় বড় জাহাজ বন্দরে ভিড়তে পারবে। এতে বন্দর সংশ্লিষ্টরা লাভবানের পাশাপাশি বন্দরে জাহাজের আগমনও বৃদ্ধি পাবে।

বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ও ষ্টারপাত সি ট্রেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন মো: রফিকুল ইসলাম জানান, ব্রাজিল থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন তেল (ভোজ্য) নিয়ে বিদেশী জাহাজ এম, টি এমআর পেগাসাস সোমবার বিকেলে মংলা বন্দরের ফেয়ারওয়ে এলাকায় ভিড়েছে। অথচ বন্দর চ্যানেলের আউটারবার এলাকায় নাব্যতা কম থাকায় ১০ মিটার ড্রাফটের (গভীরতা) এ জাহাজটি বন্দরের মুল চ্যানেলে প্রবেশ করতে পারেনি। বর্তমানে বন্দর চ্যানেলে সাড়ে ৭ মিটার গভীরতা থাকায় ১০ মিটার গভীরতা সম্পন্ন ওই জাহাজটিকে বাধ্য হয়েই আউটারবারের বাহিরে ফেয়ারওয়েতে রেখে পণ্য খালাস করতে হচ্ছে। এতে কয়েকগুণ (৩ গুন) বেশি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। যার প্রভাব পড়ছে দেশীয় বাজারে। জাহাজটি বন্দর চ্যানেলের আউটারবার হয়ে হাড়বাড়িয়া কিংবা চ্যানেলের অন্য কোন বয়াতে রাখা গেলে খরচ অনেক কম হতো।

ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম আরও জানান, 'জাহাজটি হতে ১১ হাজার ৭শ মে.টন তেল খালাসের পর বাকী তেল চট্ট্রগাম ও ভারতের হলদিয়া বন্দরে খালাস হবে। দীর্ঘ ১০ বছরের অধিক সময় ধরে শিপিং এজেন্টসহ বন্দর ব্যবহারকারীরা আউটারবার এলাকায় ড্রেজিংয়ের দাবী জানিয়ে আসছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। বছরের পর বছর ধরে বড় বড় জাহাজগুলো ফেয়ারওয়েতে রেখেই পণ্য খালাস করতে হচ্ছে।'

তিনি আরও বলেন, 'আউটারবারের (ফেয়ারওয়ে থেকে হিরণপয়েন্ট পর্যন্ত) ৭/৮ নটিক্যাল মাইল নৌপথ খনন করা হলে এ সমস্যা সমাধান হবে এবং বন্দরের অধিক ড্রাফটের বড় বড় জাহাজ এ বন্দরে ভিড়তে পারবে। বড় জাহাজ ভিড়তে না পারায় অনেকেই এ বন্দর ব্যবহারে অনীহা প্রকাশ করছেন।'

এ বিষয়ে মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাষ্টার কমান্ডার মোহাম্মদ দুরুল হুদা বলেন, বর্তমানে সাড়ে ৭ মিটারের গভীরতা সম্পন্ন জাহাজ বন্দরে ভিড়তে পারছে। আউটারবার এলাকায় ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ড্রেজিং শেষ হলে ১০ মিটারের জাহাজ বন্দরে অনায়াসে ভিড়তে পারবে।

 

আপনার মতামত লিখুন :

শতবর্ষী সেই বৃদ্ধার দায়িত্ব নিতে চান জাপা মহাসচিব রাঙ্গা

শতবর্ষী সেই বৃদ্ধার দায়িত্ব নিতে চান জাপা মহাসচিব রাঙ্গা
ছবি: বার্তা২৪.কম

মাল্টিমিডিয়া অনলাইন নিউজ পোর্টাল বার্তা২৪.কম-এ ‘সন্তান থাকার পরও শতবর্ষী মায়ের বসবাস টয়লেটে’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর বৃদ্ধা নছিমনের ভরণ পোষণের দায়িত্ব গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা।

সোমবার (২৪ জুন) রাতে মসিউর রহমান তার ব্যক্তিগত সহকারির মাধ্যমে বৃদ্ধা নছিমনের খোঁজ খবর নেন।

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা বার্তা২৪.কমকে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘বৃদ্ধা মায়ের টয়লেটে বসবাসের সংবাদটি আমাকে ব্যথিত করেছে। আমি মর্মাহত। সন্তান থাকার পরও মায়ের এমন মানবেতর জীবনযুদ্ধ দেখাটা সত্যি কষ্টদায়ক।’

তিনি আরো বলেন, “ফেসবুকে ‘আমরাই পাশে রংপুর’ গ্রুপ আমাকে ওই বৃদ্ধা মায়ের ব্যাপারে অবগত করলে আমার ব্যক্তিগত সহকারিকে দিয়ে তার খোঁজ নিয়েছি। তার পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে সেখানে তার বসবাসের জন্য একটি ঘর নির্মাণ করে থাকার ব্যবস্থাসহ সব ধরনের খরচের দায়িত্ব নেওয়ার কথা জানিয়েছি।”

এদিকে রাঙ্গার ব্যক্তিগত সহকারি শাহীন হোসেন জাকির বার্তা২৪.কমকে বলেন, স্যারের নির্দেশে আমি বৃদ্ধা যেখানে থাকেন সে জায়গাটি পরিদর্শন করেছি। তার বড় ছেলের ঘরের পাশে নতুন একটি ঘর নির্মাণ করে সখানে থাকার ব্যবস্থা করা হবে। স্যার (রাঙ্গা) বৃদ্ধা নছিমনের থাকা, খাওয়া, চিকিৎসা সেবার খরচ বহন করবেন।

এ ব্যাপারে ‘আমরাই পাশে রংপুর’ গ্রুপের এডমিন আল-আমিন সুমন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমরা জাতীয় পার্টির মহাসচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করে বৃদ্ধা নছিমনের মানবেতর জীবনযাপনের কথা তুলে ধরলে তিনি আমৃত্যু বৃদ্ধার ভরণ পোষণের দায়িত্ব নেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।’

খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কে রোলারচাপায় চালক নিহত

খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কে রোলারচাপায় চালক নিহত
প্রতীকী

খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কে চলন্ত রোলারের নিচে চাপা পড়ে মো. জাহাঙ্গীর আলম (৪৩) নামে রোলারচালক নিজেই মারা গেছেন। নিহত জাহাঙ্গীর চুকনগর এলজিআরডিতে মাস্টার রোলে কর্মরত ছিলেন।

সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জাহাঙ্গীর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মোজাহার এন্টারপ্রাইজের চলমান খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের সংস্কার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি নগরীর নাজিরঘাট এলাকার মৃত ছবেদ আলীর ছেলে।

সোনাডাঙ্গা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) উজ্জ্বল সরকার জানান, সন্ধ্যায় ডুমুরিয়া মিকশিমিল এলাকায় রোলারচালক জাহাঙ্গীর রোলারটি পেছনের দিকে নেওয়ার সময় হঠাৎ করে পড়ে যান। এ সময় চলন্ত রোলার তার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন।

এরপর তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। নিহতের মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র