Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

মাশরাফির মাইলফলক

মাশরাফির মাইলফলক
মাইলফলকের সেই ম্যাচ শেষে বিকেএসপিতে এক ভক্তের আবদার রক্ষা করলেন মাশরাফি
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আরেকটি মাইলফলক স্পর্শ করলেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে তিন হাজার রান তার কিছুদিন আগেই পুরো হয়েছিলো। এবার উইকেট শিকারেও চারশ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করলেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক।

লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে চারশ উইকেটের কৃতিত্ব ছোঁয়ার রেকর্ড আছে মাত্র একজনের। ২৭৫ ম্যাচে ৪০৮ উইকেট নিয়ে এই তালিকার শীর্ষে আছেন স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক। মাশরাফি ৪০০ উইকেট ক্লাবে পৌছালেন ২৮৭ টি ম্যাচ খেলে।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) বিকেএসপির মাঠে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের বিপক্ষে ওপেনার ইরফান সুকুরের উইকেট নিয়ে মাশরাফি লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে তার চারশ রানের মাইলফলক পূর্ণ করলেন। ম্যাচের নিজের প্রথম ৫ ওভারের স্পেলে মাশরাফি ২৫ রানে এক উইকেট পান। নিজের দ্বিতীয় স্পেলেও সাফল্য পান মাশরাফি। রকিবুল হাসানকে সেঞ্চুরি বঞ্চিত করলেন। ৯৬ রানে ফেরালেন রকিবুল হাসানকে।

৪ এপ্রিল প্রাইম দোলেশ্বরের বিপক্ষে ম্যাচে ২ উইকেট নিয়ে মাশরাফি এই রেকর্ডের দ্বারপ্রান্তে পৌছে যান। কিন্তু ৩৯৯ উইকেটে আটকে থাকেন পরের তিন ম্যাচে। লিগে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ, শেখ জামাল এবং সুপার লিগে প্রাইম দোলেশ্বরের বিপক্ষে ম্যাচে উইকেট শূন্য ছিলেন মাশরাফি। সেই শূন্যতা ঘুচিয়ে দিলেন মোহামেডানের বিপক্ষে ম্যাচে। নিজের প্রথম ছয় ওভারেই তুলে নিলেন ২ উইকেট। শেষ অব্দি ৪০ রানে ৩ উইকেট নেন মাশরাফি।

লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি উইকেটশিকারের রেকর্ডটা এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের ওয়াসিম আকরামের। ৫৯৪ ম্যাচে এই পাকিস্তানি অলরাউন্ডার ৮৮১ উইকেট নিয়ে তালিকার শীর্ষে আছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

ফিঞ্চের সেঞ্চুরি, ইংল্যান্ডের লক্ষ্য ২৮৬

ফিঞ্চের সেঞ্চুরি, ইংল্যান্ডের লক্ষ্য ২৮৬
বিশ্বকাপে কথা বলছেই অ্যারন ফিঞ্চের ব্যাট। পেলেন শতরান

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শতক হাঁকানোর পর অ্যারন ফিঞ্চ বাংলাদেশের বিপক্ষে সন্তুষ্ট থাকেন হাফ-সেঞ্চুরি নিয়ে। এক ম্যাচ বিরতি দিয়ে ফের সেঞ্চুরির দেখা পেলেন এ তারকা ওপেনার। তার দুরন্ত সেঞ্চুরির সুবাদে ইংল্যান্ডের সামনে ২৮৬ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথমে ব্যাট হাতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৮৫ রান তোলে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

মঙ্গলবার ক্রিকেটের তীর্থভূমি লর্ডসে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দুর্দান্ত শুরু করে অজিরা। ফিঞ্চের সঙ্গে গড়ে উঠা ডেভিড ওয়ার্নারের উদ্বোধনী পার্টনারশিপ ভাঙে ১২৩ রানে।

ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৫তম সেঞ্চুরি (১০০) পূর্ণ করেই সাজঘরে ফেরেন অজি অধিনায়ক ফিঞ্চ। জোফরা আর্চারের বলে ক্রিস ওকসের কাছে ক্যাচ দেন তিনি। ফিঞ্চের ১১৬ বলের ইনিংসে ছিল ১১ চার ও ২ ছক্কার মার। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। তার আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলেন ১৫৩ রানের অনন্য এক ক্রিকেটীয় ইনিংস।

আরেক ওপেনার ওয়ার্নার বিদায় হওয়ার আগে দলীয় স্কোরে যোগ করেন ৫৩ রান। স্টিভেন স্মিথের সমান ৩৮ রান করে অপরাজিত থেকে যান অ্যালেক্স ক্যারে।

বল হাতে ইংল্যান্ডের হয়ে তেমন কেউ জ্বলে উঠতে পারেননি। ক্রিস ওকস শিকার করেন দুই উইকেট। একটি করে উইকেট নেন জোফরা আর্চার, মার্ক উড, বেন স্টোকস ও মঈন আলী।

জিতলেই সবার আগে সেমিফাইনালে উঠে যাবে অজিরা। ৬ ম্যাচে ৫ জয় (আফগানিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের বিপক্ষে) ও এক হারে (ভারতের বিপক্ষে) ১০ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে এখন অস্ট্রেলিয়া। আজ জয়ের কোনো বিকল্প ভাবছে না সেমির স্বপ্নে বিভোর অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের দল।

স্বাগতিক ইংল্যান্ড জিতলে সেমিফাইনালের পথ আরো সহজ হয়ে যাবে তাদের জন্য। ৬ ম্যাচে ৪ জয় (দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে) ও ২ হারে (পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে) ৮ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে ইংল্যান্ড। শেষ চারে পৌঁছানোর রাস্তা পরিষ্কার করতে জিততে চায় আজ ক্যাপ্টেন ইয়ন মরগানের দলও।

 

রশিদে হতাশ ক্যাপ্টেন গুলবাদিন

রশিদে হতাশ ক্যাপ্টেন গুলবাদিন
রশিদ খানের কাছে আরো ভাল ক্রিকেট প্রত্যাশা ছিল গুলবাদিনের

ক্রিকেট দুনিয়াকে চমকে দেওয়ার স্বপ্ন নিয়েই বিশ্বকাপে পা রেখেছিল আফগানিস্তান। কিন্তু একদিনের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ আসরে উল্টো তারাই গেছে চমকে। অভিজ্ঞতার অভাবে টানা সপ্তম হারে আফগানরা টের পেয়েছে মেজর টুর্নামেন্টের কঠিন বাস্তবতা।

যাকে ঘিরেচলতি বিশ্বকাপে স্বপ্ন দেখেছিল আফগানরা সেই দলের প্রাণভোমরা সেই রশিদ খান যেন নিজের ছায়া হয়ে আছেন। কিছুতেই যেন ফিরতে পারছেন না নিজের সেরা ফর্মে। দলের ডামাডোলের মাঝে আবার বনে গেছেন বিশ্বকাপের সবচেয়ে খরুচে বোলার।

সোমবার বাংলাদেশের বিপক্ষে ৬২ রানের হারের ম্যাচে বল হাতে দ্যুতি ছড়াতে পারেননি রশিদ। তার ফিল্ডিংও ছিল যাচ্ছেতাই। এ তারকা স্পিনারের বাজে পারফরম্যান্সে যার পর নাই হতাশ আফগান অধিনায়ক গুলবাদিন নাইব, ‘রশিদ তার শতভাগ উজাড় করে দিয়ে খেলেছে। কিন্তু তার পারফরম্যান্স নিয়ে আমি কিছুটা হতাশ। তার ফিল্ডিংও হতাশাজনক।’

রশিদকে কেবল বোলিংয়ে মনোযোগী হতে পরামর্শ দিয়ে গেছেন গুলবাদিন, ‘একটা সময় সে মাঠে খুব রেগে ছিল। তাকে শুধু শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছি। মনোযোগ দিতে বলেছি তার বোলিংয়ে। ফিল্ডিংয়ের কারণে সে সুখ স্মৃতি ফিরে পাচ্ছে না।’

বিশ্বকাপে টানা সপ্তম হারে পয়েন্ট তালিকার তলানিতেই রয়ে গেল আফগানিস্তান। এখনো তাদের হাতে ধরা দেয়নি কোনো জয়। বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে উঠার স্বপ্ন শেষ অনেক আগেই।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র