Alexa

ভালোবাসা দিবসে পর্যটক মুখর কক্সবাজার

ভালোবাসা দিবসে পর্যটক মুখর কক্সবাজার

ভালোবাসা দিবসে পর্যটক মুখর কক্সবাজার। ছবি: বার্তা২৪.কম

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, কক্সবাজার, বার্তা২৪.কম

ভালোবাসা দিবস আজ (১৪ ফেব্রুয়ারি)। দিবসটি উপভোগ করতে পরিবার বা প্রিয়জনকে নিয়ে কক্সবাজারে ছুটে এসেছেন ভ্রমণপিপাসুরা। ভ্রমণ করছেন পাহাড়-সমুদ্র ঘেরা মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও সৈকতের ১১টি পয়েন্টে। আর আগত পর্যটকদের নিরাপত্তায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

জানা গেছে, বসন্ত আর ভালোবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে সাগরের নীল জলরাশি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছেন প্রায় ৩ লাখ পর্যটক। শহরের ৪ শতাধিকের বেশি হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে এখন ‘ঠাঁই নেই’ অবস্থা। পর্যটকরা সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা, ইনানী, হিমছড়িসহ ৬টি পয়েন্ট ছাড়াও ভ্রমণ করছেন, দরিয়ানগর, হিমছড়ি ঝর্ণা, রামুর বৌদ্ধ বিহার, রেডিয়েন্ট ফিশ ওয়ার্ল্ড, মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির, সোনাদিয়া ও সেন্টমার্টিনসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান। পর্যটকদের সরব উপস্থিতিতে সমুদ্রের পাড় যেন উৎসবে পরিণত হয়েছে।

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক নাদিম মাহমুদ জানান, একদিকে বসন্ত, অন্যদিকে ভালোবাসা দিবস। আর এই দিনটা সমুদ্রের পাড়ে কাটানোর জন্য হানিমুনে এসেছেন তিনি। সমুদ্রের কাছে আসতে পেরে তারা খুবই খুশি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/14/1550129244745.jpg

কক্সবাজার বেড়াতে আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী নাসরিন সুলতানা মুন বলেন, ‘১৪ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে আমরা বন্ধুরা গ্রুপ করে কক্সবাজার বেড়াতে এসেছি। এখানে না এলে বোঝা যাবে না এই জায়গা কতো সুন্দর। সমুদ্রের পাড়ে দাঁড়ালেই মনে আন্দন লাগে।’

হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম বার্তা২৪.কমকে জানান, বেড়াতে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তারা অঙ্গীকারবদ্ধ। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নৈশ প্রহরীসহ পুরো হোটেল-মোটেল জোন সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। যাতে কেউ কোনো পর্যটকের ক্ষতি করতে না পারে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের এসপি মো. জিল্লুর রহমান বার্তা২৪.কমকে জানান, ভালোবাসা দিবস থেকে শুরু হয়ে আগামী একুশে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিপুল সংখ্যক পর্যটক আসবেন কক্সবাজারে। বিশেষ দিবসে আগত পর্যটকরা যেন কোনো ধরনের হয়রানি কিংবা দুর্ঘটনার কবলে না পড়েন সেজন্য সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পর্যটক জোনগুলোতে ট্যুরিস্ট পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া পর্যটকদের তথ্য প্রদানের মাধ্যমে সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, ‘সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ে রয়েছি। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আমরা সতর্ক অবস্থায় আছি।’

জেলা এর আরও খবর