Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

দেশের পুঁজিবাজার

ডিএসইতে সূচক বাড়লেও কমেছে সিএসইতে

ডিএসইতে সূচক বাড়লেও কমেছে সিএসইতে
ছবি: বার্তা২৪
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তৃতীয় কার্যদিবস বুধবার (১৭ এপ্রিল) সূচক বেড়ে শেষ হয়েছে এ দিনের লেনদেন কার্যক্রম। তবে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) এদিন সূচক কমেছে। এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১০ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স কমেছে ১১ পয়েন্ট।

এদিন ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩১৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকা, গত মঙ্গলবার লেনদেন হয়েছিল ২৬৯ কোটি ৯১ লাখ টাকা। অপরদিকে এদিন সিএসই’তে লেনদেন হয়েছে ১২ কোটি ৬৬ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসের সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ১১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। ডিএসই ও সিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক কমে। লেনদেনের শুরু হয় ১০টা ৩০ মিনিটে, এরপর প্রথম ১০ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক ৪২ পয়েন্ট বেড়ে যায়। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ৪৫ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর থেকে সূচক বাড়ার প্রবণতা কমতে থাকে। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক গত কার্যদিবসের চেয়ে ৩৫ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১১টায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে মাত্র ১১ পয়েন্ট বাড়ে।

তবে বেলা সোয়া ১১টার দিকে সূচক গত কার্যদিবসের চেয়ে নেতিবাচক হয়ে যায়। বেলা পৌনে ১২টার দিকে সূচক সর্বোচ্চ ২৬ পয়েন্ট কমে যায়। কিন্তু এরপর থেকে সূচক কমার প্রবণতা কমতে থাকে। বেলা ২টায় সূচক গত কার্যদিবসের চেয়ে ৫ পয়েন্ট বেড়ে যায়। আর বেলা আড়াইটায় লেনদেনে শেষে ডিএসইএক্স সূচক ১০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ২৫৯ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৮৮০ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ২১৭ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩১৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬০টির, কমেছে ১২৭টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

বুধবার দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল, মুন্নু সিরামিকস, ফরচুন সু, সোনারবাংলা ইনস্যুরেন্স, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, মুন্নু স্টাফলারস, এসকে ট্রিমার, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ এবং বিবিএস কেবল।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ১১ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৭৩২ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ১৬ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ১১৩ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ১৭ পয়েন্ট কমে ১৬ হাজার ৮৩ পয়েন্টে অবস্থান করে।

লেনদেন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১২ কোটি ৬৬ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকস, হাক্কানী পাল্প, প্রগতি ইনস্যুরেন্স, ইমাম বাটন, প্রভাতী ইনস্যুরেন্স, তাকাফুল ইনস্যুরেন্স, মার্কেন্টাইল ইনস্যুরেন্স, ফাইন ফুড, বিবিএস কেবল এবং জনতা ইনস্যুরেন্স।

আপনার মতামত লিখুন :

‘এমন গহনা তৈ‌রি করুন, যাতে কেউ বিদেশমুখী না হন'

‘এমন গহনা তৈ‌রি করুন, যাতে কেউ বিদেশমুখী না হন'
স্বর্ণমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি/ ছবি: বার্তা২৪.কম

দে‌শের স্বর্ণ কা‌রিগরদের উদ্দেশে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ব‌লে‌ছেন, ‘আপনা‌দের দক্ষতা কা‌জে লা‌গি‌য়ে এমন গহনা তৈ‌রি করুন, যাতে ক্রেতা‌রা ভারতের কলকাতাসহ বিদেশের বিভিন্ন শহরমুখী না হন।’

মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে স্বর্ণমেলার সমাপনী অনুষ্ঠা‌নে তিনি এসব কথা ব‌লেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এন‌বিআর) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপ‌তি‌ত্বে অনুষ্ঠা‌নে আ‌রও উপ‌স্থিত ছি‌লেন এনবিআর-এর সদস্য (আয়কর) কানন কুমার রায়, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সভাপ‌তি গঙ্গা চরণ মালাকার, সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগারওয়ালা সহ স্বর্ণ ব্যবসায়ী ও রাজস্ব কর্মকর্তারা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561473259556.jpg

বা‌ণিজ্যমন্ত্রী ব‌লেন, ‘আমা‌দের অনেক ধনী মানুষ আছেন, যারা ভারতের কলকাতা, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর থেকে স্বর্ণের গহনা কেনেন। দেশে অনেক দক্ষ কারিগর রয়েছেন, তা‌দের হা‌তের কাজ অনেক সুন্দর। তারা যদি ভালো মানের গহনা তৈরি করতে পারেন, তাহলে কেউ আর গহনার জন্য বিদেশমুখী হবেন না।’

‘বরং দেশের গহনা বিদেশে রফতানি করা যাবে। আমরা বিদেশে রফতানির জন্য বিশেষ প্রণোদনারও চিন্তা করব।’

স্বর্ণ কারিগরদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন উল্লেখ ক‌রে বা‌ণিজ্যমন্ত্রী ব‌লেন, ‘কারিগরদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি ট্রেনিং ইনস্টিটিউশন খুব দরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্র‌য়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঢাকার আশপা‌শে একটি জুয়েলারি পল্লী স্থাপনের জন্য সহযোগিতা কর‌বে।’ আগামী এক মা‌সের ম‌ধ্যে এ বিষ‌য়ে সং‌শ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ‌কে চি‌ঠি দেওয়া হ‌বে ব‌লে তি‌নি জানান।

অনুষ্ঠা‌নে এন‌বিআর চেয়ারম্যান ও বাংলা‌দেশ অর্থ‌নৈ‌তিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ‌কে জমি বরা‌দ্দের জন্য চি‌ঠি দেওয়া হবে ব‌লে জানানো হয়।

মেলায় ১৭৫ কোটি টাকার সোনা বৈধ করা হয়েছে

মেলায় ১৭৫ কোটি টাকার সোনা বৈধ করা হয়েছে
হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে স্বর্ণ মেলার সমাপনী অনুষ্ঠান/ছবি: বার্তা২৪.কম

দেশে প্রথমবার অনুষ্ঠিত ‘স্বর্ণ মেলায়’ অবৈধ ১৭৫ কোটি টাকার রুপা, সোনা এবং ডায়মন্ড বৈধ করেছেন ব্যবসায়ীরা।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) তিনদিন ব্যাপী স্বর্ণ মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ জুয়েলারি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগারওয়াল।

তিনদিন ব্যাপী এই মেলা রাজধানী ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটলসহ দেশের ৮ টি বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়। এনবিআর ও বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) যৌথভাবে মেলার আয়োজন করে।

তিনি বলেন, স্বর্ণ মেলায় এখন পর্যন্ত  এক হাজার ২০০ মানুষ তাদের ডায়মন্ড, সোনা ও রুপা বৈধ করতে এসেছেন। আজকে মেলার শেষ দিনে এক হাজার লোক ডায়মন্ড, সোনা ও রুপা বৈধ করান।  মেলায় এখন পর্যন্ত ১৭৫ কোটি টাকার সোনা বৈধ হয়েছে।

এর আগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডর (এনবিআরের) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বার্তা২৪.কম-কে বলেন, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে ৩০০ কোটি টাকার কর আদায় হবে বলে আশা করছি।

গত ২৩ জুন সকাল ১০টায় মেলা উদ্বোধন করেন এনবিআর চেয়ারম্যান। মেলার সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেছেন এনবিআরের সদস্য (কর ও প্রশাসন) কানন কুমার রায়।

মেলায় ব্যবসায়ীরা ভরিপ্রতি রুপা ৫০ টাকা, স্বর্ণ ভরপ্রতি ১ হাজার এবং ডায়মন্ড ভরিপ্রতি ৬ হাজার টাকা দিয়ে ব্যবসায়ীরা স্বর্ণ, রুপা এবং ডায়মন্ড বৈধ করেছেন। ৪০০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে মেলার আয়োজন করে এনবিআর ও বাজুস।

তিন দিনব্যাপী ‘স্বর্ণ মেলা-২০১৯'র প্রথম দুদিনে মোট ৫১ কোটি টাকার সোনা, রূপা ও ডায়মন্ড বৈধ করেছেন ব্যবসায়ীরা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র