Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বার্তা ২৪.কমে সংবাদ প্রকাশ

প্রতিবেদন মিথ্যা প্রমাণে ছাত্রীদের স্বাক্ষর নিলেন শিক্ষিকা

প্রতিবেদন মিথ্যা প্রমাণে ছাত্রীদের স্বাক্ষর নিলেন শিক্ষিকা
নবাব সিরাজ-উদ্-দৌলা সরকারী কলেজ, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
নাটোর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নাটোরের নবাব সিরাজ-উদ্-দৌলা সরকারী কলেজে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের প্রধানকর্তৃক এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের ৩ দিন পর একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক কলেজের উপাধ্যক্ষ আব্দুল মোত্তালেব।

তবে বিভাগের ছাত্রীরা সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী বরাবর কোনো চিঠি দেননি মর্মে ছাত্রীদের গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করার অভিযোগ উঠেছে বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জেবুনন্নেসার বিরুদ্ধে। বুধবার তদন্তের প্রথমদিন ওই বিভাগের ছাত্রীদের কলেজে ডেকে স্বাক্ষর নিয়েছেন ওই শিক্ষিকা। এ খবর পেয়ে সাংবাদিকরা হাজির হলে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শিক্ষিকা জেবুন্নেসা।

এদিকে, তদন্ত কমিটিতে ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক গোলাম মওলা খান, পদার্থ বিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান ড. সলিম উল্লাহ, ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান রবিউল ইসলাম, গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কিশোর কুমার মহন্ত ও হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এম এ তৌফিককে রাখা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) এ কমিটি করা হয়েছে বলে কলেজের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতেই স্পর্শকাতর এ বিষয়ে কমিটি গঠনের খবর জানাজানি হলে বুধবার সকালে কমিটির সদস্য কিশোর কুমার মহন্ত বিষয়টি নিশ্চিত করেন। যেসব সাংবাদিকরা এ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন করেছেন তাদের বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) তলব করেছে তদন্ত কমিটি।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) সকালে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে যাওয়া হলে বেশ কিছু শিক্ষার্থীকে একাডেমিক ভবনের বাইরে অবস্থান করতে দেখা যায়। তারা জানায়, বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জেবুন্নেসা তাদের স্বাক্ষর নিয়েছেন। কেন স্বাক্ষর নিয়েছে জানতে চাইলে তারা জানান, বিভাগের ছাত্রীদের চিঠি নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন সঠিক নয়- এমন দাবি জোরদার করার জন্য তাদের স্বাক্ষর নেয়া হয়েছে। বাধ্য হয়েই তারা স্বাক্ষর দিয়েছে।

যৌন হয়রানি নিয়ে বার্তা২৪.কমসহ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর কলেজ প্রশাসন নড়চড়ে বসলেও নাম প্রকাশ না করার শর্তে কলেজের বেশ কয়েকজন শিক্ষক জানিয়েছেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুলের নির্দেশনার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গত সোমবার (১৫ এপ্রিল) কলেজের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংসদ শিমুল যৌন হয়রানির অভিযোগের বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে নির্দেশ দেন।

তদন্ত কমিটির সদস্য কিশোর কুমার মহন্ত জানান, নির্ধারিত তিনদিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তথ্য দিয়ে সহযোগিতার জন্য প্রতিবেদক গণমাধ্যমকর্মীদের ডাকা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

তীব্র স্রোতে ভেঙে গেল ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়ক

তীব্র স্রোতে ভেঙে গেল ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়ক
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

বানের পানির তীব্র স্রোতে শেষমেষ ভেঙে গেল টাঙ্গাইলের ভুঞাপুর-তারাকা‌ন্দি সড়‌ক। বৃহস্প‌তিবার (১৮ জুলাই) রাত পৌনে ৮টার দিকে সড়কটির বেশ কিছু অংশ ভেঙে পানি ঢুকে যায়।

এদিকে যমুনা নদীর পানি অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৯১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে উপজেলার শতাধিক গ্রামের কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। পানিতে তলিয়ে গেছে চরাঞ্চলের বেশ কয়েকটি গ্রাম, তলিয়ে গেছে ফসলি জমি। বন্যার পানি প্রবেশ করে পৌরসভার টেপিবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পানির স্রোত বইছে। তীব্র স্রোতে নদীর পানি প্রবেশ করায় ভেঙে গেছে বেশ কয়েকটি বাড়িঘর। বন্যাকবলিত মানুষজন গবাদি পশু নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

উপজেলা শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পাঁচটি মাদরাসা ও ৪৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্যার পানি প্রবেশ করায় সেগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে।

Flood

অন্যদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যার্তদের মাঝে ২০০ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। তবে বানভাসি বেশিরভাগ মানুষ ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঝোটন চন্দ জানান, বন্যাকবলিতদের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অস্বাভাবিক হারে পানি বৃদ্ধির ফলে অর্জুনা ইউনিয়নের তাড়াই বাঁধ ভেঙে গেছে। এছাড়া ভাঙন অংশে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কাজ করছে।

টাঙ্গাইলের পাউবো নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, ভূঞাপুরে যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ৯১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যার পরিস্থিতি শুক্রবার (১৯ জুলাই) বিকাল পর্যন্ত অবনতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন অংশে ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ ফেলানোর কাজ চলছে।

আরও পড়ুন: হুমকির মুখে ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়ক

নেত্রকোনায় ছেলে ধরা সন্দেহে যুবক আটক

নেত্রকোনায় ছেলে ধরা সন্দেহে যুবক আটক
আটককৃত যুবক, ছবি: সংগৃহীত

ছেলে ধরা সন্দেহে নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় ফারুক মিয়া নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে উপজেলার হিরণপুর বাজার থেকে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করে। আটককৃত ফারুক কুমিল্লার লাঙ্গলকোট উপজেলার ঢুবাই বাজার গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ জানান, হিরণপুর বাজারে ফারুক মিয়ার ঘোরাফেরায় স্থানীয়দের কাছে সন্দেহজনক মনে হলে এলাকাবাসী তাকে আটক করে। শ্যামগঞ্জ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশকে খবর দিলে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

এ বিষয়ে শ্যামগঞ্জ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পরিদর্শন) আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘আটক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেত্রকোনায় পাঠানো হয়েছে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র