Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বার্তা২৪ এ সংবাদ প্রকাশ

শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগের সত্যতা মিলেছে

শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগের সত্যতা মিলেছে
প্রতীকী ছবি
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
নাটোর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নাটোরের সিংড়ার বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের গণিত শিক্ষক ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের করা যৌন হয়রানি ও ভোগান্তিসহ বিভিন্ন অভিযোগের তদন্তে সত্যতা মিলেছে তদন্ত প্রতিবেদনে। 

বুধবার (১৭ এপ্রিল) বিকালে তিন সদস্যের স্বাক্ষরিত দুই পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদনে এই সত্যতা পাওয়া যায়। তদন্ত প্রতিবেদনে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করা, ক্লাস টেস্টে ভিডিও করা, বাজে আচরণ করা, গায়ে হাত দেওয়া ও যৌন হয়রানির ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ১১ এপ্রিল বার্তা২৪.কম ও পরদিন একটি জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলাব্যাপী বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। 

সিংড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুশান্ত কুমার মাহাতো বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষক ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। এ বিষয়ে আগামীকাল (১৮ এপ্রিল) স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।‘

উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল শিক্ষক ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানি, ভোগান্তি, হুমকি প্রদানসহ মোট ১২টি অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ কয়েকটি দফতরে লিখিত অভিযোগ দেন ঐ প্রতিষ্ঠানের ১৩ শিক্ষার্থী ও ১১ জন অভিভাবক।

অভিযোগে বলা হয়, ফজলুর রহমান তার বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের রাতে ফোন করে কুপ্রস্তাব দেন। আর তার কুপ্রস্তাবে রাজি হলে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও বেশি নম্বর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তার কাছে প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করেন। এছাড়া পাইভেট পড়ানো অবস্থায় একাধিক শিক্ষার্থীর স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেওয়াসহ যৌন হয়রানি করেন।

পরে ঘটনা তদন্তে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিপুল কুমার-কে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের বিষয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অতি দ্রুত ঐ শিক্ষকের অপসারণসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন সিংড়া উপজেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, ‘স্কুলের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে ও সুনাম ধরে রাখার প্রয়াশ অব্যাহত রাখতে উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল ও নিরপেক্ষ তদন্ত কার্য পরিচালনার জন্য ধন্যবাদ। তবে এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

তীব্র স্রোতে ভেঙে গেল ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়ক

তীব্র স্রোতে ভেঙে গেল ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়ক
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

বানের পানির তীব্র স্রোতে শেষমেষ ভেঙে গেল টাঙ্গাইলের ভুঞাপুর-তারাকা‌ন্দি সড়‌ক। বৃহস্প‌তিবার (১৮ জুলাই) রাত পৌনে ৮টার দিকে সড়কটির বেশ কিছু অংশ ভেঙে পানি ঢুকে যায়।

এদিকে যমুনা নদীর পানি অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৯১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে উপজেলার শতাধিক গ্রামের কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। পানিতে তলিয়ে গেছে চরাঞ্চলের বেশ কয়েকটি গ্রাম, তলিয়ে গেছে ফসলি জমি। বন্যার পানি প্রবেশ করে পৌরসভার টেপিবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পানির স্রোত বইছে। তীব্র স্রোতে নদীর পানি প্রবেশ করায় ভেঙে গেছে বেশ কয়েকটি বাড়িঘর। বন্যাকবলিত মানুষজন গবাদি পশু নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

উপজেলা শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পাঁচটি মাদরাসা ও ৪৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্যার পানি প্রবেশ করায় সেগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে।

Flood

অন্যদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যার্তদের মাঝে ২০০ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। তবে বানভাসি বেশিরভাগ মানুষ ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঝোটন চন্দ জানান, বন্যাকবলিতদের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অস্বাভাবিক হারে পানি বৃদ্ধির ফলে অর্জুনা ইউনিয়নের তাড়াই বাঁধ ভেঙে গেছে। এছাড়া ভাঙন অংশে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কাজ করছে।

টাঙ্গাইলের পাউবো নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, ভূঞাপুরে যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ৯১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যার পরিস্থিতি শুক্রবার (১৯ জুলাই) বিকাল পর্যন্ত অবনতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন অংশে ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ ফেলানোর কাজ চলছে।

আরও পড়ুন: হুমকির মুখে ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়ক

নেত্রকোনায় ছেলে ধরা সন্দেহে যুবক আটক

নেত্রকোনায় ছেলে ধরা সন্দেহে যুবক আটক
আটককৃত যুবক, ছবি: সংগৃহীত

ছেলে ধরা সন্দেহে নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় ফারুক মিয়া নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে উপজেলার হিরণপুর বাজার থেকে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করে। আটককৃত ফারুক কুমিল্লার লাঙ্গলকোট উপজেলার ঢুবাই বাজার গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ জানান, হিরণপুর বাজারে ফারুক মিয়ার ঘোরাফেরায় স্থানীয়দের কাছে সন্দেহজনক মনে হলে এলাকাবাসী তাকে আটক করে। শ্যামগঞ্জ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশকে খবর দিলে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

এ বিষয়ে শ্যামগঞ্জ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পরিদর্শন) আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘আটক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেত্রকোনায় পাঠানো হয়েছে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র