Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

উচ্ছেদের আগে পুনর্বাসন চান লালদিয়া চরবাসী

উচ্ছেদের আগে পুনর্বাসন চান লালদিয়া চরবাসী
মানববন্ধনে লালদিয়া চরবাসী, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
চট্টগ্রাম
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের পতেঙ্গা লালদিয়া চরবাসীদের উচ্ছেদের আগে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। নারী ও শিশুসহ কয়েক হাজার লোক বুধবার (১৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় শাহ আমানত বিমানবন্দর সড়কে মানববন্ধনে যোগ দেন।

সিটি করপোরেশনের ৪১ নং ওয়ার্ডভুক্ত লালদিয়া চর এলাকায় ১৭০০ পরিবারের দশ হাজার লোক বসবাস করছে।

স্থানীয় মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন বার্তা২৪.কম-কে বলেন, '১৯৭২ সালে চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমান বন্দর করার সময় উচ্ছেদ করে লালদিয়া চরে বসবাস করতে দেয় সরকার। সে সময় এখানে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও প্রতিষ্ঠা করা হয়।'

মানববন্ধনে নলদিয়া চরবাসী

পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালে কর্ণফুলীতে বেড়িবাঁধ দিয়ে লালদিয়া চরকে ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করা হয়।

লালদিয়া চর উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো জামাল উদ্দিন বলেন, 'আমাদের আদি পৈত্রিক বসবাস ছিল বিমান বন্দরের জহুর আহমদ ঘাঁটি ওখানে। সেখান থেকে একবার উচ্ছেদ হয়েছি। এবার লালদিয়া চর থেকে উচ্ছেদ হতে আপত্তি নেই, আগে পুনর্বাসন চাই।'

মানববন্ধনে নলদিয়া চরবাসী

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি লালদিয়া চর উচ্ছেদের জন্য জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে লাল মার্কিং করে দেন। লালদিয়া চর জায়গাটি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বলেও জানা যায়।

মানববন্ধনে যোগ দেন স্থানীয় কাউন্সিলর সালেহ আহমদ, মহিলা কাউন্সিলর শাহনুর, আওয়ামী লীগ নেতা ইসহাক সওদাগর, যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদ ও মুক্তিযোদ্ধা এনাম।

আপনার মতামত লিখুন :

বিশ্বজুড়ে রোহিঙ্গারা গণহত্যার বিচার চাইছে

বিশ্বজুড়ে রোহিঙ্গারা গণহত্যার বিচার চাইছে
কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্প/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের দু’বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বজনদের গণহত্যার বিচার চেয়েছে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রোহিঙ্গারা।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী কর্তৃক সংঘটিত নৃশংসতার বিচার নিশ্চিত করার জন্য দেশটি থেকে নিপীড়িত রোহিঙ্গারা বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে এ বিচার আহ্বান করে।

ডাচ-ভিত্তিক রোহিঙ্গা গোষ্ঠী ইইউ রোহিঙ্গা কাউন্সিলরকে টুইট করে মিয়ানমারের গণহত্যার অপরাধীদের বিচারের জন্য জাতিসংঘ, ইইউ, মার্কিন, ওআইসি (ইসলামী সহযোগী সংস্থা) এবং দক্ষিণ পূর্ব এশীয় জাতিসংঘের সমর্থন চায়।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নৃশংসতা বন্ধে কাজ না করার অভিযোগ তুলে তারা বলেছে, বিশ্ব মিয়ানমারে গণহত্যা থেকে বেঁচে যাওয়া লোকদের অধিকার অর্জনে নীরব ভূমিকা পালন করছে। তবুও রোহিঙ্গারা তাদের অধিকার পেতে সকলের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। কিন্তু বিশ্ব অন্যদিকে চোখ ফিরিয়ে রেখেছে।

নির্বাসিত রোহিঙ্গা কর্মী রো জা জা নইং টুইট করে বলেছেন, ‘রোহিঙ্গা গণহত্যা চালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। দুঃখের বিষয় হলো মিয়ানমারে এই জালিম মানুষদের সংখ্যা এখন অনেক বেশি।

আরও পড়ুন: রাখাইনে বিদ্রোহী দমন নামে শিশু হত্যায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী

আইরিশ-ভিত্তিক রোহিঙ্গা অ্যাডভোকেসি গ্রুপ স্টেটলেস রোহিঙ্গা এবং রোহিঙ্গা অ্যাকশন আয়ারল্যান্ডও রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচারের দাবিতে টুইট করেছে।

রোহিঙ্গা অ্যাকশন আয়ারল্যান্ড রোহিঙ্গাকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মিয়ানমারের একটি অনন্য জাতিগোষ্ঠী বলে অভিহিত করেছে। তারা বলেছে, রোহিঙ্গা মূলত মুসলিম জাতিগোষ্ঠী, যারা বহু শতাব্দী ধরে স্বাধীন আরাকান রাজ্যের বাসিন্দা ছিল। তাদের আলাদা ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং বিশ্বাস বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে একটি অনন্য সংখ্যালঘু জাতী হিসেবে গড়ে তোলে।

ফ্রি রোহিঙ্গা কোয়ালিশনের প্রধান মং জার্নি মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে দায়মুক্তির রায় ঘোষণা করার জন্য দেশটির প্রধান নেতাকে অপরাধী বলে অভিহিত করেছেন। তিনি টুইট করে জানান, রোহিঙ্গা গণহত্যা স্মৃতি দিবসের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে একটি নোবেলজয়ী ব্যাক্তি অং সান সু চি’কে নুরেমবার্গ-যোগ্য অপরাধী হিসেবে দাঁড় করানো উচিৎ।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ভিত্তিক ফরটিফাই রাইটস রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাখাইন রাজ্যে তাদের অপরাধের জন্য মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর তাৎক্ষণিক জবাবদিহিতার আহ্বান জানিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী রোহিঙ্গা পুরুষ, মহিলা ও শিশুদের বিরুদ্ধে গণহত্যা, গণধর্ষণ ও অন্যান্য নির্যাতন করেছিল।

গত সপ্তাহে প্রায়ি ৩ হাজার ৫০০ রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের ব্যর্থ প্রচেষ্টা উল্লেখ করে গবেষক আজিম ইব্রাহিম টুইট করেছেন, ‘কোনো রোহিঙ্গা স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে ফিরে যেতে চায়নি। কারণ, তারা তাদের ভাগ্য নিয়ে কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। জাতিসংঘে তাদের নিয়ে যে চিন্তাভাবনা ও কাজ করেছে তাতেও তারা কোনো আশা রাখতে পারেনি।’

গণহত্যার বেঁচে থাকা এবং ব্রিটিশ ভিত্তিক বার্মিজ রোহিঙ্গা সংস্থার প্রধান তুন খিন ২০১৭ সাল থেকে দুই বছরের রোহিঙ্গাদের কষ্টের জীবন নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে টুইটারে লিখেছেন, সংকট দেখা দেওয়ার শেষ নেই।

রাজধানীতে শীর্ষ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক

রাজধানীতে শীর্ষ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক
মাদক ব্যবসায়ী আসমা বেগম।

রাজধানীর তুরাগ থানা এলাকা হতে ৪৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক শীর্ষ নারী মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব।

সোমবার (২৬ আগস্ট) বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে র‍্যাব ২ এর মেজর মোহাম্মাদ আলী বলেন, 'রোববার (২৫ আগস্ট) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে র‍্যাব তাকে আটক করে।'

তিনি আরও বলেন, 'শীর্ষ ওই নারী মাদক ব্যবসায়ীর নাম আসমা বেগম। তিনি ২০/২৫ জন ইয়াবা ব্যবসায়ীকে নিয়ন্ত্রণ করেন। আমরা তাদের নেটওয়ার্কে প্রবেশ করেছি। একে একে এই সিন্ডিকেটের সবাইকে আটক করা হবে।' 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র