Alexa

বার্তা২৪-এ সংবাদ, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার অনিয়ম তদন্তে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন

বার্তা২৪-এ সংবাদ, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার অনিয়ম তদন্তে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. কাজী মুস্তাইন বিল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় মাল্টিমিডিয়া অনলাইন নিউজপোর্টাল বার্তা২৪.কম এ “নামে আছে কাজে নাই ” শিরোনামে গত ৮ ফেব্রুয়ারি নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে তথ্যবহুল সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর পর টনক করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের। মন্ত্রণালয় থেকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন পাঠাতে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মারুফ হাসান ও খুলনা বিভাগীয় উপ-পরিচালক কল্যাণ কুমার ফৌজদার লোহাগড়া প্রাণিসম্পদ অফিস পরিদর্শন করেন গত ১১ ফেব্রুয়ারি। এছাড়া ভুক্তভোগী খামার মালিকসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলেন তারা।

এ ব্যাপারে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মারুফ হাসান বলেন, আমরা খামারিসহ ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে লোহাগড়া প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ কাজী মুস্তাইন বিল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযোগসমূহ তদন্ত করে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। আর লোহাগড়া অফিসের কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্টদের অফিসিয়াল দায়িত্ব বুঝে দেয়ার ব্যাপারে তাকে (মুস্তাইন বিল্লাহ) লিখিত আদেশ দেয়া হয়েছে।

খুলনা বিভাগীয় উপ-পরিচালক কল্যাণ কুমার ফৌজদার বলেন, লোহাগড়া প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার (মুস্তাইন বিল্লাহ) বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবেন।

অপরদিকে অফিস আদেশ পাওয়ার পরও লোহাগড়া প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ কাজী মুস্তাইন বিল্লাহ কম্পাউন্ডারসহ সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব বুঝে দেননি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে অফিসের কম্পাউন্ডার ও ড্রেসার দিয়ে গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগিসহ প্রাণিদের চিকিৎসা চালিয়ে নেয়া হচ্ছে।

অফিসের একাধিক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত জেলা ও বিভাগীয় কর্মকর্তার আদেশ মানেননি লোহাগড়া প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা। তিনি (মুস্তাইন) আমাদের অফিসিয়াল কাজ বুঝে দেননি। এমনকি অসুস্থ গরুসহ গৃহপালিত প্রাণির চিকিৎসা এখনো পর্যন্ত ডাঃ মুস্তাইন বিল্লাহ করেননি। যেদিন (১১ ফেব্রুয়ারি) জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও খুলনা বিভাগীয় উপ-পরিচালক ডাঃ মুস্তাইন বিল্লাহ বিরুদ্ধে অনিয়মের তদন্ত করতে লোহাগড়ায় আসেন, ওইদিন বিকেলেও তিনি (ডাঃ মুস্তাইন) ভূক্তভোগী এক গরুর মালিককে ব্যবস্থাপত্র করে দেননি। অফিসের ড্রেসার খন্দকার সোহরাব হোসেন ভুক্তভোগী ওই গরুর মালিককে ব্যবস্থাপত্র দেন। যে ব্যবস্থাপত্রটি এ প্রতিবেদকের কাছে পৌঁছায়।

লোহাগড়া অফিসের কম্পাউন্ডারসহ সংশ্লিষ্টদের অফিসিয়াল দায়িত্ব বুঝে না দেয়ার বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মারুফ হাসান বলেন, যদি তিনি (মুস্তাইন বিল্লাহ) অফিস আদেশ না মানেন, তাহলে তাকে শোকজ করা হবে।

আরও পড়ুন: নামে আছে, কাজে নেই!

 

আপনার মতামত লিখুন :