Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

জেতার বিশ্বাস নিয়েই বিশ্বকাপে যাচ্ছেন তামিম

জেতার বিশ্বাস নিয়েই বিশ্বকাপে যাচ্ছেন তামিম
তামিম ইকবাল, ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বকাপ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই শুরু হচ্ছে আরেকটি হিসেব গোনা- কে ফেভারিট? এই প্রশ্নে আপাতত কোনো ক্রিকেট পণ্ডিত বাংলাদেশের নাম রাখেননি। তবে কে বাংলাদেশকে ফেভারিট বললো আর কে বললো না-তা নিয়ে বিতর্কে যেতে রাজি নন তামিম ইকবাল। নিজের বিশ্বাসটা নিজের কাছেই তার। সেই বিশ্বাস নিয়েই তামিম বললেন- ‘দেখুন এই বিশ্বকাপে ১০টা দল খেলছে। কোনো দলই কিন্তু স্রেফ অংশগ্রহণ করার জন্যই খেলছে না সবাই যাচ্ছে জেতার জন্য। আমরাও যাচ্ছি জেতার জন্যই।’

জেতার বিশ্বাসটা যদি নিজের মধ্যেই না থাকে তবে জিতবো কেমন করে? তাই বাংলাদেশ দলকে নিয়ে অন্যরা কে কি হিসেব করলো সেটা গোনায় না ধরে নিজের আস্থা নিয়েই সামনে বাড়তে চান তামিম- ‘আমি যদি বলি যে শুধু অংশগ্রহণ করার জন্য যাচ্ছি তাহলে যাওয়ার কোনো মানেই হয় না। আমরা পারি বা না পারি, আমাদের বিশ্বাস করতে হবে যে আমরা জিততে পারি। এই বিশ্বাস নিয়েই আমাদের যেতে হবে।’

মঙ্গলবার নির্বাচকরা যখন বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করে সংবাদ সম্মেলন থেকে বেরিয়ে আসছিলেন তামিম ইকবাল তখন মিরপুরের সেন্টার উইকেটে ব্যাটিং অনুশীলনে ব্যস্ত। শেষের দিকে ধুমধাম কিছু ছক্কা হাঁকিয়ে বিশ্রাম নিতে ড্রেসিংরুমে ফিরলেন। বাউন্ডারি লাইনের কাছে এসে গ্লাভস-প্যাড খুলে রাখছিলেন।

-তামিম কংগ্রাচুলেসন!

নাটুকে ভঙ্গিতে চমকে উঠে তামিমের স্বস্তি- ‘দলে আছি তাহলে আমি!’ মুখে দুষ্টামির হাসি নিয়ে ড্রেসিংরুমের পথে হাঁটা দিলেন।

বুধবার আরেকবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন তামিম। এবার গল্পের সময়টা আরও বাড়লো।

-কেমন হলো বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দল?

এই প্রশ্নে নির্বাচকদের হয়েই ব্যাট করলেন তামিম- ‘ আমার মনে হয় যেই স্কোয়াডই দেয়া হোক না কেন, যেই খেলোয়াড়কে নেয়া হোক বা কেন, সবারই কিছু না কিছু যদি-কিন্তু থাকবেই। কিছু পছন্দ-অপছন্দ তো থাকবেই। এটাই নিয়ম। আমার মনে হয় এখন দলে কে থাকা উচিত ছিল বা কে থাকলে ভালো হতো, এই আলোচনা না করে যেই ১৫ জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে তাদের পুরোপুরি সমর্থন করা। অমুকের জায়গায় অমুক থাকলো ভালো হতো, এমনসব প্রশ্ন এখন তুললে, যারা সুযোগ পেয়েছে তারা মন ছোট করবে। আমরা চার বছর অপেক্ষা করেছি বিশ্বকাপের জন্য। এখন আমাদের সবার উচিত হবে পুরো দলের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করা।’

২০০৭ সাল থেকে বিশ্বকাপ খেলছেন তামিম ইকবাল। এটি হতে যাচ্ছে তার চতুর্থ বিশ্বকাপ। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপের মাঠেই তামিম ইকবালকে প্রথম চিনেছিল ক্রিকেট বিশ্ব। ভারতের বিরুদ্ধে তার সেই মারকুটো হাফসেঞ্চুরিতেই ঘোষিত হয়েছিলো নতুন এক তারকার জন্ম কাহিনী। সেদিনের তরুণ তামিম ইকবাল এখন পরিণত এক ক্রিকেটার। সেই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই জানালেন-‘আমি কখনো টার্গেট সেট করতে পছন্দ করি না। আমার লক্ষ্য একটাই দলের চাহিদা মেটানো। দল আমার কাছ থেকে যা চায় সেটা যেন পুরো করতে পারি।’

তামিম আপনার কাছ থেকে দল একটা জিনিষই চায়-জয়!

আপনার মতামত লিখুন :

ফিঞ্চের সেঞ্চুরি, ইংল্যান্ডের লক্ষ্য ২৮৬

ফিঞ্চের সেঞ্চুরি, ইংল্যান্ডের লক্ষ্য ২৮৬
বিশ্বকাপে কথা বলছেই অ্যারন ফিঞ্চের ব্যাট। পেলেন শতরান

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শতক হাঁকানোর পর অ্যারন ফিঞ্চ বাংলাদেশের বিপক্ষে সন্তুষ্ট থাকেন হাফ-সেঞ্চুরি নিয়ে। এক ম্যাচ বিরতি দিয়ে ফের সেঞ্চুরির দেখা পেলেন এ তারকা ওপেনার। তার দুরন্ত সেঞ্চুরির সুবাদে ইংল্যান্ডের সামনে ২৮৬ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথমে ব্যাট হাতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৮৫ রান তোলে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

মঙ্গলবার ক্রিকেটের তীর্থভূমি লর্ডসে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দুর্দান্ত শুরু করে অজিরা। ফিঞ্চের সঙ্গে গড়ে উঠা ডেভিড ওয়ার্নারের উদ্বোধনী পার্টনারশিপ ভাঙে ১২৩ রানে।

ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৫তম সেঞ্চুরি (১০০) পূর্ণ করেই সাজঘরে ফেরেন অজি অধিনায়ক ফিঞ্চ। জোফরা আর্চারের বলে ক্রিস ওকসের কাছে ক্যাচ দেন তিনি। ফিঞ্চের ১১৬ বলের ইনিংসে ছিল ১১ চার ও ২ ছক্কার মার। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। তার আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলেন ১৫৩ রানের অনন্য এক ক্রিকেটীয় ইনিংস।

আরেক ওপেনার ওয়ার্নার বিদায় হওয়ার আগে দলীয় স্কোরে যোগ করেন ৫৩ রান। স্টিভেন স্মিথের সমান ৩৮ রান করে অপরাজিত থেকে যান অ্যালেক্স ক্যারে।

বল হাতে ইংল্যান্ডের হয়ে তেমন কেউ জ্বলে উঠতে পারেননি। ক্রিস ওকস শিকার করেন দুই উইকেট। একটি করে উইকেট নেন জোফরা আর্চার, মার্ক উড, বেন স্টোকস ও মঈন আলী।

জিতলেই সবার আগে সেমিফাইনালে উঠে যাবে অজিরা। ৬ ম্যাচে ৫ জয় (আফগানিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের বিপক্ষে) ও এক হারে (ভারতের বিপক্ষে) ১০ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে এখন অস্ট্রেলিয়া। আজ জয়ের কোনো বিকল্প ভাবছে না সেমির স্বপ্নে বিভোর অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের দল।

স্বাগতিক ইংল্যান্ড জিতলে সেমিফাইনালের পথ আরো সহজ হয়ে যাবে তাদের জন্য। ৬ ম্যাচে ৪ জয় (দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে) ও ২ হারে (পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে) ৮ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে ইংল্যান্ড। শেষ চারে পৌঁছানোর রাস্তা পরিষ্কার করতে জিততে চায় আজ ক্যাপ্টেন ইয়ন মরগানের দলও।

 

রশিদে হতাশ ক্যাপ্টেন গুলবাদিন

রশিদে হতাশ ক্যাপ্টেন গুলবাদিন
রশিদ খানের কাছে আরো ভাল ক্রিকেট প্রত্যাশা ছিল গুলবাদিনের

ক্রিকেট দুনিয়াকে চমকে দেওয়ার স্বপ্ন নিয়েই বিশ্বকাপে পা রেখেছিল আফগানিস্তান। কিন্তু একদিনের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ আসরে উল্টো তারাই গেছে চমকে। অভিজ্ঞতার অভাবে টানা সপ্তম হারে আফগানরা টের পেয়েছে মেজর টুর্নামেন্টের কঠিন বাস্তবতা।

যাকে ঘিরেচলতি বিশ্বকাপে স্বপ্ন দেখেছিল আফগানরা সেই দলের প্রাণভোমরা সেই রশিদ খান যেন নিজের ছায়া হয়ে আছেন। কিছুতেই যেন ফিরতে পারছেন না নিজের সেরা ফর্মে। দলের ডামাডোলের মাঝে আবার বনে গেছেন বিশ্বকাপের সবচেয়ে খরুচে বোলার।

সোমবার বাংলাদেশের বিপক্ষে ৬২ রানের হারের ম্যাচে বল হাতে দ্যুতি ছড়াতে পারেননি রশিদ। তার ফিল্ডিংও ছিল যাচ্ছেতাই। এ তারকা স্পিনারের বাজে পারফরম্যান্সে যার পর নাই হতাশ আফগান অধিনায়ক গুলবাদিন নাইব, ‘রশিদ তার শতভাগ উজাড় করে দিয়ে খেলেছে। কিন্তু তার পারফরম্যান্স নিয়ে আমি কিছুটা হতাশ। তার ফিল্ডিংও হতাশাজনক।’

রশিদকে কেবল বোলিংয়ে মনোযোগী হতে পরামর্শ দিয়ে গেছেন গুলবাদিন, ‘একটা সময় সে মাঠে খুব রেগে ছিল। তাকে শুধু শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছি। মনোযোগ দিতে বলেছি তার বোলিংয়ে। ফিল্ডিংয়ের কারণে সে সুখ স্মৃতি ফিরে পাচ্ছে না।’

বিশ্বকাপে টানা সপ্তম হারে পয়েন্ট তালিকার তলানিতেই রয়ে গেল আফগানিস্তান। এখনো তাদের হাতে ধরা দেয়নি কোনো জয়। বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে উঠার স্বপ্ন শেষ অনেক আগেই।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র