Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

পায়রা বন্দরের ড্রেজিং চুক্তি স্বাক্ষর

পায়রা বন্দরের ড্রেজিং চুক্তি স্বাক্ষর
পায়রা বন্দরের ড্রেজিং চুক্তি স্বাক্ষর, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পায়রা বন্দরের ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের জন্য পিপিপির আওতায় চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে। সোমবার (১৪ জানুয়ারি) নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বেলজিয়ামের কোম্পানি ‘জান ডে নুল’র সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়।

প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ হাজার ৬৪৩ কোটি টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে জোয়ারের সহায়তায় ১২ মিটার ড্রাফটের জাহাজ বন্দরের জেটিতে ভিড়তে পারবে। কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রসমূহের জন্য বিদেশ থেকে বছরে ২০ মিলিয়ন মেট্রিক টন কয়লা বন্দরের পোতাশ্রয়ে সরাসরি খালাস করা যাবে, যা দেশের পশ্চিমাঞ্চলের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপকরণ চাহিদা পূরণ করবে। ২০ ফুট দৈর্ঘ্যের ৩ হাজার কন্টেইনারবাহী জাহাজ ও ৪০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার জাহাজ বন্দরের জেটিতে সরাসরি ভিড়তে পারবে।

প্ৰকল্পের আওতায় পায়রা বন্দরের রাবনাবাদ চ্যানেলে ১০.৫ মিটার ড্রাফটের ৪০ হাজার ধারণক্ষমতার বাল্কবাহী ক্যারিয়ারের চলাচলে সক্ষম চ্যানেল (টার্নিং বেসিনসহ) ডিজাইন এবং ক্যাপিটাল ড্রেজিংসহ ১২ বছর পর্যন্ত রক্ষণাবেক্ষণ ড্রেজিং করা হবে।

ড্রেজিংয়ের ফলে ৭৫ কিলোমিটার দীর্ঘ, ১০০-১২৫ মিটার প্রস্থ ও সর্বোচ্চ ১০৫ মিটার গভীর চ্যানেল তৈরি হবে। ইঞ্জিনিয়ারিং সমীক্ষার জন্য ১৪ মাস এবং ক্যাপিটাল ড্রেজিং করতে ১৪ মাস সময় লাগবে।

বেলজিয়াম এক্সপোর্ট ক্রেডিট এজেন্সির সহায়তায় এইচএসবিসি এবং এর কনসোর্টিয়াম ব্যাংক হতে পায়রা ড্রেজিং কোম্পানি লিমিটেড ঋণ গ্রহণ করবে। পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক রক্ষণাবেক্ষণ ড্রেজিং শেষ হওয়ার ৬ মাস পর হতে ২০টি সমপরিমাণ অর্ধ-বার্ষিক কিস্তিতে সুদসহ পরিশোধ করবে। চুক্তির বাকি বছরসমূহের রক্ষণাবেক্ষণ ড্রেজিং এর জন্য উভয় পক্ষ অর্থায়নের উৎস খুঁজবে এবং অর্থ প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রকল্প কোম্পানি রক্ষণাবেক্ষণ ড্রেজিং করবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/14/1547468877562.jpg

চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর এম জাহাঙ্গীর আলম ও জান ডে নুল বেলজিয়ামের চেয়ারম্যান জনচিরি। নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আবদুস সামাদ ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পায়রা বন্দরকে গভীর সমুদ্র বন্দর আকারে গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাবনাবাদ চ্যানেলকে ভবিষ্যতে ১৪.৫ মিটার গভীর করা হবে। এ নতুন গভীর সমুদ্র বন্দর দেশের উত্তর দক্ষিণ অঞ্চলে অর্থনৈতিক করিডোর প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করবে এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে দক্ষিণের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে রুপান্তরিত হবে আশাবাদ ব্যক্ত করেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এম জাহাঙ্গীর আলম।

চ্যানেলে প্রাথমিক রক্ষণাবেক্ষণ ড্রেজিং করা হবে। ক্যাপিটাল ড্রেজিং চলাকালীন ১১১ মিলিয়ন ঘনমিটার ড্রেজিং ম্যাটারিয়াল অপসারণ করা হবে।

২০১৮ সালের ১৯ মার্চ মন্ত্রিসভা প্রকল্পটিকে জাতীয় অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে ঘোষণা করে। এ প্রেক্ষিতে পিপিপি আইন ২০১৫ ও জাতীয় অগ্রাধিকার প্রকল্প বিধিমালার অনুসরণ করে চুক্তি করা হয়। ২০১৩ সালের ৩৫ নভেম্বর জাতীয় সংসদে ‘পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন- ২০১৩’ পাস করে।

২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর দেশের দক্ষিণাঞ্চলে পটুয়াখালী জেলার রাবনাবাদ চ্যানেলে পায়রা বন্দর নামে দেশের ৩য় সমুদ্র বন্দরের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আপনার মতামত লিখুন :

সাংবাদিক প্লাবনকে হুমকি, থানায় জিডি

সাংবাদিক প্লাবনকে হুমকি, থানায় জিডি
রেজাউল করিম প্লাবন

সাংবাদিক রেজাউল করিম প্লাবনকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। চাঁদা না পাওয়ায় মোবাইল ফোনে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় উল্লেখ করে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় জিডি করেছেন তিনি।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) এসব তথ্য জানান দৈনিক যুগান্তরের স্টাফ রিপোর্টার রেজাউল করিম প্লাবন। তার গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রামের চিলমারীতে।

জিডিতে তিনি বলেন, ‘কুড়িগ্রামের চিলমারী থেকে মাসুম বিল্লাহ নামে একজন সন্ত্রাসী দীর্ঘদিন থেকে আমার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। সর্বশেষ গত ১১ আগস্ট চিলমারী আমার নিজ এলাকায় ত্রাণ বিতরণকালে আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সংগঠনের নেতা পরিচয় দিয়ে ১০০টি ত্রাণের স্লিপ দাবি করে। চাঁদার স্লিপ না দেয়ায় সে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে চলে যায়। এরই জের ধরে গত কয়েকদিন ধরে মাসুম বিল্লাহ ও তার সহযোগী মামুন আমার পরিবারের লোকজনদের হয়রানি করছে। বাসায় গিয়ে বিনা কারণে শাসিয়ে আসছে। এ নিয়ে মাসুম বিল্লাহ আমাকে ফোন দিয়ে বৃহস্পতিবার অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও হত্যার হুমকি দেয়। আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

রেজাউল করিম প্লাবন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতেই আমি হাতিরঝিল থানায় সাধারণ ডায়েরি করি। প্রশাসনের কাছে আমার পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করছি।’

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবের মায়ের মৃত্যু, মন্ত্রীর শোক

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবের মায়ের মৃত্যু, মন্ত্রীর শোক
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ ও তার মা মোসলেমা খাতুন

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের মা মোসলেমা খাতুন (৮২) বিএসএমএমইউ'র আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
শুক্রবার (২৩ আগস্ট) রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তিনি মত্যুবরণ করেন।

মোসলেমা খাতুনের মৃত্যুতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

এক শোকবার্তায় মন্ত্রী জানান, সাত সন্তানের জননী মোসলেমা খাতুনের অসামান্য অবদানের কারণে তার সন্তানরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত ও বরণীয়। একজন সফল মা হিসেবে তিনি আমাদের নিকট অনুসরণীয় হয়ে থাকবেন।

শনিবার (২৪ আগস্ট) সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে ধানমন্ডি ঈদগাহ মাঠে (৭/এ) প্রথম নামাজে জানাজা এবং বাদ আসর কক্সবাজার রুমালিয়ারছড়া হাসেমীয়া মাদ্রাসা মাঠে মরহুমার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র