Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

‘উৎপাদন ও সংযোজন শিল্পের কর কাঠামো থাকবে আলাদা’

‘উৎপাদন ও সংযোজন শিল্পের কর কাঠামো থাকবে আলাদা’
এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া / ছবি: বার্তা২৪
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

উৎপাদনশীল শিল্পকে গুরুত্ব দিয়ে আগামী বাজেটে উৎপাদক ও সংযোজন শিল্পের জন্য কর কাঠামো আলাদা আলাদা থাকবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া।

বুধবার (১৭এপ্রিল) এনবিআর সম্মেলন কক্ষে ইলেকট্রনিক্স এবং ইলেকট্রিক্যাল পণ্য উৎপাদক ও আমদানিকারকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি এ কথা জানান।

মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘আমরা দেশীয় শিল্প প্রসারের উদ্দেশ্যে তাদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিচ্ছি। তবে সম্প্রতি আমাদের নজরে এসেছে অনেক বড় বড় ব্র্যান্ড সংযোজন কারখানা স্থাপন করে উৎপাদকের যে সব সুবিধা রয়েছে সেগুলো নিচ্ছে। এতে উৎপাদনমুখী শিল্প বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এই সমস্যা মোকাবেলাই আমরা আগামী বাজেটে সংযোজন শিল্পকে আলাদা করে তাদের জন্য নতুন কর কাঠামো চালু করব। অনেক বড় বড় ব্র্যান্ড রয়েছে যারা বাংলাদেশে সংযোজন কারখানা স্থাপন করেছে। আমি তাদেরকে ম্যানুফেকচারিং কারখানা স্থাপনের আহ্বান জানাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের নানা সুবিধা দেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে বিভিন্ন শিল্পের ব্যপক উন্নয়ন ঘটেছে। বিশেষ করে হালকা প্রকৌশল শিল্পে অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। আমরা রফতানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জোর দিচ্ছি। তৈরি পোশাক শিল্পের উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল থাকা যাবে না। এ খাতে কোনো প্রতিযোগী আসলে বা এ শিল্পের কোনো সমস্যা দেখা দিলে আমাদের রফতানি বাণিজ্যে ধ্বস নামবে। ফলে আমরা চাচ্ছি রফতানি পণ্যের ঝুড়িতে আরও নতুন নতুন পণ্য যুক্ত করতে। এ ক্ষেত্রে ইলেকট্রনিক্স এবং ইলেকট্রিক্যাল পণ্য গুরুত্ব পেতে পারে। টিভি, ফ্রিজ, মোবাইলের ব্যপক চাহিদা রয়েছ। যারা এসব পণ্য রফতানি করতে চাই তাদের জন্য আমরা বন্ড সুবিধা এবং কর ছাড়সহ সব ধরনের সুবিধার জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করব।’

এনবিআর শুধু রাজস্ব সংগ্রহের কাজ করে না, শিল্পায়নের জন্যও কাজ করে বলেও জানান তিনি।

এর আগে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন দাবি উপস্থাপন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

ঢাকায় আন্তর্জাতিক টেক্সটেক শুরু ৪ সেপ্টেম্বর

ঢাকায় আন্তর্জাতিক টেক্সটেক শুরু ৪ সেপ্টেম্বর
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন সেমস গ্লোবালের এমডি মেহেরুন এন ইসলাম, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে টেক্সটাইল এবং গার্মেন্টস শিল্পের ২০তম আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী। ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) ৪-৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪ দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। 

এ প্রদর্শনীর পাশাপাশি একই সময় ‘১৬তম ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইয়ার্ন অ্যান্ড ফেব্রিক শো-২০১৯’ এবং ‘৩৮তম ডাই-ক্যাম বাংলাদেশ এক্সপো-২০১৯’ অনুষ্ঠিত হবে।

সোমবার (২৬আগস্ট) রাজধানীর পুরানা পল্টনের ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরামে (ইআরএফ) এক সংবাদ সম্মেলনে প্রদর্শনীর আয়োজক সেমস গ্লোবাল এসব তথ্য জানায়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে, প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে সকাল ১০টায়।এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি থাকবেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হূমায়ুন। এছাড়া ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই’র সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, বিজিএমইএ সভাপতি রুমানা হক বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রদর্শনী সার্বিক তথ্য তুলে ধরেন সেমস গ্লোবালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মেহেরুন এন ইসলাম। এ সময় আরও উপস্থিতি ছিলেন- সেমস গ্লোবালের নির্বাহী পরিচালক তানভীর কামরুল ইসলাম, মার্কেটিং ও কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান নাইম শরিফ, এজিএম কে এম খায়রুল হাসান আরিফ।

এমডি জানান, প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। প্রদর্শনীতের বিশেষ আর্কষণ থাকবে সেমিনার। একটি বুয়েটের সহয়োগিতায় অনুষ্ঠিত হবে। প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ, চীন, ভারত, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তাইওয়ান, জাপান, তুরস্ক, ইতালি, শ্রীলঙ্কাসহ মোট ২৫টি দেশের প্রায় ১২৫০টি প্রতিষ্ঠান ১৫০০টি স্টলের মাধ্যমে তাদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শন করবে। তাতে চার হাজার বিদেশি প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।

এটি বাংলাদেশের পোশাক শিল্প খাতের সর্ববৃহৎ প্রদর্শনী দাবি করে তিনি বলেন, ‘প্রদর্শনীর দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস শিল্পের আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি, সুতা, কাপড়ের বিশাল সমাহার। এছাড়া কাপড় উৎপাদক মেশিনারিজ, নতুন নতুন টেকনোলজি ও রাসায়নিক দ্রব্যের সমাহারও থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, প্রদর্শনীগুলোতে আগত দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং দর্শক, ভোক্তা, উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য ওয়ান স্টপ ও যুগোপযোগী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে, যেখানে কার্যকরী ও ফলপ্রসু যোগাযোগের মাধ্যমে উদ্যোক্তারা আধুনিক প্রযুক্তি ও সেবার সাথে পরিচিত হতে পারবেন।

এছাড়া, ভোক্তা, উদ্যোক্তা, আমদানিকারক ও সরবরাহ কারীদের সরাসরি সাক্ষাৎ ও আলাপচারিতার ফলে সকলের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে উঠবে এবং নতুন ব্যবসায়িক খাত প্রসার করবে। যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

মেহেরুন এন ইসলাম বলেন, ‘গত অর্থবছর বাংলাদেশ টেক্সটাইল ও পোশাক রফতানি শিল্পে ৩০ দশমিক ৬১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছে, যা বার্ষিক আয়ের ৮০ দশমিক ৭ শতাংশ এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে এ শিল্প হতে বছরে প্রায় ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হচ্ছে যা ২০২১ সালের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পোশাক শিল্প খাতে প্রায় ৪৪ লাখ শ্রমিক কাজ করেন, যার মধ্যে ৮০ শতাংশই নারী।’

সেমস গ্লোবালের এমডি বলেন, ‘টেক্সটাইল শিল্পগুলো বিগত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। দ্রুত অগ্রগতির ফলে টেক্সটাইল শিল্প এখন রাসায়নিক ক্রমবর্ধমান চাহিদার মুখোমুখি হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হয় যে স্থানীয় টেক্সটাইল শিল্পগুলো প্রতিবছর প্রায় ১ দশমিক ৪৮ মিলিয়ন মেট্রিকটন রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করবে এবং চাহিদার প্রায় ৭০ শতাংশ আমদানি দ্বারা পূরণ করা হবে। বাংলাদেশের এ খাতে বিশ্ববাজারে নেতৃত্ব দেওয়ার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এ নিয়ে সরকার এরইমধ্যে কৌশলগত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।’

উভয় পুঁজিবাজারে বড় দরপতন

উভয় পুঁজিবাজারে বড় দরপতন
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দেশের দুই শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসেই) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (২৬ আগস্ট) সূচকের বড় দরপতনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে এ দিনের লেনদেন কার্যক্রম। এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৫৭ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স কমেছে ১০৩ পয়েন্ট।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৪৭ কোটি ১৬ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৬৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১১২ কোটি ৩ লাখ টাকা। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৩ কোটি ১৫ লাখ শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

ডিএসই ও সিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক কমে। লেনদেনের শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক কমে ১ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক কমার প্রবণতা বাড়তে থাকে। বেলা ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক কমে ৪ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ৩ পয়েন্ট কমে। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ৮ পয়েন্ট কমে। বেলা ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ১৪ পয়েন্ট কমে। বেলা ১১টায় সূচক ১৯ পয়েন্ট কমে। বেলা ১২টায় সূচক কমে ৪৯ পয়েন্ট। বেলা ১টায় সূচক ৫৪ পয়েন্ট কমে যায়। বেলা ২টায় সূচক ৪৯ পয়েন্ট কমে। কিন্তু বেলা আড়াইটায় লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স সূচক ৫৭ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১৬৫ পয়েন্টে অবস্থান করে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ২২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৮১৯ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ১৯৩ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৪৭ কোটি ১৬ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৫৫টির, কমেছে ২৭৬টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

সোমবার দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- ইউনাইটেড পাওয়ার, সিলকো ফার্মা, ওরিয়ন ফার্মা, মুন্নু সিরামিকস, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, বিকন ফার্মা, মুন্নু স্টাফলাবস, জেএমআই সিরিঞ্জ, ভিএফএসটিডিএল এবং অ্যাডভেন্ট।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রধান সূচক সিএসইএক্স ১০৩ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৫৯৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সিএসই-৩০ সূচক ১৩১ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ৮৮২ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ১৭৬ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৮০১ পয়েন্টে অবস্থান করে।

লেনদেন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১১২ কোটি ৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- আরামিট সিমেন্ট, এলআর গ্লোবাল ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, প্রগতী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স, গোল্ডেন সন, অ্যাডভেন্ট, স্টান্ডার্ড সিরামিকস, রেকিট বেঞ্চকিজার, স্কয়ার টেক্সটাইল এবং জেনেক্সিল।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র