Alexa

সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ হাই কমিশনে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালন

সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ হাই কমিশনে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালন

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশের হাই কমিশনার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান/ ছবি: সংগৃহীত

সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ হাই কমিশনে আনন্দমুখর পরিবেশ ও যথাযথ মর্যাদায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

রোববার (১৭ মার্চ) হাইকমিশনে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে বঙ্গবন্ধুর শৈশব, বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ও কর্মজীবনের উপর আলোচনা, শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে বয়সভিত্তিক কবিতা পাঠ, উপস্থিত বক্তৃতা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/17/1552836184472.jpg

সিঙ্গাপুরে বসবাসরত প্রায় দুই শতাধিক প্রবাসী ও তাদের পরিবারের উপস্থিতি এবং শতাধিক শিশু কিশোরের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই বিশেষ দিবসটির অনুষ্ঠান আনন্দমুখর উৎসবে পরিণত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিঙ্গাপুরে সফররত গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

আলোচনা সভায় বক্তারা বঙ্গবন্ধুর শৈশব, কৈশোর, রাজনৈতিক জীবন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা স্মরণ করেন।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিসত্ত্বার আলোকবর্তিকা। বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ, তিতিক্ষা আর সংগ্রামের ফসল আজকের বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ‘সোনার বাংলাদেশ’ গড়ার দর্শন বর্তমান প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/17/1552836107293.jpg

সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশের হাই কমিশনার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান তার ভাষণে বঙ্গবন্ধুর শৈশব-কৈশোরের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শিশুদের সাহচর্য্য খুব পছন্দ করতেন এবং তাদের সাথে সহজে মিশে যেতে পারতেন।’ বঙ্গবন্ধুর জীবন-দর্শন থেকে শিক্ষা নিয়ে শিশুদেরকে ভবিষ্যতের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান হাই কমিশনার।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে হাই কমিশনার ও তার সহধর্মিনী তানজিনা বিনতে আলমগীর প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী সবার মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। পরে অতিথিদেরকে বাংলাদেশি খাবার সহযোগে নৈশভোজে আপ্যায়িত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :