Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

জলকেলিতে মেতেছে কক্সবাজারের রাখাইন সম্প্রদায়

জলকেলিতে মেতেছে কক্সবাজারের রাখাইন সম্প্রদায়
জলকেলি উৎসব / ছবি: বার্তা২৪
মুহিববুল্লাহ মুহিব
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
কক্সবাজার
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে কক্সবাজার শহরের পল্লীগুলোতে রাখাইন নববর্ষ পালন করছে এ সম্প্রদায়ের মানুষ। পুরনো বছর ১৩৮০ রাখাইন বর্ষকে বিদায় জানিয়ে তারা ১৩৮১ বর্ষকে বরণ করছে। এ উপলক্ষে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীরা প্রতিবছর তিন দিনব্যাপী সাংগ্রেং পোয়ে (মৈত্রিময় জলকেলি) উৎসব পালন করে আসছে। এতে নতুন রঙে সেজে নাচ গান আর আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে তরুণ-তরুণীরা। 

এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে শহরের ১২টি কেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে জলকেলি উৎসব। এ উৎসবকে ঘিরে রাখাইনদের পাশাপাশি আনন্দ-উল্লাসে মেতেছে পর্যটকরাও।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/17/1555502314009.jpg

রাখাইন সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দরা জানান, বুধবার থেকে থেকে আগামী শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) পর্যন্ত জাকঝমকভাবে অনুষ্ঠিত হবে জলকেলি উৎসব। নববর্ষে রাখাইন প্রবীণ ব্যক্তিরা উপবাসও করে থাকেন। এ সময় প্রাণী হত্যা, মিথ্যা বলাসহ কমপক্ষে আটটি দুষ্কর্ম থেকে দূরে থাকতে হয়।

শহরছাড়াও মহেশখালী, টেকনাফ, সদর, হ্নীলা, চৌধুরী পাড়া, রামু, পানিরছড়া, হারবাং, চকরিয়ার মানিক পুরসহ রাখাইন অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে সপ্তাহ জুড়ে নববর্ষ পালনে নানা অনুষ্ঠান পালিত হবে। ইতোমধ্যে শহরের টেকপাড়া, হাঙর পাড়া, বার্মিজ স্কুল এলাকা, চাউল বাজার, পূর্ব-পশ্চিম মাছ বাজার, ক্যাং পাড়া ও বৈদ্যঘোনাস্থ থংরো পাড়ায় তৈরি করা হচ্ছে জলকেলির ২০টি নান্দিক প্যান্ডেল। রঙিন ফুল আর নানা কারুকার্যে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে প্যান্ডেলের চারপাশ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/17/1555502331625.jpg

রাখাইন শিক্ষার্থীরা বলেন, আদিকাল থেকে রাখাইন নববর্ষ উপলক্ষে সামাজিকভাবে সাংগ্রেং পোয়ে উৎসব পালন হয়ে আসছে। এবারও ব্যতিক্রম ঘটবে না। আনন্দ-উল্লাসে নতুন বছরকে বরণ করে নেব আমরা। আমরা একে অপরের গায়ে পানি ছিটানোর মধ্য দিয়ে পুরনো দিনের সব ব্যথা, বেদনা, হিংসা বিদ্বেষ ভুলে নতুনভাবে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখি। এটি আমাদের কাছে খুবই পবিত্র।

চট্টগ্রাম পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের ইন্সট্রাক্টর উ থুয়েন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘সাংগ্রাই পোয়ে বা জলকেলি রাখাইনদের সামাজিক উৎসব। বুদ্ধের মূর্তিকে স্নান করানোর মাধ্যমে সামাজিক এ উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। ১৯ এপ্রিল এই উৎসব শেষ হবে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/17/1555502357461.jpg

রাখাইন সম্প্রদায়ের নেতা ক্যাতিন অং বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আদিকাল থেকে রাখাইন নববর্ষ উপলক্ষে সামাজিকভাবে সাংগ্রাই পোয়ে উৎসব পালন হয়ে আসছে। এবারও ব্যতিক্রম ঘটবে না। আনন্দ-উল্লাসে নতুন বছরকে বরণ করে নেব আমরা। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের যে উন্নয়ন চলছে আমরা তারও অগ্রতি প্রত্যাশা করছি।’

কক্সবাজার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘রাখাইনদের জলকেলি উৎসব উপলক্ষে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ-র‌্যাবের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/17/1555502384377.jpg

আপনার মতামত লিখুন :

ধৈঞ্চা চাষে লাভ বেশি

ধৈঞ্চা চাষে লাভ বেশি
ধৈঞ্চা গাছ। ছবি: বার্তা২৪.কম

ধৈঞ্চা চাষ করে সফল হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের চাষিরা। কম খরচে অধিক ফলনের কারণে দিন দিন ধৈঞ্চা চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জানা গেছে, মাত্র ১ বিঘা জমিতে চাষের জন্য ৩ কেজি ধৈঞ্চার বীজ প্রয়োজন হয়। প্রতি কেজি বীজের দাম ৪০ টাকা। ধৈঞ্চা চাষে বীজ ছাড়া আর তেমন কোনো খরচ হয় না। মাত্র ৫-৬ মাসের মধ্যে ধৈঞ্চা গাছের খড়ি সংগ্রহ করা যায়। আর ১ বিঘা জমির খড়ি ১৫-১৬ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। এছাড়া কোনো জমি উর্বর না থাকলে গাছগুলো কেটে ওই জমিতে ফেলে পচিয়ে ভালো সার পাওয়া যায়। যা জমির উর্বরতা বাড়ায়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের জালাল উদ্দীন জানান, তিনি প্রতিবছর আড়াই থেকে ৩ বিঘা জমিতে ধৈঞ্চা চাষ করেন। ধৈঞ্চার খড়ি দিয়ে সারা বছরের জ্বালানির চাহিদা মেটান। এছাড়া ধৈঞ্চার বীজ বিক্রি করেন। এতে তার ভালোই লাভ হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561469439057.jpg

একই উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের নুরুল ইসলাম মারুফ জানান, তিনি এবার ৩ বিঘা জমিতে ধৈঞ্চা চাষ করেছেন। ধৈঞ্চা চাষে খরচ কম, লাভ বেশি।

শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকতা এসএম আমিনুজ্জামান জানান, ১ বিঘা জমিতে ধৈঞ্চা চাষ করে ৫ থেকে ৬ মণ বীজ পাওয়া যায়। আর প্রায় এক হাজার টাকা মণ দরে সেই বীজ বিক্রি হয়। ফলে ধৈঞ্চা চাষ করে সবুজ সার, খড় ও বীজ পাওয়া যায়। এতে চাষি লাভবান হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মঞ্জুরুল হোদা জানান, ধৈঞ্চা চাষে চাষিদের উদ্বুদ্ধ করতে কৃষি বিভাগের মাঠ কর্মীরা কাজ করছেন। চলতি বছরে জেলায় প্রায় আড়াইশ হেক্টর জমিতে ধৈঞ্চা চাষ হয়েছে। যা আগামীতে আরও বাড়বে।

মানিকগঞ্জে কৃষি জমি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

মানিকগঞ্জে কৃষি জমি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন
ঘিওরে কৃষি জমি রক্ষার দাবিতে এলাবাসীর মানববন্ধন/ ছবি: বার্তা২৪.কম

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় কৃষি জমি থেকে ভেকু দিয়ে মাটি কাটা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) দুপুরে ঘিওর উপজেলার নালী ইউনিয়নের কেল্লাই বাজারে ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে উপজেলার বানিয়াজুরী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আলী মনসুর, আব্দুর রউফ ও কায়কোবাদ সহ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা বক্তব্য রাখেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে ঘিওর উপজেলার গাংডুবী এলাকার ফসলি কৃষি জমি থেকে ভেকু দিয়ে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে আসছে একটি মহল। এতে করে এলাকার কৃষি জমি নষ্ট হচ্ছে এবং ড্রাম ট্রাকে করে মাটি আনা নেওয়ার ফলে গ্রামীণ রাস্তাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’ এসব বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন স্থানীয়রা।

ভুক্তভোগী কৃষকরা জানান, স্থানীয় আরজু খান ও সাদ্দাম এই এলাকায় ভেকু দিয়ে মাটি কেটে বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি করেন। তারা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় কৃষকরা ব্যক্তিগতভাবে প্রতিবাদ করতে ভয় পান।  

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র