Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

শাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

শাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
ছবি: বার্তা২৪
শাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি (জিইবি) বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের সাইফুর রহমান প্রতীক (২৫) নামে এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে বলে নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি থানার এস আই আকবর হোসেন ভূইঁয়া।

এস আই আকবর হোসেন ভূইয়া জানান, ‘কাজল শাহ এলাকার একটি বাসা থেকে সোমবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে পুলিশ প্রতীকের ফ্যানের সাথে জুলন্ত লাশ উদ্ধার করে। পুলিশ ধারণা করছে আগের দিন রোববার (১৩ জানুয়ারি) ঐ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করে থাকতে পারে। তাৎক্ষণিক সময় তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানি হাসপাতালে নেওয়া হয়। এখন হাসপাতালের মর্গে তার লাশ রয়েছে। তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদী জেলায়।’

এদিকে প্রতীকের বড় বোন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ বৈকল্য বিভাগের শিক্ষক শান্তা তাওহিদা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘আমার কলিজার টুকরা আমার আদরের একমাত্র ভাই আমার প্রতীক আর নাই...। শাবিপ্রবির জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগকে আমি ছাড়বনা, অনার্স এ প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হওয়া ছেলেটাকে বিভিন্ন ইস্যু বানিয়ে মাস্টারর্স এ সুপারভাইজার দেয় নাই. বিভিন্ন কোর্সে নম্বর কম দিয়েছে! আমার ভাইটা টিচার হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল এটাই তার অপরাধ...। গত ছয় মাস ধরে ডিপার্টমেন্ট তিলেতিলে মেরে ফেলছে আমার ভাইকে...আমার কলিজার টুকরা কষ্ট সহ্য না পেরে কাল সুইসাইড করেছে..।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক জহির উদ্দিন আহমেদ জানান, আত্মহত্যার বিষয়টি তার পরিবারকে জানানো হয়েছে। পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

জাবি ভিসির সাংবাদিক লাঞ্ছনায় জবিসাসের নিন্দা

জাবি ভিসির সাংবাদিক লাঞ্ছনায় জবিসাসের নিন্দা
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (জবিসাস)

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য ফারজানা ইসলাম কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত দুই সাংবাদিককে লাঞ্ছনা করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (জবিসাস)।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির দপ্তর, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আহসান জোবায়ের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জবিসাস সভাপতি হুমায়ুন কবির হুমু ও সাধারণ সম্পাদক লতিফুল ইসলামের পক্ষ থেকে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

জানা যায়, জাবি উপাচার্য কার্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম আলো ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিনিধি মাইদুল ইসলাম ও শরীফুল ইসলাম সীমান্ত গত ২২ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের দুই কোটি টাকা ছাত্রলীগের মধ্যে বণ্টনের অভিযোগ সম্পর্কে উপাচার্যের বক্তব্য জানতে চাইলে উপাচার্য তাদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। ‘এমন প্রশ্ন করার সাহস কোথায় পেলে’ বলে সাংবাদিকদের ধমকাতে থাকেন। এ সময় উপাচার্য প্রক্টরকে সাংবাদিক দুজনের বিরুদ্ধে ছাত্র-শৃঙ্খলা বিধিতে ব্যবস্থা নিতে বলেন এবং তাদের বিভাগীয় সভাপতিকে ডেকে পাঠান।

এক পর্যায়ে উপাচার্য সাংবাদিক দুজনের ছবি তুলে রাখার নির্দেশ দিলে পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আশরাফুল আলম তাদের ছবি তুলে রাখেন। দীর্ঘ দুই ঘণ্টা ধরে ধমকাধমকি করেন এবং নানা হুমকি দেন।

বিবৃতিতে জবিসাস নেতারা বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদে থেকে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এ হেন অপেশাদার ও অশোভনমূলক আচরণ কোনভাবেই কাম্য নয়। বিভাগীয় সভাপতিকে ডেকে আনা ও সাংবাদিকদের ছবি তুলে রাখা চরম অশোভন ও তাদের শিক্ষাজীবনের জন্য হুমকি স্বরূপ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফারজানা ইসলাম শিগগিরই সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বসে ন্যক্কারজনক এ ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়ে ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এ ধরনের আচরণ থেকে বেরিয়ে আসবেন বলে আহ্বান জানান জবিসাস নেতারা।

প্রশ্ন করা যাবে না জাবি উপাচার্যকে!

প্রশ্ন করা যাবে না জাবি উপাচার্যকে!
জাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের দুই কোটি টাকা ছাত্রলীগের মধ্যে বণ্টনে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে অভিযোগ সম্পর্কে উপাচার্যের বক্তব্য জানতে তার কার্যালয়ে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত দুই সাংবাদিককে হেনস্থা করেন তিনি।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন সাংবাদিক সমিতির সভাপতি প্লাবন তারিক ও সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মাহমুদ এক যৌথ বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

হেনস্থার শিকার দুই সাংবাদিক হলেন দৈনিক প্রথম আলোর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মাইদুল ইসলাম ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি শরীফুল ইসলাম সীমান্ত।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক সূত্রে জানা যায়, গত ২২ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগকে দুই কোটি টাকা বণ্টনের অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপাচার্যের কার্যালয়ে যান তারা। পরে দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন উপাচার্য।

এসময় বিভিন্ন প্রশ্ন করার পর এক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের দুই কোটি টাকা ছাত্রলীগের মধ্যে বণ্টনের অভিযোগ সম্পর্কে উপাচার্যের বক্তব্য জানতে চান তারা। এ প্রশ্ন করামাত্র উপাচার্য সাংবাদিকদের উপর প্রচণ্ড রেগে যান তিনি। এমন প্রশ্ন করার সাহস কোথায় পেল বলে সাংবাদিকদেরকে ধমকাতে থাকেন তিনি।

পরবর্তীতে সাংবাদিকরা তাদের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য আছে জানালে উপাচার্য তথ্যের সোর্স বলতে বলেন। কিন্তু সাংবাদিকরা সোর্সের গোপনীয়তা রক্ষা করার স্বার্থে সোর্সের নাম বলেননি। এতে উপাচার্য আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এসময় উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টরকে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ছাত্র-শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে বলেন।

এছাড়া উপাচার্য তাদের বিভাগীয় সভাপতিকে ডেকে পাঠান। এক পর্যায়ে উপাচার্য তাদের ছবি তুলে রাখার নির্দেশ দিলে পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আশরাফুল আলম তাদের ছবি তুলে রাখেন।

এসময় তাদেরকে নানা হুমকি প্রদান করেন উপাচার্য। এছাড়া উপাচার্যের কার্যালয়ে থাকা কয়েকজন শিক্ষক ও উপাচার্যের সঙ্গে তালমিলিয়ে হুমকি দিতে থাকেন বলে জানান তারা।

এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির সভাপতি প্লাবন তারিক ও সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মাহমুদ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ‘প্রশাসনের বিরুদ্ধে যেকোন অভিযোগ উঠলে সে সম্পর্কে প্রশ্ন করার পূর্ণ অধিকার সাংবাদিকদের রয়েছে। প্রশ্ন করার কারণে উপাচার্য কোনভাবেই সাংবাদিকদের উপর রেগে যেতে পারেননা।’

এছাড়া তারা অচিরেই প্রশাসনকে এধরনের আচরণ থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র