Alexa
independent day 2019

সাংবাদিক ভাওয়াইয়া রাজার মরদেহ উদ্ধার

সাংবাদিক ভাওয়াইয়া রাজার মরদেহ উদ্ধার

সাংবাদিক সফিউল আলম রাজা (ভাওয়াইয়া রাজা)/ ছবি: সংগৃহীত

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম

রাজধানী ঢাকার মিরপুর এলাকা থেকে ভাওয়াইয়া শিল্পী সাংবাদিক সফিউল আলম রাজার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (১৭ মার্চ) দুপুরের দিকে মিরপুর সাড়ে ১১ পল্লবী এলাকার গানের স্কুল কলতান সাংস্কৃতিক একাডেমি থেকে অনলাইন পত্রিকা প্রিয়.কম এর প্রধান প্রতিবেদকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তার সহকর্মীরা জানিয়েছেন, মিরপুর সাড়ে ১১ পল্লবী এলাকার ঐ স্কুলটি তিনি নিজেই প্রতিষ্ঠা করেন। তার গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী থানায়। তাৎক্ষণিক তার মৃত্যূর কারণ জানা যায়নি। তবে অনেকে ফেসবুক পোস্টে হৃদরোগের কারণে মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছেন। সাংবাদিক রাজার চেয়ে ভাওয়াইয়া রাজা হিসেবে তার অধিক খ্যাতি রয়েছে।

প্রিয়.কম এর প্রধান প্রতিবেদক হিসেবে যোগদানের আগে সাংবাদিক ভাওয়াইয়া রাজা দৈনিক যুগান্তরের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

জানা যায়, শনিবার (১৬ মার্চ) রাতে এশিয়ান টেলিভিশনের এক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ শেষে সফিউল আলম রাজা রাজধানীর পল্লবীতে তার নিজের প্রতিষ্ঠিত ভাওয়াইয়া গানের স্কুলের একটি কক্ষে ফেরেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/17/1552827412435.jpg

পরদিন রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে গৃহপরিচারিকা কক্ষ ঝাড়ু দিতে আসেন। কক্ষের বাইরে থেকে দীর্ঘ সময় ধরে ডাকাডাকি করলেও কোনো সাড়া শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। তখন পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে। পরে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।

পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে প্রিয়.কম জানিয়েছে, সফিউল আলম রাজার মরদেহ কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানেই তার দাফন সম্পন্ন হবে।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংষ্কৃতিক সম্পাদক ছাড়াও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন সফিউল আলম রাজা। রংপুর অঞ্চলের জনপ্রিয় ভাওয়াইয়া সংগীত প্রচারে পালন করেন অগ্রণী ভূমিকা। সাংবাদিকতার পাশাপাশি গান ছিল তার ধ্যান ও জ্ঞান। যে কারণে সাংবাদিক রাজাকে ছাপিয়ে ভাওয়াইয়া রাজা হিসেবে পরিচিতি পান তিনি।

মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান রাজা এক মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানের জনক। বড় মেয়ে সম্মান শ্রেণিতে ও ছেলে উচ্চমাধ্যমিকে অধ্যয়নরত। মনোমলিন্যের কারণে দুই বছর আগে ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে স্ত্রীর সঙ্গে। ছেলেমেয়ে মায়ের কাছেই থাকেন। মাঝে মাঝে এসে দেখা করে যেতেন বলে তার ঘনিষ্টরা জানিয়েছেন।

 

জাতীয় এর আরও খবর