Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বুদ্ধিবৃত্তিক বিশ্ব গড়ার অঙ্গীকার হুয়াওয়ের

বুদ্ধিবৃত্তিক বিশ্ব গড়ার অঙ্গীকার হুয়াওয়ের
হুয়াওয়ের ডেপুটি চেয়ারম্যান কেন হু / ছবি: সংগৃহীত
টেক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রযুক্তির সঙ্গে মানুষের মেলবন্ধন এবং প্রতিদিনকার কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ব্যবহার করতে প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো সর্বত্র কাজ করে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) চীনের শেনজেনে শুরু হয় হুয়াওয়ের ১৬তম গ্লোবাল অ্যানালিস্ট সামিট। চলবে বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) পর্যন্ত। এ বছরের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘সম্পূর্ণ সংযুক্ত ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিশ্ব গড়া’র অঙ্গীকার।

এখানে অংশগ্রহণকারীরা ধারাবাহিকভাবে নতুন নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে কীভাবে একটি সম্পূর্ণ সংযুক্ত ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিশ্ব গড়া যায় সে বিষয়ে আলোচনা করেন।

এ বিষয়ে সামিটে ইন্ডাস্ট্রি ট্রেন্ড ও স্ট্র্যাটেজিক বিষয় হুয়াওয়ের ডেপুটি চেয়ারম্যান কেন হু বলেন, ‘ইতোমধ্যে বুদ্ধিবৃত্তিক বিশ্ব তৈরি হয়েছে। আমরা এটা অনুভবন করতে পারি। বিশ্বে এখন তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অবিশ্বাস্য উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘হুয়াওয়ে শুধু বাণিজ্যিক সফলতার জন্যই নয় বরং তারা ইন্ডাস্ট্রির উন্নয়ন এবং সামাজিক অগ্রগতিতে নেতৃত্ব দেবে। আর সম্পূর্ণ সংযুক্ত ও বুদ্ধিবৃত্তিক নেটওয়ার্ক উন্নয়ন এবং গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

সামিটে হুয়াওয়ের পরিচালনা পর্ষদের ডিরেক্টর এবং ইনস্টিটিউট অফ স্ট্র্যাটেজিক রিসার্চের প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম জু বলেন, ‘হুয়াওয়ে ইনোভেশন ২.০ যুগের দিকেই অগ্রসর হচ্ছে।’

ইনোভেশন ২.০ হলো লক্ষ্যভিত্তিক তাত্ত্বিক জ্ঞান ও নতুন নতুন উদ্ভাবন। ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক রিসার্চ মূলত আগামী পাঁচ বছর বা তার বেশি সময়ের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির উদ্ভাবন নিয়ে গবেষণা করবে।

হুয়াওয়ের সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আরও ৬৮০টি শিল্প ও আর্থিক বিশেষজ্ঞ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা এই সামিটে অংশ নেন। সেখানে অংশগ্রহণকারীরা ধারাবাহিকভাবে নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে কিভাবে একটি সম্পূর্ণ সংযুক্ত ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিশ্ব গড়া যায় সে বিষয়ে আলোচনা করেন।

হুয়াওয়ের প্রথম গ্লোবাল এনালিস্ট সামিট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৪ সালে।

আপনার মতামত লিখুন :

ই-কমার্স নিয়ে আবারো ভুল বুঝাবুঝি, সময় চাইলেন সংশ্লিষ্টরা

ই-কমার্স নিয়ে আবারো ভুল বুঝাবুঝি, সময় চাইলেন সংশ্লিষ্টরা
ছবিঃ বার্তা২৪.কম

বাজেটে ই কমার্স নিয়ে আবারো ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে বলে জানালেন খাত সংশ্লিষ্টরা। বিষয়টি আমলে নিয়ে অনলাইনে পণ্য ও সেবা বিক্রয়কে জাতীয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা ২০১৮ ও বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত সংজ্ঞা অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত করে আলাদা সার্ভিস হিসাবে বিবেচনা করা এবং নতুন সেবা কোড বরাদ্দ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে এই খাতের জাতীয় সংগঠন ই-কমার্স  অ্যাসোসিয়েশন   অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) 

মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এ বিষয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে সংগঠনটি। 

সম্মেলনে জানানো হয়, ইতিমধ্যে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন প্রতিনিধি বৃন্দ এনবিআর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় , আইসিটি বিভাগ , এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে একাধিকবার বৈঠক করে বাজেটে ই-কমার্স এর সংজ্ঞা পরিবর্তন, ভুল সংশোধন এবং অনলাইন মার্কেটপ্লেসের উপর আরোপিত ভ্যাট অব্যাহতি সহ বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা পেশ করেছেন। ই-ক্যাব এর প্রস্তাবনার উপর সম্মতি জানিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং আইসিটি বিভাগ থেকে দুটি অফিসিয়াল চিঠিও এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়েছে। 

সংবাদ সম্মেলনে ভারতে ই-কমার্সের উপর কোন ভ্যাট নেই উল্লেখ করে  শমী কায়সার বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশেই ই-কমার্সের উপর ভ্যাট নেই। বাংলাদেশেও এই খাতটি একদমই নতুন। যখন এই খাত টি মাত্র দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে তখন এমন ধরনের সিদ্ধান্ত ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাঁধা গ্রস্ত করবে। 

ই-কমার্স খাতে ভ্যাট সরকারের ডিজিটাল সেবা খাত বিকাশে বাধাগ্রস্ত করবে উল্লেখ করে ই-ক্যাব সেক্রেটারি মোহাম্মাদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল বেলেন,  আমরা সরকারের রাজস্ব বাড়ানোর উদ্যোগের সঙ্গে এক মত। কিন্তু তাই বলে বৃহত্তর স্বার্থে স্বল্প মেয়াদী আয়ের বিনিময়ে নয়।
এ কারণেই আমরা ই-কমার্সের সংজ্ঞাকে পরিষ্কার করতে চাই। যাদের ফিজিক্যাল কোনও স্টোর নেই, কেবল অনলাইনেই পণ্য বিক্রি করেন শুধু সেসব প্রতিষ্ঠানকেই ভ্যাটের আওতামুক্ত রাখার দাবি জানাই। কেননা অনলাইন ব্যবসায় করেন তারা বাজার থেকে পণ্য কেনার সময়ই একদফা ভ্যাট দিয়ে থাকেন। এরপরও যদি পুনরায় তাদেরকে ভ্যাট দিতে হয় তবে তাদেরকে দুই দফা কর দিতে হবে। আর এই করভার কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভোক্তার ওপর গড়াবে। অর্থাৎ অনলাইনে পণ্য মূল্য বেড়ে যাবে। তখন কেউ অনলাইনে কেনা-কাটা করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন।
তিনি জানান, ই-ক্যাব আগামী তিন বছরে সারাদেশে আরও ১০ লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে ই-কমার্সের সঙ্গে প্রায় ৫০ হাজার উদ্যোক্তা সরাসরিভাবে জড়িত। ই-কমার্সের উপর প্রস্তাবিত ভ্যাট তাদের সবার জন্যই একটা মারাত্মক ঝুঁকির ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে। শুধু উদ্যোক্তাদের এই খাতে আসলেই চলবে না, গ্রাহকদেরও নিয়ে আসতে হবে। নতুন করে এই খাতের উপর প্রস্তাবিত ভ্যাট উদ্যোক্তা-গ্রাহক উভয়কেই এ খাত থেকে দূরে সরিয়ে দিবে।  

ই-ক্যাব সভাপতি শমী কায়সারের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ: আব্দুল ওয়াহেদ তমাল, অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল হক সহ ই-ক্যাব কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পরিচালকবৃন্দ । 

 

অর্থ হাতিয়ে নিতে হ্যাকারদের টার্গেট গুগলের অ্যাপস

অর্থ হাতিয়ে নিতে হ্যাকারদের টার্গেট গুগলের অ্যাপস
গুগলের অ্যাপস, ছবি: সংগৃহীত

সাইবার হামলা সম্পর্কে যাদের টুকটাক ধারণা আছে তারা হয়ত প্রায়ই শুনে থাকেন ফিশিং মেইলের কথা। এর মাধ্যমে হ্যাকাররা লিংক পাঠিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেয়। কিন্তু এবার গুগলের অ্যাপ ব্যবহার করে ভিন্ন কায়দায় মানুষকে বিপর্যস্ত করছে হ্যাকাররা।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়্যার্ড ম্যাগাজিনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে হ্যাকাররা গুগলের বিভিন্ন অ্যাপের ডিফল্ট সেটিংসের মাধ্যমে মানুষের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য চুরি করে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এরমধ্যে গুগলের ক্যালেন্ডার অ্যাপসহ অন্যান্য অ্যাপগুলো ব্যবহার করে হ্যাকাররা এসব অবৈধ কাজ করছে।

গুগলের ফটোস থেকে প্রাইজ মানি অফার, গুগল ম্যাপসে ভুয়া বিজনেস প্রোফাইল, সার্চ রেজাল্টে ভুয়া ইমেজ প্রকাশ এবং গুগল সার্ভে ব্যবহার করেও মানুষকে হয়রানির করছে হ্যাকাররা।

কীভাবে হ্যাক করে?

হ্যাকাররা ক্যালেন্ডার অ্যাপের মাধ্যমে বিনা অনুমতিতে ইউজারের কার্য তালিকার মধ্যে ‘ইনভাইটেশন’ পাঠানোর ফিচারের অপব্যবহার করে এই কাজ করছে।

ইভেন্টের আগে ‘রিমাইন্ডার’ ফিচারটিকে হ্যাকাররা কাজে লাগিয়ে ব্যাংকিং লেনদেন সংক্রান্ত ইনভাইটেশন দিয়ে ইউজারকে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্যাদি এবং গোপন নম্বর দিয়ে লেনদেন সম্পন্ন করতে বলা হয়। এতে করে হ্যাকাররা আপনার ব্যাংকের তথ্য এবং গোপন নম্বর পেয়ে আপনার অ্যাকাউন্ট ফাঁকা করে দিতে পারে।

এছাড়া পুরস্কার জেতা, বিজয়ী ঘোষণা এবং লটারি জেতার মত নোটিফকেশনে ইভেন্ট লিংক পাঠাবে। তাই গ্রাহক গুগল ক্যালেন্ডার থেকে ইভেন্ট মনে করে নিজেদের গোপন তথ্য দিয়ে বিপদে পড়তে পারেন।

অন্যদিকে ইউজাররা ইভেন্ট লিংকে প্রবেশ অথবা ইভেন্টটি ডিলিট না করা পর্যন্ত এ নোটিফিকেশন আসতেই থাকবে।

তাহলে কী করবেন?

অপ্রত্যাশিত এসব বিপদ থেকে বাঁচতে গুগলের ক্যালেন্ডার সেটিংসে গিয়ে ‘অটোম্যাটিক অ্যাড ইনভাইটেশন’ অপশনটি বন্ধ করে দিতে হবে। এরপরে নিচের দিকে স্ক্রোল করে ‘শো ডিক্লাইন্ড ইভেন্টসের’ টিক মার্ক তুলে দিতে হবে। ফলে ফেক ইনভাইটেশনের ঝামেলা থেকে আপনাকে মুক্ত রাখবে।

এছাড়াও অপ্রোয়জনীয় বিশ্বস্ত সাইট না হলে সেসব সাইটগুলো এড়িয়ে চলাই উত্তম।

সূত্র:গ্যাজেটস নাও

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র