Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

ময়মনসিংহ সিটির প্রথম মেয়র টিটু 

ময়মনসিংহ সিটির প্রথম মেয়র টিটু 
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মসিকের মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন ইকরামুল হক টিটু/ ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ময়মনসিংহ
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

৯ বছর ময়মনসিংহ পৌরসভার মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন ইকরামুল হক টিটু। ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) প্রথম প্রশাসকও ছিলেন। এখন তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মসিকের প্রথম মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।

ইকরামুল হক টিটু মেয়র হতে যাচ্ছেন, এই বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছিল মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) বিকালেই। জাতীয় পার্টির প্রার্থী জাহাঙ্গীর আহমেদ মেয়র পদে নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অন্য রকম এক উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছিল ময়মনসিংহে। ইকরামুল হক টিটু ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মসিক নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো: আলীমুজ্জামান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র হিসেবে ইকরামুল হক টিটুর নাম ঘোষণা করেন। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে ভোটগ্রহণের পর গেজেট আকারে বিষয়টি প্রকাশ করা হবে। 

মসিক নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন পাঁচ জন। এর মধ্যে আবু মো. মুসা সরকার, শহীদুল ইসলাম স্বপন মণ্ডল ও বিশ্বজিৎ ভাদুরী ভোটারের স্বাক্ষর জালের ঘটনায় ফেঁসে গিয়ে প্রার্থিতা হারান। পরে বিভাগীয় কমিশনারের কাছে তাদের আপিলও বাতিল হয়ে যায়। 

এই অবস্থায় মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে থেকে যান ইকরামুল হক টিটু ও জাহাঙ্গীর আহমেদ। মঙ্গলবার বিকেলে জাহাঙ্গীর নগরীর স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। পরে বুধবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আবেদন করে নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর ইকরামুল হক টিটু বলেন, ‘জননেত্রী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছিলেন এবং আমি নির্বাচিত হয়েছি। আমি অতীতের মতোই প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন ও মডেল ময়মনসিংহ গড়তে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবো।’

প্রসঙ্গত, আগামী ৫ মে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের ভোটের দিন নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন। এই নির্বাচনের মোট ভোটার দুই লাখ ৯৬ হাজার ৩৮ জন। ১২৭টি ভোটকেন্দ্রের সবগুলোতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ মেয়র প্রার্থী, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ভোট কাস্টের আটভাগের একভাগ ভোট না পাওয়ায় তিন মেয়র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৪ জুন) হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে চারজন আওয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা।

নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু নারকেল গাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জ পৌরসভায় মোট ভোটার ৪৭ হাজার ৮২০। এর মধ্যে কাস্ট হয় ২১ হাজার ১১৭ ভোট। কস্টিং ভোটেরে আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি তিন প্রার্থী। ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।

তারা হলেন- বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

জেলা রিটানিং অফিসার মো. খোর্শেদ আলম জানান, কাস্টিং ভোটের আটভাগের একভাগ ভোট না ফেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তিনজন প্রার্থী সেই পরিমাণ ভোট পাননি। তাই তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে।

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান
মিজানুর রহমান মিজান, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। তিনি হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু (নারকেল গাছ) পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা খোর্শেদ আলম এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

অন্য তিন প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

এর আগে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত একযোগে ২০টি কেন্দ্রে ইভিএম’র মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বী করেন। এর মধ্যে চারজন আয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা। নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৪৪ শতাংশ।

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে গত ২৮ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র জি কে গউছ। ফলে মেয়র পদটি শূন্য ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এই শূন্য পদে সোমবার (২৪ জুন) উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র