Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

‘উৎপাদন ও সংযোজন শিল্পের কর কাঠামো থাকবে আলাদা’

‘উৎপাদন ও সংযোজন শিল্পের কর কাঠামো থাকবে আলাদা’
এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া / ছবি: বার্তা২৪
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

উৎপাদনশীল শিল্পকে গুরুত্ব দিয়ে আগামী বাজেটে উৎপাদক ও সংযোজন শিল্পের জন্য কর কাঠামো আলাদা আলাদা থাকবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া।

বুধবার (১৭এপ্রিল) এনবিআর সম্মেলন কক্ষে ইলেকট্রনিক্স এবং ইলেকট্রিক্যাল পণ্য উৎপাদক ও আমদানিকারকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি এ কথা জানান।

মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘আমরা দেশীয় শিল্প প্রসারের উদ্দেশ্যে তাদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিচ্ছি। তবে সম্প্রতি আমাদের নজরে এসেছে অনেক বড় বড় ব্র্যান্ড সংযোজন কারখানা স্থাপন করে উৎপাদকের যে সব সুবিধা রয়েছে সেগুলো নিচ্ছে। এতে উৎপাদনমুখী শিল্প বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এই সমস্যা মোকাবেলাই আমরা আগামী বাজেটে সংযোজন শিল্পকে আলাদা করে তাদের জন্য নতুন কর কাঠামো চালু করব। অনেক বড় বড় ব্র্যান্ড রয়েছে যারা বাংলাদেশে সংযোজন কারখানা স্থাপন করেছে। আমি তাদেরকে ম্যানুফেকচারিং কারখানা স্থাপনের আহ্বান জানাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের নানা সুবিধা দেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে বিভিন্ন শিল্পের ব্যপক উন্নয়ন ঘটেছে। বিশেষ করে হালকা প্রকৌশল শিল্পে অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। আমরা রফতানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জোর দিচ্ছি। তৈরি পোশাক শিল্পের উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল থাকা যাবে না। এ খাতে কোনো প্রতিযোগী আসলে বা এ শিল্পের কোনো সমস্যা দেখা দিলে আমাদের রফতানি বাণিজ্যে ধ্বস নামবে। ফলে আমরা চাচ্ছি রফতানি পণ্যের ঝুড়িতে আরও নতুন নতুন পণ্য যুক্ত করতে। এ ক্ষেত্রে ইলেকট্রনিক্স এবং ইলেকট্রিক্যাল পণ্য গুরুত্ব পেতে পারে। টিভি, ফ্রিজ, মোবাইলের ব্যপক চাহিদা রয়েছ। যারা এসব পণ্য রফতানি করতে চাই তাদের জন্য আমরা বন্ড সুবিধা এবং কর ছাড়সহ সব ধরনের সুবিধার জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করব।’

এনবিআর শুধু রাজস্ব সংগ্রহের কাজ করে না, শিল্পায়নের জন্যও কাজ করে বলেও জানান তিনি।

এর আগে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন দাবি উপস্থাপন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

‘এমন গহনা তৈ‌রি করুন, যাতে কেউ বিদেশমুখী না হন'

‘এমন গহনা তৈ‌রি করুন, যাতে কেউ বিদেশমুখী না হন'
স্বর্ণমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি/ ছবি: বার্তা২৪.কম

দে‌শের স্বর্ণ কা‌রিগরদের উদ্দেশে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ব‌লে‌ছেন, ‘আপনা‌দের দক্ষতা কা‌জে লা‌গি‌য়ে এমন গহনা তৈ‌রি করুন, যাতে ক্রেতা‌রা ভারতের কলকাতাসহ বিদেশের বিভিন্ন শহরমুখী না হন।’

মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে স্বর্ণমেলার সমাপনী অনুষ্ঠা‌নে তিনি এসব কথা ব‌লেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এন‌বিআর) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপ‌তি‌ত্বে অনুষ্ঠা‌নে আ‌রও উপ‌স্থিত ছি‌লেন এনবিআর-এর সদস্য (আয়কর) কানন কুমার রায়, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সভাপ‌তি গঙ্গা চরণ মালাকার, সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগারওয়ালা সহ স্বর্ণ ব্যবসায়ী ও রাজস্ব কর্মকর্তারা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561473259556.jpg

বা‌ণিজ্যমন্ত্রী ব‌লেন, ‘আমা‌দের অনেক ধনী মানুষ আছেন, যারা ভারতের কলকাতা, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর থেকে স্বর্ণের গহনা কেনেন। দেশে অনেক দক্ষ কারিগর রয়েছেন, তা‌দের হা‌তের কাজ অনেক সুন্দর। তারা যদি ভালো মানের গহনা তৈরি করতে পারেন, তাহলে কেউ আর গহনার জন্য বিদেশমুখী হবেন না।’

‘বরং দেশের গহনা বিদেশে রফতানি করা যাবে। আমরা বিদেশে রফতানির জন্য বিশেষ প্রণোদনারও চিন্তা করব।’

স্বর্ণ কারিগরদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন উল্লেখ ক‌রে বা‌ণিজ্যমন্ত্রী ব‌লেন, ‘কারিগরদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি ট্রেনিং ইনস্টিটিউশন খুব দরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্র‌য়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঢাকার আশপা‌শে একটি জুয়েলারি পল্লী স্থাপনের জন্য সহযোগিতা কর‌বে।’ আগামী এক মা‌সের ম‌ধ্যে এ বিষ‌য়ে সং‌শ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ‌কে চি‌ঠি দেওয়া হ‌বে ব‌লে তি‌নি জানান।

অনুষ্ঠা‌নে এন‌বিআর চেয়ারম্যান ও বাংলা‌দেশ অর্থ‌নৈ‌তিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ‌কে জমি বরা‌দ্দের জন্য চি‌ঠি দেওয়া হবে ব‌লে জানানো হয়।

মেলায় ১৭৫ কোটি টাকার সোনা বৈধ করা হয়েছে

মেলায় ১৭৫ কোটি টাকার সোনা বৈধ করা হয়েছে
হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে স্বর্ণ মেলার সমাপনী অনুষ্ঠান/ছবি: বার্তা২৪.কম

দেশে প্রথমবার অনুষ্ঠিত ‘স্বর্ণ মেলায়’ অবৈধ ১৭৫ কোটি টাকার রুপা, সোনা এবং ডায়মন্ড বৈধ করেছেন ব্যবসায়ীরা।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) তিনদিন ব্যাপী স্বর্ণ মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ জুয়েলারি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগারওয়াল।

তিনদিন ব্যাপী এই মেলা রাজধানী ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটলসহ দেশের ৮ টি বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়। এনবিআর ও বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) যৌথভাবে মেলার আয়োজন করে।

তিনি বলেন, স্বর্ণ মেলায় এখন পর্যন্ত  এক হাজার ২০০ মানুষ তাদের ডায়মন্ড, সোনা ও রুপা বৈধ করতে এসেছেন। আজকে মেলার শেষ দিনে এক হাজার লোক ডায়মন্ড, সোনা ও রুপা বৈধ করান।  মেলায় এখন পর্যন্ত ১৭৫ কোটি টাকার সোনা বৈধ হয়েছে।

এর আগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডর (এনবিআরের) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বার্তা২৪.কম-কে বলেন, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে ৩০০ কোটি টাকার কর আদায় হবে বলে আশা করছি।

গত ২৩ জুন সকাল ১০টায় মেলা উদ্বোধন করেন এনবিআর চেয়ারম্যান। মেলার সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেছেন এনবিআরের সদস্য (কর ও প্রশাসন) কানন কুমার রায়।

মেলায় ব্যবসায়ীরা ভরিপ্রতি রুপা ৫০ টাকা, স্বর্ণ ভরপ্রতি ১ হাজার এবং ডায়মন্ড ভরিপ্রতি ৬ হাজার টাকা দিয়ে ব্যবসায়ীরা স্বর্ণ, রুপা এবং ডায়মন্ড বৈধ করেছেন। ৪০০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে মেলার আয়োজন করে এনবিআর ও বাজুস।

তিন দিনব্যাপী ‘স্বর্ণ মেলা-২০১৯'র প্রথম দুদিনে মোট ৫১ কোটি টাকার সোনা, রূপা ও ডায়মন্ড বৈধ করেছেন ব্যবসায়ীরা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র