Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

সেরা দল কিন্তু কঠিন বিশ্বকাপ!

সেরা দল কিন্তু কঠিন বিশ্বকাপ!
মিনহাজুল আবেদীন নান্নু : দল নিয়ে আশাবাদী
এম. এম. কায়সার
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

এইমাত্র বিশ্বকাপের দল ঘোষণা হলো।

সেই সংবাদ সম্মেলন শেষ হতেই বেশ হুড়োহুড়ি পড়ে গেলো; ভিড়টা ছবি তোলার। নির্বাচকদের সঙ্গে সেলফি তোলার। আগ্রহী সাংবাদিকদের এই বাড়তি উৎসাহ-ই জানান দিলো বিশ্বকাপের দল নির্বাচন নিয়ে সবাই বেশ সন্তুষ্ঠ। নির্বাচকরাও হাসিমুখেই দল ঘোষণার বৈঠক থেকে ফিরলেন। বিশ্বকাপের জন্য সেরা দলই তৈরি করেছেন তারা।

-সেই সেরা শুধু এবারের জন্য নয়, এ যাবতকালের বাংলাদেশের আগের সব বিশ্বকাপ দলের চেয়ে এটাই নাকি সেরা দল! নিজে বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপে খেলেছেন মিনহাজুল আবেদিন নান্নু। এর আগেও একটি বিশ্বকাপের দল নির্বাচনে সহযোগি নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করেছেন। এবার তিনি প্রধান নির্বাচক। সেই মিনহাজুলও অকপটে মানলেন-এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের পেছনের সব আসরের মধ্যে এটাই বাংলাদেশের সেরা দল।

ঠিক কেন এবং কোন বিবেচনায় মিনহাজুল এটাকে বাংলাদেশের সেরা দল বলছে সেই ব্যাখা শুনি-‘অবশ্যই এটা সেরা দল। বিশ্বকাপের জন্য আমরা যে দল তৈরি করেছি, অবশ্যই এই মূহূর্তে এটা সেরা দল। এই দলে শুধুমাত্র একজন বাদে বাকি সবারই আর্ন্তজাতিক ওয়ানডে ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আছে। সিনিয়র খেলোয়াড়দের মধ্যে বেশ কয়েকজনের এটি চতুর্থ বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে। দলের অনেক খেলোয়াড়ের একশ বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আছে। পেছনের একবছরে আমরা অনেকগুলো ওয়ানডে ম্যাচ জিতেছি। জয়ের শতকরা হার ৫১ ভাগ।’

সেরা দল গঠনের তৃপ্তি ও সন্তষ্ঠির হাসি প্রধান নির্বাচক মিনহাজুলের চোখে মুখে।

তবে দল সেরা হলেও সাফল্যের জন্য এবারের বিশ্বকাপের মাঠে বাংলাদেশের লড়াইটা অনেক কঠিন। এই প্রথম বিশ্বকাপের আসরে বাংলাদেশকে অংশগ্রহণকারী সব প্রতিপক্ষের বিপক্ষে লড়তে হচ্ছে। সেমিফাইনালের আগ পর্যন্ত খেলতে হবে ৯টি ম্যাচ। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্যায়ে এতবেশি ম্যাচ আগে কখনো বাংলাদেশ খেলেনি। আগে সাধারণত গ্রুপে দুটো ম্যাচ জিতলেই পরের রাউন্ডে যাওয়ার টিকিট মিলতো। কিন্তু এবার সামনে এগুনোর পথ অনেক কঠিন। জিততে হবে অনেক ম্যাচ।

-বেশি ম্যাচ কি তাহলে বেশি সুযোগ নয়?

মিনহাজুল বললেন-‘নাহ্, এটা অবশ্যই কঠিন। আয়ারল্যান্ড সফরসহ বিশ্বকাপে আমাদের একনাগাড়ে ১৪টি ম্যাচ খেলতে হবে। এটা কিন্তু অনেক বড় ব্যাপার। আমরা এর আগে টানা এভাবে খেলিনি। কঠিন হবে। তবে আমাদের দলটা অভিজ্ঞ। মানসিক দিক থেকে শক্ত থাকলে এবং নিজের মতো করে নিতে পারলে ইনশাল্লাহ আমরা ভালো কিছু করতে পারবো।’

-সেই ভালো কিছু, মানে কতদুর যাওয়া?

মিনহাজুল লক্ষ্যটা জানালেন-‘এক থেকে চারের মধ্যে থাকা।’

সেরা দল। কঠিন বিশ্বকাপ। বড় লক্ষ্য-২০১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের ট্যাগলাইন এটাই।

আপনার মতামত লিখুন :

ফিঞ্চের সেঞ্চুরি, ইংল্যান্ডের লক্ষ্য ২৮৬

ফিঞ্চের সেঞ্চুরি, ইংল্যান্ডের লক্ষ্য ২৮৬
বিশ্বকাপে কথা বলছেই অ্যারন ফিঞ্চের ব্যাট। পেলেন শতরান

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শতক হাঁকানোর পর অ্যারন ফিঞ্চ বাংলাদেশের বিপক্ষে সন্তুষ্ট থাকেন হাফ-সেঞ্চুরি নিয়ে। এক ম্যাচ বিরতি দিয়ে ফের সেঞ্চুরির দেখা পেলেন এ তারকা ওপেনার। তার দুরন্ত সেঞ্চুরির সুবাদে ইংল্যান্ডের সামনে ২৮৬ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথমে ব্যাট হাতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৮৫ রান তোলে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

মঙ্গলবার ক্রিকেটের তীর্থভূমি লর্ডসে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দুর্দান্ত শুরু করে অজিরা। ফিঞ্চের সঙ্গে গড়ে উঠা ডেভিড ওয়ার্নারের উদ্বোধনী পার্টনারশিপ ভাঙে ১২৩ রানে।

ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৫তম সেঞ্চুরি (১০০) পূর্ণ করেই সাজঘরে ফেরেন অজি অধিনায়ক ফিঞ্চ। জোফরা আর্চারের বলে ক্রিস ওকসের কাছে ক্যাচ দেন তিনি। ফিঞ্চের ১১৬ বলের ইনিংসে ছিল ১১ চার ও ২ ছক্কার মার। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। তার আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলেন ১৫৩ রানের অনন্য এক ক্রিকেটীয় ইনিংস।

আরেক ওপেনার ওয়ার্নার বিদায় হওয়ার আগে দলীয় স্কোরে যোগ করেন ৫৩ রান। স্টিভেন স্মিথের সমান ৩৮ রান করে অপরাজিত থেকে যান অ্যালেক্স ক্যারে।

বল হাতে ইংল্যান্ডের হয়ে তেমন কেউ জ্বলে উঠতে পারেননি। ক্রিস ওকস শিকার করেন দুই উইকেট। একটি করে উইকেট নেন জোফরা আর্চার, মার্ক উড, বেন স্টোকস ও মঈন আলী।

জিতলেই সবার আগে সেমিফাইনালে উঠে যাবে অজিরা। ৬ ম্যাচে ৫ জয় (আফগানিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের বিপক্ষে) ও এক হারে (ভারতের বিপক্ষে) ১০ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে এখন অস্ট্রেলিয়া। আজ জয়ের কোনো বিকল্প ভাবছে না সেমির স্বপ্নে বিভোর অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের দল।

স্বাগতিক ইংল্যান্ড জিতলে সেমিফাইনালের পথ আরো সহজ হয়ে যাবে তাদের জন্য। ৬ ম্যাচে ৪ জয় (দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে) ও ২ হারে (পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে) ৮ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে ইংল্যান্ড। শেষ চারে পৌঁছানোর রাস্তা পরিষ্কার করতে জিততে চায় আজ ক্যাপ্টেন ইয়ন মরগানের দলও।

 

রশিদে হতাশ ক্যাপ্টেন গুলবাদিন

রশিদে হতাশ ক্যাপ্টেন গুলবাদিন
রশিদ খানের কাছে আরো ভাল ক্রিকেট প্রত্যাশা ছিল গুলবাদিনের

ক্রিকেট দুনিয়াকে চমকে দেওয়ার স্বপ্ন নিয়েই বিশ্বকাপে পা রেখেছিল আফগানিস্তান। কিন্তু একদিনের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ আসরে উল্টো তারাই গেছে চমকে। অভিজ্ঞতার অভাবে টানা সপ্তম হারে আফগানরা টের পেয়েছে মেজর টুর্নামেন্টের কঠিন বাস্তবতা।

যাকে ঘিরেচলতি বিশ্বকাপে স্বপ্ন দেখেছিল আফগানরা সেই দলের প্রাণভোমরা সেই রশিদ খান যেন নিজের ছায়া হয়ে আছেন। কিছুতেই যেন ফিরতে পারছেন না নিজের সেরা ফর্মে। দলের ডামাডোলের মাঝে আবার বনে গেছেন বিশ্বকাপের সবচেয়ে খরুচে বোলার।

সোমবার বাংলাদেশের বিপক্ষে ৬২ রানের হারের ম্যাচে বল হাতে দ্যুতি ছড়াতে পারেননি রশিদ। তার ফিল্ডিংও ছিল যাচ্ছেতাই। এ তারকা স্পিনারের বাজে পারফরম্যান্সে যার পর নাই হতাশ আফগান অধিনায়ক গুলবাদিন নাইব, ‘রশিদ তার শতভাগ উজাড় করে দিয়ে খেলেছে। কিন্তু তার পারফরম্যান্স নিয়ে আমি কিছুটা হতাশ। তার ফিল্ডিংও হতাশাজনক।’

রশিদকে কেবল বোলিংয়ে মনোযোগী হতে পরামর্শ দিয়ে গেছেন গুলবাদিন, ‘একটা সময় সে মাঠে খুব রেগে ছিল। তাকে শুধু শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছি। মনোযোগ দিতে বলেছি তার বোলিংয়ে। ফিল্ডিংয়ের কারণে সে সুখ স্মৃতি ফিরে পাচ্ছে না।’

বিশ্বকাপে টানা সপ্তম হারে পয়েন্ট তালিকার তলানিতেই রয়ে গেল আফগানিস্তান। এখনো তাদের হাতে ধরা দেয়নি কোনো জয়। বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে উঠার স্বপ্ন শেষ অনেক আগেই।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র