Alexa

সমুদ্রে ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা কমানোর দাবি

সমুদ্রে ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা কমানোর দাবি

ছবি: বার্তা২৪

সমুদ্রে ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা কমানোর দাবিতে চট্টগ্রামের ফিশারীঘাটে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় বোট মালিক সমিতি। বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ওই এলাকায় সামুদ্রিক মৎস্য আহরণকারী জেলেরা ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচি পালন করেন।

সামুদ্রিক মৎস্য আহরণকারী ও বোট মালিক সমিতির নেতারা বলেন, ছয় মাস মৎস্য আহরণ বন্ধ থাকার পর আবারও ৬৫ দিনের জন্য মাছ ধরা নিষেধ করা হয়েছে। এতে জেলেদের চরম দুর্ভোগ হবে। আবার জেলেরা যে অন্য কাজ করবে, তারও কোনো সুযোগ নেই।

এসব বিবেচনা করে সরকারের সুনজর কামনা করেন সামুদ্রিক মৎস্য আহরণকারী ও বোট মালিক সমিতি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/14/1550134258464.jpg

সমিতির সভাপতি আমিনুল হক সরকার বার্তা২৪.কমকে বলেন, সারাদেশে বোট মালিক ও শ্রমিকসহ প্রায় এক কোটি মানুষ মৎস্য আহরণ ও বিপণন করে জীবিকা নির্বাহ করেন। কিন্তু জাটকা রক্ষায় সরকার ঘোষিত ১ নভেম্বর থেকে ৩১ মে পর্যন্ত মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ইলিশের এই প্রজনন মৌসুমে আমরা মাছ ধরা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকি। এরপরে শুরু হয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ। আবার এর মধ্যে প্রতিমাসে কয়েকবার করে সামুদ্রিক বিপদ সংকেত দেখানো হয়। এরপর ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত যান্ত্রিক নৌযান দ্বারা পূর্ব নির্ধারিত নিয়মানুসারে বঙ্গোপসাগরে মৎস্য আহরণ অব্যাহত রাখার জন্যও নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়। এতে মাছ আহরণ করতে না পারায় দুর্ভোগে পড়েন মৎস্যজীবীরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/14/1550134245943.jpg

তিনি আরও বলেন, সমুদ্রে ইলিশ মাছ ধরার জন্য যে ভাসান জাল দেওয়া হয়েছে সেটাতে নির্দিষ্ট আকার ব্যতিত অন্য কোনো মাছ আটকা পড়ে না। সরকারি হিসেবে ১০ হাজার মৎস্য আহরণকারীকে ভাসান জাল দেওয়া হলেও এর প্রকৃত সংখ্যা ৬০ হাজারের বেশি। তাদেরকেও যদি সরকারি আওতায় নিয়ে আসা হয় তাহলে সরকার এবং ভাসান জাল ব্যবহারকারী উভয়েই সার্বিকভাবে উপকৃত হবে।

মানবন্ধনে মোহাম্মদ নুর হোসেন, আনোয়ার হোসেন, সিরাজ ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, শাহমুল আলম, জসিম উদ্দিন, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, বিমল কান্তি দাশসহ কয়েক’শ মৎস্যজীবী অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন :