Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

মুজিবনগর দিবসে রাবিতে আলোচনা সভা

মুজিবনগর দিবসে রাবিতে আলোচনা সভা
মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) আলোচনা সভা, ছবি: বার্তা২৪.কম
রাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৭ এপ্রিল) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ সিনেট ভবনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুনুর রশীদ।

তিনি বলেন, ‘বাঙালি জাতির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলার আম্রকানন বাঙালির ইতিহাসে একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে সংজ্ঞায়িত হয়ে থাকবে। ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ স্বাধীণতার ঘোষণার ধারাবাহিকতায় ১০ এপ্রিল সরকার গঠন করা হয়। মুজিব রাজনীতির শুধু কবি নন, রাজনীতির একজন শিল্পীও বটে।’

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান বলেন, ‘মুজিবনগর সরকার গঠিত না হলে মুক্তিযোদ্ধা পরিচালনায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতো। আমাদের তরুণ প্রজন্মকে অবশ্যই মুজিবনগর সরকার গঠনের তাৎপর্য জানা উচিত। হাজার বছরেও বঙ্গবন্ধুর মতো আর কেউ আবির্ভূত হননি। বঙ্গবন্ধুর মতো নিঃস্বার্থভাবে, স্বার্থত্যাগ ও নিপীড়ন সহ্য করা নেতা বিশ্বে আর দুটো নেই। বঙ্গবন্ধুর ত্যাগের জায়গা কেউই অতিক্রম করতে পারে নি। মুক্তিযোদ্ধাদের মনে প্রাণে ছিল বঙ্গবন্ধুর আদর্শ।’

বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক ও পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এম মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. চৌধুরী মো. জাকারিয়া, অধ্যাপক ড. আনন্দ কুমার সাহা ও কোষাধ্যাক্ষ এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান আল-আরিফ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. চিত্ররঞ্জন মিশ্র।

আপনার মতামত লিখুন :

বেরোবিতে আন্দোলনরত কর্মচারীদের ওপর হামলা

বেরোবিতে আন্দোলনরত কর্মচারীদের ওপর হামলা
দাবি আদায়ে আন্দোলনরত কর্মচারীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে/ ছবি: বার্তা২৪.কম

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) বকেয়া বেতন ভাতা প্রদান, চাকরি স্থায়ীকরণসহ চার দফা দাবিতে আন্দোলনরত কর্মচারীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন কর্মচারীরা।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিকাল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আন্দোলনরত কর্মচারীদের ওপর এ হামলার ঘটনাটি ঘটেছে।

ঘটনার প্রতিবাদে কয়েক দফায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন কর্মচারীরা। এ সময় হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি তাদের চার দফা দাবি মেনে নিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561467037988.jpg

জানা গেছে, আন্দোলনরত কর্মচারীরা দাবি আদায়ে মঙ্গলবার সকালে প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। বিকালে পুলিশ-প্রশাসনের উপস্থিতিতে কয়েকজন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করে প্রশাসনিক ভবনে লাগানো তালা হাতুড়ি দিয়ে ভেঙে ফেলেন।

এ সময় কর্মচারীরা বাধা দিলে পরিস্থিত উত্তপ্ত হয়ে উঠে এবং শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

আন্দোলনরত কর্মচারীরা বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘দাবির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবগত করেছি। কিন্তু ভিসি দাবি না মেনে উল্টো ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করতে অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561467059453.jpg

এ বিষয়ে কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাসুম খান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'আমাদের ন্যায্য দাবি মেনে না নিয়ে উল্টো শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দিয়ে হামলা করা হলো। এটা অন্যায়। এখন ভিসি আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিয়েছেন।’

অন্যদিকে কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সমন্বয়ক মাহবুবার রহমান বার্তা২৪.কম-কে জানান, অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো সহযোগিতা বা আলোচনার ইঙ্গিত না দিয়ে শিক্ষার্থীদের লেলিয়ে আকস্মিকভাবে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।’

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র তাবিউর রহমান প্রধানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবে ইবি

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবে ইবি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, ছবি: বার্তা২৪

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রশাসন। মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৬তম একাডেমিক কাউন্সিল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় বিষয়টি উত্থাপিত হলে কাউন্সিলের সদস্যরা একমত পোষণ করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিমতোহা, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি ও শিক্ষকরা।

সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘বিষয়টি এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই মহামান্য রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মান রেখে এবং ভর্তিচ্ছুদের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, গত ১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গভবনে ৪৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাষ্ট্রপতি। ওই সময় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার আহ্বান জানান তিনি। যদিও গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা চালুর পক্ষে মত দিয়ে আসছেন শিক্ষাবিদরা। কিন্তু উপাচার্যদের অসহযোগিতাসহ নানা কারণে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র