অনলাইনে পাওয়া যাবে বিল্ডিং প্ল্যান পাস

আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম / ছবি: বার্তা২৪

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম

পহেলা মে থেকে সকল বিল্ডিং প্ল্যান অনলাইন করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

তিনি বলেছেন, `এখন থেকে রাজউকে শত শত লোক অপেক্ষা করার কোনো দরকার নেই। বাসা থেকে অনলাইনে যে কেউ প্ল্যান পাস করিয়ে নিতে পারবে।'

বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী ইন্টারন্যাশনাল ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সার্ভিসেস এক্সপো শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, `প্রকল্প বাস্তবায়নে যে ফ্রন্ট লোডিং নামক একটি ব্যবস্থা ছিল তা এখন থেকে বন্ধ‌। যিনি কাজ করবেন না তাকে তার জায়গা থেকে অব্যাহতি নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। এখানে যারা কাজ করবেন না এবং প্রতিবছর বিল বাড়াবেন তাদেরকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।'

এ সময় তিনি বিল্ডিং পাসের প্রক্রিয়ায় যে ১৬টি ধাপ ছিল তা কমিয়ে চারটি ধাপে নিয়ে আসার সফলতার কথা উল্লেখ করেন।

আলোচনা অনুষ্ঠানে র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ বলেন, `যুক্তরাজ্যে প্রতিবছর ১০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয় আগুনের কারণে। সারা বিশ্বে আগুন এবং বিল্ডিং নিরাপত্তা একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয়।'

তিনি আরও বলেন, `প্রতিবছর এই আয়োজনে শুধুমাত্র আগুন সংক্রান্ত কোম্পানিগুলো আসে। আমরা চাইব শুধুমাত্র আগুন নয়, সিকিউরিটি ইভেন ডিজিটাল সিকিউরিটি নিয়ে কাজ করা কোম্পানিগুলো তাদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করবে।'

বাংলাদেশের ভবন নির্মাণের যে আইন রয়েছে তা দেশীয় প্রেক্ষাপটে তৈরি করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন।

তিনি বলেন, `শুধুমাত্র পরিকল্পনা দিয়ে নয় বিল্ডিংকে নিরাপদ করতে হলে প্রয়োজন প্রশিক্ষণও।'

বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, `ড্যাপের কারণে বিভিন্ন জায়গায় শিল্প কারখানা তৈরি করতে সমস্যা হচ্ছে। আমরা যে চাচ্ছি ২০১৯ সালে উন্নত দেশে পরিণত হতে, এই ড্যাপের কারণে তা বাস্তবায়িত হচ্ছে না।'

এ সময় তিনি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রীকে ড্যাপ নিয়ে আরেকটু উদ্যোগী হয়ে এ বিষয়টি সুরাহা করার আহ্বান জানান।

ইসাবের সভাপতি মোতাহার হোসেন খান বলেন, `ইফসিএর কারণে ইঞ্জিনিয়ার এবং বিল্ডিংয়ের সুরক্ষা নিয়ে যারা কাজ করেন তাদের এটি মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে আমরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন ধরনের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করেছি।'

তিনি আরও বলেন, `ফায়ার সার্ভিসের সংশ্লিষ্ট কিছুই আমদানি নির্ভর। এই ধরনের নিরাপত্তা পণ্যগুলো আমদানিকালে ট্যাক্স ছাড় দিলে তা ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে এছাড়া যারা দেশের নিরাপত্তা পণ্য তৈরি করে থাকে তাদের প্রণোদনা দেওয়ার অনুরোধ করছি।'

আগামী শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ও শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলাটি চলবে।

জাতীয় এর আরও খবর